• ই-পেপার

হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে আকস্মিক বন্যা

স্থগিত হচ্ছে না সিলেট বোর্ডের শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা

বরিশাল বোর্ডের এইচএসসির ৩ বিষয়ের খাতা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে!

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
বরিশাল বোর্ডের এইচএসসির ৩ বিষয়ের খাতা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে!
সংগৃহীত ছবি

বরিশালের এইচএসসির পরীক্ষার একটি কেন্দ্রের তিনটি বিষয়ের খাতা এবং ওএমআর শিট বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে প্রেরণ না করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার খাতা বিতরণের সময় বিষয়টি নজরে আসে বরিশাল মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষের। পরে তারা ভোলা ফজিলাতুন্নেছা মহিলা কলেজ (৬০২)-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নোটিশ দিয়েছে। ওই কলেজটিতে ভোলা সরকারি কলেজের ৮০০ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন। তাদের বাংলা প্রথম পত্র বাংলা দ্বিতীয় পত্র এবং ইংরেজি প্রথম পত্রের খাতা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রটির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মহিউদ্দিন বলেন, ‘ভুলবশত ঘটনাটি ঘটেছে। আমরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে খাতা এবং ওই ওএমআর শিট ফেরত চেয়েছি।’

বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তর থেকে জানা যায়, গত ২ জুলাই এইচএসসির বাংলা প্রথম পত্র, ৪ জুলাই বাংলা দ্বিতীয় পত্র এবং ৬ জুলাই ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই পরীক্ষাগুলোর খাতা ইতিমধ্যে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এসে পৌঁছেছে এবং তা পরীক্ষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। তবে ভোলা সরকারি ফজিলাতুন্নেছা মহিলা কলেজের খাতা এবং ওএমআর শিট না পাওয়ায় বিষয়টি নজরে আসে পরীক্ষা দপ্তরের। তখন তারা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মহিউদ্দিনের কাছে বিষয়টি জানতে চান। প্রথমে তিনি বলেন, খাতাগুলো তিনি বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাঠিয়েছেন। পরবর্তীতে প্রমাণপত্র পাঠালে দেখা যায় প্রাপকের জায়গায় তিনি পরিচালক, কম্পিউটার ও আইটি ইউনিট, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর উল্লেখ করে তা পাঠিয়েছেন। সব কেন্দ্রের খাতা বিতরণ করা হলেও বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা শাখা এই কেন্দ্রটির খাতা বিতরণ করতে পারেনি। কেন্দ্রটিতে ভোলা সরকারি কলেজের ৮০০ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। 

ফজিলাতুন্নেসা মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক মহিউদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ আমার কাছে জানতে চাওয়ার পর আমি দেখি শিক্ষা বোর্ডের বিপরীতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ওএমআর ও খাতাগুলো চলে গেছে। আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। তারা খাতা এবং ওএমআর ফেরত পাঠানোর কথা বলেছেন।’

এমন ঘটনা ঘটার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন এটা ভুলবশত হয়েছে। 

ভোলা সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক ইসরাফিল বলেন, ‘এই ভুলের কারণে আমার কলেজের পরীক্ষার্থীদের ফলাফল স্থগিত থাকলে তার দায়ভার তাদের নিতে হবে। বরিশালের কোনো কেন্দ্রে এমন ঘটনা ঘটেনি তার কেন্দ্রে কেন ঘটেছে তা বরিশাল শিক্ষা বোর্ডকে খতিয়ে দেখা উচিত।’ 

বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কামরুজ্জামান কামাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা খাতা বিতরণের সময় দেখতে পাই ভোলা ফজিলাতুন্নেছা মহিলা কলেজ কেন্দ্রের খাতা ও ওএমআর নেই। তখন আমরা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ফোন দিলে তিনি আমাদের যে ডকুমেন্টস পাঠান সেখানে দেখতে পাই তিনি বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের বিপরীতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তা পাঠিয়েছেন। এ বিষয়ে আমরা লিখিতভাবে কারণ জানতে চেয়েছি।’

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি পরীক্ষা কাল

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি পরীক্ষা কাল

রাজধানীর সরকারি সাত কলেজ নিয়ে গঠিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে কাল। ওই দিন কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

শনিবার (১১ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে ৪টা পর্যন্ত। রাজধানীর সরকারি সাতটি কলেজ কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এবারের ভর্তি পরীক্ষায় মোট আসন রয়েছে ১১ হাজার ২৯০টি। এর মধ্যে কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটে ৪ হাজার ৪৯৮টি, বিজ্ঞান ইউনিটে ৪ হাজার ৭৯৫টি এবং ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে ১ হাজার ৯৯৭টি আসন রয়েছে।

ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞান ইউনিটের পরীক্ষা আগামী ১৭ জুলাই দুই শিফটে অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিজ্ঞান ইউনিট এবং বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

