• ই-পেপার

আয়ারল্যান্ডের জাতীয় স্টেডিয়ামে জুমার নামাজ

গাছ যেভাবে আমাদের উপকার বয়ে আনে

মুফতি মুহাম্মদ মর্তুজা
গাছ যেভাবে আমাদের উপকার বয়ে আনে
সংগৃহীত ছবি

মহান আল্লাহ তাঁর অসংখ্য নিয়ামতের মাধ্যমে পৃথিবীকে মানুষের বসবাসের উপযোগী করে তুলেছেন। সেই নিয়ামতগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো গাছ। এর মাধ্যমে মানুষের অক্সিজেন, খাদ্য, আসবাব, পশুপাখির আশ্রয়, পরিবেশের ভারসাম্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং অসংখ্য প্রাণের জীবনধারণের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। তাই ইসলাম গাছকে শুধু একটি উদ্ভিদ হিসেবে নয়, বরং আল্লাহর এক মহা নিয়ামত এবং মানবকল্যাণের মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করেছে। নিম্নে গাছ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআন ও হাদিসে আসা কিছু বিষয় তুলে ধরা হলো—

১. রিজিকের অন্যতম উৎস : গাছের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তাঁর বিভিন্ন মাখলুকের রিজিকের ব্যবস্থা করেন। যার মধ্যে মানুষ, পশুপাখি, পোকা-মাকড় সবই অন্তর্ভুক্ত। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তিনিই সৃষ্টি করেছেন এমন বাগানসমূহ, যার কিছু মাচায় তোলা হয় আর কিছু তোলা হয় না এবং খেজুরগাছ ও শস্য, যার স্বাদ বিভিন্ন রকম, জয়তুন ও আনার যার কিছু দেখতে একরকম, আর কিছু ভিন্ন রকম। তোমরা তার ফল থেকে আহার করো, যখন তা ফলদান করে এবং ফল কাটার দিনেই তার হক দিয়ে দাও। আর অপচয় কোরো না। নিশ্চয়ই তিনি অপচয়কারীদের ভালোবাসেন না।’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ১৪১)

অন্য আয়াতে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘অতঃপর তাতে আমি উৎপন্ন করি শস্য, আঙুর ও শাক-সবজি,  জয়তুন ও খেজুর বন, ঘনবৃক্ষ শোভিত বাগ-বাগিচা, আর ফল ও তৃণগুল্ম। তোমাদের ও তোমাদের চতুষ্পদ জন্তুগুলোর জীবনোপকরণস্বরূপ।’ (সুরা : আবাসা, আয়াত : ২৭-৩২)

এ আয়াতগুলো স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়, গাছ শুধু মানুষের নয়; পশুপাখির রিজিকেরও অন্যতম উৎস।

২. মানুষের ব্যবহারিক কল্যাণের মাধ্যম : মহান আল্লাহ গাছের মাধ্যমে তাঁর বান্দাদের ব্যাবহারিক কল্যাণের ব্যবস্থা করেন। যেমন—নুহ (আ.) নৌকা তৈরি করেছিলেন বলে পবিত্র কোরআনে বর্ণিত আছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘আর আমি তাকে (নুহকে) কাঠ ও পেরেক নির্মিত নৌযানে আরোহণ করালাম।’ (সুরা : কামার, আয়াত : ১৩)

একই ভাবে জ্বালানিরও গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎস কাঠ। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যিনি সবুজ বৃক্ষ থেকে তোমাদের জন্য আগুন তৈরি করেছেন। ফলে তা থেকে তোমরা আগুন জ্বালাও।’ (সুরা : ইয়াসিন, আয়াত : ৮০)

এ আয়াতগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনে গাছের বহুমুখী উপকারিতার প্রতি ইঙ্গিত দেয়। বর্তমান যুগে আমাদের ব্যবহৃত বহু জিনিস এমন আছে, যার উৎস মূলত গাছ।

৩. ছায়া দেয় : গাছের শীতল ছায়ায় ক্লান্ত মানুষ স্বস্তি পায়। শরীরিক সুস্থতা ও মানসিক প্রফুল্লতায়ও গাছ বিশেষ ভূমিকা রাখে। মহান আল্লাহ যখন ইউনুস (আ.)-কে মাছের পেট থেকে নাজাত দিয়েছিলেন, তখন তাঁকে ছায়া দেওয়ার জন্য তাৎক্ষণিক একটি ছায়াদার গাছ উদ্গত করেছিলেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘অতঃপর আমি তাকে তৃণলতাহীন প্রান্তরে নিক্ষেপ করলাম এবং সে ছিল অসুস্থ।  অতঃপর আমি তার ওপর লাউ-কুমড়া জাতীয় লতাপাতাযুক্ত একটা গাছ বের করে দিলাম।’ (সুরা : সাফফাত, আয়াত : ১৪৫-১৪৬)

৪. পরিবেশ রক্ষায় উপকারী : পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তোমরা জমিনে ফাসাদ কোরো না তার সংশোধনের পর এবং তাঁকে ডাকো ভয় ও আশা নিয়ে। নিশ্চয় আল্লাহর রহমত সৎকর্মশীলদের নিকটবর্তী।’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ৫৬)

কোনো কোনো তাফসিরবিদের মতে, এই আয়াত পরিবেশ ধ্বংস, বন উজাড়, প্রাকৃতিক সম্পদের অপব্যবহারসহ সব ধরনের ফাসাদ (বিপর্যয়) থেকে বিরত থাকারও একটি মৌলিক নীতি প্রদান করে।

