• ই-পেপার

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়ার ঘটনা তদন্তে হাইকোর্টে রিট

মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যা : ২১ আসামির সাক্ষ্যগ্রহণ ৩ আগস্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যা : ২১ আসামির সাক্ষ্যগ্রহণ ৩ আগস্ট
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর পুরান ঢাকায় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের (মিটফোর্ড হাসপাতাল) সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে মো. সোহাগ (৩৯) হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ২১ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ পিছিয়ে আগামী ৩ আগস্ট নির্ধারণ করেছেন আদালত।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার ১ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীরের আদালত এই দিন ঠিক করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘আজকে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ঠিক করা ছিল। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এই আদালতের প্রতি অনাস্থার বিষয়ে এক আসামির শুনানি চলমান থাকায় আবেদনের ওপর শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক পরবর্তী সময়ে শুনানির জন্য আগামী ৩ আগস্ট দিন ঠিক করেন।’

এর আগে, ১৯ জুলাই ঢাকার ১ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীরের আদালতের প্রতি অনাস্থা জানান মাহমুদুল হাসান মাহিন নামে এক আসামি। মাহিনের পক্ষে তার আইনজীবী মাশরুর হোসাইন এই আবেদন জমা দেন। তবে ওই আবেদনের ওপর শুনানি এখন নিষ্পত্তি হয়নি। 

মামলার আসামিরা হলেন— মাহমুদ হাসান মহিন, আলমগীর, মনির ওরফে লম্বা মনির, নান্নু ওরফে নান্নু কাজী, সজিব ওরফে সজিব বেপারী, টিটন গাজী, তারেক রহমান রবিন, জহিরুল ইসলাম, পারভেজ, সাগর, রিজওয়ান উদ্দিন ওরফে অভিজিৎ বসু ওরফে অভি,  রুমান বেপারী, আবির হোসেন, জহির, ইমরান হোসেন, শারাফাত ওরফে শফিউল ইসলাম, হোসেন চৌকিদার, জিয়াউদ্দিন রাজিব, সারোয়ার হোসেন টিটু, মনির ওরফে ছোট মনির ও অপু দাস।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে পাকা রাস্তার ওপর একদল লোক ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে (৩৯) এলোপাতাড়ি পাথর দিয়ে আঘাত করে ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। ওই ঘটনায় পরের দিন ১০ জুলাই নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে ১৯ জনের বিরুদ্ধে  কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়।

তদন্ত শেষে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর এই মামলায় ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার (বর্তমানে শাহবাগ) অফিসার্স ইনচার্জ মনিরুজ্জামান। এ ছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১০ আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ করেন তদন্তকারী এই কর্মকর্তা।

তবে মামলাটির তদন্তে ত্রুটি থাকায় পুনরায় তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত। 

চলতি বছরের ১০ মে তদন্ত করে আবারও ২১ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করেন কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ। গত ১২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন (চার্জ) করে বিচার শুরুর আদেশ দেন একই আদালত। 

নিহত সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ মিটফোর্ড এলাকার রজনী ঘোষ লেনে ব্যবসা করে আসছিলেন।

ধর্ষণ মামলায় মাগুরার সাবেক এসপি জহিরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ধর্ষণ মামলায় মাগুরার সাবেক এসপি জহিরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ধর্ষণ মামলায় বর্তমানে (ওএসডিপ্রাপ্ত) অতিরিক্ত ডিআইজি ও মাগুরার সাবেক এসপি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার (২৭ জুলাই) শুনানি শেষে ঢাকার নারী ও শিশু দমন আইন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুনতাসির আহমেদ এই আদেশ দেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. আজমত হোসাইন তথ্য নিশ্চিত করেন।

মামলার নথী সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি আসামির বিরুদ্ধে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন মর্মে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। এদিন আসামির উপস্থিতিতে তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ বিষয়ে শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ ছিল। শুনানির সময় আসামি অনুপস্থিত থাকায় ওই প্রতিবেদন আমলে গ্রহণ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে আসামি মাগুরার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বাদীর সঙ্গে পরিচয় গড়ে তোলেন। আসামিকে বাদী বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে তার অফিসে ডেকে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে সাবেক স্ত্রীকে তালাক দিয়ে বাদীকে বিয়ে করার আশ্বাস ও প্রতিশ্রুতি দেন।

মামলার অভিযোগে আরো বলা হয়, ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মাগুরায় সরকারি বাংলোয় বাদীকে নাকফুল পরিয়ে সম্পর্কের আনুষ্ঠানিকতা প্রকাশ করেন। পরে একই বছরের ৮ মার্চ ঢাকার একটি হাসপাতালে বাদী অসুস্থ হয়ে ভর্তি হলে আসামি নিজেকে বাদীর স্বামী পরিচয় দিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ওই সময় এবং পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে বিয়ের প্রলোভন ও মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে মাগুরার সরকারি বাংলো, অফিস রেস্টরুম এবং ঢাকায় বাদীর বাসায় একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পরবর্তীতে আসামি ঢাকা পুলিশ সদর দপ্তরে বদলি হওয়ার পরও স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর বাদীকে বিয়ে করবেন বলে আশ্বাস দিয়ে সম্পর্ক চালিয়ে যান। ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই বাদী বিয়ের বিষয়ে চাপ দিলে আসামি বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান এবং বিষয়টি নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ নিলে ক্ষতির হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

