• ই-পেপার

২০ মিনিট দৃশ্য বাড়াল ‘পুষ্পা ২’

‘হার্ট অব দ্য বিস্ট’ নিয়ে ফিরছেন ব্র্যাড পিট

অনলাইন ডেস্ক
‘হার্ট অব দ্য বিস্ট’ নিয়ে ফিরছেন ব্র্যাড পিট
সংগৃহীত ছবি

মুক্তি পেয়েছে হলিউড সুপারস্টার ব্র্যাড পিটের নতুন সারভাইভাল থ্রিলার সিনেমা ‘হার্ট অফ দ্য বিস্ট’-এর ট্রেলার। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত এই ছবিটি। প্যারামাউন্ট পিকচার্স বৃহস্পতিবার (১১ জুন) তাদের অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ছবিটির ট্রেলারটি প্রকাশ করে।

সিনেমায় ব্র্যাড পিট ‘জেমস বেলমন্ট’ নামের সেনাবাহিনীর স্পেশাল ফোর্সের একজন প্রাক্তন সৈনিকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ট্রেলারে দেখা যায়, আলাস্কার গভীর অরণ্যে এক বিমান দুর্ঘটনায় পড়ার পর জেমসের সভ্য জগতে ফিরে আসার কঠিন লড়াই শুরু হয়। এই চরম প্রতিকূলতার মাঝে তার একমাত্র সঙ্গী হয় ‘ওডিন’ নামের একটি অবসরপ্রাপ্ত সার্ভিস কুকুর। ওডিন কেবল তাকে বন্য পরিবেশের নানা বিপদ থেকেই রক্ষা করে না, বরং বিমানটি সমুদ্রে বিধ্বস্ত হওয়ার পর তাকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচায়। ট্রেলারে পিটের একটি সংলাপ দর্শকদের বেশ নজর কেড়েছে, যেখানে তিনি বলেন—‘লড়াইয়ে কুকুরের আকার বড় কথা নয়, বরং কুকুরের ভেতরের লড়াই করার মানসিকতাটাই আসল।’

সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন বিখ্যাত নির্মাতা ডেভিড আয়ার। এর আগে ২০১৪ সালে ব্যবসা সফল ‘ফিউরি’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছিলেন ব্র্যাড পিট ও ডেভিড আয়ার। দীর্ঘ এক দশক পর এই প্রজেক্টের মাধ্যমে আবারও পর্দায় ফিরছে এই সফল জুটি। 

সূত্র : এনডিটিভি

কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চ মাতাতে প্রস্তুত নোরা ফাতেহি

অনলাইন ডেস্ক
কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চ মাতাতে প্রস্তুত নোরা ফাতেহি
সংগৃহীত ছবি

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে কানাডার টরন্টো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এক জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, যেখানে মূল আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে থাকছেন বলিউড সেনসেশন ও গ্লোবাল পারফর্মার নোরা ফাতেহি। বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে কানাডার উদ্বোধনী ম্যাচের আগে শুক্রবার ১২ জুন স্থানীয় সময় দুপুর ১:৩০ মিনিটে (জিএমটি ১৭:৩০) এই অনুষ্ঠানটি শুরু হবে। কানাডার বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক মোজাইককে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই রাজকীয় মঞ্চে নোরা ফাতেহি তার সাম্প্রতিক ফিফা অফিসিয়াল গান ‘সির সির’-এর সহশিল্পী ভেজিড্রিম এবং প্রযোজক সঞ্জয়ের সাথে সুরের জাদুতে দর্শকদের মাতাবেন।

এই অনুষ্ঠানে নোরার পাশাপাশি পারফর্ম করবেন অ্যালানিস মরিসেট, অ্যালেসিয়া কারা, এলিয়ানা, জেসি রেয়েজ, মাইকেল বুলে এবং উইলিয়াম প্রিন্সের মতো বিশ্বখ্যাত তারকা শিল্পীরা। পুরো অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছে একটি অনন্য কাউন্টডাউনের মাধ্যমে, যা দর্শকদের কানাডার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের বৈচিত্র্যকে ফুটিয়ে তুলবে। কানাডায় বেড়ে ওঠা নোরা ফাতেহির জন্য এই মঞ্চটি অত্যন্ত আবেগের, কারণ এটি একদিকে যেমন তার মরক্কো-কানাডিয়ান শিকড়ের বৈশ্বিক উদযাপন, অন্যদিকে ফুটবল বিশ্বকাপের মতো সবচেয়ে বড় মঞ্চে পারফর্ম করার আরেকটি অনন্য গৌরব।

সূত্র : আল জাজিরা

‘মালিক’-এর প্রিমিয়ারে অস্ট্রেলিয়ায় যাচ্ছেন আরিফিন শুভ

বিনোদন প্রতিবেদক
‘মালিক’-এর প্রিমিয়ারে অস্ট্রেলিয়ায় যাচ্ছেন আরিফিন শুভ
সংগৃহীত ছবি

দেশের প্রেক্ষাগৃহে ভালো সাড়া পাওয়ার পর এবার ‘মালিক’ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার দর্শকদের সামনে হাজির হচ্ছেন ঢালিউডের আইকনিক স্টার আরিফিন শুভ। আগামী ১২ জুন তিনি অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বেন।

জানা গেছে, ১৩ ও ১৪ জুন সিডনির হোইটস ব্যাংকস্টাউন প্রেক্ষাগৃহে অনুষ্ঠিত হবে ‘মালিক’-এর প্রিমিয়ার শো। আয়োজনে রয়েছে বংগোজ ফিল্মস। শুধু সিডনিই নয়, মেলবোর্ন ও অ্যাডিলেডেও ‘মালিক’-এর বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে, সেখানেও  উপস্থিত থাকবেন আরিফিন শুভ।

