বগুড়ায় দুপচাঁচিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে রিভলবার, দেশীয় অস্ত্র ও ইয়াবাসহ ডাকাতদলের ৪ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার চৌমুহনী এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় বগুড়া পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া মুখপাত্র আতোয়ার রহমান।
গ্রেপ্তাররা হলেন–বগুড়ার কাহালু উপজেলার পুগইল গ্রামের মৃত নাজির উদ্দিনের ছেলে মো. ইমরান হোসেন (৩০), দুপচাঁচিয়া উপজেলার নওদাপাড়া গ্রামের মো. নবাব আলীর ছেলে মো. সোহেল (২৮), কাহালু উপজেলার চানপুর গ্রামের মো. আলমগীর হোসেনের ছেলে মো. রাব্বী হাসান (২১) এবং একই উপজেলার পাঁচপীর নলঘরিয়া গ্রামের মো. আব্বাস আলীর ছেলে মো. হালিম (২০)।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে দুপচাঁচিয়া উপজেলার চৌমুহনী এলাকার একটি বাড়িতে একদল সংঘবদ্ধ ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে তিরিগাড়ী এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ৮-১০ জনের ডাকাতদল দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় তদের ধাওয়া করে ডাকাতদলের চার সদস্যকে আটক করে এবং বাকিরা পালিয়ে যান।
গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ১টি রিভলবার, ১টি চাইনিজ কুড়াল, ১টি কাটার, ২টি বার্মিজ চাকু, ১টি স্লাই রেঞ্জ ও ২টি গামছা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া তাদের কাছ থেকে ১২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান জানান, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা সবাই আন্ত জেলা ডাকাতদলের সক্রিয় সদস্য। পুলিশের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কারণে একটি বড় ধরনের ডাকাতির ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছেন যে সম্প্রতি শিবগঞ্জ ও নন্দীগ্রাম থানা এলাকায় সংঘটিত ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে তারা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। প্রত্যেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে।
পুলিশ আরো জানায়, পলাতক বাকি ডাকাতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় দুপচাঁচিয়া থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।






