• ই-পেপার

মুশফিক ফারহান

জীবন একটাই, এটাকে হেলাফেলা করবেন না

বক্স অফিসে নোলানের ‘দ্য ওডিসি’র ঝড়, আয় ২৫৭ মিলিয়ন ডলার

অনলাইন ডেস্ক
বক্স অফিসে নোলানের ‘দ্য ওডিসি’র ঝড়, আয় ২৫৭ মিলিয়ন ডলার
সংগৃহীত ছবি

আবারও বক্স অফিসে ঝড় তুলেছেন হলিউড পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলান। তার নতুন সিনেমা ‘দ্য ওডিসি’ মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই বিশ্বজুড়ে প্রায় ২৫৭ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩১,৭৪১ বিলিয়ন টাকা।

রবিবার (১৯ জুলাই) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এটি নোলানের ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বিশ্বব্যাপী ওপেনিং। সিনেমাটি ‘ওপেনহাইমার’ ও ‘দ্য ডার্ক নাইট রাইজেস’-এর উদ্বোধনী আয়ের রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেছে।

দ্য হলিউড রিপোর্টারের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর আমেরিকা থেকে সিনেমাটি প্রায় ১২৫ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। বিদেশের বাজার থেকে এসেছে প্রায় ১৩২ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার।

আগাম টিকিট বিক্রি, হাউসফুল আইম্যাক্স শো এবং দর্শকদের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সিনেমাটির বড় সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ভারতের বক্স অফিসেও ভালো ব্যবসা করছে ‘দ্য ওডিসি’। মুক্তির দ্বিতীয় দিনে সিনেমাটির আয় আরও বেড়েছে।

বাণিজ্য বিশ্লেষক সংস্থা স্যাকনিল্কের হিসাবে, ভারতে দ্বিতীয় দিনে সিনেমাটি ২২ কোটি রুপি নেট আয় করেছে। প্রথম দিনে আয় হয়েছিল ১৭ দশমিক ৪ কোটি রুপি। অর্থাৎ দ্বিতীয় দিনে আয় বেড়েছে ২৬ দশমিক ৪ শতাংশ।

দেশজুড়ে ৮ হাজার ৭৯১টি শোতে প্রদর্শিত হয়েছে সিনেমাটি।

দুই দিনে ভারতে ‘দ্য ওডিসি’র নেট আয় দাঁড়িয়েছে ৩৯ দশমিক ৪ কোটি রুপি। আর গ্রস আয় ৪৭ দশমিক ০৩ কোটি রুপি।

এতে ভারতীয় দর্শকদের মধ্যে নোলানের জনপ্রিয়তা আবারও স্পষ্ট হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ক্রিস্টোফার নোলানের লেখা ও পরিচালনায় নির্মিত ‘দ্য ওডিসি’ প্রাচীন গ্রিক কবি হোমারের মহাকাব্য ‘দ্য ওডিসি’ অবলম্বনে তৈরি।

সিনেমায় ওডিসিয়াস চরিত্রে অভিনয় করেছেন ম্যাট ডেমন। টেলেম্যাকাস চরিত্রে টম হল্যান্ড এবং পেনেলোপ চরিত্রে অ্যান হ্যাথাওয়ে অভিনয় করেছেন। অ্যান্টিনোয়াস চরিত্রে রয়েছেন রবার্ট প্যাটিনসন।

এ ছাড়া সিনেমায় অভিনয় করেছেন শার্লিজ থেরন, লুপিতা নিয়ং’ও, জেন্ডায়া, জন বার্নথাল, হিমেশ প্যাটেল, জন লেগুইজামো ও মিয়া গোথ।

ট্রয় যুদ্ধের পর রাজা ওডিসিয়াসের ইথাকায় ফেরার কঠিন যাত্রা নিয়েই সিনেমার গল্প। পথে তাকে নানা পৌরাণিক প্রাণী ও ভয়ংকর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়।

অ্যাডভেঞ্চারের পাশাপাশি ওডিসিয়াস ও তার স্ত্রী পেনেলোপের সম্পর্কও সিনেমায় তুলে ধরা হয়েছে।

