• ই-পেপার

অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য বিনিয়োগের বিকল্প নেই : বেজা চেয়ারম্যান

সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বিনিয়োগ : অর্থমন্ত্রী

আনোয়ারা (চট্টগ্রামের) প্রতিনিধি
সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বিনিয়োগ : অর্থমন্ত্রী
ছবি: কালের কণ্ঠ

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বিনিয়োগ। প্রথমত বিনিয়োগ, দ্বিতীয়ত বিনিয়োগ এবং তৃতীয়তও বিনিয়োগ।

সোমবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বেলচূড়া এলাকায় বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য বাস্তবায়নে বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা কমিয়েছে’। বাংলাদেশ এখন ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহের সাত দিন ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত উল্লেখ করে তিনি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আরো অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রযুক্তি হস্তান্তর, শিল্পায়ন এবং দক্ষ জনশক্তি উন্নয়নে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সহযোগিতা আরো জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল দেশের শিল্পায়ন, বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

বোয়ালখালীতে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
বোয়ালখালীতে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় অমিত সেনগুপ্ত (২২) নামে এক পলিটেকনিক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার শাকপুরা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম শাকপুরা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত পশ্চিম শাকপুরার অনিল সেন বাড়ির জয়দেব সেনগুপ্তের ছেলে। তিনি একটি বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ছিলেন।

বোয়ালখালী থানার পুলিশ জানায়, বসতঘরের নিজ কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় অমিতের মরদেহ দেখতে পেয়ে পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

বোয়ালখালী থানার ওসি মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।’

জঙ্গল সলিমপুর

যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পের পানিতে বিষ, ৫৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পের পানিতে বিষ, ৫৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পের পানিতে বিষ মেশানোর ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। রবিবার (২৬ জুলাই) রাতে সীতাকুণ্ড থানায় সুনির্দিষ্ট ৩৪ জন ও অজ্ঞাত ২০ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের হয়।

সীতাকুণ্ড থানার ওসি মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় অন্তর্ঘাতমূলক মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় সুনির্দিষ্ট ৩৪ জন ও অজ্ঞাত ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে।’

জানা গেছে, রবিবার সকালে উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগরে অবস্থিত পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় যৌথ বাহিনী ও স্কুলের ব্যবহৃত পানি ব্যবহার করে কয়েকজন পুলিশ সদস্য শরীরে অস্বস্তি অনুভব করেন। পানি চোখেমুখে দেওয়ার পর তাতে দুর্গন্ধ ও জ্বালাপোড়া শুরু হলে তারা দেখেন পানির রংও বদলে সাদা ফেনাযুক্ত হয়ে গেছে। তারা বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবগত করে ওই পানি ব্যবহার বন্ধ রাখেন। খবর পেয়ে চট্টগ্রামের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে পানিতে বিষাক্ত কেমিক্যাল মেশানোর প্রমাণ পান।

চট্টগ্রামের এডিশনাল ডিআইজি মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘জঙ্গল সলিমপুর ভূমিদস্যু মুক্ত করতে এখানে যৌথ বাহিনী থাকুক তা সন্ত্রাসীরা মানতে পারছে না। তারা এর আগেও এখানে বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করেছে। ক্যাম্পে হামলা করেছে, আরো নানান প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। সবশেষে পানিতে বিষও তারাই মিশিয়েছে বলে পুলিশ ধারণা করছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘রবিবার এই পানি ব্যবহারে ৩-৪ জন পেটের পীড়াসহ হালকা অসুস্থ হলেও তাদের ওষুধ দিয়ে সুস্থ করা গেছে। এ ছাড়া পানি পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছে।’

জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পের পানিতে মিলল বিষ মেশানোর প্রমাণ

থানায় মামলা

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পের পানিতে মিলল বিষ মেশানোর প্রমাণ
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পের পানিতে বিষ মেশানোর ঘটনায় অসুস্থ পুলিশ সদস্যরা চিকিৎসায় সুস্থ হয়েছেন। তবে অন্তর্ঘাতমূলক এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। রবিবার (২৬ জুলাই) রাতে সীতাকুণ্ড থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের হয়।

জানা গেছে, রবিবার সকালে উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগরে অবস্থিত পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় যৌথ বাহিনী ও স্কুলের ব্যবহৃত পানি ব্যবহার করে কয়েকজন পুলিশ সদস্য শরীরে অস্বস্তি অনুভব করেন। পানি চোখে মুখে দেওয়ার পর তাতে দুর্গন্ধ ও জ্বালাপোড়া শুরু হলে তারা দেখেন পানির রং বদলে সাদা ফেনাযুক্ত হয়ে গেছে। এতে তারা বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবগত করে ওই পানি ব্যবহার বন্ধ রাখেন। খবর পেয়ে চট্টগ্রামের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা সেখানে গিয়ে তদন্ত শুরু করে পানিতে বিষাক্ত কেমিক্যাল মেশানোর প্রমাণ পান।

চট্টগ্রামের এডিশনাল ডিআইজি মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘ঘটনাস্থলে গিয়ে কিভাবে পানিতে বিষাক্ত কিছু মেশানো হলো তা তদন্ত করতে গিয়ে উৎস খুঁজতে খু্ঁজতে কিছুটা দূরে জঙ্গলে সাপ্লাই লাইন কেটে তা প্লাস্টিক দিয়ে ঢাকা অবস্থায় দেখতে পাই। সেটি ভালোভাবে দেখে বুঝতে পারি এখানে পানির দুটি লাইন দুই দিকে চলে গেছে। একটি গেছে স্থানীয় স্কুলের দিকে, অন্যটি পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, সেনাবাহিনীর যৌথ ক্যাম্পের দিকে।’

তিনি আরো বলেন, ‘দুষ্কৃতকারীরা যৌথ বাহিনীর সাপ্লাই লাইনের চাবি আগে বন্ধ করে। তারপর সেটি কেটে পাইপের ভেতরে বিষাক্ত কোনো কেমিক্যাল ঢুকিয়ে দিয়ে পুনরায় লাইনটি প্লাস্টিক দিয়ে মুড়িয়ে দেয় যেন কেউ বুঝতে না পারে। কিন্তু সকালে পুলিশ সদস্যরা ঘুম থেকে উঠে পানি ব্যবহার করতে গিয়ে টের পেয়ে যান। নচেৎ এই পানি ব্যবহার করলে কোমলমতি শিক্ষার্থী এবং পুলিশসহ অন্যদের বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারত।’

জঙ্গল সলিমপুর ভূমিদস্যুমুক্ত করতে এখানে যৌথ বাহিনী থাকুক তা সন্ত্রাসীরা মানতে পারছে না উল্লেখ করে এডিশনাল ডিআইজি বলেন, ‘তারা এর আগেও এখানে বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করেছে। ক্যাম্পে হামলা করেছে, আরো নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। সব শেষে পানিতে বিষও তারাই মিশিয়েছে বলে পুলিশ ধারণা করছে। তবে রবিবার এই পানি ব্যবহারে ৩-৪ জন পেটের পীড়াসহ হালকা অসুস্থ হলেও তাদের ওষুধ দিয়ে সুস্থ করা হয়েছে। এ ছাড়া পানি পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছে।’

অন্যদিকে এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় অন্তর্ঘাতের মামলা দায়ের করেছে বলে জানিয়েছেন থানার ওসি মো. মহিনুল ইসলাম। পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।