• ই-পেপার

বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাস

জাবিতে ‘জুলাই স্মৃতি ফলক’ উদ্বোধন

জাবি প্রতিনিধি
জাবিতে ‘জুলাই স্মৃতি ফলক’ উদ্বোধন
ছবি: কালের কণ্ঠ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের সামনে নির্মিত ‘জুলাই স্মৃতি ফলক’ উদ্বোধন করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত ১০টার দিকে ফলকটির উদ্বোধন করেন তিনি।

এসময় উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রব, হলের প্রভোস্ট, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিরোধ আন্দোলনের সূচনা হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে।

তিনি বলেন, বৈষম্যমূলক কোটাব্যবস্থার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এর আগেই শুরু হয়েছিল। কিন্তু ন্যায্য দাবির জবাবে তৎকালীন সরকার দমন-পীড়নের পথ বেছে নেয়। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধ হলে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিপক্ষও পরাজিত হয়।

১৫ জুলাইয়ের হামলার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ওই ঘটনার পর আন্দোলন আরো বিস্তৃত হয় এবং তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে।

জাকসু নির্বাচনকে আন্দোলনের অন্যতম বড় অর্জন উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, দীর্ঘ ৩৩ বছর পর শিক্ষার্থীরা আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছে।

বর্তমান প্রশাসনের সময়ে শিক্ষার্থীদের আবাসন ও সহাবস্থানের পরিবেশ উন্নত হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, গত তিনটি নতুন শিক্ষাবর্ষের সব শিক্ষার্থীকে আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গণরুম ও নির্যাতনের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে এখন শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিক পরিবেশে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া দেড় হাজার মানুষের আত্মত্যাগের ফলেই এই পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে। আমরা তাঁদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। একই সঙ্গে সেই শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও শিক্ষকদেরও স্মরণ করি, যারা আন্দোলনের সময় সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন।

জুলাইয়ের ঘটনাগুলো স্মরণে ধারাবাহিক কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে উপাচার্য বলেন, ১৪ জুলাই শুধু একটি দিনের স্মৃতি নয়, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসের অংশ। নতুন প্রজন্মকে সেই ইতিহাস জানাতেই এসব আয়োজন।

জাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, জুলাইয়ের ঘটনাগুলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে প্রতি বছর স্মরণ কর্মসূচি পালন করা হবে।

তিনি বলেন, আগামীকাল রাত সাড়ে ১০টায় উপাচার্যের বাসভবনের সামনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং রাত ১২টায় প্রতীকী ব্ল্যাকআউট কর্মসূচি থাকবে। জুলাই স্মরণে নেওয়া সব কর্মসূচিতে অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানাই।

স্মৃতি ফলক নির্মাণের উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত জাবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ রুবেল বলেন, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে শিক্ষার্থীদের স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে তৎকালীন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালান। পরে সেই ঘটনার প্রতিবাদে সারা রাত আন্দোলন চলে এবং তা পরবর্তীতে সারা দেশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে ভূমিকা রাখে।

তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের পর থেকেই এই স্মৃতি ফলক নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিলাম। এটি শুধু একটি ঘটনার স্মারক নয়, শিক্ষার্থীদের ন্যায়বিচার, সমানাধিকার, ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসেরও স্মারক হয়ে থাকবে।

জুলাই বিপ্লব প্রমাণ করেছে, শেখ হাসিনার বিকল্প ছিল : তাজুল ইসলাম

রাবি প্রতিনিধি
জুলাই বিপ্লব প্রমাণ করেছে, শেখ হাসিনার বিকল্প ছিল : তাজুল ইসলাম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পাঠক ফোরাম আয়োজিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান : সাম্প্রতিক ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্য দিচ্ছেন তাজুল ইসলাম।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে যে শেখ হাসিনা বিকল্পহীন ছিলেন—এমন ধারণা সঠিক ছিল না। তিনি বলেন, ‘একজন সাধারণ রিকশাচালকের ২২ বছর বয়সী ছেলেও দেশকে সঠিকভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।’

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পাঠক ফোরাম আয়োজিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান : সাম্প্রতিক ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা শুধু প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকেই নয়, বরং তাঁর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামোর বড় অংশও দেশ ছেড়ে চলে যায়। ভবিষ্যতে সমাজবিজ্ঞানীরা এ ঘটনাকে ‘দ্য গ্রেট মাইগ্রেশন অব ফ্যাসিস্ট’ নামে অভিহিত করতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ঘটনাকে ১২০৩ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খলজির আগমনের সময় লক্ষণ সেনের পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনার সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘ইতিহাসে ক্ষমতাসীনদের আকস্মিক পতনের এমন দৃষ্টান্ত বিরল নয়।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পটভূমি তুলে ধরে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘গত ৫৩ বছরে রাষ্ট্রব্যবস্থার অবক্ষয়, বাকশাল, রক্ষীবাহিনীর নির্যাতন এবং রাজনৈতিক কর্মীদের হত্যার মতো ঘটনার কারণে মানুষের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল। মানুষের সামনে আর কোনো বিকল্প ছিল না বলেই এই গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে।’