‘ওপেনহাইমার’-এর পর এটিই নোলানের প্রথম সিনেমা। ‘ওপেনহাইমার’ সাতটি অস্কার জিতেছিল। এর মধ্যে সেরা ছবির পুরস্কারও ছিল।

সিনেমা মুক্তির আগে ম্যাট ডেমন, টম হল্যান্ড ও প্রযোজক এমা থমাসকে সঙ্গে নিয়ে ভারতে এসেছিলেন নোলান। ১৭ জুলাই সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়।

উল্লেখ্য সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন থেকে ‘এ’ সার্টিফিকেট পেয়েছে সিনেমাটি। তবে কোনো দৃশ্য কাটছাঁট করা হয়নি।

বলিউডের স্বপ্ন ঘুমের বড়িতে শেষ

অনলাইন ডেস্ক
বলিউডের স্বপ্ন ঘুমের বড়িতে শেষ
করণ কক্কড়। ছবি : সংগৃহীত

বাস্তবে উত্তেজনাকর বা অবিশ্বাস্য কোনো ঘটনা ঘটলে আমরা বলি সিনেমার মতো। কিন্তু বাস্তব যে কখনো কখনো সিনেমাকেও হার মানাতে পারে করণ কক্কড়ের হত্যাকাণ্ড তার প্রমাণ।

ব্যবসায়ী করণ কক্কড় দিল্লী থেকে মায়ানগরী মুম্বাই এসেছিলেন প্রযোজক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে। ঘাতকরা শেষ সময়ে তার সামনে দুটি বিকল্প রাখে—জ্যান্ত অবস্থায় ব্লেড দিয়ে তার গলা কেটে ফেলবে, নাকি করণ নিজে ঘুমের বড়ি খাবেন। করণ দ্বিতীয় বিকল্পটি বেছে নিয়েছিলেন। ঘুমের বড়িতেই শেষ হয় তার স্বপ্ন।

ঘটনাটি ২০১২ সালের। ১৪ বছর পরও পরিবার বিচারের আশায় দিন গুনছে। দিল্লিতে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের ব্যবসা করতেন ২৮ বছর বয়সী করণ। কিন্তু তার চোখজুড়ে ছিল বলিউডের স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন নিয়েই ২০১২ সালে মুম্বাইয়ে পা রাখেন করণ কক্কড়।

মুম্বাই এসেই চেষ্টা করেন সিনেমা সার্কেলে চলাফেরা করতে। নতুন সার্কেলের লাইফস্টাইলের সঙ্গে তাল মেলাতে আন্ধেরির ওবেরয় স্প্রিংসে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ভাড়া নেন। আর জাতে ওঠার জন্য কিনে নেন সেকেন্ড হ্যান্ড একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি।

পরিবার তার এই স্বপ্নপূরণে তার পাশেই ছিল। বাড়ি ভাড়া ও গাড়ি কেনার জন্য তারা সহায়তাও করেছে। নিজেকে দেখাতে গিয়ে বলিউডের কারো কারো সঙ্গে যোগাযোগ যেমন হয়েছে, তেমনি নজরে পড়েছেন সন্ত্রাসীদেরও।

সিনেমার মতো এ গল্পেও একজন নারী আছেন। তিনি মুম্বাইয়ের তখনকার উঠতি মডেল সিমরান সুদ। নামে মডেল হলেও সিমরান আসলে ছিল সন্ত্রাসী বিজয় পালান্দে গ্রুপের সদস্য। তার দায়িত্ব ছিল পয়সাওয়ালা মক্কেল ধরে আনা। করণের ট্যাকে ভালোই টাকাপয়সা আছে এবং তিনি সিনেমায় বিনিয়োগ করতে চান, এটা জানতে পেরে সিমরান তার সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতান এবং আস্থা অর্জন করেন। লোভ দেখান বলিউডের বড় বড় ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেওয়ার।

