• ই-পেপার

সরকারি জমিতে মসজিদ নির্মাণ প্রসঙ্গে ইসলাম কী বলে?

বাংলাদেশে আসছেন দেওবন্দের মোহতামিম  মুফতি আবুল কাসেম নোমানী

ইসলামী জীবন ডেস্ক
বাংলাদেশে আসছেন দেওবন্দের মোহতামিম  মুফতি আবুল কাসেম নোমানী
সংগৃহীত ছবি

উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম ও শায়খুল হাদিস, প্রখ্যাত আলেম আল্লামা মুফতি আবুল কাসেম নোমানী চার দিনের এক গুরুত্বপূর্ণ সফরে বাংলাদেশে আসছেন। আগামী ৪ আগস্ট ২০২৬ (মঙ্গলবার) তিনি ঢাকায় পৌঁছাবেন। সফরকালে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত ইলমি সেমিনার, ইসলাহি মাহফিল, উলামায়ে কেরামের সমাবেশ ও বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করবেন।

বাংলাদেশে মুফতি আবুল কাসেম নোমানীর সফর বাস্তবায়ন কমিটির সিনিয়র সদস্য এবং খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের মহাসচিব মাওলানা নাসীরুল্লাহ সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দেশের আলেম-ওলামা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে এ সফরকে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ বিরাজ করছে।

একনজরে চার দিনের সফরসূচি

৪ আগস্ট ২০২৬ (মঙ্গলবার)
মুফতি আবুল কাসেম নোমানী ভারতের দিল্লি থেকে ইন্ডিগো এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। সেখান থেকে তিনি রাজধানীতে অবস্থান করবেন। রাতে তিনি মুফতি জহিরুল ইসলাম সাহেবের বাসভবনে অবস্থান করবেন।

৫ আগস্ট ২০২৬ (বুধবার)
সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত রাজধানীর ফার্মগেটের খামারবাড়িস্থ কেআইবি কমপ্লেক্সে ‘মুআসসাসা ইলমিয়্যাহ বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত ইলমি সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান প্রদান করবেন।

দুপুরে তিনি জামিয়া হুসাইনিয়া ইসলামিয়া, আরজাবাদ (মিরপুর)-এ মধ্যাহ্নভোজ ও বিশ্রাম গ্রহণ করবেন। এরপর বিকেল ৩টায় একই প্রতিষ্ঠানে উলামায়ে কেরামের উদ্দেশে বিশেষ নসিহত পেশ করবেন।

বাদ মাগরিব রাজধানীর মারকাজুল ফিকরিল ইসলামী, বসুন্ধরায় অনুষ্ঠিত ইসলাহি মাহফিলে অংশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেবেন।

৬ আগস্ট ২০২৬ (বৃহস্পতিবার)
সকাল ১০টায় হেলিকপ্টারযোগে বগুড়ার উদ্দেশে রওনা হবেন। পরে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে বগুড়া থেকে পিরোজপুরে যাবেন।

পিরোজপুরের আশরাফুল মাদারিস-এ মধ্যাহ্নভোজ ও বিশ্রামের পর কাবলাল আসর অনুষ্ঠিত ‘তাহাফফুজে ফিকরে আকাবির’ শীর্ষক বিশাল সমাবেশে প্রধান বয়ান প্রদান করবেন।

বাদ আসর তিনি পুনরায় ঢাকায় ফিরে আসবেন। রাতে উত্তরায় উলামা ও আইম্মা কাউন্সিল আয়োজিত ‘দেওবন্দের ঐতিহ্য ও খিদমত’ শীর্ষক কনফারেন্সে নসিহতমূলক বক্তব্য দেবেন। সেদিনও তিনি মুফতি জহিরুল ইসলাম সাহেবের বাসভবনে অবস্থান করবেন।

৭ আগস্ট ২০২৬ (শুক্রবার)
সফরের শেষ দিনে তিনি রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে জুমার নামাজ আদায় করবেন এবং মুসল্লিদের উদ্দেশে বয়ান প্রদান করবেন।

