• ই-পেপার

সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বিনিয়োগ : অর্থমন্ত্রী

অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য বিনিয়োগের বিকল্প নেই : বেজা চেয়ারম্যান

আনোয়ারা (চট্টগ্রামের) প্রতিনিধি
অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য বিনিয়োগের বিকল্প নেই : বেজা চেয়ারম্যান
ছবি: কালের কণ্ঠ

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য বিনিয়োগের বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল (বেজা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগাতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। 

সোমবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রামের আনোয়ারার বেলচূড়া এলাকায় বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এই আহ্বান জানান বেজা চেয়ারম্যান। 

আশিক চৌধুরী জানান, চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নির্মীয়মাণ চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে (সিইআইজেড) আগামী ১৮ মাসের মধ্যে প্রথম কারখানার উৎপাদন শুরু করতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্যে কাজ এগিয়ে নিতে ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উৎপাদন শুরু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। 

বেজা চেয়ারম্যান জানান, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের সময় ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠকে প্রকল্পটি চালু করতে তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে বলে জানানো হয়েছিল। 

আশিক চৌধুরী বলেন, চীনা বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের অতিথি। তারা বিনিয়োগের মাধ্যমে যেমন নিজেদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করবেন, তেমনি দেশের হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হবে। তাই স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দাদের প্রতি তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

বেজা চেয়ারম্যান আরো বলেন, যেকোনো সমস্যা দেখা দিলে সরকার, স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবাই মিলে তা সমাধান করবে। দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু করাই সরকারের লক্ষ্য।
 

বোয়ালখালীতে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
বোয়ালখালীতে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় অমিত সেনগুপ্ত (২২) নামে এক পলিটেকনিক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার শাকপুরা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম শাকপুরা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত পশ্চিম শাকপুরার অনিল সেন বাড়ির জয়দেব সেনগুপ্তের ছেলে। তিনি একটি বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ছিলেন।

বোয়ালখালী থানার পুলিশ জানায়, বসতঘরের নিজ কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় অমিতের মরদেহ দেখতে পেয়ে পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

বোয়ালখালী থানার ওসি মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।’

জঙ্গল সলিমপুর

যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পের পানিতে বিষ, ৫৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পের পানিতে বিষ, ৫৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পের পানিতে বিষ মেশানোর ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। রবিবার (২৬ জুলাই) রাতে সীতাকুণ্ড থানায় সুনির্দিষ্ট ৩৪ জন ও অজ্ঞাত ২০ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের হয়।

সীতাকুণ্ড থানার ওসি মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় অন্তর্ঘাতমূলক মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় সুনির্দিষ্ট ৩৪ জন ও অজ্ঞাত ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে।’

জানা গেছে, রবিবার সকালে উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগরে অবস্থিত পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় যৌথ বাহিনী ও স্কুলের ব্যবহৃত পানি ব্যবহার করে কয়েকজন পুলিশ সদস্য শরীরে অস্বস্তি অনুভব করেন। পানি চোখেমুখে দেওয়ার পর তাতে দুর্গন্ধ ও জ্বালাপোড়া শুরু হলে তারা দেখেন পানির রংও বদলে সাদা ফেনাযুক্ত হয়ে গেছে। তারা বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবগত করে ওই পানি ব্যবহার বন্ধ রাখেন। খবর পেয়ে চট্টগ্রামের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে পানিতে বিষাক্ত কেমিক্যাল মেশানোর প্রমাণ পান।

চট্টগ্রামের এডিশনাল ডিআইজি মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘জঙ্গল সলিমপুর ভূমিদস্যু মুক্ত করতে এখানে যৌথ বাহিনী থাকুক তা সন্ত্রাসীরা মানতে পারছে না। তারা এর আগেও এখানে বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করেছে। ক্যাম্পে হামলা করেছে, আরো নানান প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। সবশেষে পানিতে বিষও তারাই মিশিয়েছে বলে পুলিশ ধারণা করছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘রবিবার এই পানি ব্যবহারে ৩-৪ জন পেটের পীড়াসহ হালকা অসুস্থ হলেও তাদের ওষুধ দিয়ে সুস্থ করা গেছে। এ ছাড়া পানি পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছে।’

জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পের পানিতে মিলল বিষ মেশানোর প্রমাণ

থানায় মামলা

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পের পানিতে মিলল বিষ মেশানোর প্রমাণ
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পের পানিতে বিষ মেশানোর ঘটনায় অসুস্থ পুলিশ সদস্যরা চিকিৎসায় সুস্থ হয়েছেন। তবে অন্তর্ঘাতমূলক এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। রবিবার (২৬ জুলাই) রাতে সীতাকুণ্ড থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের হয়।

জানা গেছে, রবিবার সকালে উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগরে অবস্থিত পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় যৌথ বাহিনী ও স্কুলের ব্যবহৃত পানি ব্যবহার করে কয়েকজন পুলিশ সদস্য শরীরে অস্বস্তি অনুভব করেন। পানি চোখে মুখে দেওয়ার পর তাতে দুর্গন্ধ ও জ্বালাপোড়া শুরু হলে তারা দেখেন পানির রং বদলে সাদা ফেনাযুক্ত হয়ে গেছে। এতে তারা বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবগত করে ওই পানি ব্যবহার বন্ধ রাখেন। খবর পেয়ে চট্টগ্রামের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা সেখানে গিয়ে তদন্ত শুরু করে পানিতে বিষাক্ত কেমিক্যাল মেশানোর প্রমাণ পান।

চট্টগ্রামের এডিশনাল ডিআইজি মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘ঘটনাস্থলে গিয়ে কিভাবে পানিতে বিষাক্ত কিছু মেশানো হলো তা তদন্ত করতে গিয়ে উৎস খুঁজতে খু্ঁজতে কিছুটা দূরে জঙ্গলে সাপ্লাই লাইন কেটে তা প্লাস্টিক দিয়ে ঢাকা অবস্থায় দেখতে পাই। সেটি ভালোভাবে দেখে বুঝতে পারি এখানে পানির দুটি লাইন দুই দিকে চলে গেছে। একটি গেছে স্থানীয় স্কুলের দিকে, অন্যটি পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, সেনাবাহিনীর যৌথ ক্যাম্পের দিকে।’

তিনি আরো বলেন, ‘দুষ্কৃতকারীরা যৌথ বাহিনীর সাপ্লাই লাইনের চাবি আগে বন্ধ করে। তারপর সেটি কেটে পাইপের ভেতরে বিষাক্ত কোনো কেমিক্যাল ঢুকিয়ে দিয়ে পুনরায় লাইনটি প্লাস্টিক দিয়ে মুড়িয়ে দেয় যেন কেউ বুঝতে না পারে। কিন্তু সকালে পুলিশ সদস্যরা ঘুম থেকে উঠে পানি ব্যবহার করতে গিয়ে টের পেয়ে যান। নচেৎ এই পানি ব্যবহার করলে কোমলমতি শিক্ষার্থী এবং পুলিশসহ অন্যদের বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারত।’

জঙ্গল সলিমপুর ভূমিদস্যুমুক্ত করতে এখানে যৌথ বাহিনী থাকুক তা সন্ত্রাসীরা মানতে পারছে না উল্লেখ করে এডিশনাল ডিআইজি বলেন, ‘তারা এর আগেও এখানে বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করেছে। ক্যাম্পে হামলা করেছে, আরো নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। সব শেষে পানিতে বিষও তারাই মিশিয়েছে বলে পুলিশ ধারণা করছে। তবে রবিবার এই পানি ব্যবহারে ৩-৪ জন পেটের পীড়াসহ হালকা অসুস্থ হলেও তাদের ওষুধ দিয়ে সুস্থ করা হয়েছে। এ ছাড়া পানি পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছে।’

অন্যদিকে এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় অন্তর্ঘাতের মামলা দায়ের করেছে বলে জানিয়েছেন থানার ওসি মো. মহিনুল ইসলাম। পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।