• ই-পেপার

সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা নিয়ে আপিলের আদেশ বুধবার

এস কে সুরের তিন বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
এস কে সুরের তিন বছরের কারাদণ্ড
সংগৃহীত ছবি

সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে দুদকের মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার সুর ওরফে এস কে সুর চৌধুরীকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২ এর বিচারক আয়েশা নাসরিনের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। দুদকের পক্ষের আইনজীবী এস.এম আবুল কালাম (আজাদ) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৫ জুলাই রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২ এর বিচারক রায় ঘোষণার এই তারিখ নির্ধারণ করেন। 

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামি এস কে সুরের বিরুদ্ধে আয় বহির্ভূত সম্পদ বা সম্পত্তির মালিক হওয়ার অভিযোগে নিজের ও তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গের স্বনামে বা বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদ বা সম্পত্তি, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী আদেশ পাওয়ার ২১ কার্যদিবসের মধ্যে দাখিল করার জন্য নোটিশ জারী করা হয়। তবে এই আদেশ পাওয়ার ২১ কার্যদিবস পেরিয়ে গেলেও তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি।

এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন বাদী হয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় মামলা করেন। পরের বছরের ৪ আগস্ট আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন উপপরিচালক মো. আহসান উদ্দিন। ২০২৫ সালের ৬ নভেম্বর  আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলাটির বিচারকালে ৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত ।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক এ ডেপুটি গভর্নরকে গ্রেপ্তার করে দুদক। এরপর থেকে তিনি কারাগারে  রয়েছেন।

নুসরাত হত্যা

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামির ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি আজ

অনলাইন ডেস্ক
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামির ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি আজ

ফেনীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামির হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) যে কোনো সময় শুনানির কথা রয়েছে।

গত ১০ জুন নারী ও শিশু ধর্ষণ ও হত্যা সংক্রান্ত আলোচিত মামলাগুলোর ডেথ রেফারেন্স দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রধান বিচারপতি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় নুসরাত হত্যা মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে করা যৌন হয়রানির অভিযোগ প্রত্যাহারে অস্বীকৃতি জানানোয় মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার পর একই বছরের ১০ এপ্রিল তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার বিচার শেষে ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ১৬ জন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ এস এম সিরাজ উদ-দৌলা, সাবেক কাউন্সিলর মাকসুদ আলম ওরফে মোকসুদ কাউন্সিলর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি রুহুল আমিনসহ ১৬ জন।

রায়ের পর ২০১৯ সালের ২৯ অক্টোবর মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলার ডেথ রেফারেন্সসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পরে পেপারবুক প্রস্তুত ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর মামলাটি শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে উপস্থাপন করা হয়। প্রধান বিচারপতি পরবর্তীতে শুনানির জন্য বিশেষ বেঞ্চ নির্ধারণ করেন।

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী বিচারিক আদালত কোনো আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলে সেই রায় কার্যকর হওয়ার আগে উচ্চ আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। এ কারণে ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য মামলাটি হাইকোর্টে আসে। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা জেল আপিল ও ফৌজদারি আপিলও দায়ের করেছেন।

এ মামলায় আসামিরা হলেন- সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ এসএম সিরাজ উদ-দৌলা (৫৭), নুর উদ্দিন (২০), শাহাদাত হোসেন শামীম (২০), কাউন্সিলর ও সোনাগাজী পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আলম (৫০), সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জোবায়ের (২১), জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন (১৯), হাফেজ আব্দুল কাদের (২৫), আবছার উদ্দিন (৩৩), কামরুন নাহার মনি (১৯), উম্মে সুলতানা পপি (১৯), আব্দুর রহিম শরীফ (২০), ইফতেখার উদ্দিন রানা (২২), ইমরান হোসেন মামুন (২২), সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাদ্রাসার সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল আমিন (৫৫), মহিউদ্দিন শাকিল (২০) ও মোহাম্মদ শামীম (২০)।
 

নিরাপত্তা চেয়ে পিয়া জান্নাতুলের জিডি, তদন্তের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিরাপত্তা চেয়ে পিয়া জান্নাতুলের জিডি, তদন্তের নির্দেশ
ফাইল ছবি

নিরাপত্তা চেয়ে করা আইনজীবী ও আলোচিত মডেল জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া ওরফে পিয়া জান্নাতুলের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন বনানী থানা পুলিশকে জিডির বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোস্তফা কামাল বলেন, পিয়া জান্নাতুলের জিডির বিষয়ে বনানী থানা পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 

এর আগে গত ৮ জুলাই পিয়া জান্নাতুল বনানী থানায় জিডি করেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, অতীত বা বর্তমানে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত নন তিনি। তার কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও নেই। সম্প্রতি একজন নারীর নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের পক্ষে সম্পূর্ণ মানবিক ও আইনসম্মত অবস্থান গ্রহণ করার পর গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অসংখ্য হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও আপত্তিকর বার্তা পাচ্ছেন তিনি। এ ছাড়া অজ্ঞাত একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে হুমকিমূলক ফোনকল আসছে বলে জিডিতে উল্লেখ করেন পিয়া।

শুধু তাই নয়, প্রায় তিন মাস ধরে কিছু অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে বিভিন্ন স্থানে অনুসরণ করছে। এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন ও আতঙ্কবোধ করছেন। তার আশঙ্কা, যে কোনো সময় তার বা তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াসহ পুলিশি সুরক্ষা কামনা করেন পিয়া জান্নাতুল।

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়ার ঘটনা তদন্তে হাইকোর্টে রিট

বাসস
টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়ার ঘটনা তদন্তে হাইকোর্টে রিট
সংগৃহীত ছবি

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া বেশির ভাগ টুথপেস্টে  ‘ক্ষতিকর’ মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়ার ঘটনায় তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট করা হয়েছে। আজ সোমবার (২৭ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আবদুল্লাহ আল মামুন হাইকোর্টে এই রিটটি করেন।

বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিটের শুনানি হতে পারে বলে জানান রিটকারী আইনজীবী। 

পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা (ইএসডিও) সম্প্রতি দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনা পরীক্ষা করে। তাদের গবেষণায় ২৬টি নমুনায়, অর্থাৎ প্রায় ৭৬ দশমিক ৫ শতাংশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।