• ই-পেপার

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পাবিপ্রবির দুই শিক্ষার্থী বহিষ্কার

শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে জবি ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

জবি প্রতিনিধি
শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে জবি ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা মো. শের আলী। সংগৃহীত ছবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থী, তাঁর ছোট ভাই ও হবু স্ত্রীর ওপর হামলা, মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠার এক দিনের মাথায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. শের আলীকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক (সহসভাপতি পদমর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্য মো. শের আলীকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাসানান আল আবিত (সাবায়েত) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, গভীর রাতে ক্যাম্পাসে তাঁর ছোট ভাই, হবু স্ত্রী এবং ছোট ভাইয়ের এক বন্ধুকে নিয়ে অবস্থানকালে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শের আলী ও ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থী আবিদ হাসান বাঁধন মোটরসাইকেলে এসে কোনো ধরনের কারণ না দেখিয়েই তাঁর ছোট ভাই ও বন্ধুকে মারধর শুরু করেন।

অভিযোগে আরো বলা হয়, ঘটনাস্থলে গেলে শের আলী পাশের একটি চায়ের দোকান থেকে পেরেকযুক্ত কাঠের তক্তা এনে তাঁকে মারধর করেন এবং বলেন, ‘আমি জগন্নাথের শের, তোকে আজ মেরেই ফেলব।’ হামলার সময় তাঁর হবু স্ত্রীকে মানসিকভাবে হেনস্তা করা হয় এবং তাঁকেও আঘাতের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া বহিষ্কৃত শের আলীর সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

সকালের নাশতা করেন না বাকৃবির ৬৩ শতাংশ শিক্ষার্থী

বাকৃবি প্রতিনিধি
সকালের নাশতা করেন না বাকৃবির ৬৩ শতাংশ শিক্ষার্থী
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে পরিচালিত এক জরিপে উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। জরিপ অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৩ দশমিক ৩ শতাংশ শিক্ষার্থী নিয়মিত সকালের নাশতা করেন না। এ ছাড়া প্রায় ৯ শতাংশ শিক্ষার্থী নিয়মিত দুপুরের খাবার এবং প্রায় ১৫ শতাংশ শিক্ষার্থী নিয়মিত রাতের খাবারও গ্রহণ করেন না।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে বাকৃবি শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত ‘শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের খামারগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে এসব তথ্য তুলে ধরেন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার।

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ১৮৬ জন শিক্ষার্থীর পারিবারিক আয়, খাদ্যাভ্যাস, পুষ্টিগত অবস্থা ও জীবনযাত্রার বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে এ জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৫৫ দশমিক ৯ শতাংশ ছাত্র এবং ৪৪ দশমিক ১ শতাংশ ছাত্রী ছিলেন।

তিনি বলেন, অনেক শিক্ষার্থীর দুপুরের খাবারে প্রাণিজ প্রোটিন থাকে না। তারা মূলত ডাল, ভর্তা ও সবজি দিয়ে খাবার শেষ করেন। রাতের খাবারেও একই প্রবণতা দেখা যায়। মাত্র ৩১ শতাংশ শিক্ষার্থীর রাতের খাবারে পর্যাপ্ত প্রাণিজ প্রোটিন থাকে।

পুষ্টি গ্রহণের বিষয়ে অধ্যাপক আসাদুজ্জামান সরকার জানান, ৫৩ দশমিক ৮ শতাংশ শিক্ষার্থী সপ্তাহে মাত্র ১ থেকে ৫টি ডিম খান, যা প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদার তুলনায় অনেক কম। এছাড়া ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী সপ্তাহে একদিনও ফল খাওয়ার সুযোগ পান না। যারা ফল খান, তাদের অধিকাংশই কলা ও মৌসুমি ফলের ওপর নির্ভরশীল।

জরিপে আরো দেখা যায়, মাত্র ১ দশমিক ৯ শতাংশ শিক্ষার্থী নিয়মিত দুধ পান করেন। বিপরীতে ৪১ দশমিক ৯ শতাংশ শিক্ষার্থী একেবারেই দুধ পান করেন না। অন্যদিকে কোমল পানীয় গ্রহণের প্রবণতা তুলনামূলক বেশি, যা পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতার ঘাটতির ইঙ্গিত দেয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

কর্মশালায় প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক। বাকৃবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদারের সভাপতিত্বে এবং অধ্যাপক ড. জাভিদুল হক ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় কর্মশালার শুরুতে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রভোস্ট, শিক্ষক, খামার-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

প্রধান পৃষ্ঠপোষকের বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, বর্তমান আর্থসামাজিক বাস্তবতায় শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এ লক্ষ্য অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব খামারগুলোর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, সমন্বিত ব্যবস্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি কর্মশালায় উপস্থাপিত সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের আশাবাদও ব্যক্ত করেন।

নোবিপ্রবি প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে দিনব্যাপী সাংবাদিকতা কর্মশালা

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি
নোবিপ্রবি প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে দিনব্যাপী সাংবাদিকতা কর্মশালা
ছবি : কালের কণ্ঠ

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে নবীন প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য দিনব্যাপী সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অন রুমে আয়োজিত এ কর্মশালায় ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার নৈতিকতা, সংবাদ সংগ্রহ, তথ্য যাচাই, ডিজিটাল সাংবাদিকতা ও পেশাগত চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

