• ই-পেপার

চাকরি পেলেন ৪৩ ভিক্ষুক

বন্যা পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম ওয়াসার বিশেষ পরামর্শ

অনলাইন ডেস্ক
বন্যা পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম ওয়াসার বিশেষ পরামর্শ

চট্টগ্রাম শহরের কিছু এলাকায় অনেকের ভূ-গর্ভস্থ জলাধারের পানি প্লাবনের পানিতে মিশ্রিত হয়ে পান ও ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে নগরীর সবাইকে বাড়ির রিজার্ভার পরিষ্কার (জীবাণুমুক্তকরণ) করে এবং পানি ফুটিয়ে খাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) চট্টগ্রাম ওয়াসার এক বার্তায় এ অনুরোধ জানানো হয়। 

বার্তায় বলা হয়, সম্প্রতি অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে চট্টগ্রাম শহরের কিছু এলাকায় গ্রাহকের ভূ-গর্ভস্থ জলাধারের পানি প্লাবনের পানিতে মিশ্রিত হয়ে পান ও ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। ফলে সম্মানিত গ্রাহকগণকে তাদের বাড়ির আন্ডার গ্রাউন্ড ও ওভারহেড রিজার্ভার পরিষ্কারকরণ (জীবাণুমুক্তকরণ) এবং পানি ফুটিয়ে খাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। 

বার্তায় আরো বলা হয়, রিজার্ভার পরিষ্কার প্রক্রিয়া জানার জন্য চট্টগ্রাম ওয়াসার মড-১ (ফোন: ০১৩২৪-৭১২৪৩১), মড-২ (ফোন: ০১৩২৪-৭১২৪৩২), মড-৩ (ফোন : ০১৩২৪-৭১২৪১১) এবং মড-৪ (ফোন: ০১৩২৪-৭১২৪২৪) বিভাগ সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করবে।

চট্টগ্রামে বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শনে বিরোধীদলীয় নেতা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শনে বিরোধীদলীয় নেতা
ছবি: কালের কণ্ঠ

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বন্যা এবং ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় তিনি দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং তাদের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ করেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে তিনি সরাসরি বাঁশখালী উপজেলার বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে যান। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং শুকনো খাবার ও নগদ অর্থসহায়তা বিতরণ করেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সবার মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব। তিনি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং দেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রতি নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

বাঁশখালীতে ত্রাণ বিতরণ শেষে তিনি সাতকানিয়া উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকাও পরিদর্শন করেন এবং সেখানকার ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যেও ত্রাণ বিতরণ করেন।

জামায়াতের দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ডা. শফিকুর রহমান শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও থানার ওসমানিয়া গ্লাস ফ্যাক্টরি এলাকা ও শমসেরপাড়ায় জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করবেন।

পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে ছিলেন সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, বাঁশখালী আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা জহিরুল ইসলাম, দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান, চট্টগ্রাম মহানগর আমির নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরীসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

প্রসঙ্গত, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রামের বাঁশখালী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া ও চন্দনাইশসহ বিভিন্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনায় প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। এখনো অনেক পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।

আগৈলঝাড়া

আসামির মৃত্যুর গুজবকে কেন্দ্র করে হামলা, গ্রেপ্তার ১৮

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি
আসামির মৃত্যুর গুজবকে কেন্দ্র করে হামলা, গ্রেপ্তার ১৮
ছবি: কালের কণ্ঠ

বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় গ্রেপ্তার এক আসামির মৃত্যুর গুজবকে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হামলার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে থানার এসআই ওমর ফারুক বলেন, ‘বেআইনি সমাবেশ ও দাঙ্গা, অনধিকার প্রবেশ ও ক্ষতিসাধন, সরকারি কাজে বাধা ও হামলা, গুরুতর অপরাধ ও হুমকির অভিযোগে তিনি মামলা করেছেন। মামলায় ৪৩ জন এজাহারনামীও আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও মামলায় আরো ৩০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। আটকদেরকে ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

পুলিশ জানায়, গত বুধবার সন্ধ্যায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে চুরি ও মাদকসহ একাধিক মামলার আসামি রিয়াজ ফকিরকে একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। থানার হাজতে থাকার সময় তিনি নিজের মাথায় আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে পুলিশের দাবি। পরে রাত ১১টার দিকে তাকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে গভীর রাতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। বিকেলে কয়েক শ মানুষ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালায়। এসময় থানায় ভাঙচুর করা হয় এবং কর্তব্যরত ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।

এ ঘটনায় পুলিশের ছয় সদস্যসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। গুরুতর আহত এএসআই আব্দুল হালিমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত অন্য পুলিশ সদস্যরা হলেন- কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফরহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

শুক্রবার সকালে আগৈলঝাড়া থানার ওসি মোহাম্মাদ মাসুদ খান বলেন, ‘হামলার পর থেকেই থানায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। রাতভর অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত ১০ নারীসহ ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে এসআই ওমর ফারুক বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতেই মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের আদালতে উপস্থাপনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। হামলায় জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘থানায় হামলার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। এজাহারনামীয়  আট জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার দুপুরে বরিশাল আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।’

হাটহাজারীতে মাছ ধরতে গিয়ে দর্জিকে কুপিয়ে হত্যা

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
হাটহাজারীতে মাছ ধরতে গিয়ে দর্জিকে কুপিয়ে হত্যা
ছবি : কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে মাছ ধরতে গিয়ে নুরুল আজিম ওরফে আজম (৪০) নামে এক দর্জিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। লাশটি উপজেলার মেখল ইউনিয়নের পশ্চিম মেখল খলিফাপাড়া এলাকার একটি জমি থেকে উদ্ধার করা হয়।

নিহত আজম ওই এলাকার মৃত ইসলামের ছেলে। তিনি পেশায় দর্জি ছিলেন। তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সকালে বাড়ির পাশের জমিতে মাছ ধরতে যান আজম। এ সময় দুই ব্যক্তির সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়।

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, পূর্বশত্রুতার জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সৈয়দ নেজাম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুর রহমান বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

চাকরি পেলেন ৪৩ ভিক্ষুক | কালের কণ্ঠ