• ই-পেপার

নগদ সহায়তা মিলবে বিদেশি সুতা ব্যবহারে

ডিরেগুলেশনের মাধ্যমে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
ডিরেগুলেশনের মাধ্যমে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী
ছবি: কালের কণ্ঠ

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ব্যবসা পরিচালনা সহজ করতে সরকার ব্যাপক ডিরেগুলেশন (নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণ) কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। অপ্রয়োজনীয় আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, সময়ক্ষেপণ ও হয়রানি কমিয়ে একটি সত্যিকার অর্থে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাজধানীর শেরাটন হোটেলে রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল (আরএসজিটি) বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সৌদি আরবের পরিবহন ও লজিস্টিকস মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টার ড. রুমাইহ আল-রুমাইহ, আরএসজিটির অ্যাক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান আহমেদ আবদুল্লাহ আলিরেজা, আরএসজিটিআই-এর চেয়ারম্যান জেন্স ও. ফ্লো, আরএসজিটি গ্রুপের সিইও ও আরএসজিটি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান লার্স ভ্যাং ক্রিস্টেনসেন, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ বিন জাফর বিন উবাইয়াহ প্রমুখ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি বাজেট বক্তৃতায় ডিরেগুলেশন নিয়ে সরকার যে বিস্তৃত উদ্যোগ নিয়েছে, তা তুলে ধরা হয়েছে। এসব সিদ্ধান্তের বাস্তবায়নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। ডিরেগুলেশন কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা তদারকির জন্য একটি ওয়াচডগ কমিটি বা টাস্কফোর্স গঠন করা হবে।

তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা ডিরেগুলেশন বাস্তবায়নে কোনো বাধার মুখে পড়লে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে অভিযোগ জানাতে পারবেন। সরকার দ্রুত সেসব অভিযোগের সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। এর মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনায় অপ্রয়োজনীয় জটিলতা দূর হবে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরো বাড়বে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার সপ্তাহের ৭ দিন কাজ করছে এবং দেশের অর্থনীতিকে আরো গতিশীল করতে বেসরকারি খাতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করতে হলে ব্যবসা, বিনিয়োগ, বন্দর ও লজিস্টিকস খাতে দক্ষতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, রেড সি গেটওয়ে টার্মিনালের (আরএসজিটি) বিনিয়োগ দেশের বন্দর ও লজিস্টিকস খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে আরো বিনিয়োগ করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বিনিয়োগ, ব্যবসা সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (সিপিএ) সঙ্গে কনসেশন চুক্তি স্বাক্ষরের পর গত দুই বছরে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালকে আন্তর্জাতিক মানের টার্মিনালে রূপান্তরের কাজ সম্পন্ন করেছে আরএসজিটি বাংলাদেশ। অবকাঠামো উন্নয়ন, আধুনিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতি স্থাপন, ডিজিটাল সেবা চালু এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান বাস্তবায়নের মাধ্যমে টার্মিনালটি এখন পূর্ণাঙ্গ পরিচালনায় এসেছে।

আরএসজিটির তথ্যমতে, ২০২৪ সালে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে কার্যক্রম শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। টার্মিনাল উন্নয়নে ১৭ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পাশাপাশি ওই বছরের জুনে প্রথম বাণিজ্যিক জাহাজ পরিচালনা এবং আন্তর্জাতিক অপারেশন ও নিরাপত্তা মান বাস্তবায়ন শুরু হয়।

২০২৫ সালে ৩ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয়ে একটি আধুনিক কনটেইনার স্ক্যানার স্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি কনটেইনারের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু, ব্যুরো ভেরিটাসের গ্রিন টার্মিনাল সার্টিফিকেশন অর্জন, কনটেইনার ইয়ার্ড ও গুদাম সম্প্রসারণ এবং ই-পোর্টালের মাধ্যমে ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় সেবা চালু করা হয়। এ সময় আরো ২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগে ১৪টি হাইব্রিড রাবার-টাইয়ার্ড গ্যান্ট্রি (আরটিজি) ক্রেন সংযোজন এবং জনবল ও কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়।

