• ই-পেপার

তেজগাঁও বিভাগের বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ৫৭

কেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে ৩ শ্রমিক দগ্ধ

অনলাইন ডেস্ক
কেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে ৩ শ্রমিক দগ্ধ

ঢাকার কেরানীগঞ্জে বাসায় গ্যাস লাইনের কাজ করার সময় পাইপলাইনে বিস্ফোরণে তিন শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। শনিবার (১১ জুলাই) ভোরে উপজেলার বরইতলা এলাকা থেকে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করা হয়।

তারা হলেন, রাকিব (১৪), রাজন (২৫) ও সুমন (২৭)।

দগ্ধদের সহকর্মী সজীব জানান, শুক্রবার রাতে বরইতলা এলাকার আরিফ মিয়ার বাসায় গ্যাস লাইনের কাজ করছিলেন তারা। কাজের একপর্যায়ে পাইপলাইনে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটলে তিন শ্রমিক দগ্ধ হন। পরে দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, আহতদের মধ্যে কিশোর রাকিবের শরীরের প্রায় ১৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। বাকি দুজনের দগ্ধের পরিমাণ তুলনামূলক কম। তাদের শরীরে ড্রেসিং করার কাজ চলছে, তাই এ মুহূর্তে সুনির্দিষ্ট পরিমাণ বলা সম্ভব নয়। তবে বর্তমানে তিনজনই শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক বলেন, ‘আহতদের কাছ থেকে জানা গেছে যে গ্যাস লাইনের কাজ করার সময়ই এ দুর্ঘটনা ঘটে। বর্তমানে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা চলছে।’

শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

নানা প্রয়োজনে মানুষ দোকানপাট ও মার্কেটে যায়। কিন্তু তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে যদি দেখতে পায় সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে বিফলে যাবে সব। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক শনিবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে
শ্যামবাজার, বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজারীবাগ, দোলাইপাড়, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ, স্বামীবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ, ওয়ারী, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা, বংশাল, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শাঁখারি বাজার, চানখারপুল।

যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে
ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, আজিমপুর সুপার মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠবাজার, চকবাজার, বাবুবাজার, নয়াবাজার, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, শারিফ ম্যানশন।

যে দর্শনীয় স্থান বন্ধ থাকবে
শিশু একাডেমি জাদুঘর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। আগামীকাল রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

চার দিন পর জাপান গার্ডেন সিটিতে ফিরল বিদ্যুৎ

অনলাইন ডেস্ক
চার দিন পর জাপান গার্ডেন সিটিতে ফিরল বিদ্যুৎ

চারদিন পর রাজধানীর জাপান গার্ডেন সিটিতে বেশির ভাগ ভবনে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। ভবনগুলোর অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ সংযোগে কারিগরি ত্রুটির কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।

জানা গেছে, বিদ্যুৎ না থাকায় এসব ভবনে পানি সরবরাহও ব্যাহত হচ্ছে। এতে রান্না, গোসল ও অন্যান্য দৈনন্দিন কাজকর্মে ভোগান্তিতে পড়েছেন বাসিন্দারা। প্রচণ্ড গরমে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি।

আবাসিক এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, চার দিন ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, বাণিজ্যিক হারে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেও এমন ভোগান্তি মেনে নেওয়া কঠিন।

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) জানায়, জাপান গার্ডেন সিটির নিজস্ব ৩৩ কেভি উপকেন্দ্রের একটি ট্রান্সফরমারে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় মঙ্গলবার গভীর রাত থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ডিপিডিসির উদ্যোগে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে উপকেন্দ্র সচল করা সম্ভব হয়। তবে সাতটি ভবনের অভ্যন্তরীণ সংযোগে পৃথক ত্রুটি থাকায় সেখানে এখনও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি।

মোহাম্মদপুরে ভবনের একাংশে ধস, আতঙ্কে বাসিন্দারা

নিজস্ব প্রতিবেদক
মোহাম্মদপুরে ভবনের একাংশে ধস, আতঙ্কে বাসিন্দারা
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আজিজ মহল্লায় একটি তিনতলা পুরনো ভবনের একাংশ ধসে পড়েছে। দুর্ঘটনার পর আতঙ্কে ভবন ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসে ভবনের বাসিন্দারা।

শুক্রবার (১১ জুলাই) দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এদিকে ধসে পড়ার পর ভবনটি একদিকে হেলে যাওয়ায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, হঠাৎ করে বিকট শব্দ হয়। ওই সময় ভবনটি একদিকে হেলে পড়ে। একই সঙ্গে ভবনটির একপাশ দিয়ে কিছু অংশ ধসে পড়ে।

ভবনটির বাসিন্দারা জানায়, ভবনটিতে ১০-এর অধিক পরিবারের বসবাস। বিকট শব্দে ভবন হেলে পড়ার সময় বাসিন্দারা আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করে। পরে সবাই ভবন থেকে বেরিয়ে আসে।