২০১২ সালের ৫ মার্চ সিনেমার প্রজেক্ট মিটিংরে কথা বলে সিমরান তাকে ডেকে নেন মুম্বাইয়ের একটি ভাড়া করা ফ্ল্যাটে। সেটি আসলে কোনো মিটিং ছিল না, ছিল একটি মৃত্যুফাঁদ। সেই ফ্ল্যাটে অপেক্ষা করছিল করণের মৃত্যুদূত কুখ্যাত গ্যাংস্টার বিজয় পালান্দে এবং তার সহযোগীরা।

ফ্ল্যাটে ঢোকামাত্রই করণকে আটকে ফেলা হয়। মারধোর করে কেড়ে নেওয়া হয় তার বিভিন্ন ব্যাংকর ডেবিট কার্ড ও ক্রেডিট কার্ড। সন্ত্রাসীরা তার একাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেয়, আর ক্রেডিট কার্ড দিয়ে দেদারসে শপিং করে। টাকা শেষ হতেই তারা করণকে খুনের পরিকল্পনা করে। পরে পুলিশের কাছে বিজয় পালান্দে নিজেই স্বীকার করে সেই রোমহর্ষক মুহূর্তের কথা।

করণকে বেছে নিতে বলা হয়, মৃত্যুর দুটি পথ। যন্ত্রণাহীন মৃত্যুর আশায় করণ ১৪টি ঘুমের বড়ি খান। ওষুধ কাজ শুরু করতেই বাথরুমে নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর গলা কেটে ফেলা হয়। এরপর প্রমাণ লোপাটের জন্য করণের দেহ টুকরো টুকরো করে কেটে তাঁরই সাধের বিএমডব্লিউ গাড়িতে তোলা হয়। 

মুম্বাইয়ের জাতে উঠতে কেনা বিএমডব্লিউ গাড়িতে করেই করণের মরদেহের টুকরোগুলো মুম্বাই থেকে ২৭৬ কিলোমিটার দূরে কুম্ভার্লি ঘাটের গভীর জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়। এরপর পালান্দে পুনের পরিচিত এক ব্যবসায়ীর গ্যারেজে করণের বিএমডব্লিউ গাড়িটি রেখে দেয়। পালান্দে সেই ব্যবসায়ীকে বলেন, তিনি বিদেশে যাবেন, তাই গাড়িটি যেন কিছুদিন তার কাছে রাখা হয়। পরে ঘটনা জানতে পেরে সেই ব্যবসায়ীই পুলিশের কাছে গাড়িটি হস্তান্তর করে।

হঠাৎ করে করণের হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি তার ভাই হানিশ কক্বড়। মুম্বাই এসে ভাইয়ের খোঁজখবর শুরু করেন। একটি শপিং মলের সিসিটিভি ফুটেজে তিনি দেখতে পান দুই ব্যক্তি করণের এটিএম কার্ড ব্যবহার করছে। হানিশ পুলিশকে সেই তথ্য জানালেও পুলিশ তার কথা আমলে নেয়নি।

২০ দিন মুম্বাই থেকেও কোনো কুলকিনারা করতে না পেরে হানিশ দিল্লি ফিরে যান। পরের মাসে আরেক ব্যবসায়ী অরুণ টিক্কু হত্যাকাণ্ডে বিজয় পালান্দেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তখন টিভিতে তার মুখ দেখে চমকে ওঠেন হানিশ। তিনি বুঝতে পারেন তার ভাইয়ের নিখোঁজ হওয়ার পেছনেও এই গ্যাংস্টার রয়েছে। তিনি দ্রুত মুম্বাই এসে ক্রাইম ব্রাঞ্চের কাছে তার সন্দেহের কথা জানান। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে পালান্দে করণ হত্যার কথা স্বীকার করে এবং ঘটনার বীভৎস বর্ণনা দেয়। 

তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ২০১২ সালের ১৬ এপ্রিল পুলিশ কুম্ভার্লি ঘাট থেকে করণের কঙ্কালের টুকরো উদ্ধার করে এবং ডিএনএ টেস্টে তার পরিচয় নিশ্চিত হয়। সেখান থেকে পুলিশ করণের একটি রূপার ব্রেসলেট ও স্যামসাং গ্যালাক্সি ট্যাব এবং রক্তমাখা একটি ছুরিও উদ্ধার করেন। অপরাধের পুরো ঘটনাটি পুনর্নিমাণ করতে সাহায্য করবে ভেবে তদন্তকারীরা তার ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে করা লেনদেনগুলোও খতিয়ে দেখেছে।

