• ই-পেপার

ক্ষমা চাইলেন ব্রায়ান অ্যাডামস

১০ বছর পর পাল্টে গেল অস্কারজয়ী সিনেমা ‘লা লা ল্যান্ড’-এর পোস্টার

অনলাইন ডেস্ক
১০ বছর পর পাল্টে গেল অস্কারজয়ী সিনেমা ‘লা লা ল্যান্ড’-এর পোস্টার
সংগৃহীত ছবি

অবশেষে অবসান ঘটল রায়ান গসলিংয়ের বহু বছরের আক্ষেপের। হলিউড ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘লা লা ল্যান্ড’-এর বিখ্যাত পোস্টারে নিজের হাতের অবস্থান নিয়ে বেশ লম্বা সময় ধরে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছিলেন এই তারকা। সিনেমাটির মুক্তির ১০ম বার্ষিকী উপলক্ষে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘লায়ন্সগেট’ পোস্টারের একটি নতুন ডিজাইন উন্মোচন করেছে, যেখানে গসলিংয়ের কাঙ্ক্ষিত ভঙ্গিতেই হাতটি সংশোধন করা হয়েছে।

২০১৬ সালে মুক্তি পাওয়া অস্কারজয়ী মিউজিক্যাল ফিল্ম ‘লা লা ল্যান্ড’-এর মূল পোস্টারে এমা স্টোনের সঙ্গে নাচের একটি ভঙ্গিতে গসলিংয়ের হাত চ্যাপ্টা হয়ে ছিল। ২০২৪ সালে এক সাক্ষাৎকারে গসলিং জানান, ওই পোস্টারটি তাকে সব সময় তাড়া করে ফিরত এবং তিনি রসিকতা করে পোস্টারটির নাম দিয়েছিলেন ‘লা লা হ্যান্ড’। গসলিং বলেছিলেন, নাচের সময় হাতটি চ্যাপ্টা না রেখে বাইরের দিকে প্রসারিত রাখলে মূল ভঙ্গিটি বেশি নিখুঁত দেখাত। ১০ম বার্ষিকীতে লায়ন্সগেট অবশেষে নতুন পোস্টারে তার সেই ইচ্ছেটিকেই প্রাধান্য দিয়েছে।

১০ বছর পূর্তি উদযাপনে ১৬ই আগস্ট থেকে এএমসি থিয়েটার্সের ডলবি সিনেমায় ‘লা লা ল্যান্ড’ পুনরায় মুক্তি পাচ্ছে। মাত্র ৩০ মিলিয়ন ডলার বাজেটে নির্মিত সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী ৪৪৭ মিলিয়ন ডলার ব্যবসা করে। সেরা পরিচালক ও সেরা চিত্রগ্রহণসহ এটি ৬টি অস্কার এবং রেকর্ড গড়ে ৭টি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার জয় করে। সিনেমাটিতে ‘সেব’ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য রায়ান গসলিং গোল্ডেন গ্লোব জেতেন, অন্যদিকে ‘মিয়া’ চরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রী হিসেবে অস্কার জিতেন এমা স্টোন। জনপ্রিয় এই সিনেমাটিকে কেন্দ্র করে  বর্তমানে একটি ব্রডওয়ে মিউজিক্যাল তৈরির কাজ চলছে, যার আনুষ্ঠানিক তারিখ খুব শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।

এক মঞ্চে শাকিরা ও টাইলা

‘হিপস ডোন্ট লাই’ গানে মাতল নিউইয়র্ক

অনলাইন ডেস্ক
‘হিপস ডোন্ট লাই’ গানে মাতল নিউইয়র্ক
সংগৃহীত ছবি

নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে অবস্থিত বার্কলেস সেন্টারে এক মঞ্চে ঝড় তুললেন দুই প্রজন্মের দুই জনপ্রিয় সংগীত তারকা—কলম্বিয়ান সুপারস্টার শাকিরা ও দক্ষিণ আফ্রিকার গ্র্যামিজয়ী গায়িকা টাইলা। শাকিরার ‘লাস মুজেরেস ইয়া নো ইয়োরান ওয়ার্ল্ড ট্যুর’-এর কনসার্টে টাইলার আকস্মিক উপস্থিতি হাজার হাজার ভক্তকে উন্মাদনায় ভাসিয়ে দেয়। সোমবার (২১ জুলাই) রাতে দুই তারকা খালি পায়ে মঞ্চে নেমে শাকিরার ২০০৬ সালের কালজয়ী হিট গান ‘হিপস ডোন্ট লাই’ পরিবেশন করেন