প্রিমিয়ারে নিজে উপস্থিত থেকে দর্শকদের সঙ্গে সিনেমাটি উপভোগ করবেন আরিফিন শুভ। একই সঙ্গে প্রবাসী দর্শকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের কথা রয়েছে তার।

দেশে মুক্তির পর থেকেই ‘মালিক’ দর্শকদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। দ্বিতীয় সপ্তাহে এসে সিনেমাটির প্রদর্শনী আরো বিস্তৃত হয়েছে এবং একাধিক নতুন একক প্রেক্ষাগৃহে শো যুক্ত হয়েছে। ফলে রাজধানীর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলায়ও সিনেমাটি দেখার সুযোগ বাড়ছে।

প্রবাসী দর্শকদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় আরিফিন শুভ বলেন, ‘হ্যালো অস্ট্রেলিয়া। আমি আপনাদের আরিফিন শুভ। আগামী ১৩ ও ১৪ জুন সিডনিতে আমার নতুন সিনেমা ‘মালিক’ নিয়ে আপনাদের মাঝে উপস্থিত থাকছি।’

তিনি আরো জানান, সিডনি প্রিমিয়ারে দর্শকদের সাড়া ভালো হলে অস্ট্রেলিয়ার অন্য শহরেও সিনেমাটির প্রদর্শনীর পরিকল্পনা নেওয়া হবে। পাশাপাশি পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে হলে এসে একসঙ্গে ‘মালিক’ দেখার আহ্বান জানান তিনি।

দেশের সাফল্যের পর এবার আন্তর্জাতিক পরিসরে যাত্রা শুরু করছে ‘মালিক’—আর সেই যাত্রার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছেন আরিফিন শুভ।

শিল্পকলায় উকিল মুন্সীকে নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র ‘একতারার ইমাম’ প্রদর্শনী বৃহস্পতিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
শিল্পকলায় উকিল মুন্সীকে নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র ‘একতারার ইমাম’ প্রদর্শনী বৃহস্পতিবার
সংগৃহীত ছবি

মরমী সাধক উকিল মুন্সীর ১৪১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার জীবন ও দর্শনভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র ‘একতারার ইমাম’ প্রদর্শিত হবে বৃহস্পতিবার (১১ জুন)। এ উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সেমিনারকক্ষে সন্ধ্যা ৬টায় বিশেষ স্মরণ অনুষ্ঠান ও আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়েছে।

নির্মাণ প্রতিষ্ঠান সিনেহাট ও মোশন বাংলার উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান সবার জন্য উন্মুক্ত। প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের পাশাপাশি উকিল মুন্সীর জীবন, দর্শন ও সাংস্কৃতিক অবদান নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রযোজিত ‘একতারার ইমাম’ প্রামাণ্যচিত্রটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন গবেষক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা অনার্য মুর্শিদ।

নেত্রকোনার বেতাই নদীর তীরের সাধক উকিল মুন্সী একদিকে মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, অন্যদিকে কৃষ্ণভজন ও মরমী সংগীত রচনার মাধ্যমে বাংলা লোকসংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছেন। ‘আষাঢ় মাইস্যা ভাসা পানি’, ‘অপরাধী হইলেও আমি বন্ধু তোর’ এবং ‘আমার গায়ে যত দুঃখ সয়’সহ তার বহু গান আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে।

প্রামাণ্যচিত্রটিতে হবিগঞ্জের রিচি দরবার শরিফের পীর সৈয়দ গোলাম মোস্তফা উকিল মুন্সী সম্পর্কে বলেন, তিনি শুধু মসজিদের ইমামই ছিলেন না, একজন পীরও ছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, রিচির পীর সৈয়দ মোজাফফর আহমদের খেলাফতপ্রাপ্ত ১২ জন আউলিয়ার একজন ছিলেন উকিল মুন্সী।

চলচ্চিত্রটির চিত্রগ্রহণ করেছেন পিকলু নীল, প্রভাত আহমেদ ও জন উইলিয়াম। আবহসংগীত ও শব্দ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন রবিউল ইসলাম শশী। সম্পাদনা ও রংবিন্যাস করেছেন লায়লা ফেরদৌসী।

প্রামাণ্যচিত্রটির একটি বিশেষ আকর্ষণের পোস্টার। উকিল মুন্সীর কোনো প্রকৃত আলোকচিত্র না থাকায় তার বেঁচে থাকা আত্মীয়-স্বজনদের বর্ণনার ভিত্তিতে চিত্রশিল্পী এ জেড শিমুল তার প্রতিকৃতি এঁকেছেন।

প্রামাণ্যচিত্রটি উৎসর্গ করা হয়েছে তিনজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে—প্রাবন্ধিক ও গবেষক অধ্যাপক যতীন সরকার, উকিল মুন্সীর গানের প্রধান সংগ্রাহক আবু হান্নান এবং তার পুত্রবধূ ফুলবানুকে। প্রামাণ্যচিত্রটির চূড়ান্ত সম্পাদনা শেষ হওয়ার আগেই তারা সবাই মৃত্যুবরণ করেন।

চলচ্চিত্রটির নির্মাতা অনার্য মুর্শিদ বলেন, “বিভিন্ন সময়ে সংগীত নিয়ে শরিয়তভিত্তিক যে দ্বন্দ্ব ও প্রশ্ন সামনে আসে, ‘একতারার ইমাম’ মূলত তার একটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক উত্তর তুলে ধরার চেষ্টা।”