সিনেমার মতো এখানে অপরাধীদের সহায়তাকারী হিসেবে উঠে আসে পুলিশের দুই সদস্যের নামও। কনস্টেবল অমল দেশপান্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ওবেরয় স্প্রিংসে ফ্ল্যাট ভাড়া নিতে এবং পরিচয় গোপন করতে পালান্দে এবং সিমরানকে সহায়তা করেছেন। আর পালান্দের আত্মীয় ইন্সপেক্টর সঞ্জয় শিন্ডে করণের পরিবারের সন্দেহের পরও পালান্দেকে হয়রানি না করতে পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করেছিলেন। সঞ্জয় শিন্ডের গাড়িও বিভিন্ন সময়ে পালান্দে ব্যবহার করতেন।

ঘটনার ১৪ বছর পেরিয়ে গেলেও ন্যায়বিচার পাননি করণের পরিবার। এমনকি দ্বারে দ্বারে ঘুরেও তারা করণের ডেথ  সাটিফিকেট জোগাড় করতে পারেননি। ফলে করণের একাউন্টে থাকা বাকি অর্থও তুলতে পারেননি। বিচারের আশায় হানিশ কক্কড় তার মাকে নিয়ে প্রায়ই দিল্লি থেকে মুম্বাই আসেন। প্রতিটি সফরই তাদের পুরনো বেদনাকে তাজা করে। কিন্তু বিচার বা ডেথ সাটিফিকেট কিছুই মেলেনি এখনো।

করণ কক্কড় ও অরুণ টিক্কু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিজয় পালান্দে এখনো কারাগারেই আছেন। এই মামলায় তার সহযোগী ধনঞ্জয় শিন্ডে ও মনোজ গজকোশও জেল খাটছেন। তবে তিনবছর কারাগারে থাকার পর জ্মিনে ছাড়া পেয়েছেন সিমরান সুদ। করণের এই হত্যাকাণ্ড এখনো মুম্বাইয়ের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অপরাধগুলোর একটি হয়ে রয়েছে।

নোলানের ‘দ্য ওডিসি’ প্রিমিয়ারে ভারতীয় কারুশিল্পের ঝলক

অনলাইন ডেস্ক
নোলানের ‘দ্য ওডিসি’ প্রিমিয়ারে ভারতীয় কারুশিল্পের ঝলক
সংগৃহীত ছবি

হলিউড পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলানের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘দ্য ওডিসি’ বিশ্বজুড়ে মুক্তি পেয়েছে ১৭ জুলাই। সিনেমাটির নিউ ইয়র্ক প্রিমিয়ারে ছিল ভারতীয় কারুশিল্পের বিশেষ ছোঁয়া।

শনিবার (১৮ জুলাই) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রিমিয়ারে কালো স্যুট ও সাদা শার্ট পরেছিলেন ক্রিস্টোফার নোলান। তবে সবার নজর কাড়ে তার গলায় থাকা বিশেষ একটি আজরাখ সিল্কের টাই।

g

 

নিউইয়র্কভিত্তিক ভারতীয় ডিজাইনার আহান ট্যান্ডন টাইটি তৈরি করেছেন। তিনি নোলানের ছবি ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করেন। ছবিতে অভিনেতা ম্যাট ডেমন ও অ্যান হ্যাথাওয়েকেও দেখা যায়।

আজরাখ গুজরাটের কচ্ছ অঞ্চলের শত বছরের পুরনো একটি ব্লক প্রিন্টিং ও রং করার পদ্ধতি। গাঢ় নীল ও লাল রং এবং জ্যামিতিক নকশার জন্য এটি পরিচিত।

কারিগররা কাঠের নকশা করা ব্লক ব্যবহার করেন। গাছপালা ও খনিজ থেকে তৈরি প্রাকৃতিক রংও ব্যবহার করা হয়। কাপড়টি কয়েক দফা ছাপা, ধোয়া ও রং করা হয়। এতে কাপড়ে তৈরি হয় গাঢ় ও স্তরযুক্ত নকশা।