কনসার্টে শাকিরা সোনালি পোশাকে এবং টাইলা ফিরোজা রঙের ঝালর দেওয়া পোশাকে মঞ্চে ওঠেন। খালি পায়ে নেচে তারা বিখ্যাত ‘হিপস ডোন্ট লাই’ গানের সিগনেচার কোরিওগ্রাফি ফুটিয়ে তোলেন। শাকিরার সিগনেচার হিপ মুভমেন্টের সঙ্গে টাইলা তার নিজস্ব আফ্রো-পপ স্টাইল যোগ করে পুরো পরিবেশনাকে আরো আকর্ষণীয় করে তোলেন।

‘ওয়াটার’ ও ‘অন অ্যান্ড অন’ গানের মাধ্যমে আলোড়ন ফেলা টাইলা সম্প্রতি সেরা আফ্রিকান গান পরিবেশনার জন্য প্রথম গ্র্যামি জিতেছেন। লস অ্যাঞ্জেলেসে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী সংগীত গাওয়ার পর শাকিরার সঙ্গে তার বন্ধুত্ব আরো গভীর হয়, কারণ শাকিরা ছিলেন বিশ্বকাপের হাফটাইম শো-এর মূল আকর্ষণ। ব্রুকলিনের এই কনসার্টে শুধু টাইলা নন, অ্যাড. শিরান এবং বার্না বয়ের মতো বিশ্বখ্যাত অন্য তারকারাও অপ্রত্যাশিতভাবে হাজির হয়ে ভক্তদের চমকে দেন।

‘স্ত্রীর গোলামি’ করতেই শান্তি পাই : রাজীব খাণ্ডেলওয়াল

বিনোদন ডেস্ক
‘স্ত্রীর গোলামি’ করতেই শান্তি পাই : রাজীব খাণ্ডেলওয়াল
সংগৃহীত ছবি

স্ত্রী মঞ্জিরির জন্য প্রতিদিন ছোট ছোট কাজ করতে ভালোবাসেন অভিনেতা রাজীব খাণ্ডেলওয়াল। ভালোবাসা থেকেই এসব করেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এমনকি মজা করে নিজেকে স্ত্রীর ‘গোলাম’ বলতেও আপত্তি নেই তার।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।  

সম্প্রতি একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে নিজের দাম্পত্য জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন রাজীব। অনুষ্ঠানে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি কি স্ত্রীকে ভয় পান?

হেসে রাজীব বলেন, ‘ভয় নয়, এটি ভালোবাসার অনুভূতি।’ তিনি বলেন, ‘আমি ভয় পেয়ে থাকি না। আমি তাকে ভালোবাসি। আর যাকে ভালোবাসি, তাকে নিয়ে এক ধরনের মিষ্টি ভয়ও থাকে।’

ফ

এরপর তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, স্ত্রীর জন্য তিনি কী কী করেন।

জবাবে রাজীব বলেন, তার দিন শুরু হয় মঞ্জিরির জন্য এক কাপ চা বানিয়ে। তিনি বাড়িতে থাকলে সকালের নাশতাও তৈরি করে দেন। দুপুরে কী খাওয়া হবে, সেটি ঠিক করেন মঞ্জিরি। বিকেলে আবার তার জন্য চা বানান রাজীব। কারণ, তার হাতের চা মঞ্জিরির খুব পছন্দ।

