• ই-পেপার

বাবাকে জীবন্ত মাটিচাপা দিতে ঘরে কবর খোঁড়ার অভিযোগ

টানা বৃষ্টিতে জয়রামপুর-কুমারীদহ সড়কে ধস, ২ গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
টানা বৃষ্টিতে জয়রামপুর-কুমারীদহ সড়কে ধস, ২ গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
ছবি: কালের কণ্ঠ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার হাউলি ইউনিয়নে টানা ভারি বৃষ্টিতে জয়রামপুর কাঁঠালতলা থেকে কুমারীদহ গ্রামে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কের একটি অংশ ভেঙে তলিয়ে গেছে। এতে জয়রামপুর ও কুমারীদহ গ্রামের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) গভীর রাত থেকে শুরু হওয়া ভারী বর্ষণের ফলে কাঠালতলা মসজিদের পেছনের সড়কের নিচের মাটি সরে যায়। একপর্যায়ে প্রায় ১৫ ফুট অংশ ধসে যায়। ফলে জয়রামপুর ও কুমারীদহ গ্রামের একমাত্র যোগাযোগ সড়কটি যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

কুমারীদহ গ্রামের বাসিন্দা মসলেম আলী (৫৪) বলেন, ‘রাতভর বৃষ্টির কারণে সকালে উঠে দেখি রাস্তার বড় একটি অংশ ভেঙে গেছে। এখন আমাদের অনেক ঘুরে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে সময় ও ভোগান্তি দুটোই বাড়ছে।’

স্থানীয় দোকানদার কালু শেখ (৩৫) বলেন, ‘এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ চলাচল করেন। রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যেও প্রভাব পড়েছে। দ্রুত সংস্কার না হলে সাধারণ মানুষের কষ্ট আরো বাড়বে।’

স্থানীয় বাসিন্দা আরিফুর ইসলাম মিলন বলেন, ‘এটি জয়রামপুর ও কুমারীদহ গ্রামের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। ভারি বৃষ্টির কারণে রাস্তার বড় অংশ ভেঙে গেছে। দ্রুত সংস্কার না করলে মানুষের দুর্ভোগ আরো বাড়বে এবং যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’

হাউলি ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দীন বলেন, ‘সড়ক ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যাতে এলাকাবাসীর চলাচল স্বাভাবিক করা যায়।’

এদিকে সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ভাঙনের ঝুঁকি দেখা দিলেও স্থায়ী কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ভাঙনের পরিমাণ আরো বৃদ্ধি পেয়ে আশপাশের এলাকাও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

আশুলিয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা অভিযোগে রাজমিস্ত্রি আটক

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
আশুলিয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা অভিযোগে রাজমিস্ত্রি আটক
সংগৃহীত ছবি

আশুলিয়ার পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবুল ওরফে বাবু (৪৫) নামে এক রাজমিস্ত্রিকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে আশুলিয়ার ডেন্ডাবর অফিসার হাউজিং সংলগ্ন গ্রামীণ টাওয়ার এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়েছে। 

আটক পাবনা জেলার বাসিন্দা। তিনি আশুলিয়ায় রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে অভিযুক্ত বাবুল ভুক্তভোগীকে কৌশলে একটি নির্জন কক্ষে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এসময় আশেপাশের লোকজন সন্দেহ থেকে এগিয়ে এলে ঘটনাটি জানাজানি হয়। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত বাবুলকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’

প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
প্রতীকী ছবি

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে সজিব কালাই (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগীর দায়ের করা মামলার পর শুক্রবার (১০ জুলাই) বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের শ্রীনিবাসদী সরকারি আবাসন প্রকল্প এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, ৩৫ বছর বয়সী ওই নারী নিজ বসতঘরে অবস্থান করছিলেন। এ সময় প্রতিবেশী সজিব কালাই কৌশলে ঘরে প্রবেশ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে মঙ্গলবার (৮ জুলাই) রাত ১০টার দিকে ভুক্তভোগী আড়াইহাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সজিব কালাইকে গ্রেপ্তার করে।

আড়াইহাজার থানার ওসি সবুজেল হোসেন বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

পটিয়ায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
পটিয়ায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি
সংগৃহীত ছবি

টানা ভারি বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা এখন যেন এক জলাবদ্ধ জনপদ। ১৭টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে অন্তত ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসন প্রাথমিকভাবে ১ হাজার মানুষের জন্য শুষ্ক খাবার ও জরুরি সামগ্রী পাঠিয়েছে। এ ছাড়া ৩৬টি আশ্রয়ে কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ জলাবদ্ধতার কারণে মঙ্গলবার থেকে উপজেলার মাধ্যমিক স্তরের অর্ধবার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, ঘরে ঢুকেছে পানি, ডুবে গেছে উঠোন, রান্নাঘর, রাস্তাঘাট। কোথাও হাঁটুসমান, কোথাও কোমরসমান পানি। ঘরে চুলা জ্বলছে না, শিশুর খাবার নেই, বিশুদ্ধ পানির সংকট তীব্র হচ্ছে। শুকনো খাবার, স্যালাইন আর অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটছে হাজারো মানুষের দিন-রাত। একইসঙ্গে পটিয়া পৌরসভার বিভিন্ন এলাকাও জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

