• ই-পেপার

ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষকদের দুই মাসের এমপিওর চেক ছাড়

কুমিল্লা বোর্ডে রবিবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ১৭১২, বহিষ্কার ১

কুমিল্লা প্রতিনিধি
কুমিল্লা বোর্ডে রবিবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ১৭১২, বহিষ্কার ১
সংগৃহীত ছবি

কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে রবিবারের এইচএসসি পরীক্ষার রসায়ন (তত্ত্বীয়) ১ম পত্র, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, ইতিহাস ১ম পত্র, গৃহ ব্যবস্থাপনা ও পারিবারিক জীবন ১ম পত্র ও উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র বিষয়ে ১ হাজার ৭১২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। এ ছাড়া অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রবিবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সালাহ্উদ্দিন কালের কণ্ঠকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীন কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোট ৫৯ হাজার ৭২৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৮ হাজার ১৭ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেয়। অবশিষ্ট ১ হাজার ৭১২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কুমিল্লা জেলায় ৫৮৩ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৪০ জন, চাঁদপুরে ১২৪ জন, ফেনীতে ১৪৯ জন, নোয়াখালীতে ৪৩৮ জন এবং লক্ষ্মীপুর জেলায় ১৭৮ জন অনুপস্থিত ছিল। এ ছাড়া অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে নোয়াখালী জেলায় ১ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সালাহ্উদ্দিন আরো বলেন, ‘রবিবার অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলায় মোট ১ হাজার ৭১২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। এ ছাড়া অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে নোয়াখালী জেলায় ১ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

পদত্যাগ করলেন আইনুল ইসলাম, দায়িত্বে শাওলী মাহবুব

অনলাইন ডেস্ক
পদত্যাগ করলেন আইনুল ইসলাম, দায়িত্বে শাওলী মাহবুব

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিনের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আইনুল ইসলাম। ছাত্রসংগঠনগুলোর নেতারা ডিন কার্যালয় ঘেরাও করে পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ এবং চাপ সৃষ্টির তিনদিন পর তিনি পদত্যাগ করলেন। নতুন ডিন হিসেবে নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শাওলী মাহবুবকে নিয়োগ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রবিবার (১৯ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন মোতাবেক সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শাওলী মাহবুবকে পরবর্তী দুই বছরের জন্য ওই অনুষদের ডিন হিসেবে নিযুক্ত করা হলো। ২০ জুলাই থেকে এই আদেশ কার্যকর হবে। তিনি বিধিমোতাবেক ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন।

জানা গেছে, অধ্যাপক আইনুল ইসলাম ডিনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার আবেদন গ্রহণ করে নতুন ডিন নিয়োগ দেয়।

গত ১২ জুলাই জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলামকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে নিয়োগের পর থেকেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ছাত্রদল, ছাত্রশক্তি, জাকসু ও ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতারা তার অপসারণের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন।

গত ১৬ জুলাই সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন এসব ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ সময় সংগঠনের নেতাকর্মীরা কার্যালয় ঘেরাও করে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলামের পদত্যাগ দাবি জানান। তাকে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ আখ্যা দিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন তারা। আন্দোলনরত নেতাদের তীব্র চাপের মুখে তিনি ডিন কার্যালয় ত্যাগ করেন। ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে।

নোবিপ্রবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের বিভাগভিত্তিক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি
নোবিপ্রবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের বিভাগভিত্তিক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
ছবি : কালের কণ্ঠ

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিভাগভিত্তিক পরিচিতি সভা (ওরিয়েন্টেশন) অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৯ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও উপাচার্যের (রুটিন দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

এ সময় অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইনস্টিটিউট ও বিভাগে আয়োজিত নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠান পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি নবাগত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির মাধ্যমে তোমাদের জীবনের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো, তাই এই সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে জ্ঞান অর্জন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং সৃজনশীল চিন্তার বিকাশে নিজেদের নিয়োজিত রাখতে হবে।

পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি গবেষণা, উদ্ভাবন, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থীর পূর্ণাঙ্গ বিকাশ সম্ভব উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শৃঙ্খলা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা ও কল্যাণে সর্বদা আন্তরিক থাকবেন এবং সর্বোপরি নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ আনন্দময়, সফল ও স্বার্থক হবে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও নবীন শিক্ষার্থীবৃন্দ। এ সময় বিভাগের পক্ষ থেকে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়।

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুস সাদাত

নিজস্ব প্রতিবেদক
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুস সাদাত
অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদাত। সংগৃহীত ছবি

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য (ভাইস-চ্যান্সেলর) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদাত।

রবিবার (১৯ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১ (সংশোধিত-২০২৫)-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ড. মো. নাজমুস সাদাতকে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখ—যেটি আগে হবে, তত দিন তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাকে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

এতে আরো বলা হয়, প্রয়োজনবোধে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর যে কোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

প্রসঙ্গত, ড. মো. নাজমুস সাদাত ১৯৯৯ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিন থেকে স্নাতক (অনার্স) এবং ২০০১ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ২০০৫ সালে নেদারল্যান্ডসের ওয়াগেনিঙ্গেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় স্নাতকোত্তর এবং ২০১২ সালে জার্মানির জর্জ-আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।