• ই-পেপার

মেহেরপুরে স্বর্ণের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি

খুলনা মেডিক্যালে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন ‘গায়েব’, তদন্ত কমিটি গঠন

খুলনা অফিস
খুলনা মেডিক্যালে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন ‘গায়েব’, তদন্ত কমিটি গঠন
সংগৃহীত ছবি

খুলনা মেডিক্যাল কলেজের প্রশাসনিক ভবন থেকে বায়োমেট্রিক ফেস ডিটেকশন হাজিরা মেশিন সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

কলেজ সূত্র জানায়, রবিবার (১৭ মে) বিকেলে প্রশাসনিক ভবনের পাশের একটি কক্ষ থেকে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিনটি খুলে নেওয়া হয়। অভিযোগ উঠেছে, অফিস সহায়ক কাওসার আলী কার্ডিওলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মোস্তফা কামালের নির্দেশে যন্ত্রটি সরিয়ে নিয়ে পরে কলেজ ভবনের পঞ্চম তলায় কাওসার আলীর ব্যক্তিগত কক্ষে রাখা হয়।

পরদিন সোমবার (১৮ মে) সকালে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে কর্তৃপক্ষ। পরে সকাল ১১টার দিকে কাওসার আলীর কক্ষ থেকে বায়োমেট্রিক যন্ত্রটি উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. গোলাম মাসুদ জানান, শিক্ষকদের বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি করা হয়েছে উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আমানুল ইসলাম।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. শাহিদুল হাসান মল্লিক, কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. এস এম মাসুম ইকবাল, নিউরোমেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. আব্দুল হালিম সরদার এবং কলেজের সচিব মো. মনিরুজ্জামান। কমিটিকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে বিষয়টি অভ্যন্তরীণ হিসেবে উল্লেখ করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মঙ্গলবার রাতে দেশে পৌঁছাবে ওমানে নিহত ৪ ভাইয়ের মরদেহ

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
মঙ্গলবার রাতে দেশে পৌঁছাবে ওমানে নিহত ৪ ভাইয়ের মরদেহ
সংগৃহীত ছবি

ওমানে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে নিহত চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার চার প্রবাসী ভাইয়ের মরদেহ মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে দেশে পৌঁছাবে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে রাত ৯টার দিকে মরদেহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিশেষ ফ্রিজার অ্যাম্বুল্যান্সে মরদেহগুলো চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হবে।

সোমবার (১৮ মে) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওমানস্থ চট্টগ্রাম সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াসিন চৌধুরী সিআইপি। তিনি জানান, মরদেহ দেশে পাঠাতে প্রয়োজনীয় সব আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। ওমান সরকার ও বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় দ্রুততার সঙ্গে এসব কার্যক্রম শেষ করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরো জানান, বাংলাদেশ সরকারের ব্যবস্থাপনায় মরদেহ পরিবহনের সম্পূর্ণ কার্গো খরচ বহন করা হচ্ছে। এ ছাড়া ওমানস্থ চট্টগ্রাম সমিতি হাসপাতালের হিমঘর বিল, কাফনের কাপড়, গোসল ও দাফনের প্রস্তুতিসহ প্রয়োজনীয় সব ব্যয় বহন করছে। নিহতদের পরিবারের কাছ থেকে কোনো অর্থ নেওয়া হয়নি।

নিহতদের একমাত্র জীবিত ভাই এনাম বলেন, ‘প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় মরদেহগুলো সরাসরি গ্রামের বাড়িতে আনা হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে বুধবার সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছাবে।’

তিনি জানান, লালানগরের বন্ধেরাজ পাড়ার পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি চারটি কবর খননের প্রস্তুতি চলছে। তবে অসুস্থ বৃদ্ধা মাকে এখনো পুরোপুরি এ মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার রাতে ওমানের আল মিলিদ্দা, আল মোছানা স্টেট অব আল বাতিনাহ এলাকায় একটি গাড়ির ভেতরে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে চার ভাইয়ের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন রাশেদুল ইসলাম, সাহেদুল ইসলাম, মো. সিরাজ ও মো. শহিদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে ওমানে বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। দুই ভাইয়ের বিয়ের আয়োজন উপলক্ষে তাদের দেশে ফেরার কথা ছিল। এ জন্য কেনাকাটা ও প্রস্তুতিও প্রায় শেষ হয়েছিল। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে দুজন বিবাহিত এবং বাকি তিনজন অবিবাহিত ছিলেন।

