• ই-পেপার

৯৯৯-এ আসা ফোনে উদ্ধার হলো ৩০ কেজি ওজনের সাপ!

গণ-অভ্যুত্থানের প্রতিশোধ নিতে শেখ হাসিনা উদগ্রীব : এমরান সালেহ প্রিন্স

নিজস্ব প্রতিবেদক
গণ-অভ্যুত্থানের প্রতিশোধ নিতে শেখ হাসিনা উদগ্রীব : এমরান সালেহ প্রিন্স
সংগৃহীত ছবি

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে নয়, বরং গণ-অভ্যুত্থানের প্রতিশোধ নিতে উদগ্রীব হয়ে আছেন। দেশে থেকে অভিযোগ মোকাবেলা করার সৎ সাহস থাকলে তিনি বা তার দলের নেতারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতেন না।’

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের যৌথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ‘বিদেশি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফেরার যে কথা বলেছেন, তা আত্মগোপনে থাকা তার নির্লিপ্ত দলীয় নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙা করার একটি ব্যর্থ চেষ্টা মাত্র। ডিসেম্বরে কেন, জনগণ চায় তিনি আজই দেশে ফিরে আইনের কাছে আত্মসমর্পণ করুন এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হোন।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, পতিত ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠী দেশবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের অভিযাত্রাকে ব্যাহত করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জনগণের বিশাল আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে যে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটেছে, তাদের কোনো ষড়যন্ত্রই জনগণ আর বরদাশত করবে না। এই অবস্থায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের অভিযাত্রাকে এগিয়ে নিতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির এই নেতা বলেন, পতিত ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠীর ষড়যন্ত্র, গুজব ও উসকানি সম্পর্কে সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। কোনো অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। জনগণের পাশে থেকে শান্তি, সম্প্রীতি ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

এমরান সালেহ প্রিন্স আরো বলেন, গ্রাম পর্যায়ে মাদক, জুয়া, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দখলবাজি ও সব ধরনের সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে নেতাকর্মীদের কঠোর অবস্থান নিতে হবে। কোনো অপরাধীকে রাজনৈতিক পরিচয়ে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। বিএনপির কোনো নেতাকর্মী এসব অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে কঠোর সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

লুডো খেলাকে কেন্দ্র করে বন্ধুর হাতুড়িপেটায় যুবক নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
লুডো খেলাকে কেন্দ্র করে বন্ধুর হাতুড়িপেটায় যুবক নিহত
নিহত যুবক শাকিল হোসেন। সংগৃহীত ছবি

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে লুডো খেলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে শাকিল হোসেন (২৫) নামের এক যুবককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামকে (২৩) আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১১ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার চরগোপালপুর ইউনিয়নের জালিরচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শাকিল হোসেন জালিরচর গ্রামের শাহাজান পণ্ডিতের ছেলে। আটক সাইফুল ইসলামও একই গ্রামের আলম মাতুব্বরের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গ্রামের পণ্ডিতবাড়ির সামনে একটি পুরনো কাচারি ঘরে বসে লুডো খেলছিলেন শাকিল ও সাইফুল। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। এর জেরে সাইফুল সঙ্গে থাকা একটি হাতুড়ি দিয়ে শাকিলের মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করে পালিয়ে যান।

পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় শাকিলকে উদ্ধার করে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর স্থানীয়রা সাইফুলকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

স্থানীয় বাসিন্দা সোহেল তালুকদার জানান, শাকিল ও সাইফুল পরস্পরের বন্ধু ছিলেন। তার দাবি, দুজনই মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং এ ঘটনার পেছনেও মাদকসংক্রান্ত বিরোধ থাকতে পারে।

মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইমরানুল হক বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই শাকিলের মৃত্যু হয়েছে। তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মেহেন্দীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিন উদ্দিন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে লুডো খেলাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। প্রধান অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল চা দোকানদারের

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল চা দোকানদারের
সংগৃহীত ছবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জসিম উদ্দিন (৩৫) নামের এক চা দোকানদারের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের কয়লাবাড়ি কেন্দ্রীয় ট্রাক টার্মিনাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জসিম উদ্দিন ওই এলাকার মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, ট্রাক টার্মিনালসংলগ্ন নিজের চায়ের দোকানে বৈদ্যুতিক বাল্ব লাগানোর সময় জসিম উদ্দিন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

প্রায় দুই মাস পর আবারও সচল পার্বতীপুর মধ্যপাড়া পাথরখনি

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
প্রায় দুই মাস পর আবারও সচল পার্বতীপুর মধ্যপাড়া পাথরখনি
ছবি : কালের কণ্ঠ

প্রায় দুই মাস বন্ধ থাকার পর আবারও উৎপাদনে ফিরেছে দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ পাথর খনি দিনাজপুরের পার্বতীপুর মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কম্পানি লিমিটেড (এমজিএমসিএল)। প্রয়োজনীয় বিস্ফোরক সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় শনিবার (১১ জুলাই) সকাল থেকে পুনরায় পাথর উত্তোলন শুরু হয়েছে।

খনি কর্তৃপক্ষ জানায়, পাথর উত্তোলনে ব্যবহৃত অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বিস্ফোরকের মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ১৯ মে থেকে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এক মাস ২২ দিন পর নতুন চালানের বিস্ফোরক খনিতে পৌঁছালে আবারও উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হয়েছে।

মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমজাদ হোসেন বলেন, বিস্ফোরকের ঘাটতির কারণে সাময়িকভাবে উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়েছিল। শুক্রবার ৮৮ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট খনিতে পৌঁছেছে। এই মজুত দিয়ে আনুমানিক আড়াই মাস উৎপাদন চালানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সরবরাহ সংকট এড়াতে আরো ৩০০ টন বিস্ফোরকের চাহিদা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

খনি সংশ্লিষ্টরা জানান, সময়মতো বিস্ফোরক সরবরাহ না পাওয়ায় অতীতেও কয়েক দফা উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়েছিল। তাই উৎপাদনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বিস্ফোরকের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের ২৫ মে মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানিতে বাণিজ্যিকভাবে পাথর উত্তোলন শুরু হয়। বর্তমানে খনিতে প্রায় ৭০০ শ্রমিক তিন শিফটে কাজ করছেন। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া ট্রেস্ট কনসোর্টিয়ামের (জিটিসি) সঙ্গে ছয় বছরের নতুন চুক্তির আওতায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার টন পাথর উত্তোলনের লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

৯৯৯-এ আসা ফোনে উদ্ধার হলো ৩০ কেজি ওজনের সাপ! | কালের কণ্ঠ