গুমের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘গুমের শিকার ব্যক্তিদের রাস্তা বা কর্মস্থল থেকে সাদা কিংবা কালো পোশাকধারীরা মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যেত। এরপর তাদের ওপর বৈদ্যুতিক শক, ভারী হাতুড়ি দিয়ে আঘাত, আঙুলে সুচ ফোটানো, যৌনাঙ্গে বৈদ্যুতিক শক দেওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন চালানো হতো। অনেককে হত্যার পর লাশ নদী বা সমুদ্রে ফেলে দেওয়া হতো বলেও অভিযোগ রয়েছে।’

বিচারব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বিচারব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের বিচারকরা নিজেদের শপথবদ্ধ রাজনীতিবিদ মনে করতেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটরা নির্যাতনের বিষয়টি জেনেও রিমান্ড মঞ্জুর করতেন। শেখ হাসিনা মনে করতেন তাঁর কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু জুলাই বিপ্লব প্রমাণ করেছে, শেখ হাসিনার বিকল্প ছিল।’

সেমিনারে মুখ্য আলোচকের বক্তব্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব বলেন, ‘জুলাই-আগস্ট ২০২৪-এর মূল উদ্দেশ্য ছিল স্বৈরশাসনের অবসান এবং সেই লক্ষ্য অর্জনে ছাত্র-জনতার ঐক্য শতভাগ সফল হয়েছে। ১৬ বছর ধরে টিকে থাকা একটি স্বৈরশাসনের পতন কোনোভাবেই খাটো করে দেখার সুযোগ নেই।’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আজকের বাংলাদেশে প্রফেসর ইউনূসকে সমালোচনা করা সবচেয়ে সহজ। অথচ সেই সময় তাঁর কোনো বিকল্প ছিল না। তিনি নিখুঁত নন, তাঁর সরকারের ভুল থাকতে পারে। কিন্তু দেশের সব সমস্যার দায় তাঁর ওপর চাপিয়ে স্বৈরাচারকে ফিরিয়ে আনার একটি বয়ান তৈরি করা হচ্ছে।’

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের অর্জনের কথা তুলে ধরে অধ্যাপক নকীব বলেন, ‘এই আন্দোলনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো- ভাষাহীন মানুষ ভাষা খুঁজে পেয়েছে। মানুষ এখন প্রতিবাদ করতে শিখেছে। স্বৈরাচারের ফিরে আসার আর কোনো সুযোগ নেই। এখন প্রয়োজন রাষ্ট্র ও আইনি সংস্কার। আইন তখনই কার্যকর হয়, যখন সঠিক মানুষ সঠিক জায়গায় থাকে।’

সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

ঢাবিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালনে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের সিদ্ধান্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালনে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের সিদ্ধান্ত
সংগৃহীত ছবি

ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ, স্মৃতি কর্নার স্থাপনসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ৫ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষে ক্যাম্পাসে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে ‘জুলাই স্মৃতি কর্নার’ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য চারুকলা অনুষদের ডিনকে আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে সদস্যসচিব করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। অন্যদিকে, স্মৃতি কর্নার স্থাপনের লক্ষ্যে চারুকলা অনুষদের ডিনকে আহ্বায়ক ও ভারপ্রাপ্ত গ্রন্থাগারিককে সদস্যসচিব করে পৃথক আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৫ আগস্ট ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে উপজীব্য করে একটি আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া বার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হল ও অনুষদ নিজ নিজ উদ্যোগে কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবে। পাশাপাশি, গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের সুস্থতা কামনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদসহ বিভিন্ন হল ও আবাসিক এলাকার মসজিদে দোয়া ও মোনাজাত এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।

একই সভায় প্রতি বছর ১৪ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘উইমেন্স ডে’ উদ্‌যাপনেরও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রাধ্যক্ষ, প্রক্টর, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার, অফিস প্রধানগণ এবং ডাকসু ও ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এইচএসসির প্রশ্নপত্রে ত্রুটি, ৪ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
এইচএসসির প্রশ্নপত্রে ত্রুটি, ৪ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ
সংগৃহীত ছবি

চলমান এইচএসসি পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র (২০২৬ সালের সিলেবাস অনুযায়ী) পরিশোধনের দায়িত্বপ্রাপ্ত চারজনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেটের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বিলকিস ইয়াছমীন স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়, গত ১৩ জুলাই সকালের পরীক্ষা চলাকালে পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্রের সৃজনশীল অংশের ৬ ও ৭ নং প্রশ্নে মারাত্মক ত্রুটি/অসংগতি পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রশ্নপত্রে এ ধরনের ত্রুটি/অসংগতি থাকায় পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীদের চরম মানসিক চাপের মুখে পড়তে হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, একজন দায়িত্বশীল শিক্ষক ও পরিশোধক হিসেবে প্রশ্নপত্রে এই ধরনের ত্রুটি/অসংগতি যাওয়া চরম দায়িত্বহীনতা এবং পেশাগত কর্তব্যে অবহেলার শামিল এবং এ ধরনের কাজে সিলেট বোর্ডের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। প্রশ্নপত্র পরিশোধনে এমন গুরুতর ত্রুটি/অসংগতি থাকার কারণে কেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, এর জবাব পত্রপ্রাপ্তির ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। 

কারণ দর্শানোর নোটিশপ্রাপ্তরা হলেন— শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক কাজী জুনায়েদ আল আমিন, এমসি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক মোছাদ্দেক হোসেন খান এবং সিলেট সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের প্রভাষক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।