• ই-পেপার

ধর্ষণ মামলায় এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার

শিশু ফাহিমা ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলার প্রধান আসামির ওপর ফের হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
শিশু ফাহিমা ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলার প্রধান আসামির ওপর ফের হামলা
ছবি: কালের কণ্ঠ

সিলেট আদালত চত্বরে আবারও হামলার শিকার হয়েছেন শিশু ফাহিমা আক্তার ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি জাকির হোসেন। কারাগার থেকে হাজিরার জন্য তাকে আদালতে আনার পর তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় একদল জনতা। এসময় তাকে মারধর করা হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে এদিন একই আদালত প্রাঙ্গণে জাকিরের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আসামি জাকিরকে বৃহস্পতিবার সকালে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে আদালতে আনা হয়। আদালত চত্বরে আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন নিহত ফাহিমার স্বজন ও এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। প্রিজন ভ্যান থেকে আদালত ভবনের দিকে নেওয়ার সময় তারা জাকিরকে লক্ষ্য করে হামলা চালান এবং মারধর করেন। পরে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং জাকিরকে আদালতের ভেতরে নিয়ে যান।

তবে হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফাহিমার এক চাচা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, ‘আমরা রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আসামিপক্ষের অনুকূলে অবস্থান নিচ্ছেন। এতে ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে আমাদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।’

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মো. মনজুরুল আলম বলেন, ‘জাকিরকে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যেই আদালতে আনা-নেওয়া করা হয়। তারপরও কীভাবে হামলার ঘটনা ঘটল, সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

নিহত ফাহিমা আক্তার (৪) সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে। অভিযুক্ত জাকির একই গ্রামের পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা এবং সম্পর্কে শিশুটির চাচা।

গত ৬ মে শিশু ফাহিমা আক্তার (৪) নিখোঁজ হয়। দদিন পর ৮ মে ভোররাতে তার মরদেহ গ্রামের একটি ডোবার পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশ বলেছে, জাকির প্রথমে মরদেহ ডোবায় ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে সেটি পানিতে না ডোবায় ডোবার পাশেই ফেলে রেখে যান। স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

মরদেহ উদ্ধারের তিনদিনের মাথায় গত ১১ মে রাতে শিশু ফাহিমাকে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যার অভিযোগে তার প্রতিবেশী জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকেই তিনি সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।

এদিকে, ঘটনার এক মাস পাঁচ দিনের মাথায় মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয় পুলিশ। অভিযোগপত্রে প্রধান আসামি হিসেবে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। তার দুই ভাই জয়নাল আহমদ ও আবুল কালামকে লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর জাকির পুলিশের কাছে এবং পরে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। তবে সম্প্রতি আদালতে হাজিরার সময় তিনি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, পুলিশ জোর করে তার কাছ থেকে ওই জবানবন্দি আদায় করেছে।

সিরাজগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে গোয়ালঘর ও গরু ভস্মীভূত

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে গোয়ালঘর ও গরু ভস্মীভূত
ছবি: কালের কণ্ঠ

যমুনা নদীবিধৌত সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় আগুন লেগে এক ব্যক্তির গোয়ালঘর ও দুটি গরু পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ভোরে উপজেলার খাষকাউলিয়া ইউনিয়নের মিয়াপাড়ায় সোলেমান মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

সংবাদ পেয়ে দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নরুল আমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা করেছেন। 

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে সোলায়মান মিয়ার গোয়ালঘরে আগুন লাগে। স্থানীয়দের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ততক্ষণে গোয়ালঘর ও সেখানে থাকা দুটি গরু আগুনে পুড়ে যায়।

চৌহালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার নরুল আমিন বলেন, ‘অগিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সরকারিভাবে নগদ ১৬ হাজার টাকা, ২ বান্ডিল ঢেউটিন, শুকনা খাবার ও কম্বল সহায়তা করা হয়েছে।’

বাবার দাফন শেষে এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়া সেই ইকনের পাশে জেলা প্রশাসক

বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাবার দাফন শেষে এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়া সেই ইকনের পাশে জেলা প্রশাসক
সংগৃহীত ছবি

বাবাকে হারানো এইচএসসি পরীক্ষার্থী ইসমাইল ইকনের পাশে দাঁড়িয়েছে বাগেরহাট জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার সকালে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন ইসমাইল ইকনের হাতে নগদ অর্থ, চেক ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন। এ সময় তিনি সংগ্রাম করে পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসমাইল ইকনের বিষয়ে জানতে পেরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অসহায় ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে জেলা প্রশাসন সব সময় থাকবে। ইতোমধ্যে তাকে নগদ অর্থ, চেক ও খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে তার পড়ালেখা চালিয়ে যেতে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

এদিকে, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কাইসার কামাল, বাগেরহাটের লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সামাজিক সংগঠনও ইসমাইল ইকন ও তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে। তাদের দেওয়া আর্থিক ও মানবিক সহায়তা পরিবারটিকে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস জুগিয়েছে।

