• ই-পেপার

২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে ৩৭৭ জন গ্রেপ্তার

এআই ক্যামেরার পর ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ প্রযুক্তি আনছে ডিএমপি

বাসস
এআই ক্যামেরার পর ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ প্রযুক্তি আনছে ডিএমপি

রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি আরো জোরদার করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ক্যামেরার পাশাপাশি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। বর্তমানে ব্যবহৃত এআই ক্যামেরার সঙ্গে তুলনামূলক কম খরচের ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমা বলেন, ‘ডিএমপি আশা করছে, এসব ক্যামেরার মাধ্যমে কম খরচে রাজধানীর আরো বেশি এলাকায় নজরদারির আওতা বাড়ানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে ট্রাফিক আইন বাস্তবায়ন আরো কার্যকর হবে এবং সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।’

ভবিষ্যতে যানজট নিরসনে নতুন কোনো প্রযুক্তি যুক্ত করার পরিকল্পনা আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাফিকের এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা সে দিকটি নিয়েই কাজ করছি। ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির অংশ হিসেবে ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ নামে একটি নতুন সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নিয়েছি। বর্তমানে এআই প্রযুক্তির যে ক্যামেরাগুলো ব্যবহার করা হয়, সেগুলো কার্যকর হলেও তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল। কিন্তু ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নের জন্য খুব দ্রুত আমাদের নজরদারির আওতা বাড়ানো প্রয়োজন। সে কারণেই আমরা ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ নামে নতুন ধরনের ক্যামেরা নিয়ে আসছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘এসব ক্যামেরার দাম তুলনামূলকভাবে কম হলেও আমাদের উদ্দেশ্য পূরণে কার্যকর হবে। এসব ক্যামেরার সংখ্যা বাড়ানো গেলে আশা করি, ট্রাফিকে আগের চেয়ে অনেক বেশি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।’

ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরো কার্যকর করতে ভবিষ্যতে নতুন পদ্ধতি গ্রহণের পরিকল্পনা সম্পর্কে আনিছুর রহমান বলেন, ‘আমি সবসময়ই নগরবাসীর প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। কারণ আমাদের এআই ক্যামেরার এই নতুন পথচলা মাত্র দুই মাসের হলেও ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। নগরবাসী এতটা দৃশ্যমান সহযোগিতা করবেন, শুরুতে তা আশা করিনি। তারা ট্রাফিক আইন মেনে চলছেন, সিগন্যাল অনুসরণ করছেন এবং আধুনিক উদ্যোগগুলোর প্রশংসাও করছেন। এর অর্থ, কাউকে জোর করে আইন মানানো হচ্ছে না। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিয়ম মেনে চলছেন।’

মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘ঢাকায় যানজটের প্রধান কারণ মিশ্র যানবাহন। এ শহরে যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক যানবাহন একসঙ্গে চলাচল করে। অটোরিকশা এখন আরেকটি বড় সমস্যা। বর্তমানে এটি সবার জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ যানবাহনের ওপর চালকের কার্যকর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। অন্যদিকে, একটি শহরের যানবাহন ধারণক্ষমতার নির্দিষ্ট সীমা থাকে। কিন্তু এই মহানগরে যানবাহনের সংখ্যা অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়ছে। এটি কোথায় গিয়ে থামবে, সেটিও বলা কঠিন।’

এ ছাড়া রাজধানীতে বিপুলসংখ্যক আনফিট গাড়ি চলাচল করে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, এই মেগাসিটির জন্য এখনো উন্নত কোনো গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। ভালো গণপরিবহন ব্যবস্থা না থাকলে এত বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াত কখনোই সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয়।’

আনিছুর রহমান বলেন, ‘পথচারীদের চলাচলের ধরনও সমস্যা সৃষ্টি করছে। প্রায়ই দেখা যায়, অনেকে যত্রতত্র রাস্তা পারাপার করেন। তাদের নিয়মের মধ্যে আনা কঠিন। আমরা এখন কিছু জায়গায় ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করেছি। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হলো, একটি গাড়ি হয়তো এক মিনিট ২০ সেকেন্ডের জন্য সবুজ সংকেত পেয়েছে, অথচ এই স্বল্প সময়ের জন্যও পথচারীরা অপেক্ষা করতে চান না। তারা হাত তুলে রাস্তা পার হতে শুরু করেন।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্বজুড়েই ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা শুধু গাড়ির চালক, মালিক বা ট্রাফিক পুলিশের ওপর নির্ভর করে না। এর বড় একটি অংশ নির্ভর করে সড়ক ব্যবহারকারীদের, বিশেষ করে পথচারীদের মানসিকতা ও আচরণগত অভ্যাসের ওপর। আমাদের বাস্তবতায় সেই পরিবর্তন এখনো পুরোপুরি আসেনি।’

এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। তাই ঢাকা মহানগরীর কোথায়, কখন যানজট বেশি হয়, সে বিষয়ে আমাদের স্পষ্ট ধারণা রয়েছে। কোথাও পিক আওয়ার, আবার কোথাও অফ-পিক আওয়ার থাকে। সে অনুযায়ী ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। এলাকা ও যানজটের মাত্রা বিবেচনায় কোথাও কম, কোথাও বেশি সদস্য দায়িত্ব পালন করেন।’

তিনি বলেন, ‘রাজধানীর প্রায় ২৫টি পয়েন্টে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করতে হয়। কারণ সেখানে সার্বক্ষণিক যানবাহনের চাপ থাকে। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে এখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকেও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। শুধু ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে দীর্ঘদিন এভাবে কার্যক্রম চালানো সম্ভব নয়।’

টানা ৬ দিন বৃষ্টির পর ঢাকায় রোদের হাসি

অনলাইন ডেস্ক
টানা ৬ দিন বৃষ্টির পর ঢাকায় রোদের হাসি
ছবি: মঞ্জুরুল করিম

রাজধানী ঢাকায় টানা ছয় দিন বৃষ্টির পর অবশেষে রোদের দেখা মিলেছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে আকাশ কিছুটা মেঘলা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মেঘ কেটে উঁকি দেয় সূর্য। সেই সঙ্গে গরমের দাপটও অনুভূত হয়। তবে এমন পরিস্থিতি স্থায়ী নাও হতে পারে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দুপুরের মধ্যে ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে বাড়বে তাপমাত্রা। 

এদিকে টানা ছয়দিন বৃষ্টির কারণে রাজধানীজুড়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অধিকাংশ সড়ক থেকে পানি নেমে গেলেও অলিগলিতে এখনো পানি জমে আছে। এতে যাতায়াতে কিছুটা সমস্যা হলেও বেলা ১১টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বৃষ্টি না হওয়ায় স্বস্তিতে চলাফেরা করছেন লোকজন। 

অন্যদিকে রোদ উঠলেও দুপুরের মধ্যে ঢাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সংস্থাটি বলছে, এ সময়ের মধ্যে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। এ ছাড়া তাপমাত্রা হালকা বাড়তে পারে।  

 

ঢাকার বৃষ্টি নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকার বৃষ্টি নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় দুপুরের মধ্যে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। 

মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। এ ছাড়া বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। পাশাপাশি দিনের তাপমাত্রা হালকা বাড়তে পারে। 

এদিকে সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৪০ মিলিমিটার বৃষ্টি ঝরেছে। 

মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

নানা প্রয়োজনে মানুষ দোকানপাট ও মার্কেটে যায়। কিন্তু তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে যদি দেখতে পান সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে বিফলে যাবে সব। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক মঙ্গলবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট
কাঁঠালবাগান, হাতিরপুল, মানিক মিয়া এভিনিউ, রাজাবাজার, মণিপুরিপাড়া, তেজকুনীপাড়া, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, কাঁটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, শুক্রাবাদ, সোবহানবাগ, ধানমণ্ডি, হাজারীবাগ, জিগাতলা, রায়েরবাজার, পিলখানা, লালমাটিয়া।

বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
বসুন্ধরা সিটি, মোতালেব প্লাজা, ইস্টার্ন প্লাজা, সেজান পয়েন্ট, নিউ মার্কেট, চাঁদনী চক, চন্দ্রিমা মার্কেট, গাউসিয়া, ধানমণ্ডি হকার্স, বদরুদ্দোজা মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টার, গাউসুল আজম মার্কেট, রাইফেলস স্কয়ার, অরচার্ড পয়েন্ট, ক্যাপিটাল মার্কেট, ধানমণ্ডি প্লাজা, মেট্রো শপিং মল, প্রিন্স প্লাজা, রাপা প্লাজা, কারওয়ান বাজার ডিআইটি মার্কেট ও অর্কিড প্লাজা।