• ই-পেপার

প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ ঝুলানোর চেষ্টা, পলাতক ইমাম গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ ঝুলানোর চেষ্টা, পলাতক ইমাম গ্রেপ্তার

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে স্ত্রীকে হত্যা পর সন্তান নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটন করে আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ৮ জুলাই আসামি মো. মুহাসিন মাদবরকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পিবিআই।

নিহত আয়েশা আক্তার (২৮) মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের পূর্ব বালিগাঁও গ্রামের বাসিন্দা। তার স্বামী গ্রেপ্তার মো. মুহাসিন মাতুব্বর (৩২) পূর্ব বালিগাঁও জামে মসজিদের ইমাম ও গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বাহারা গ্রামের ওমর আলী মাতুব্বরের ছেলে। তাদের ৪ বছরের একটি শিশু সন্তান রয়েছে।  

পিবিআইয়ের প্রেস রিলিজ সূত্রে জানা যায়, নিহত আয়েশার সঙ্গে স্বামী মুহাসিন মাতুব্বরের ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিবাহ হয়। বিগত প্রায় ৬ মাস যাবৎ মুহসিন মাতব্বর তার স্ত্রী আছমা ও কন্যাকে নিয়ে পূর্ব বালিগাওঁ গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন। নিহত আছমার পূর্বে দুইবার বিয়ে হয়েছিল তবে বিষয়টি গোপন করার কারণে প্রায়ই স্বামী ও স্ত্রীর মাঝে কলহ হতো। হত্যাকাণ্ডের আগের রাতে ৫ জুলাই এশারের নামাজের পর আসামি বাসায় এসে দেখেন স্ত্রী আছমা পুরানো একটি জামা পরে আছেন। এনিয়ে স্বামী-স্ত্রীর বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে মুহসিন তার স্ত্রীকে চড়-থাপ্পড় মেরে গায়ের জামা ছিঁড়ে ফেলে। পরে ঘটনার দিন বিগত ৬ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মুহসিন মাতুব্বর স্ত্রী আসমার কাছে সকালের নাস্তা রেডি না থাকার কারণ জিজ্ঞেস করলে সে জানায় তার মাথা ব্যাথা। এই নিয়ে উভয়ের মাঝে পুনরায় তর্ক-বিতর্ক হয়। পরে মুহসিন আছমার আগের বিয়ে নিয়ে গালিগালাজ করতে শুরু করে এবং আবারো মারধর করতে থাকেন। এ সময় স্ত্রীর গলা চেপে ধরে পেছনের দিকে দেয়ালে ধাক্কা দিলে সেখানে কাঠের পাটাতন থেকে আঘাত লেগে আছমা মারা যান। মুহসিন তখন মরদেহের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আছমার মরদেহ ঝুলানোর চেষ্টা করে। কিন্তু মরদেহ ঝুলাতে না পেরে খাটের ওপর ফেলে রেখে তাদের ৪ বছরের কন্যা মায়েশাকে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় নিহত আছমার ভাই মো. শামীম তালুকদার বাদী হয়ে টঙ্গিবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে পিবিআই মুন্সীগঞ্জের একটি বিশেষ টিম তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে গত ৮ জুলাই আসামি মো. মুহাসিন মাদবরকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্ররণ করে। গ্রেপ্তারের পর আসামিকে আদালতে সোপর্দ করলে সে বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। জবানবন্দিতে সে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে বলে জানান উক্ত  মামলার তদন্তকারী অফিসার রনি দেবনাথ।

পিবিআইয়ের মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আয়েশা আরা জাহান বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপরে তিস্তার পানি, বন্যার শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপরে তিস্তার পানি, বন্যার শঙ্কা
সংগৃহীত ছবি

ভারতের গজলডোবা থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা ভারী বর্ষণের কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার তিন সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে আকস্মিক পানি বৃদ্ধির ফলে লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলার নদীতীরবর্তী চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি শত শত পরিবার পানিবন্দি হওয়ার তীব্র আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত ৯টায় তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১৮ মিটার। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার হওয়ায় পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ভারতে কয়েকদিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীতে পানির প্রবাহ বেড়েছে। উজানের এই ঢলের প্রভাবে বাংলাদেশ অংশের ডালিয়া পয়েন্টেও পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে কয়েক দিন ধরে তিস্তার পানি ওঠানামা করলেও তা বিপৎসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে মঙ্গলবার রাতের ভারী বৃষ্টি এবং উজানের ঢলের কারণে বুধবার থেকে পানির প্রবাহ বেড়ে ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করে। ফলে তিস্তা নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং শত শত পরিবার পানিবন্দি হতে পারে।

ইতিমধ্যে বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তার চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। জেলার পাঁচ উপজেলার নদীতীরবর্তী এলাকাও বন্যায় প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, পানির চাপ আরো বাড়লে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এবং নদীতীরবর্তী উঁচু সড়কগুলো চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় এসব বাঁধ চলতি বন্যায় বড় ধরনের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে দাবি তাদের।

স্থানীয় বাসিন্দা ইব্রাহিম হোসেন বলেন, ‘শুষ্ক মৌসুমে কাজ করলে ফাঁকি দিতে পারবেন না। আর বর্ষায় কাজ করলে কাজ না করেও বলতে পারবে কাজ করেছি। এসব কারণে নদীর স্থায়ী কোনো কাজ হয় না। বর্ষা এলে সিসি ব্লক আর বালুর বস্তা নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন দৌড়ায়।’