এইচএসসি শিক্ষার্থী ইসমাইল ইকন বলেন, আমাকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাকে সহযোগিতা করা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) আমার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। তিনি পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ব্যাংকের চাকরিতে ছুটির ব্যবস্থা করে দেওয়ার পাশাপাশি আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। 

প্রসঙ্গত, বাবার মৃত্যুর শোক বুকে নিয়েই ইকনের ব্যাংকের এটিএম বুথে দায়িত্ব পালন এবং এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার সংগ্রামের গল্প দেশজুড়ে আলোচনায় আসে। সংবাদটি প্রকাশের পর সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও হৃদয়বান মানুষ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। তাদের সহায়তায় ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন ইসমাইল ইকন ও তার পরিবার।

পটিয়া

চারদিকে বন্যার ক্ষত, ৬২ গ্রামীণ সড়ক বিধ্বস্ত

২৮ কোটি টাকার ক্ষতি  টেকসই সংস্কার দাবি

কাউছার আলম, পটিয়া (চট্টগ্রাম)
চারদিকে বন্যার ক্ষত, ৬২ গ্রামীণ সড়ক বিধ্বস্ত
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার একটি গ্রামীণ সড়ক। সম্প্রতি তোলা। ছবি: সংগৃহীত

বন্যার পানি নেমে গেছে। কিন্তু দক্ষিণ চট্টগ্রামের পটিয়ার গ্রামীণ জনপদে রেখে গেছে গভীর ক্ষত। কোথাও সড়কের অর্ধেক অংশ নদীগর্ভে বিলীন, কোথাও ধসে পড়েছে কালভার্ট। আবার কোথাও পিচ উঠে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। 

সাম্প্রতিক টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় উপজেলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত খাতগুলোর মধ্যে অন্যতম স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর অধীন সড়ক নেটওয়ার্ক। 

এলজিইডির সবশেষ প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, উপজেলাজুড়ে ৬২টি সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৩১ কিলোমিটার। এ ছাড়া ৮টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ টাকার অংকে প্রায় ২৮ কোটি।

সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, যেসব সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাতায়াত, সেসব সড়ক এখন দুর্ঘটনার ফাঁদে পরিণত হয়েছে। কোথাও ইট বিছিয়ে মানুষ চলাচল করছে, কোথাও বাঁশের সাঁকোই একমাত্র ভরসা। বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থী, কৃষক, দিনমজুর, ব্যবসায়ী সবাই প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।

কুসুমপুরা ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. আবদুল করিম বলেন, ‘বন্যার সময় সড়ক ভেঙে যাওয়ার পর এখনো কোনো স্থায়ী সংস্কার হয়নি। অ্যাম্বুলেন্স দূরের কথা, সিএনজিও ঢুকতে পারে না। অসুস্থ মানুষকে কাঁধে করে নিতে হয়েছে।’ 

আশিয়া ইউনিয়নের গৃহবধূ রাশেদা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে স্কুলে যায়। রাস্তার মাঝখানে বড় বড় গর্ত। প্রতিদিন ভয় নিয়ে ওকে স্কুলে পাঠাই।’

কচুয়াই ইউনিয়নের কৃষক আবদুল হামিদ বলেন, ‘আমাদের সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য বাজারে নিতে পারছি না। রাস্তার কারণে পরিবহন ভাড়া বেড়েছে। এতে লাভের বদলে লোকসান গুণতে হচ্ছে।’

স্থানীয় ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সেলিম বলেন, ‘যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় বাজারে পণ্য আনা-নেওয়া ব্যাহত হচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তেমনি সাধারণ মানুষকেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।’

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো দ্রুত সংস্কার করা না হলে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও স্থানীয় অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তারা দ্রুত বিশেষ বরাদ্দ দিয়ে স্থায়ী সংস্কার কাজ শুরু করার দাবি জানান।

এলজিইডি কর্মকর্তারা বলছেন, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও সেতুর বিস্তারিত তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে সব ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার করা হবে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের কারণে বাজারে পণ্য পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। পরিবহন খরচ বেড়েছে, সময়ও লাগছে দ্বিগুণ। এতে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে কৃষক।

স্থানীয় প্রকৌশলী ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্টদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের ঘটনা বাড়ছে। অথচ অনেক গ্রামীণ সড়ক এখনো পুরনো নকশায় নির্মিত। ফলে প্রতিবছর একই ধরনের ক্ষয়ক্ষতির পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। তারা ভবিষ্যতের জন্য উঁচু বাঁধ, উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং জলবায়ু-সহনশীল নকশায় সড়ক নির্মাণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। 

পটিয়া উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) তন্ময় নাথ বলেন, ‘বন্যায় ৬২টি সড়ক ও ৮টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ২৮ কোটি টাকার ক্ষতির হিসাব পাওয়া গেছে।’ 

উপজেলা প্রকৌশলী আরো বলেন, ‘ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামোর তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। যেসব স্থানে যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন, সেখানে জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বরাদ্দ পেলেই স্থায়ী সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে।’