• ই-পেপার

জুলাই আন্দোলন

ফেনীর ৭ হত্যায় ২২ মামলা নিয়ে অনিশ্চয়তা

গণভোট ব্যর্থ হলে সরকারকে ব্যর্থ করে দেওয়া হবে : বিরোধীদলীয় নেতা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
গণভোট ব্যর্থ হলে সরকারকে ব্যর্থ করে দেওয়া হবে : বিরোধীদলীয় নেতা
ছবি: কালের কণ্ঠ

গণভোট ব্যর্থ হলে সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, যে গণভোটে দেশের ৭০ ভাগ মানুষ রায় দিয়েছে, ওই একই দিনের ভোটে আপনারা সরকার গঠন করেছেন। ওই গণভোট না থাকলে এই সরকার মানা হবে না। গণভোট মানতে আপনাদের জনগণ বাধ্য করবে।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে বরিশালে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। 

বিএনপিকে উদ্দেশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আপনারা হাজার চেষ্টা করে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ হতে পারবেন না। তবে আপনারা ডামি ফ্যাসিবাদ হতে পারবেন। আসল ফ্যাসিবাদকে এদেশের মানুষ পাত্তা দেয়নি। ডামি ফ্যাসিবাদ আবার কিসের। ফ্যাসিবাদ যে পথে হেঁটেছে, আপনারা সেই পথে হাঁটছেন। যেই অর্ডিন্যান্সগুলো ফ্যাসিবাদের জন্ম দিয়েছে তার সবগুলো বিএনপি রেখে দিয়েছে, এটা জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। আপনারা ৯১ সালে ক্ষমতায় এসে বুঝেন নাই কাকে কেয়ারটেকার সরকার বলে। শেষ পর্যন্ত বুঝেছেন ঠিকই, তবে বিলম্ব হয়ে গেছে।  

জামায়াত আমির বলেন, বর্তমান সরকার বলেছে অধিকাংশ মানুষ গণভোটে হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় দেয়, তাহলে আমরা গণভোটের প্রত্যেকটি দাবি অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করব। গণভোটে এদেশের ৭০ ভাগ মানুষ হ্যাঁ বলেছে। নির্বাচনের সময় আমরাও বলেছি গণভোটে হ্যাঁ বলুন তারাও বলেছে গণভোটে হ্যাঁ বলুন। কিন্তু হ্যাঁ যখন বিজয়ী হলো এবং তারা যখন মেকানিজম করে ক্ষমতায় চলে গেল, তখন হ্যাঁ টা তারা ভুলে গেলেন। এখন তারা বলছেন আমরা কখনো সংস্কারের কথা বলিনি। আপনারা মিথ্যা বলছেন। কারণ আপনাদের ৩১ দফা দাবির প্রথম দফাই হচ্ছে সংস্কার। এখন বলছেন সংস্কার কি আপনারা তা বুঝছেন না।

শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের সংসদের মধ্যে একজন অবৈতনিক শিক্ষক মাঝেমধ্যে আমাদের সংবিধান নিয়ে ছবক দেন। সংবিধানের বিভিন্ন ধারা সম্পর্কে আমাদের বুঝান। এইটা সংবিধানে আছে, ওইটা সংবিধানে আছে, এইটা সংবিধানের ওই ধারায়। সংবিধানে সংবিধান সংশোধন কমিটি বলতে কোনো কমিটি নেই। এটা সম্পূর্ণ অবৈধ। আমরা যখন এটার প্রতিবাদ করেছি তারা নাম পরিবর্তন করে এখন দিয়েছে বিশেষ কমিটি। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আলাপ-আলোচনা করে তাদের মতো করে স্বৈরশাসককে পাকাপোক্ত করে নেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তারা দুই তৃতীয়াংশ ভোটে তা পাস করে নিবেন, তবে তার ফলাফল ভালো হবে না।

জামায়াত আমির বলেন, ২৪-এর যোদ্ধাদের যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্মান করতে হবে। সে শহীদ হোক আর গাজী। ২৪ নিয়ে কোনো অবহেলা এই জাতি বরদাস্ত করবে না। ২৪-এর ঐতিহ্য নিয়ে গড়ে উঠেছে জুলাই স্মৃতি জাদুকর। এইটাও ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। আপনাদের দাবি এবং সংসদে বিরোধীদলের দাবির কারণে ওয়াদা করা হয়েছে আগামী ৫ তারিখ খুলে দেওয়া হবে। আমরা কিন্তু এটা আগেই ভিজিট করে এসেছি। যেখানে আমি ছিলাম, নাহিদ ইসলাম ছিল ও সংসদে আমাদের ওই অবৈতনিক শিক্ষক ছিলেন। এরপরও জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নিয়ে টালবাহানা করা হলে ছাড় দেওয়া হবে না।

সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার যদি গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে, তাহলে হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। কারণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনেক ভালো ভালো কথা বললেও তার মুখে মধু অন্তরে ছলনা। দেশের ৭০ভাগ মানুষ গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিলেও সেই রায় তিনি বাস্তবায়ন করছেন না। 

নাহিদ বলেন, বিএনপি কখনোই গণতন্ত্রের পক্ষে ছিল না। গণতন্ত্রের পক্ষে তারা লড়াইও করেনি। তারা লড়াই করেছিল ক্ষমতার জন্য। বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফার প্রথম দফা ছিল সংবিধান সংস্কার করা। কিন্তু তারা তা করছে না। তবে বিএনপি একটি কাজ করেছে তা হলো দেশে চাঁদাবাজি নিশ্চিত করা। বিএনপি দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার নিশ্চয়তা দিলেও সাধারণ মানুষের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হয়নি। কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে চাঁদাবাজ ছাত্রদল ও যুবদলের। আমরা যারা ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান করেছিলাম, তাদের সকলকে এক হতে হবে। কারণ এবারের লড়াই সংস্কারের পক্ষে, বিচারের পক্ষে।

সমাবেশে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি চেয়ারম্যান ড. কর্নেল(অব)অলি আহমদ বলেন, আমরা যারা বিরোধীদলে আছি, আমরা আপনাদের শত্রু না, আমরা আপনাদের মিত্র। আমরা দেশকে স্বাধীন করেছি, এখন দেশে সংস্কার প্রয়োজন। দেশটাকে সংস্কার করুন, দেশটা সুন্দরভাবে চলুক।
 

মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে যুবকদের দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : ডেপুটি স্পিকার

বাগেরহাট প্রতিনিধি
মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে যুবকদের দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : ডেপুটি স্পিকার
ছবি : কালের কণ্ঠ

যুবকদের শুধু মাদক থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানালেই হবে না, তাদের জন্য কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে পারলেই সমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে মুক্ত রাখা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। 

শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে বাগেরহাট শহরের সোনাতলায় লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্কিল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (স্কিল-আইটি) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার আরো বলেন, ‘আমরা যদি শুধু বলি মাদক নেওয়া যাবে না, তাহলেই হবে না। যুবকদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। স্কিল-আইটির মতো আরো প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলে দেশ সমৃদ্ধ হবে।’

স্কিল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব মো. ফরিদুল ইসলাম বাবলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক প্রকৌশলী এ টি এম আকরাম হোসেন তালিম, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর রহমান আলম এবং লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন রফিকুল ইসলাম জগলু প্রমুখ।

অনুষ্ঠান শেষে ডেপুটি স্পিকার কৃষকদের মাঝে দুই হাজার ফলদ ও বনজ বৃক্ষের চারা বিতরণ করেন। এ ছাড়া তিনি বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতি, সদর উপজেলার বেশরগাতি গ্রামে লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশন পরিচালিত মসজিদ কমপ্লেক্স, এতিমখানা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনসহ জেলার আরো কয়েকটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন।

রাজশাহীতে ‘নজরুল ভিলেজ’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
রাজশাহীতে ‘নজরুল ভিলেজ’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, কবিতা ও গান নতুন প্রজন্মের মাঝে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে রাজশাহীতে ‘নজরুল ভিলেজ’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১১টায় রাজশাহী কেন্দ্রীয় বোটানিক্যাল গার্ডেন ও চিড়িয়াখানার বিপরীতে এই ভিলেজের উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। এতে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীর ইতিহাস গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী।

জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম জানান, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, কবিতা ও গান নতুন প্রজন্মের মাঝে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে নির্মিত হচ্ছে ‘নজরুল মঞ্চ’ এবং ‘নজরুল কর্নার’। সম্পূর্ণ উন্মুক্ত পরিবেশে এবং বৃক্ষশোভিত ছায়ায় সাধারণ মানুষের জন্য এই প্রাঙ্গণটি তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে বছরব্যাপী চলবে নজরুল সাহিত্য ও শিল্পের চর্চা।

কমলগঞ্জ

পানি কমতেই ধলাইপারে ভাঙন আতঙ্ক

৩০ ফুট সড়কবাঁধ বিলীন  দ্রুত টেকসই সংস্কার দবি

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
পানি কমতেই ধলাইপারে ভাঙন আতঙ্ক
ছবি : সংগৃহীত

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ধলাই নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিরক্ষা বাঁধের বিভিন্ন অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। 

