চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। সাধারণ শিক্ষার্থী ও আপামর জনসাধারণের অংশগ্রহণ ছাড়া সেই আন্দোলনের সফলতা এবং পরবর্তী পরিবর্তন সম্ভব হতো না।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সংসদ সদস্য মানিক বলেন, জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবারের বেদনা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তাদের আত্মত্যাগের যথাযথ সম্মান জানাতে প্রতিবছর জুলাই শহীদদের স্মরণে আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. এরশাদ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম এন জামিউল হিকমা।
সভায় জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণা করেন জুলাইযোদ্ধা সাজ্জাদের বাবা জসিম রেজা। এ ছাড়া এতে বক্তব্য দেন জিয়াউর রহমান সোহাগ, জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি মামুন খান, সদস্য ফজলুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জিহাদ হোসেন, গাজী বাহার, জুলাইযোদ্ধা নাজমুত সালাত সাকিব এবং সাগর হোসেন।
এ সময় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান, গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী নাসিম আহমেদ টিটো, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল্লাহ, জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান, জেলা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট কোহিনুর আক্তার, চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনাসভা শেষে জুলাই শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কালেক্টরেট মসজিদের খতিব মাওলানা মোশাররফ হোসাইন।
এর আগে সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসংলগ্ন জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।