চলতি বছর ৩ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগে চারটি অত্যাধুনিক শিপ-টু-শোর (এসটিএস) ক্রেন সংযোজনের মাধ্যমে টার্মিনালে আধুনিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা আরো বাড়ানো হয়েছে। আরটিজি ক্রেনসহ আধুনিক যন্ত্রপাতির পূর্ণাঙ্গ মোতায়েন করে আনুষ্ঠানিকভাবে আরএসজিটি বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

সরকারকে অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারের আহ্বান ঢাকা চেম্বারের

নিজস্ব প্রতিবেদক
সরকারকে অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারের আহ্বান ঢাকা চেম্বারের

এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের পর বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সই এবং অর্থনৈতিক কূটনীতি আরো জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ এ আহ্বান জানান।

বৈঠকে তাসকীন আহমেদ বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। এ পরিস্থিতিতে রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাণিজ্যিক সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি সইসহ বিভিন্ন সহযোগিতামূলক কার্যক্রমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরো সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে বাংলাদেশের রপ্তানি ও বিনিয়োগের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এসব সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকারের অর্থনৈতিক কূটনীতি কার্যক্রম আরো শক্তিশালী করতে হবে।

বিশেষ করে আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে কন্ট্রাক্ট ফার্মিং, কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি ও অন্যান্য খাতে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সরাসরি পেমেন্ট ব্যবস্থাকে সহজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ডিসিসিআই সভাপতি।

জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, আফ্রিকাসহ সম্ভাবনাময় বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সহায়ক বাণিজ্য চুক্তি সইয়ের জন্য সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি মনে করেন, এ ক্ষেত্রে সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে।

তিনি আরো বলেন, আফ্রিকার দেশগুলোতে বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, ফলমূল, সিরামিকসহ বিভিন্ন পণ্যের উল্লেখযোগ্য বাজার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব সুযোগ কাজে লাগাতে দেশীয় উদ্যোক্তাদের আরো সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বেসরকারি খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি, রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সাক্ষাৎকালে ডিসিসিআইর ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মান, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ড. এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি অনুবিভাগ) ড. সৈয়দ মুনতাসির মামুন উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার দামে বড় লাফ

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার দামে বড় লাফ
সংগৃহীত ছবি

আন্তর্জাতিক বাজারে দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নামার পর আবারও ঘুরে দাঁড়িয়েছে সোনার দাম। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) স্পট গোল্ড বা স্পট সোনার দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২১.৩৮ ডলারে দাঁড়ায়। অথচ আজ দিনের শুরুতেই ধাতুটির দাম কমে গত ১ জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন স্তরে নেমে গিয়েছিল। খবর রয়টার্স

এদিকে মার্কিন বাজারে আগামী আগস্টে সরবরাহের চুক্তিভিত্তিক সোনার (গোল্ড ফিউচার্স) দাম শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২৯.২০ ডলারে কেনাবেচা হচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান অ্যাক্টিভট্রেডসের বিশ্লেষক রিকার্দো ইভাঞ্জেলিস্টা বলেন, ‘টানা বাড়ার পর আজ মার্কিন ডলারের সূচক কিছুটা কমেছে। মূলত ডলারের এই সাময়িক পতনের কারণেই সোনার দাম আজ কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী।’

আজ আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের সূচক শূন্য দশমিক ২ শতাংশ কমেছে। ডলারের দাম কমলে অন্যান্য মুদ্রার ক্রেতাদের জন্য ডলারে নির্ধারিত সোনা কেনা সাশ্রয়ী হয়, ফলে সোনার চাহিদাও বাড়ে।