এরপর বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে ইন্ডিগো এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকাকে বিদায় জানিয়ে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হবেন।

মুফতি আবুল কাসেম নোমানী সমকালীন ইসলামী বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ আলেম ও হাদিসবিশারদ। দীর্ঘদিন ধরে তিনি দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম ও শায়খুল হাদিস হিসেবে ইলমে দ্বিন, ফতোয়া, তালিম-তারবিয়াত এবং উম্মাহর দিকনির্দেশনামূলক খেদমতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। তাঁর বাংলাদেশ সফরকে ঘিরে দেশের কওমি অঙ্গন, আলেমসমাজ ও ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, তাঁর এ সফর দেশের দ্বীনি শিক্ষা, ইলমি চর্চা এবং ইসলাহি কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

যে কূপে হারিয়েছিল নবীজির রাষ্ট্রীয় সিলমোহর

ইসলামী জীবন ডেস্ক
যে কূপে হারিয়েছিল নবীজির রাষ্ট্রীয় সিলমোহর
সংগৃহীত ছবি

মদিনার ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলোর মধ্যে কুবার ‘আরিস কূপ’ (বিরে আরিস) বিশেষভাবে স্মরণীয়। ইসলামের ইতিহাসে এই কূপটি একদিকে যেমন নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর ব্যবহৃত মোহরখচিত আংটি হারিয়ে যাওয়ার ঘটনার সাক্ষী, অন্যদিকে তেমনি এটি প্রথম তিন খলিফা আবু বকর (রা.), ওমর (রা.) এবং ওসমান (রা.)-কে জান্নাতের সুসংবাদ দেওয়ার পবিত্র স্মৃতি বহন করে।

সৌদি বিশ্বকোষে উল্লেখ অনুযায়ী, মদিনায় রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন ও স্মৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত সবচেয়ে বিখ্যাত কূপগুলোর অন্যতম হলো আরিস কূপ। নবীজির আংটি এখানে পতিত হওয়ার ঘটনার পর থেকেই এটি ‘বিরে খাতাম’ (আংটির কূপ) নামেও পরিচিতি লাভ করে। সহিহ বুখারিতে বর্ণিত হয়েছে, একদিন রাসুলুল্লাহ (সা.) আরিস কূপের পাশে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তিনি পর্যায়ক্রমে আবু বকর (রা.), ওমর (রা.) এবং ওসমান (রা.)-কে ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেন।

প্রত্যেককে জান্নাতের সুসংবাদ প্রদান করেন। তবে ওসমান (রা.)-এর ক্ষেত্রে তিনি এটিও জানান যে তিনি ভবিষ্যতে একটি কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হবেন, কিন্তু সে অবস্থায় ধৈর্য ধারণ করবেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩৬৯৫, ৩৬৯৭)

যে আংটি ছিল রাষ্ট্রীয় সিলমোহর
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আংটিটি ছিল রুপার তৈরি। এতে তিন লাইনে খোদাই করা ছিল ‘মুহাম্মদ, আল্লাহর রাসুল।’ বিদেশি শাসকদের কাছে পাঠানো সরকারি চিঠি ও রাষ্ট্রীয় দলিলে এই আংটির ছাপ সিলমোহর হিসেবে ব্যবহৃত হতো। নবী (সা.)-এর ইন্তেকালের পর আংটিটি যথাক্রমে আবু বকর (রা.), ওমর (রা.) এবং পরে ওসমান (রা.)-এর কাছে সংরক্ষিত ছিল।

যেভাবে হারিয়ে যায় ঐতিহাসিক সেই আংটি?
ঐতিহাসিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, ওসমান (রা.)-এর খেলাফতকালে আনুমানিক ৩০ হিজরি সালে আরিস কূপের পাশে অবস্থানকালে অসাবধানতাবশত আংটিটি তাঁর হাত থেকে কূপে পড়ে যায়। এরপর কয়েক দিন ধরে কূপের পানি তুলে এবং ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়েও আংটিটি আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এই ঘটনাটি ইসলামের প্রাথমিক ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত ঘটনারূপে স্থান পেয়েছে। তাই আজও আরিস কূপ মুসলিমদের কাছে গভীর ঐতিহাসিক ও আবেগঘন স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে বিবেচিত।