নোবিপ্রবি প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাদমান রাকিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় অনুষদের ডিন ও প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কাইয়ুম মাসুদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা কামারুজ্জামান। কর্মশালায় মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন চ্যানেল ২৪-এর নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি হাসিব আল আমিন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবি প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মিলন হোসাইন, দপ্তর সম্পাদক মো. তৌফিকুল ইসলাম, অর্থ ও সম্পদ সম্পাদক জসীম উদ্দিন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মেহেদী হাসান, কার্যনির্বাহী সদস্য হিমেল রানা ও মাহাতাব চৌধুরীসহ প্রেসক্লাবের প্রশিক্ষণার্থীরা।

কর্মশালায় মূল বক্তা হাসিব আল আমিন বলেন, ‘সাংবাদিকতা রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করে। তবে এ পেশা সব সময়ই চ্যালেঞ্জিং। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের নানা ধরনের চাপ ও হুমকির মুখোমুখি হতে হয়।’

তিনি বলেন, প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে সাংবাদিকতার ধরনে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। একটি স্মার্টফোনের মাধ্যমেও এখন নাগরিক সাংবাদিকতা (Citizen Journalism) সম্ভব হচ্ছে। অনেক সময় নাগরিক সাংবাদিকদের তথ্য-উপাত্ত মূলধারার গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের উৎস হয়ে ওঠে। তবে যেকোনো তথ্য প্রকাশের আগে তার সত্যতা যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি।

প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ভালো সাংবাদিক হতে হলে নিয়মিত সংবাদ পড়তে হবে, অভিজ্ঞ সাংবাদিকদের লেখার ধরন অনুসরণ করতে হবে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) এই সময়ে যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে অবশ্যই তা যাচাই করতে হবে।’

বিশেষ অতিথি কামারুজ্জামান বলেন, ক্যাম্পাস সাংবাদিকতা অন্যান্য ধারার সাংবাদিকতার তুলনায় ভিন্ন। এখানে প্রতিটি সংবাদ প্রকাশে দায়িত্বশীলতা ও বস্তুনিষ্ঠতার পরিচয় দিতে হবে। কোনো অভিযোগভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া এবং তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্ব।

তিনি আরো বলেন, ‘কোনো বিষয় আইনবহির্ভূত মনে হলেই সংবাদ প্রকাশ করা উচিত নয়। আগে বিষয়টি সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান অর্জন ও তথ্য যাচাই করতে হবে। এর পরই সংবাদ প্রকাশ করা উচিত।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কাইয়ুম মাসুদ বলেন, একসময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাংবাদিকতার প্রতি অনাগ্রহ থাকলেও বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ পেশায় যুক্ত হচ্ছেন, যা গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সচেতনতার ইতিবাচক প্রতিফলন।

তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকতার মূল শক্তি হলো বস্তুনিষ্ঠতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা। কোনো তথ্য হাতে পেলেই তা সংবাদে প্রকাশ করা যাবে না। যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশ করলে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং সাংবাদিক—সবার জন্যই নেতিবাচক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।’

তিনি আরো বলেন, নোবিপ্রবির অনেক সাবেক শিক্ষার্থী বর্তমানে জাতীয় গণমাধ্যমে সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। নতুন প্রজন্মের প্রশিক্ষণার্থীরাও সততা, পেশাদারি ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতার স্বাক্ষর রাখবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে সাদমান রাকিন বলেন, ‘একজন দক্ষ ক্যাম্পাস সাংবাদিক গড়ে তুলতেই এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। সংবাদ লেখার কৌশল, নৈতিকতা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীরা ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল সাংবাদিক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। নোবিপ্রবি প্রেস ক্লাব ভবিষ্যতেও সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন করবে।’

কর্মশালায় সংবাদ লেখার কৌশল, তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি, সাক্ষাৎকার গ্রহণ, সংবাদ উপস্থাপনা, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা এবং পেশাগত নৈতিকতা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। শেষে প্রশিক্ষণার্থীরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন।

ডিরেক্টরস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ঢাবির লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের ২৪ শিক্ষার্থী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ডিরেক্টরস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ঢাবির লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের ২৪ শিক্ষার্থী
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের স্নাতক পরীক্ষায় বিশেষ কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ ২৪ শিক্ষার্থীকে ‘ডিরেক্টরস অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ইনস্টিটিউটের অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ, মেডেল ও উত্তরীয় তুলে দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী এবং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. উপমা কবির।

২০১৭-২০১৮, ২০১৮-২০১৯, ২০১৯-২০২০ এবং ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং, ফুটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং ও লেদার প্রোডাক্টস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থীদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘একটি পুরস্কার কেবল একটি সনদ বা মেডেল নয়; এটি একজন শিক্ষার্থীর দীর্ঘদিনের শ্রম, অধ্যবসায়, মেধা ও সাফল্যের স্বীকৃতি। এই স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনে আরও উৎকর্ষতা অর্জনে অনুপ্রাণিত করবে।’

তিনি বলেন, দেশের টেকসই উন্নয়ন ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জনে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলায় লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। শুধু ডিগ্রি প্রদান নয়, শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও কর্মমুখী মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতেও প্রতিষ্ঠানটি কার্যকর অবদান রাখছে।

উপাচার্য আরো বলেন, প্রকৃত শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু সনদ অর্জন নয়, অর্জিত জ্ঞানকে সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজে লাগানো। এ জন্য তিনি আধুনিক গবেষণাগার, উন্নত যন্ত্রপাতি, যুগোপযোগী ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ এবং শিক্ষার্থী ভর্তির হার বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, ডিরেক্টরস অ্যাওয়ার্ড শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষতা ও অধ্যবসায়ের গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। তবে মেধার পাশাপাশি নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পাবিপ্রবির দুই শিক্ষার্থী বহিষ্কার | কালের কণ্ঠ