স্থানীয় সূত্র জানায়, ধসে পড়ছে বাঁধের মাটি। বৃহস্পতিবার বিকেলে কমলগঞ্জ পৌর এলাকার কুমড়াকাপন এলাকায় যাতায়াতের সড়কসহ বাঁধের ৩০ ফুট অংশ নদীতে ধসে পড়ায় নদীতীরবর্তী পাঁচটি ঘর চরম ঝুঁকিপুর্ণ অবস্থায় রয়েছে। আতঙ্কিত পরিবারগুলো বাঁশের খুঁটি বসিয়ে ঘর রক্ষার চেষ্টা করছে। পানি বাড়লেই ঘরগুলো ধসে পড়বে বলে আশঙ্কা তাদের। এ নিয়ে ওই এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। 

বাঁধটি দ্রুত মেরামতের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)-এর কাছে দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।

শনিবার (১৮ জুলাই) সরেজমিন পৌরসভার ৬ নম্বর  ওয়ার্ডের কুমড়াকাপন গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ধলাই নদীর তীররক্ষা বাঁধের প্রায় ৩০ ফুট অংশ নদীতে ধসে পড়েছে। বিশাল এলাকা নদীতে চলে যাওয়ায় পাঁচটি পরিবার ঝুঁকিতে পড়েছে। পরিবারগুলো তাদের বসতঘর রক্ষায় বাঁশের খুঁটি দিয়ে ঘরের পেছনের অংশ রক্ষার চেষ্টা করছেন। গত সপ্তাহে বাঁধটি রক্ষার জন্য   এলাকাবাসী মানববন্ধন করে বলে জানায় স্থানীয়রা।

গ্রামটির ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দা সানু মিয়া বলেন, ধলাই নদীর পানি বাড়ার কারণে কয়েক দিন ধরে বাঁধে ফাটল সৃষ্টি হয়। পানি কমতেই গত বৃহস্পতিবার বাঁধের বিশাল এলাকা নদীতে ধসে পড়ে। আমাদের চলাচলের সড়কসহ ২৫ থেকে ৩০ ফুট পানিতে বিলীন হয়েছে। 

সানু মিয়া আরো বলেন, ‘আমার ঘরটি যেকোনো  মুহূর্তেই ধসে যাবে। এ নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। প্রশাসন থেকে বাঁধ রক্ষার উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিলেও কেউ আর আসেননি। তাই আমরা নিজেরাই ঘর রক্ষার চেষ্টা করছি।’

আরেক বাসিন্দা রফিক মিয়া বলেন, ‘এখানে আমরা ৮-১০টি পরিবার বসবাস করছি। কিন্তু নদীভাঙনের আতঙ্কে এখন আমরা দিন কাটাচ্ছি। আমার ঘরটিও ঝুঁকিতে রয়েছে। আমাদের খবর কেউ নেয় না। দ্রুত বাঁধ মেরামত না করলে সবার ঘর নদীতে বিলীন হবে।’

একই দিন কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের পূর্ব লঙ্গুরপার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, আগের ভাঙন এলাকাটি পানি উন্নয়ন বোর্ড মেরামতের উদ্যোগ নিলেও কাজ বন্ধ রয়েছে। কিছু বালুর বস্তা দিয়ে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা করা হয়েছে।

ওই এলাকার বাসিন্দা সৌরভ ভৌমিক বলেন, আগের ভাঙনের কারণে বাঁধটি নড়বড়ে রয়েছে। আবার নদীর পানি কমে যাওয়ার পর ভেজা মাটি ধসে পড়তে শুরু করেছে। নতুন করে ১০০ ফুট দূরে শুক্রবার (১৭ জুলাই) আবার নদীপারে বিশাল ফাটল দেখা দিয়েছে। 

কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান বলেন, ‘ধলাই নদীর পানি কমে যাওয়ার পর লংগুরপাড় গ্রামের প্রতিরক্ষা বাঁধে যে বড় ফাটল ও ভাঙন দেখা দিয়েছে, তা অত্যন্ত আতঙ্কের। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)-এর কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানিয়েছি।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. আসাদুজ্জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, পৌরসভার কুমড়াকাপন এলাকার ভাঙনপ্রবণ অংশ  দ্রুত মেরামত করতে পাউবোকে বলা হয়েছে।  উপজেলার আরো ঝুঁকিপুর্ণ বাঁধ মেরামতের উদ্যোগ নেওয়ার জন্যও আলাপ হয়েছে। তারা খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন। 

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. খালেদ বিন অলীদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘পৌরসভা এলাকায় বাঁধটি পরিদর্শন করা হয়েছে দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তা ছাড়া অন্য এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো মেরামত ও প্রকল্প গ্রহণে  ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠিয়েছি। বরাদ্দ ও অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু করতে পারব।’