• ই-পেপার

গুলিস্তানে সেলুনে এসি বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১০

বুধবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
বুধবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

নানা প্রয়োজনে মানুষ দোকানপাট ও মার্কেটে যায়। কিন্তু তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে যদি দেখতে পায় সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে বিফলে যাবে সব। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক বুধবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, মধ্য ও উত্তর বাড্ডা, জগন্নাথপুর, বারিধারা, সাঁতারকুল, শাহজাদপুর, নিকুঞ্জ-১, ২, কুড়িল, খিলক্ষেত, উত্তরখান, দক্ষিণখান, জোয়ার সাহারা, আশকোনা, বিমানবন্দর সড়ক ও উত্তরা থেকে টঙ্গী সেতু।

যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে
যমুনা ফিউচার পার্ক, নুরুনবী সুপার মার্কেট, পাবলিক ওয়ার্কস সেন্টার, ইউনিটি প্লাজা, ইউনাইটেড প্লাজা, কুশল সেন্টার, এবি সুপার মার্কেট, আমির কমপ্লেক্স, মাসকট প্লাজা।

ইস্কাটনে চারতলা থেকে পড়ে এসি মিস্ত্রির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইস্কাটনে চারতলা থেকে পড়ে এসি মিস্ত্রির মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর রমনার ইস্কাটন রোডের বাসায় এসির কাজ করার সময় চার তলা ভবন থেকে পড়ে মো. ইয়ামিন (২০) নামের এক এসি মিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেকে) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত ইয়ামিনের বাড়ি ভোলার লালমোহন উপজেলার দক্ষিণ ফরাসগঞ্জ এলাকায়। তার বাবার নাম মৃত কাসেম হাওলাদার। বর্তমানে তিনি রমনা এলাকায় বসবাস করতেন।

ইয়ামিনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা সহকর্মী কামাল জানান, সকালের দিকে তারা দু’জনে ইস্কাটন রোডের একটি বাসার চতুর্থ তলায় এসি মেরামতের কাজ করছিল। এসময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে আহত হন ইয়ামিন। প্রথমে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

ঢাকায় বন্যাদুর্গত ও পানিবন্দি মানুষের পাশে গুলশান সোসাইটি

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকায় বন্যাদুর্গত ও পানিবন্দি মানুষের পাশে গুলশান সোসাইটি

সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত ঢাকার বিভিন্ন অঞ্চলের পানিবন্দি ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে গুলশান সোসাইটি। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সোসাইটির নিজস্ব উদ্যোগে বন্যাদুর্গত এলাকার চরম সংকটে থাকা মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।

দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে বন্যার্তদের তাৎক্ষণিক খাদ্য সংকট দূরীকরণের লক্ষ্যে এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। খাবার বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত, মহাসচিব মজিবুর রহমান মৃধা এবং সোসাইটির অন্যান্য সম্মানিত সদস্যরা।

খাবার বিতরণকালে গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্য্যারিস্টার ওমর সাদাত বলেন, ‘বন্যার কারণে বিপুলসংখ্যক মানুষ বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এই সংকটের মুহূর্তে অভুক্ত ও পানিবন্দি মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নাগরিক ও নৈতিক দায়িত্ব। গুলশান সোসাইটি সবসময় সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘পানিবন্দি মানুষের এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন জরুরি খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি। আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছি তাদের এই কষ্ট কিছুটা লাঘব করতে। সমাজের অন্যান্য সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও সংগঠনকেও এই দুর্যোগে বন্যার্তদের সহায়তায় এগিয়ে আসার জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি।’

গুলশান সোসাইটির সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও স্বেচ্ছাসেবকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে পানিবন্দী মানুষের হাতে রান্না করা খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়।

সোসাইটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এবং আক্রান্ত মানুষ স্বাভাবিক জীবনে না ফেরা পর্যন্ত তাদের এই ধরনের মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে অব্যাহত থাকবে।

সিএজেএফের শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

‘শিশুদের পরিবেশ সচেতন করে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই’

নিজস্ব প্রতিবেদক
‘শিশুদের পরিবেশ সচেতন করে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই’

জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশদূষণ ও জীববৈচিত্র্যের সংকট মোকাবেলায় শিশুদের পরিবেশ সচেতন করে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল হক। তিনি বলেন, একটি শিশুকে ছোটবেলা থেকেই প্রকৃতি, গাছপালা, নদী-খাল এবং পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীল হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে ভবিষ্যতে সে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চলমান পরিবেশ মেলা প্রাঙ্গনে ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড জাস্টিস ফাউন্ডেশন (সিএজেএফ) আয়োজিত শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিএজেএফের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান মামুনের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী এস এম রায়হান (তনু) এবং গ্রীন সেভার্সের আহসান রনি। উপস্থিত ছিলেন সিএজেএফের সেক্রেটারি জেনারেল রাওমান স্মিতা, নির্বাহী সদস্য মোহসিনা শাওন, মুর্শিদা খাতুন, বোরহান উদ্দিন, মেহেদী হাসান খান তপু ও মহিউদ্দিন খান।

66

অনুষ্ঠানে জিয়াউল হক বলেন, আজ যারা অভিভাবক হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন, তারা যদি নিজেদের সন্তানদের সামনে পরিবেশবান্ধব আচরণের উদাহরণ তৈরি করেন, তাহলে সেই শিক্ষাই শিশুদের ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত্তি হবে। তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষা মানে শুধু গাছ লাগানো নয়; বরং প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, বর্জ্যের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, পানি ও বিদ্যুতের অপচয় রোধ এবং দৈনন্দিন জীবনে পরিবেশবান্ধব অভ্যাস গড়ে তোলাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি শব্দদূষণ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

অপ্রয়োজনে গাড়ির হর্ন বাজানো, কালো ধোঁয়া নির্গমন এবং পরিবেশবিধি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালার আওতায় প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ট্রাফিক পুলিশ সরাসরি জরিমানা করতে পারে। তাই আইন প্রয়োগের পাশাপাশি নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি।

অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, আজকের ছোট ছোট সচেতনতাই আগামী দিনের সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী নিশ্চিত করতে সবাইকে পরিবেশ সংরক্ষণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

এর আগে পরিবেশ মেলা প্রাঙ্গনে শিশুদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার অর্ধশতাধিক শিশু অংশ নেয়। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককে সনদপত্র ও একটি করে গাছের চারা উপহার দেওয়া হয়। পাশাপাশি সেরা ১৫ জন শিশুকে বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করে গ্লোবাল ল থিংকার্স সোসাইটি ও জিয়া আর্ট গ্যালারি।

অনুষ্ঠানে সিএজেএফের চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান মামুন বলেন, শিশুদের মাঝে পরিবেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধ গড়ে তোলাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। তাই পরিবার থেকেই পরিবেশ রক্ষার শিক্ষা শুরু করতে হবে। তিনি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলনে সবাইকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।