ওই ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৫ জুলাই ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয় এবং একই সময় পুলিশ সদর দপ্তরে আইজিপির কাছেও লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আত্মীয় স্বজনের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা ব্যর্থ হলে গত ১৫ মার্চ ঢাকার জজ আদালতের সামনে আসামি পুনরায় বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ওই ঘটনায় গত ২০ মে ঢাকার নারী ও শিশু দমন আইন ট্রাইব্যুনাল মামলাটি করেন ভুক্তভোগী নারী। এ সময় ট্রাইব্যুনাল মামলাটি আমলে গ্রহণ করে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। গত ১৪ জুলাই ওই ঘটনায় সত্য পেয়েছেন মর্মে আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হক।

যৌতুক মামলায় জেলে থাকা প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে এবার আত্মহত্যার চেষ্টা মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
যৌতুক মামলায় জেলে থাকা প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে এবার আত্মহত্যার চেষ্টা মামলা
কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আবদুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুন। ছবি : সংগৃহীত

এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি ও দ্বিতীয় স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনাকে মারধরের মামলায় কারাগারে থাকা কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আবদুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুন এবার আত্মহত্যার চেষ্টা মামলায় আইনি জটিলতায় পড়েছেন। ফেসবুকে লাইভে এসে আত্মহত্যার চেষ্টার অভিযোগে দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর (শ্যোন অ্যারেস্ট) আবেদন করেছে পুলিশ।

আগামী ২৯ জুলাই ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালতে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

মামলার আরজিতে বাদী মোহনা উল্লেখ করেন, গত ২৪ জুলাই রাত অনুমান ১২টার দিকে রাজধানীর ভাটার এলাকার বাসায় থাকাকালে প্রিন্স মামুন ফেসবুক লাইভে আসেন। লাইভে বেডরুমের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে বাদীর ব্যবহৃত শাড়ি প্যাঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করবেন এবং এর জন্য বাদী ও তার পরিবার দায়ী থাকবে বলে প্রচার করতে থাকেন।

বিষয়টি দেখতে পেয়ে বাদী মোহনা, তার মা, স্বজন ও মামুনের বাবা-মা দ্রুত তাকে উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে পুলিশি সহায়তায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এই ঘটনায় মোহনা বাদী হয়ে ভাটারা থানায় দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারায় একটি পৃথক মামলা দায়ের করেন।

এর আগে ১ কোটি টাকা যৌতুক দাবি ও যৌতুকের জন্য নির্যাতন করার অভিযোগে গত ২৪ জুলাই সকালেই ভাটারা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামুনের বিরুদ্ধে মামলা করেন মোহনা। সেই মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই দিন গভীর রাতে আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনায় মামুনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মামলাটি হয়।

বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। অপরাধ প্রমাণিত হলে আসামির সর্বোচ্চ ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইয়াউর রহমান মামুনকে এ মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছেন।

মামুনের আইনজীবী পলাশ চন্দ্র রয় জানান, ‘ভিডিওতে আত্মহত্যার চেষ্টার বিষয়টি স্পষ্ট এবং দেশের আইনে এর বিরুদ্ধে মামলা হতেই পারে। তবে শুনানির দিনে আমরা আদালতে আবেদন করব যেন প্রিন্স মামুনকে এই মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট না দেখানো হয়।’

অন্যদিকে, মামলার বাদী আতিকিয়া ফাইজা মোহনা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় পেছাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় পেছাল
সাকিব আল হাসান। ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে শেয়ারবাজার কারসাজি, জালিয়াতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়েছেন আদালত। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ ধার্য করা হয়েছে।

আজ সোমবার (২৭ জুলাই) মামলার তদন্তকারী সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন নির্ধারিত ছিল। তবে এদিন সংস্থাটির পক্ষে প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবিরের আদালত নতুন করে এই তারিখ ধার্য করেন।

দুদকের জিআর শাখার কর্মকর্তা আক্কাস আলী এতথ্য নিশ্চিত করেন।

এই মামলার অপর আসামিরা হলেন, সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের, তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজি ফুয়াদ হাসান, কাজি ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা নিজেদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিও একাউন্টে অবৈধভাবে সিরিজ ট্রানজেকশন, প্রতারণামূলক একটিভ ট্রাডিং, গেম্বলিং ও স্পেকুলেশনের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে কৃত্রিমভাবে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম বৃদ্ধি করে বাজারে কারসাজি করেন। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রতারিত হয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হারান। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে এজাহারে বলা হয়।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছরের ১৭ জুন মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়।