• ই-পেপার

ইএফডি চালু উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এনবিআর চেয়ারম্যান

অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের প্রভাব পড়েছে পুঁজিবাজারে

আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার

অনলাইন ডেস্ক
আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার
সংগৃহীত ছবি

বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে ওঠানামা করছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার।

দেশীয় বাজারে মার্কিন ডলারসহ আন্তর্জাতিক প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা ওঠানামা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (১১ জুলাই ২০২৬) মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা

ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা
ইউরো : ১৪০ টাকা ২২ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৪ টাকা ৪৪ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ৬৭ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৫ টাকা ১১ পয়সা
চাইনিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ০৪ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৪ টাকা ৯২ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৮ পয়সা


মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ২৯ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৮৬ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৮৪ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৮ টাকা ১৬ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৫৭ পয়সা

*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে। বিগত এক মাসে ডলারের গড় বিনিময় হার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে ১২৩ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে, যা আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য কিছুটা স্বস্তিদায়ক।

ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধিদল, পে স্কেলসহ আলোচনায় যেসব বিষয়

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধিদল, পে স্কেলসহ আলোচনায় যেসব বিষয়
সংগৃহীত ছবি

নতুন ঋণ কর্মসূচির শর্ত ও কাঠামো নিয়ে আলোচনা করতে আগামী ১২ থেকে ১৬ জুলাই ঢাকা সফরে আসছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) একটি প্রতিনিধিদল। সফরকালে অন্তর্বর্তী বা নতুন সরকারের ঘোষিত নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের বিপুল অর্থের উৎস এবং এর সামষ্টিক অর্থনীতিতে সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের ঋণচুক্তি থেকে সরে এসে নতুন সংস্কার এজেন্ডা, ব্যাংকিং খাতের পুনর্গঠন এবং রাজস্ব সংস্কারের লক্ষ্যে আইএমএফের কাছে নতুন ঋণ প্যাকেজ চাওয়া হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এ সফরের আয়োজন করা হয়েছে।

সফরের প্রথম দিন অর্থ বিভাগের সঙ্গে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম বৈঠকে রাজস্বনীতি, বাজেট এবং অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক অর্থায়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে। দ্বিতীয় বৈঠকে নবম পে স্কেল এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা খাতে বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা করা হবে। চলতি বাজেটে ঘোষিত এই পে স্কেল বাস্তবায়নে চলতি অর্থবছরে ৪৪ হাজার কোটি টাকা এবং পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য বছরে ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি প্রয়োজন হবে।

আইএমএফ জানতে চায়, বর্তমান রাজস্ব ঘাটতি, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যে সরকার কিভাবে এই অতিরিক্ত ব্যয় বহন করবে।

এ প্রসঙ্গে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাংলাদেশের প্রধান দুর্বলতা হলো কম রাজস্ব আহরণ। এ অবস্থায় পে স্কেলের মতো বড় ব্যয় বাস্তবায়নের আগে অর্থায়নের উৎস নিশ্চিত না করলে বাজেট ঘাটতি ও মূল্যস্ফীতির চাপ আরো বাড়তে পারে। নতুন ঋণ পাওয়ার চেয়েও আইএমএফের শর্তানুযায়ী ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং রাজস্ব সংস্কার করা এখন বেশি জরুরি।

দাম বাড়ার পর আজ যত টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনার ভরি

অনলাইন ডেস্ক
দাম বাড়ার পর আজ যত টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনার ভরি

দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও সমন্বয় করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (১০ জুলাই) ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এতে সাধারণ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে সোনার এ নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে আজ শনিবারও নতুন এই দামেই বিক্রি হচ্ছে মূল্যবান এই বস্তুটি।

নতুন দাম অনুযায়ী, শনিবার (১১ জুলাই) দেশের বাজারে প্রতি ভরি ভ্যাটসহ সোনা (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের দাম পড়বে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, সবশেষ গত ৯ জুলাই সকালে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেদিন প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়; যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন দুপুর সোয়া ১২টা থেকেই।

দেশের বাজারে এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৮৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে সোনার দাম। যেখানে দাম ৪৪ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৪৪ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

বস্ত্র খাতে বেড়েছে প্রণোদনা

নগদ সহায়তা ১.৫ থেকে হচ্ছে ৫ শতাংশ

অনলাইন ডেস্ক
বস্ত্র খাতে বেড়েছে প্রণোদনা

বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের জোরালো দাবি ও দেনদরবারের মুখে অবশেষে বড় ধরনের সুখবর দিল সরকার। দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত তৈরি পোশাকশিল্পের প্রতি বিশেষ নজর দিয়ে এবার নগদ সহায়তার পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হচ্ছে। রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে দেশি সুতা বা কাপড় ব্যবহারে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তার হার বর্তমানের ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও অভ্যন্তরীণ নানান চ্যালেঞ্জের মুখে থাকা বস্ত্র খাতের জন্য সরকারের এ সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত ইতিবাচক ও সময়োপযোগী একটি বড় প্রণোদনা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদেরা। সরকারের এ নতুন সিদ্ধান্তের ফলে দেশি বস্ত্রকলগুলো যেমন চাঙা হবে, তেমন তৈরি পোশাক রপ্তানিতেও নতুন গতি সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চূড়ান্ত নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের কাছে পাঠানো হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রপ্তানিকারকদের এ নতুন সুযোগ ও বাড়তি প্রণোদনা নেওয়ার আগে অবশ্যই দেশি উৎস থেকে সুতা বা কাপড় সংগ্রহের সুনির্দিষ্ট প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। নতুন এ বর্ধিত সুবিধা চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। এর আগে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেলের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে জরুরি সাক্ষাৎ করে। বৈঠকে বিটিএমএ নেতারা দেশি সুতা ও কাপড়ের ব্যবহার উৎসাহিত করতে এবং এ খাত টিকিয়ে রাখতে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের জন্য নগদ সহায়তা বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করাসহ মোট ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন। ব্যবসায়ীদের যুক্তি ছিল, দেশি সুতা ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে দেশের অভ্যন্তরীণ শিল্প আরও শক্তিশালী এবং বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

বস্ত্র খাতের অতীত পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আড়াই বছর আগেও স্থানীয় সুতা ব্যবহার করে তৈরি পোশাক রপ্তানির বিপরীতে ৪ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দেওয়া হতো। তবে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এবং আন্তর্জাতিক নিয়মকানুনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে এ সহায়তার হার কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হয়েছিল। এর মাত্র ছয় মাস পর সেই সহায়তা আরও কমিয়ে মাত্র ১ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। ফলে দেশি সুতা ও কাপড়ের ব্যবহার আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল।

অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের প্রভাব পড়েছে পুঁজিবাজারে | কালের কণ্ঠ