বিনিয়োগকারীরা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন জুনের মার্কিন মূল্যস্ফীতির (সিপিআই) তথ্যের জন্য। একই সঙ্গে আজই মার্কিন কংগ্রেসে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ারশ তার প্রথম অর্ধবার্ষিক বক্তব্য দেবেন।

বিশ্লেষক ইভাঞ্জেলিস্টা সতর্ক করে বলেন, ‘মূল্যস্ফীতির হার যদি ৩ দশমিক ৮ শতাংশের ওপরে চলে যায়, তবে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার আরো বাড়ানোর পক্ষে অবস্থান নিতে পারে। আর এমনটা হলে সোনার দামের ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি হবে।’

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের চড়া দাম মূল্যস্ফীতির উদ্বেগকে আরো উসকে দিয়েছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ফেড যদি সুদের হার দীর্ঘ সময় ধরে চড়া রাখে, তবে সোনার দাম ধরে রাখার আকর্ষণ কমে যাবে। কারণ সোনা থেকে সরাসরি কোনো সুদ বা লভ্যাংশ পাওয়া যায় না।

এর আগে গত কার্যদিবসে স্পট সোনার দাম প্রায় ৩ শতাংশ কমেছিল, যা ছিল এক মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে এক দিনে সবচেয়ে বড় পতন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হওয়ায় তেলের দাম বেড়ে যায়, যার প্রভাব পড়ে সোনার বাজারে।

ইরানের ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ এবং হরমুজ প্রণালিতে হামলার ঘটনায় জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ফলে তেলের দাম গত চার সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

এদিকে সোমবার (১৩ জুলাই) ফেডের গভর্নর ক্রিস্টোফার ওয়ালার ইঙ্গিত দিয়েছেন, মূল্যস্ফীতি যদি তাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ২ শতাংশের চেয়ে অনেক ওপরে থাকে, তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ‘নিকট ভবিষ্যতেই’ সুদের হার বাড়াতে হতে পারে। সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, ব্যবসায়ীরা এখন আগামী সেপ্টেম্বরে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা প্রায় ৭৬ শতাংশ ধরে নিচ্ছেন।

সোনার পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। আজ আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট সিলভার বা রুপার দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫৭.৯০ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ২৫৪.৫২ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে প্লাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৫৯৯.৪৩ ডলারে নেমেছে।

দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়ছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

এদিকে বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০৭ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ২ হাজার ৮৫৮ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

এক দিনেই শেয়ার কিনে আবার বিক্রি করা যাবে

অনলাইন ডেস্ক
এক দিনেই শেয়ার কিনে আবার বিক্রি করা যাবে

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে (সিএসই) ইন্ট্রা-ডে ট্রেডিং বা আন্তঃদৈনিক লেনদেন চালুর অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর ফলে একই দিনে শেয়ার কিনে আবার সেদিনই বিক্রি করার সুযোগ তৈরি হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো আবুল কালামের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তবে এই প্রক্রিয়া চালু হতে কিছুটা সময় লাগবে। বেশ কিছু শর্ত সাপেক্ষে এই প্রক্রিয়ায় শেয়ার দিনে দিনে লেনদেন করা যাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের পুঁজিবাজারে লেনদেন ব্যবস্থাকে অধিকতর গতিশীল, দক্ষ ও আধুনিক করার লক্ষ্যে স্ক্রিপ নেটিং বা ইন্ট্রাডে ট্রেডিং চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিশ্চিত সাপেক্ষে স্টক এক্সচেঞ্জ দুটিকে সম্মতি প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

বাংলাদেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বর্তমানে টি+২ সেটলমেন্ট সাইকেল বা নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া কার্যকর রয়েছে। এ কারণে এত দিন শেয়ার কিনে বিক্রির জন্য দুই কর্মদিবস সময় লাগত। জেড ক্যাটাগরির শেয়ার কিনে বিক্রির জন্য সময় লাগত মোট তিন কর্মদিবস।

নগদ সহায়তা মিলবে বিদেশি সুতা ব্যবহারে | কালের কণ্ঠ