আরিস কূপের গুরুত্ব
ইসলামের ইতিহাসে আরিস কূপ মহানবী (সা.)-এর জীবন, তাঁর রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম এবং খুলাফায়ে রাশিদিনের স্মৃতিবিজড়িত এক অনন্য ঐতিহাসিক নিদর্শন। তাই যুগে যুগে ইতিহাসবিদ, গবেষক ও মুসলিম দর্শনার্থীদের কাছে এই কূপ বিশেষ গুরুত্ব বহন করে এবং মদিনার ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

গাছ যেভাবে আমাদের উপকার বয়ে আনে

মুফতি মুহাম্মদ মর্তুজা
গাছ যেভাবে আমাদের উপকার বয়ে আনে
সংগৃহীত ছবি

মহান আল্লাহ তাঁর অসংখ্য নিয়ামতের মাধ্যমে পৃথিবীকে মানুষের বসবাসের উপযোগী করে তুলেছেন। সেই নিয়ামতগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো গাছ। এর মাধ্যমে মানুষের অক্সিজেন, খাদ্য, আসবাব, পশুপাখির আশ্রয়, পরিবেশের ভারসাম্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং অসংখ্য প্রাণের জীবনধারণের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। তাই ইসলাম গাছকে শুধু একটি উদ্ভিদ হিসেবে নয়, বরং আল্লাহর এক মহা নিয়ামত এবং মানবকল্যাণের মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করেছে। নিম্নে গাছ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআন ও হাদিসে আসা কিছু বিষয় তুলে ধরা হলো—

১. রিজিকের অন্যতম উৎস : গাছের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তাঁর বিভিন্ন মাখলুকের রিজিকের ব্যবস্থা করেন। যার মধ্যে মানুষ, পশুপাখি, পোকা-মাকড় সবই অন্তর্ভুক্ত। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তিনিই সৃষ্টি করেছেন এমন বাগানসমূহ, যার কিছু মাচায় তোলা হয় আর কিছু তোলা হয় না এবং খেজুরগাছ ও শস্য, যার স্বাদ বিভিন্ন রকম, জয়তুন ও আনার যার কিছু দেখতে একরকম, আর কিছু ভিন্ন রকম। তোমরা তার ফল থেকে আহার করো, যখন তা ফলদান করে এবং ফল কাটার দিনেই তার হক দিয়ে দাও। আর অপচয় কোরো না। নিশ্চয়ই তিনি অপচয়কারীদের ভালোবাসেন না।’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ১৪১)

অন্য আয়াতে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘অতঃপর তাতে আমি উৎপন্ন করি শস্য, আঙুর ও শাক-সবজি,  জয়তুন ও খেজুর বন, ঘনবৃক্ষ শোভিত বাগ-বাগিচা, আর ফল ও তৃণগুল্ম। তোমাদের ও তোমাদের চতুষ্পদ জন্তুগুলোর জীবনোপকরণস্বরূপ।’ (সুরা : আবাসা, আয়াত : ২৭-৩২)

এ আয়াতগুলো স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়, গাছ শুধু মানুষের নয়; পশুপাখির রিজিকেরও অন্যতম উৎস।

২. মানুষের ব্যবহারিক কল্যাণের মাধ্যম : মহান আল্লাহ গাছের মাধ্যমে তাঁর বান্দাদের ব্যাবহারিক কল্যাণের ব্যবস্থা করেন। যেমন—নুহ (আ.) নৌকা তৈরি করেছিলেন বলে পবিত্র কোরআনে বর্ণিত আছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘আর আমি তাকে (নুহকে) কাঠ ও পেরেক নির্মিত নৌযানে আরোহণ করালাম।’ (সুরা : কামার, আয়াত : ১৩)