নোলানের পাশাপাশি প্রিমিয়ারে ভারতীয় গয়নার ছোঁয়াও দেখা গেছে।

সিনেমাটিতে হেলেন অব ট্রয় ও ক্লাইটেমনেস্ট্রা—দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন লুপিতা নিয়ংও। নিউ ইয়র্ক প্রিমিয়ারে সোনালি গাউন পরেছিলেন তিনি।

তার সাজে ছিল ভারতীয় ডিজাইনার সব্যসাচীর বিশেষ গয়না। গলায় ছিল পাঁচ স্তরের মুক্তার হার। মুক্তার সঙ্গে সোনার কাজ করা ছিল এতে।

হারের মাঝখানে ছিল দুটি বড় অপরিশোধিত পোলকি হীরা। দুটির মোট ওজন ১১ দশমিক ২১ ক্যারেট। গয়নায় সব্যসাচীর পরিচিত হাতে খোদাই করা বেঙ্গল টাইগার পেনডেন্টও ছিল।

এর সঙ্গে ১৮ ক্যারেট সোনার বেঙ্গল টাইগার আংটি পরেছিলেন লুপিতা। আংটিতে ছিল পুরোনো খনি-কাটা হীরা ও উজ্জ্বল নীলকান্তমণি।

k

‘দ্য ওডিসি’ সিনেমায় ম্যাট ডেমন, টম হল্যান্ড, জেন্ডায়া, অ্যান হ্যাথাওয়ে ও শার্লিজ থেরনও অভিনয় করেছেন।

সিনেমাটির গল্প ট্রয় যুদ্ধের পর ওডিসিয়াসের ১০ বছর ধরে বাড়ি ফেরার যাত্রাকে ঘিরে। প্রতিশোধপরায়ণ দেবতা, দানব ও জাদুর কারণে তার এই যাত্রা আরো কঠিন হয়ে ওঠে।

দীর্ঘদিনের প্রেমিক উইলিয়ামকে বিয়ে করলেন জেনিফার উইঙ্গেট

অনলাইন ডেস্ক
দীর্ঘদিনের প্রেমিক উইলিয়ামকে বিয়ে করলেন জেনিফার উইঙ্গেট

জীবনের নতুন এক অধ্যায় শুরু করলেন ভারতের জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী জেনিফার উইঙ্গেট। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) যুক্তরাজ্যে এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানে দীর্ঘদিনের প্রেমিক উইলিয়াম ইসমাইলের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি। শনিবার (১৮ জুলাই) ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করে অভিনেত্রী নিজেই এই সুখবরটি ভক্তদের জানিয়েছেন।

বোম্বে টাইমসের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেনিফার ও উইলিয়ামের এই বিয়েটি ছিল সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক একটি আয়োজন। খ্রিস্টীয় রীতিতে সাদা পোশাকে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শুধু তাদের পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাই উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরেই তাদের প্রেম নিয়ে গুঞ্জন থাকলেও, বিয়ের আগে পর্যন্ত এই জুটি নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন।

ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, গির্জায় জেনিফার ও উইলিয়াম বিয়ের শপথ বিনিময় করছেন এবং সুন্দর কিছু মুহূর্তের ফটোশুট করছেন। ভিডিওর শেষে লেখা ছিল, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি আমার প্রিয় মানুষ, আমার স্বামী, উইলের সঙ্গে।’ ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘এবং অবশেষে আমাদের ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলো।’

জেনিফারের স্বামী উইলিয়াম ইসমাইল সিঙ্গাপুর-ভিত্তিক একজন অর্থায়ন পেশাজীবী। উল্লেখ্য, এটি জেনিফার উইঙ্গেটের দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে তিনি টেলিভিশন অভিনেতা করণ সিং গ্রোভারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে ২০১৪ সালের নভেম্বরে তারা আলাদা হয়ে যান এবং ২০১৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়।

জীবন একটাই, এটাকে হেলাফেলা করবেন না | কালের কণ্ঠ