• ই-পেপার

কক্সবাজারে ছেলের গুলিতে আহত বাবার মৃত্যু

পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল ২ চাচাতো বোনের

নীলফামারী সংবাদদাতা
পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল ২ চাচাতো বোনের
প্রতীকী ছবি

নীলফামারীর ডিমলায় পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সম্পর্কে তারা চাচাতো বোন। 

রবিবার (৭ জুন) দুপুরে উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের উত্তর সোনাখুলী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো একই গ্রামের রবিয়াল ইসলামের মেয়ে রুপাইয়া (৪) ও আউয়াল হোসেনের মেয়ে আশফিকা (৪)। সম্পর্কে তারা আপন চাচাতো বোন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুপুরে বাড়ির পাশে খেলতে খেলতে শিশু দুটি পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে নামে। সাঁতার না জানায় তারা গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। কিছু সময় পর শিশুদের খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরে পুকুরে তাদের ভাসতে দেখে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে নিকটস্থ চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই শিশুকেই মৃত ঘোষণা করেন।

ডিমলা থানার তদন্ত কর্মকর্তা দিবাকর অধিকারী বলেন, ‘বিষয়টি এখনো আমাদের জানানো হয়নি।’

টাঙ্গন নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, দুজনের কারাদণ্ড

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
টাঙ্গন নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, দুজনের কারাদণ্ড
ছবি : কালের কণ্ঠ

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে টাঙ্গন নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে দুজনকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার (৭ জুন) বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এন এম ইসফাকুল কবীর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার ভেলাতৈড় গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে আবুল কালাম এবং কাঠালবাড়ী গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে রাজু ইসলাম।

উপজেলা ভূমি অফিস সূত্র জানায়, উপজেলার কোষাবন্দর এলাকায় টাঙ্গন নদী থেকে একটি ট্রাক্টর-ট্রলিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় আবুল কালাম ও রাজু ইসলামকে আটক করা হয়। এ সময় বালুভর্তি ট্রলিটিও জব্দ করা হয়।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন লঙ্ঘনের দায়ে তাদের প্রত্যেককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) এন এম ইসফাকুল কবীর বলেন, ‘বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন লঙ্ঘনের দায়ে দুইজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বালুবোঝাই ট্রলিটি জব্দ করা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘নদী ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

সাভার পৌর ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
সাভার পৌর ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা
সংগৃহীত ছবি

সাভার পৌর ছাত্রদলের ১৭১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত, ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করায় সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে।

নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে আরমান হোসেন বাবু, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মোশারফ হিমেল খান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে তাজ খান নাঈমকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নতুন কমিটি ঘোষণার পর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী এবং বিভিন্ন সময়ে নির্যাতনের শিকার ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের মাধ্যমে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি তরুণ ও সম্ভাবনাময় নেতাকর্মীদেরও সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থান দেওয়া হয়েছে। 

নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেন, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সাভার পৌর ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরো শক্তিশালী, গতিশীল ও সুসংগঠিত হবে।

নবগঠিত পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হিমেল খান বলেন, নবগঠিত কমিটি সাভার পৌর এলাকায় ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরো বেগবান করবে এবং ভবিষ্যতের আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

পঞ্চগড় সীমান্তে পুশ ইন ঘিরে ফের উত্তেজনা, বিজিবির কড়া জবাব

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
পঞ্চগড় সীমান্তে পুশ ইন ঘিরে ফের উত্তেজনা, বিজিবির কড়া জবাব
ছবি : কালের কণ্ঠ

পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার বড়বাড়ী প্রধানপাড়া সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ১০ জনকে পুশ ইনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থানরত ওই ১০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর আরেকটি প্রচেষ্টা রবিবার (৭ জুন) দুপুরে প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বিজিবি সূত্র জানায়, বিএসএফের সদস্যরা ওই ব্যক্তিদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি কড়া অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা পিছু হটতে বাধ্য হয়। এ সময় কিছু সময়ের জন্য দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং উভয় বাহিনী মুখোমুখি অবস্থান নেয়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

এদিকে তিন দিন ধরে সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান করছেন পুশ ইনের শিকার ১০ জন। তাদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ, দুজন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছে। খোলা আকাশের নিচে রোদ, বৃষ্টি ও ঝড়ের মধ্যে মানবেতর জীবন যাপন করছে তারা।

জানা যায়, গত শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে বড়বাড়ী প্রধানপাড়া সীমান্ত দিয়ে ওই ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবি তাদের সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে আটকে দেয়। এরপর থেকে তারা সেখানেই অবস্থান করছেন।

ঘটনার পর এ পর্যন্ত বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে তিন দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সমাধান হয়নি। ফলে সীমান্ত এলাকায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

পঞ্চগড়ের ঘাগড়া কোম্পানি কমান্ডার আলী আজাদ বলেন, ‘১০ জন ব্যক্তি এখনও নোম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। বিএসএফ তাদের ফেরত নেওয়ার পরিবর্তে রবিবার আবারও বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করলে আমরা কঠোরভাবে বাধা দিই। কড়া ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। পরে তারা সরে যায়।’

তবে বিষয়টির স্থায়ী সমাধান কবে হবে, সে বিষয়ে তিনি কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি।

স্থানীয়দের দাবি, মানবিক দিক বিবেচনায় দ্রুত কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক উদ্যোগের মাধ্যমে সমস্যাটির সমাধান করা প্রয়োজন।