তিনি আরো বলেন, সন্ধ্যার দিকে মঞ্জিরি নাশতা খেতে চাইলে সেটিও এনে দেন। মজা করে রাজীব বলেন, ‘একবার কোনো অভ্যাস তৈরি হয়ে গেলে সেটি পরে প্রত্যাশায় পরিণত হয়। কোনো দিন ভুলে গেলে মঞ্জিরি তাকে মনে করিয়ে দেন।’

রাজীবের ভাষায়, ‘যত বেশি যত্ন করবেন, ততই সেটা অভ্যাস হয়ে যাবে। তবে এতে আমার কোনো সমস্যা নেই।’

তিনি বলেন, “আমরা আসলে কারো গোলাম নই। কিন্তু ভালোবাসার জন্য করা এই ‘গোলামি’তে আলাদা আনন্দ, শান্তি আর সুখ আছে। জীবনে যদি একজন মানুষের জন্য এমন কিছু করতে হয়, তাহলে সেই মানুষটি আমার কাছে মঞ্জিরি।”

উল্লেখ্য, রাজীব খাণ্ডেলওয়াল ও মঞ্জিরি ২০১১ সালে বিয়ে করেন। দাম্পত্য জীবনের ১৫ বছর পরও তাদের সম্পর্কের এই আন্তরিক দিক ভক্তদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

দীর্ঘদিনের প্রেমিককে বিয়ে, স্বপ্নের বিয়ের ছবি প্রকাশ জেনিফারের

বিনোদন ডেস্ক
দীর্ঘদিনের প্রেমিককে বিয়ে, স্বপ্নের বিয়ের ছবি প্রকাশ জেনিফারের
সংগৃহীত ছবি

অবশেষে দীর্ঘদিনের প্রেমিক উইলিয়াম ইশমাইলকে বিয়ে করেছেন জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী জেনিফার উইনগেট। বিয়ের কয়েক দিন পর তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বপ্নের বিয়ের একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করেছেন।

মঙ্গলবার (২১জুলাই) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।  

ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা ছবিতে সাদা গাউনে উজ্জ্বল ও হাস্যোজ্জ্বল জেনিফারকে দেখা যায়। কোনো ছবিতে তিনি স্বামী উইলিয়ামের বাহুডোরে। আবার কোনো ছবিতে দুজনকে রোমান্টিক মুহূর্তে দেখা গেছে।

জ

আরো কয়েকটি ছবিতে জেনিফারের কনের সাজ, সূচিকর্ম করা ভেইল এবং চার্চের সিড়ি দিয়ে হেঁটে আসার দৃশ্য রয়েছে। একটি ছবিতে বাবাকে জড়িয়ে ধরা আবেগঘন মুহূর্তও ধরা পড়েছে।

এর আগে জেনিফার একটি ভিডিওও প্রকাশ করেন। সেখানে চার্চে বিয়ের শপথ নেওয়া, আংটি বদল এবং ফটোশুটের কিছু মুহূর্ত দেখা যায়।

গ

 

ভিডিওর শেষে তিনি লেখেন, ‘Officially introducing my man, my husband, Will!’ ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘অবশেষে আমাদের তারারা একসঙ্গে মিলেছে।’

 

ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ জুলাই যুক্তরাজ্যে তাদের বিয়ে হয়। এটি ছিল একটি ব্যক্তিগত আয়োজন। অনুষ্ঠানে শুধু পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন। অনেক দিন ধরেই জেনিফার ও উইলিয়ামের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন ছিল। তবে তারা কখনো প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কিছু বলেননি।

গ

 

উইলিয়াম ইশমাইল সিঙ্গাপুরভিত্তিক একজন ফাইন্যান্স পেশাজীবী। তিনি ২০২২ সাল থেকে এমএইচসি ডিজিটাল গ্রুপে বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ট্রেডিং বিভাগের পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন।

উল্লেখ্য, এর আগে জেনিফার উইনগেট টেলিভিশন অভিনেতা করণ সিং গ্রোভারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। ২০১৪ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। পরে ২০১৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়।

ক্ষমা চাইলেন ব্রায়ান অ্যাডামস | কালের কণ্ঠ