সরেজমিন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পটিয়া পৌর সদরের রামকৃষ্ণ মিশন সড়ক, গোবিন্দার খিল, খলিলুর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজ সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় হাঁটুসমান পানি জমে আছে। অনেক বাড়ির নিচতলা তলিয়ে গেছে, রান্নাঘরে পানি ওঠায় স্বাভাবিকভাবে খাবার রান্না বন্ধ হয়ে গেছে। কোথাও শিশুদের কোলে নিয়ে মায়েরা উঁচু স্থানে আশ্রয় খুঁজছেন, কোথাও বৃদ্ধরা বিছানা ছেড়ে মাচার ওপর বসে সময় কাটাচ্ছেন। দোকানপাটে পানি ঢুকে ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছে।

উপজেলার কেলিশহর, হাইদগাঁও, কচুয়াই, ধলঘাট, শোভনদণ্ডী, কুসুমপুরা, আশিয়া, কোলাগাঁও, জঙ্গলখাইন, ছনহরা, ভাটিখাইন, কেলিশহর, ধলঘাট, শোভনদন্ডীসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়েছে। পানির তোড়ে ডুবে গেছে বীজতলা, সবজি ক্ষেত, পুকুর, মাছের ঘের ও খামার। অনেক কৃষক ও মৎস্যচাষী নতুন করে ক্ষতির হিসাব কষছেন। নিচু এলাকার পরিবারগুলো ঘরের আসবাবপত্র, ধান-চাল, কাপড়চোপড় ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র উঁচু স্থানে তুলে রেখেও রক্ষা করতে পারছেন না।

পানিবন্দি মানুষের কষ্ট সবচেয়ে বেশি ফুটে উঠছে নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর জীবনে। দিনমজুর, রিকশাচালক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, মাছচাষী, কৃষক যাদের প্রতিদিনের আয়ে সংসার চলে, তাদের অনেকেই কয়েকদিন ধরে কার্যত কর্মহীন। বৃষ্টি আর জলাবদ্ধতায় কাজ নেই, ঘরে খাবার নেই, রান্নার উপায় নেই।

পানিবন্দি নারী সুলতানা আকতার বলেন, ‘িসকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি ঘরে পানি। চুলায় আগুন ধরানোর উপায় নেই। বাচ্চাদের নিয়ে শুকনো খাবার খেয়ে আছি। কখন পানি নামবে, জানি না।’

আশিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা রাশেদা বেগম বলেন, ‘রাতে পানি বাড়ে, দিনে বাড়ে। ছোট বাচ্চা, বয়স্ক মানুষ নিয়ে খুব কষ্টে আছি। বিশুদ্ধ পানিও পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতি বছরই পানি ওঠে, কিন্তু এবার অবস্থা অনেক বেশি খারাপ।’

পটিয়া উপজেলা প্রশাসন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রাথমিকভাবে পাঠানো শুষ্ক খাবারের প্রতিটি প্যাকেটে রয়েছে ১ কেজি চিড়া, আধা কেজি মুড়ি, ১ প্যাকেট টোস্ট বিস্কুট, আধা কেজি গুড়/মিঠা, খাবার স্যালাইন, ১টি লাইটার ও ১ ডজন মোমবাতি। ইউনিয়নভিত্তিকভাবে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে এসব ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান বলেন, ‘টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। আমরা প্রাথমিকভাবে ১ হাজার পানিবন্দি মানুষের জন্য শুষ্ক খাবার পাঠিয়েছি। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধারাবাহিকভাবে আরো সহায়তা দেওয়া হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় ৩৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যদি পানি আরো বাড়ে বা পরিস্থিতির অবনতি হয়, তাহলে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হবে। উপজেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যেবক্ষণ করছে।’

জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গাজী মো. বখতিয়ার উদ্দিন (বকুল) বলেন, ‘জঙ্গলখাইন ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় শত শত মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। উপজেলা প্রশাসন থেকে পাওয়া শুষ্ক খাবার আমরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। আরো যেসব পরিবার কষ্টে আছে, তাদের তালিকা করা হচ্ছে। নতুন বরাদ্দ এলে দ্রুত সেগুলোও বিতরণ করা হবে। এ জলাবদ্ধতায় পুকুর, জলাশয় ও মাছের প্রজেক্ট ডুবে গেছে। মাছচাষীরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।’

অপরদিকে, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে পটিয়ার কৃষি ও মৎস্য খাতেও নেমে এসেছে বড় ধাক্কা। অনেক এলাকায় বীজতলা ও সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পুকুর ও মাছের ঘের উপচে মাছ ভেসে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে ছোট ও মাঝারি কৃষক-মাছচাষীরা মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। কেউ ঋণ করে মাছের ঘের করেছেন, কেউ ধারদেনা করে বীজতলা প্রস্তুত করেছেন এখন সবকিছুই অনিশ্চয়তায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু টানা বর্ষণের কারণে নয় অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাল-নালা ভরাট, পানি চলাচলের প্রাকৃতিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং অপর্যাপ্ত নালা-নর্দমার কারণেও জলাবদ্ধতা ভয়াবহ আকার নিয়েছে। কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টির পানি যদি দিনের পর দিন আটকে থাকে, তবে সেটি কেবল প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে নয় এর সঙ্গে অব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘদিনের পরিকল্পনাহীনতাও জড়িত।