এদিকে চার ভাইয়ের মরদেহ দেশে ফেরাকে ঘিরে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাজুড়ে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নাফ নদ থেকে ৪ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
নাফ নদ থেকে ৪ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি
সংগৃহীত ছবি

কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদে মাছ শিকারের সময় দুটি নৌকাসহ বাংলাদেশি চারজন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মায়ানমারের রাখাইনের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। 

সোমবার (১৮ মে) দুপুরে দিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া সংলগ্ন নাফ নদে এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নৌকার মালিক নুরুল হাকিম ও আবছার উদ্দীন।

তারা জানান, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে নাফনদে মাছ ধরার সময় মায়ানমারে সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সদস্যরা নৌকা দুটিকে ধাওয়া করে আটক করেন। পরে অস্ত্রমুখে নৌকার চার জেলেকে নৌকাসহ রাখাইনের কাইচ্যং খালের দিকে নিয়ে যান।

আরো পড়ুন
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ

 

আরাকান আর্মির হাতে আটক জেলেরা হলেন টেকনাফ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবু তাহেরের ছেলে মো. মনির আহমেদ (৪৫), জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মো. ইয়াছিন (১৮), মৃত আব্দুন নবীর ছেলে আব্দুল মালেক প্রকাশ শফা (৫০) এবং জাফর আলমের ছেলে মো. জামাল হোসেন (৪০)।

টেকনাফ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান বলেন, ‘নাফ নদে মাছ শিকারের সময় আরাকান আর্মির সদস্যরা আমার এলাকার চারজন জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর পেয়েছি। বিষয়টি তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করেছেন বলে জেনেছি।’

এদিকে নৌকার মালিকদের পক্ষ থেকে জেলেরা নাফ নদে মাছ শিকার করছেন, এমন দাবি করা হলেও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক জেলের ভাষ্য, আটক নৌকা দুটি নাফ নদের শূন্য রেখার কাছাকাছি মাছ শিকার করছিলেন। স্থানীয় জেলেদের দাবি, বাংলাদেশি অনেক জেলে আইন অমান্য করে মাঝেমধ্যে নাফ নদের শূন্যরেখা অতিক্রম করে মাছ শিকারে যান, এতে তারা বিপদের মুখে পড়েন।

এ বিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, নাফ নদে মাছ শিকারের সময় মায়ানমারের জলসীমায় প্রবেশ করলে আরাকান আর্মি দুটি ইঞ্জিনচালিত নৌকাসহ চার জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে বলে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ চলমান।

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ
ছবি : কালের কণ্ঠ

বৈরী আবহাওয়ার কারণে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথের লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সেখানে সাময়িকভাবে সব লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিআইডাব্লিউটিএ। সেখানে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকলেও ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

দৌলতদিয়া ঘাটে কর্মরত বিআইডাব্লউটিএর ট্রাফিক সুপারভাইজার মো. শিমুল ইসলাম লঞ্চ বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি কালের কণ্ঠকে জানান, প্রবল ঝোড়ো হাওয়ার কারণে পদ্মা নদীর পানি অনেকটা উত্তাল হয়ে উঠেছে। তাই দুর্ঘটনা এড়াতে আজ সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেখানে সব লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি অনুকূলে এলে লঞ্চ সার্ভিস চালু করা হবে।

এদিকে বিআইডাব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম বাণিজ্য) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকলেও সেখানে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। নৌপথ পাড়ি দিতে ঘাটে আসা যাত্রীরা ফেরিতে পারাপার হচ্ছে।

মেহেরপুরে স্বর্ণের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি | কালের কণ্ঠ