নদীপাড়ের গোবর্দ্ধন গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে পানি বাড়া-কমা করছিল। আজকে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পানি বাড়ার পরিমাণটা বেশি। চরাঞ্চলের অনেক বাড়িতে পানি উঠে পড়তে পারে। তারা পানিবন্দি হয়ে পড়লে ওই সব এলাকার শিশু, বৃদ্ধ আর প্রতিবন্ধীদের নিয়ে চরম কষ্টে থাকতে হয়। গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি নিয়েও আমাদের কষ্টের শেষ নেই। এসবের মাঝেও থাকে সাপ-পোকার প্রাদুর্ভাব। সব মিলিয়ে আমাদের নিদ্রাহীন রাত কাটে বন্যার সময়। বন্যা যতদিন থাকে, আমাদের কষ্ট তার চেয়েও অনেক বেশি সময় ধরে চলে।’

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, ভারী বৃষ্টি ও উজানের পানি প্রবাহ অব্যাহত থাকায় তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে পানির উচ্চতা বেড়েছে। এর ফলে নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বন্যা দেখা দিতে পারে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শুষ্ক মৌসুমে পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ না করে ফেলে রাখে। বর্ষা এলে জরুরি মেরামতের নামে কাজ শুরু করা হয়। অথচ শুষ্ক মৌসুমে বাঁধ মেরামত করা হলে কাজ আরো টেকসই হতো এবং নদীভাঙন ও বন্যার ক্ষয়ক্ষতিও অনেকাংশে কমানো সম্ভব হতো।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উজানের পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় এ পয়েন্টে পানি প্রবাহ বেড়েছে। তাই হালকা বন্যা দেখা দিতে পারে। উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতি দীর্ঘ হতে পারে। উজানের ঢলের ওপরই নির্ভর করে পানির চাপ কম-বেশি হতে পারে।’

টানা বৃষ্টিতে জয়রামপুর-কুমারীদহ সড়কে ধস, ২ গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
টানা বৃষ্টিতে জয়রামপুর-কুমারীদহ সড়কে ধস, ২ গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
ছবি: কালের কণ্ঠ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার হাউলি ইউনিয়নে টানা ভারি বৃষ্টিতে জয়রামপুর কাঁঠালতলা থেকে কুমারীদহ গ্রামে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কের একটি অংশ ভেঙে তলিয়ে গেছে। এতে জয়রামপুর ও কুমারীদহ গ্রামের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) গভীর রাত থেকে শুরু হওয়া ভারী বর্ষণের ফলে কাঠালতলা মসজিদের পেছনের সড়কের নিচের মাটি সরে যায়। একপর্যায়ে প্রায় ১৫ ফুট অংশ ধসে যায়। ফলে জয়রামপুর ও কুমারীদহ গ্রামের একমাত্র যোগাযোগ সড়কটি যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

কুমারীদহ গ্রামের বাসিন্দা মসলেম আলী (৫৪) বলেন, ‘রাতভর বৃষ্টির কারণে সকালে উঠে দেখি রাস্তার বড় একটি অংশ ভেঙে গেছে। এখন আমাদের অনেক ঘুরে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে সময় ও ভোগান্তি দুটোই বাড়ছে।’

স্থানীয় দোকানদার কালু শেখ (৩৫) বলেন, ‘এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ চলাচল করেন। রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যেও প্রভাব পড়েছে। দ্রুত সংস্কার না হলে সাধারণ মানুষের কষ্ট আরো বাড়বে।’

স্থানীয় বাসিন্দা আরিফুর ইসলাম মিলন বলেন, ‘এটি জয়রামপুর ও কুমারীদহ গ্রামের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। ভারি বৃষ্টির কারণে রাস্তার বড় অংশ ভেঙে গেছে। দ্রুত সংস্কার না করলে মানুষের দুর্ভোগ আরো বাড়বে এবং যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’

হাউলি ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দীন বলেন, ‘সড়ক ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যাতে এলাকাবাসীর চলাচল স্বাভাবিক করা যায়।’

এদিকে সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ভাঙনের ঝুঁকি দেখা দিলেও স্থায়ী কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ভাঙনের পরিমাণ আরো বৃদ্ধি পেয়ে আশপাশের এলাকাও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

আশুলিয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা অভিযোগে রাজমিস্ত্রি আটক

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
আশুলিয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা অভিযোগে রাজমিস্ত্রি আটক
সংগৃহীত ছবি

আশুলিয়ার পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবুল ওরফে বাবু (৪৫) নামে এক রাজমিস্ত্রিকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে আশুলিয়ার ডেন্ডাবর অফিসার হাউজিং সংলগ্ন গ্রামীণ টাওয়ার এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়েছে। 

আটক পাবনা জেলার বাসিন্দা। তিনি আশুলিয়ায় রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে অভিযুক্ত বাবুল ভুক্তভোগীকে কৌশলে একটি নির্জন কক্ষে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এসময় আশেপাশের লোকজন সন্দেহ থেকে এগিয়ে এলে ঘটনাটি জানাজানি হয়। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত বাবুলকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’