ভর্তি পরীক্ষা এমসিকিউ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। উত্তীর্ণ হতে হলে ন্যূনতম ৪০ নম্বর অর্জন করতে হবে। এ ছাড়া কাঙ্ক্ষিত বিষয়ে ভর্তির জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অন্তত ৫ নম্বর পেতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবার বিজ্ঞান ইউনিটে আবেদন করেছেন ৩১ হাজার ৫৫৩ জন, ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে ১১ হাজার ২৪৪ জন এবং কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটে ২৩ হাজার ৩৬৫ জন। সব মিলিয়ে প্রতি আসনের বিপরীতে প্রায় ৬ জন শিক্ষার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

ভর্তি পরীক্ষা শেষে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের অনার্স প্রথম বর্ষের নিয়মিত ক্লাস শুরু হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

বন্যা পরিস্থিতিতে ৫ জেলার আলিম পরীক্ষা স্থগিত

অনলাইন ডেস্ক
বন্যা পরিস্থিতিতে ৫ জেলার আলিম পরীক্ষা স্থগিত

বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডসহ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের ৫ জেলায় শনিবারের (১১ জুলাই) আলিম এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (বিএমটি) পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশ আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বোর্ড (সব জেলা) এবং চট্টগ্রাম বোর্ডের আওতাধীন মাদরাসা বোর্ড ও কারিগরি বোর্ডের ১১ জুলাই শনিবারের এইচএসসি, আলিম, এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষা স্থগিত করা হলো। 

এতে আরো বলা হয়, অন্যান্য শিক্ষা বোর্ড এবং মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের (চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন জেলা ব্যতীত) অন্যান্য জেলার শনিবারের পরীক্ষা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।

স্থগিত হওয়া পরীক্ষার সময়সূচি পরবর্তীতে জানানো হবে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। মাদ্রাসাশিক্ষা

এর আগে চট্টগ্রাম বোর্ড থেকে দেওয়া এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বোর্ডের অধীন পাঁচটি জেলায় শনিবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

প্রথমবারের মতো প্রভাব র‌্যাংকিংয়ে স্থান পেল ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়

কাজল আর্য, টাঙ্গাইল
প্রথমবারের মতো প্রভাব র‌্যাংকিংয়ে স্থান পেল ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রথমবারের মতো বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ উচ্চশিক্ষা মূল্যায়ন সংস্থা টাইমস হায়ার এডুকেশন প্রভাব র‌্যাংকিংয়ে স্থান অর্জন করেছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবদান মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রকাশিত এ র‌্যাংকিংয়ে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বব্যাপী ১০০১-১৫০০ ব্যান্ডে স্থান লাভ করেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যৌথভাবে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।

এবারের র‌্যাংকিংয়ে বিভিন্ন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায়ও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এসডিজি-৪ (মানসম্মত শিক্ষা)-এ ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় ৩০১-৪০০ ব্যান্ডে স্থান লাভ করে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে তৃতীয় অবস্থান অর্জন করেছে। এ সূচকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কোর ৬৩। এ ছাড়া এসডিজি-৩ (সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ) এবং এসডিজি-৯ (শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো)-এ বিশ্ববিদ্যালয়টি যথাক্রমে ৬০১-৮০০ ব্যান্ডে এবং এসডিজি-১১ (টেকসই নগর ও জনপদ)-এ ৪০১-৬০০ ব্যান্ডে স্থান অর্জন করেছে।

র‌্যাংকিংয়ে প্রকাশিত অন্যান্য সূচকে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৪১ শতাংশ নারী এবং ৫৯ শতাংশ পুরুষ। এ ছাড়া প্রতি শিক্ষক অনুপাতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৭.১।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা র‌্যাংকিংয়ে ধারাবাহিকভাবে সাফল্য অর্জন করে চলেছে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়। এর আগে দ্য ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি ১২০১-১৫০০ ব্যান্ডে স্থান লাভ করেছে এবং গবেষণার গুণমান সূচকে বিশ্বে ৭৪৬ তম অবস্থান অর্জন করেছে। কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং ২০২৫- এ ৮৫১-৯০০ ব্যান্ডে স্থান লাভের পাশাপাশি প্রতি গবেষণাপত্রে উদ্ধৃতি সূচকে এশিয়ায় ১৩৭তম এবং শিক্ষক পিছু গবেষণাপত্র সূচকে বাংলাদেশে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে। অন্যদিকে সাইমাগো ইনস্টিটিউশনস র‌্যাংকিং (এসআইআর) ২০২৬- এ বাংলাদেশের ৪৭টি তালিকাভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম, বিশ্বে ১৯৩০তম এবং সামাজিক অবস্থান সূচকে ৯০৪তম স্থান অর্জন করেছে।

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রভাব র‌্যাংকিংয়ে প্রথমবারের মতো স্থান অর্জন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত গৌরবের ও অনুপ্রেরণার। এ সাফল্য আমাদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, গবেষক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমাদের কার্যক্রম আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পাওয়ায় আমরা আনন্দিত। ভবিষ্যতেও গবেষণার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কার্যকর ভূমিকা রেখে মাভাবিপ্রবিকে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাব।’

তিনি এ অর্জনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকল সদস্য, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, সহযোগী প্রতিষ্ঠান ও শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে অবস্থান সুদৃঢ় করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া কোয়ালিটি রিভিউ অ্যান্ড র‌্যাংকিং কমিটির সদস্যদের প্রতিও বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।