একই ভাবে জ্বালানিরও গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎস কাঠ। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যিনি সবুজ বৃক্ষ থেকে তোমাদের জন্য আগুন তৈরি করেছেন। ফলে তা থেকে তোমরা আগুন জ্বালাও।’ (সুরা : ইয়াসিন, আয়াত : ৮০)

এ আয়াতগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনে গাছের বহুমুখী উপকারিতার প্রতি ইঙ্গিত দেয়। বর্তমান যুগে আমাদের ব্যবহৃত বহু জিনিস এমন আছে, যার উৎস মূলত গাছ।

৩. ছায়া দেয় : গাছের শীতল ছায়ায় ক্লান্ত মানুষ স্বস্তি পায়। শরীরিক সুস্থতা ও মানসিক প্রফুল্লতায়ও গাছ বিশেষ ভূমিকা রাখে। মহান আল্লাহ যখন ইউনুস (আ.)-কে মাছের পেট থেকে নাজাত দিয়েছিলেন, তখন তাঁকে ছায়া দেওয়ার জন্য তাৎক্ষণিক একটি ছায়াদার গাছ উদ্গত করেছিলেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘অতঃপর আমি তাকে তৃণলতাহীন প্রান্তরে নিক্ষেপ করলাম এবং সে ছিল অসুস্থ।  অতঃপর আমি তার ওপর লাউ-কুমড়া জাতীয় লতাপাতাযুক্ত একটা গাছ বের করে দিলাম।’ (সুরা : সাফফাত, আয়াত : ১৪৫-১৪৬)

৪. পরিবেশ রক্ষায় উপকারী : পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তোমরা জমিনে ফাসাদ কোরো না তার সংশোধনের পর এবং তাঁকে ডাকো ভয় ও আশা নিয়ে। নিশ্চয় আল্লাহর রহমত সৎকর্মশীলদের নিকটবর্তী।’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ৫৬)

কোনো কোনো তাফসিরবিদের মতে, এই আয়াত পরিবেশ ধ্বংস, বন উজাড়, প্রাকৃতিক সম্পদের অপব্যবহারসহ সব ধরনের ফাসাদ (বিপর্যয়) থেকে বিরত থাকারও একটি মৌলিক নীতি প্রদান করে।

৫. গাছ লাগালে সদকার সওয়াব : গাছ যেহেতু বহুভাবে মানুষের জীবন ও কল্যাণের সঙ্গে জড়িত, তাই সহিহ নিয়তে তা রোপণ করা ও পরিচর্চা করারও বিশেষ সওয়াব রয়েছে। গাছ লাগানোর প্রতি উৎসাহ দিতে গিয়ে মহানবী (সা.) বলেছেন, আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যেকোনো মুসলিম ফলবান গাছ রোপণ করে কিংবা কোনো ফসল ফলায় আর তা হতে পাখি কিংবা মানুষ বা চতুষ্পদ জন্তু খায়, তবে তা তার পক্ষ হতে সদকা বলে গণ্য হবে।’ (বুখারি, হাদিস : ২৩২০)

এমনকি অন্য হাদিসে তিনি কিয়ামতের পূর্বক্ষণেও যদি কেউ গাছ লাগানোর সুযোগ পায়, তাহলেও যেন সে গাছটি রোপণ করে এ ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেছেন। (মুসনাদে আহমাদ)

অতএব আমাদের সবার উচিত পরিবেশের বন্ধু এই সম্পদ বৃদ্ধি, রক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণে যত্নবান হওয়া।

 

আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৬ ‍জুলাই, ২০২৬

ইসলামী জীবন ডেস্ক
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৬ ‍জুলাই, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

আজ রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ, ১৪৩৩, ১১ সফর, ১৪৪৮।
ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ—

জোহরের সময় শুরু ১২টা ৮ মিনিটে।
আসরের সময় শুরু ৪টা ৪৩ মিনিটে।
মাগরিব ৬টা ৪৮ মিনিটে।
এশার সময় শুরু ৮টা ১০ মিনিটে।
আগামীকাল ফজর শুরু ৪টা ০৫ মিনিটে 
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ৪৮ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ৫টা ২২ মিনিটে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।