বাংলাদেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের আর কোথাও নেই উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘এই ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশ পিছিয়ে থাকবে না। তাই দেশের জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তরের জন্য সরকার শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করেছে।’
শনিবার (১১ জুলাই) গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সুফিয়া কামাল অডিটরিয়ামে আয়োজিত ‘নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিক্ষার্থীদের সময় অপচয়ের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার পর শিক্ষার্থীদের প্রায় দুই বছর সময় নষ্ট হয়ে যায়, যা দেশের জন্য একটি বড় ক্ষতি। এর ফলে আমরা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে সফলভাবে কাজে লাগাতে পারছি না। পরীক্ষা শেষের এই সময়টা যেন নষ্ট না হয়, সে জন্য আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতে কোনো ধরনের সেশনজট না থাকে, তা-ও নিশ্চিত করতে হবে।’
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষির ভূমিকার কথা উল্লেখ করে আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে কৃষি খাতকে আরো উন্নত করতে হবে। এ জন্য কৃষিক্ষেত্রে উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) ব্যবহার বাড়াতে হবে।’ এ ক্ষেত্রে দেশের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গাছের চারা রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন এবং নিজে একটি চারা রোপণ করেন শিক্ষামন্ত্রী।