৫. গাছ লাগালে সদকার সওয়াব : গাছ যেহেতু বহুভাবে মানুষের জীবন ও কল্যাণের সঙ্গে জড়িত, তাই সহিহ নিয়তে তা রোপণ করা ও পরিচর্চা করারও বিশেষ সওয়াব রয়েছে। গাছ লাগানোর প্রতি উৎসাহ দিতে গিয়ে মহানবী (সা.) বলেছেন, আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যেকোনো মুসলিম ফলবান গাছ রোপণ করে কিংবা কোনো ফসল ফলায় আর তা হতে পাখি কিংবা মানুষ বা চতুষ্পদ জন্তু খায়, তবে তা তার পক্ষ হতে সদকা বলে গণ্য হবে।’ (বুখারি, হাদিস : ২৩২০)

এমনকি অন্য হাদিসে তিনি কিয়ামতের পূর্বক্ষণেও যদি কেউ গাছ লাগানোর সুযোগ পায়, তাহলেও যেন সে গাছটি রোপণ করে এ ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেছেন। (মুসনাদে আহমাদ)

অতএব আমাদের সবার উচিত পরিবেশের বন্ধু এই সম্পদ বৃদ্ধি, রক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণে যত্নবান হওয়া।

 

আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৬ ‍জুলাই, ২০২৬

ইসলামী জীবন ডেস্ক
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৬ ‍জুলাই, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

আজ রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ, ১৪৩৩, ১১ সফর, ১৪৪৮।
ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ—

জোহরের সময় শুরু ১২টা ৮ মিনিটে।
আসরের সময় শুরু ৪টা ৪৩ মিনিটে।
মাগরিব ৬টা ৪৮ মিনিটে।
এশার সময় শুরু ৮টা ১০ মিনিটে।
আগামীকাল ফজর শুরু ৪টা ০৫ মিনিটে 
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ৪৮ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ৫টা ২২ মিনিটে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।

সাহাবি আবু খায়সামা (রা.)-এর নবীপ্রেম

ইসলামী জীবন ডেস্ক
সাহাবি আবু খায়সামা (রা.)-এর নবীপ্রেম
সংগৃহীত ছবি

বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আবু খায়সামা (রা.) নবীজির প্রিয় আনসারী ধনী সাহাবি। একাধিক যুদ্ধে তিনি নবীজির সঙ্গে সশরীরে অংশগ্রহণ করেছেন। তাঁর হৃদয়জুড়ে ছিল নবীপ্রেমের স্ফুলিঙ্গ। যার প্রমাণ তাবুক যুদ্ধের ঘটনা। হাদিসের ভাষায় ঘটনাটির বর্ণনা এরূপ—

নবম হিজরির ঘটনা। রোমের বাদশাহ মদিনা আক্রমণের ষড়যন্ত্র করছিল। নবীজি সংবাদ পেয়ে তার আগমনের অপেক্ষা না করে আগে বেড়ে মোকাবেলা করার সিদ্ধান্ত নিলেন। এদিকে সাহাবায়ে কেরামের মাঝে জিহাদের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। সময়টা ছিল প্রচণ্ড গরম আর মদিনার প্রধান খাদ্য খেজুর পাকার মৌসুম। 


তা ছাড়া যুদ্ধের ময়দান ছিল মদিনা থেকে বেশ দূরত্বের। সব কিছু মিলিয়ে এই যুদ্ধটা ছিল অন্যান্য যুদ্ধ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এত কিছুর পরও ঈমানের উজ্জ্বলতায় কোনো কিছুই তাঁদের রুখতে পারেনি। সব বাধা-বিপত্তি, কষ্ট-ক্লেশ উপেক্ষা করে মুনাফিকদের ছাড়া সব মুমিনই এ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তবে অল্পসংখ্যক মুমিন সাহাবিও বিভিন্ন কারণে মদিনায় রয়ে গিয়েছিলেন। যাঁদের মধ্যে আবু খায়সামা (রা.)ও ছিলেন একজন। তবে তিনি অংশগ্রহণ না করতে পারায় মনের মধ্যে ছিল যথেষ্ট অস্থিরতা। আর এই অস্থিরতা ও পেরেশানি  নিয়ে একদিন তিনি  নিজের বাগানে গেলেন। 

তখন প্রচণ্ড গরম পড়ছিল। গরমের উষ্ণতায় মনে হচ্ছিল আকাশ থেকে আগুন ঝরছে। এ অগ্নিপরিবেশে স্বামীকে শীতল পরশ দেওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছিল তাঁর দুই স্ত্রী। গাছের ছায়া, ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা, নরম-কোমল বিছানা, দস্তরখানের ওপর বাহারি রঙের খাবারের আয়োজন করে তাঁরা একটি মনোমুগ্ধকর পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছিলেন।

কিন্তু আবু খায়সামা (রা.)-এর মন শীতল ছায়া, ঠাণ্ডা পানি, বাহারি দস্তরখান আকর্ষণ করছিল ঠিকই; কিন্তু সেই সঙ্গে হৃদয়-সাগরে এক তরঙ্গবিক্ষুব্ধ ঝড় শুরু হলো। একটি পবিত্র ভাবনার প্রচণ্ড ধাক্কা যেন সামনের বাহারি সব আয়োজন উল্টে দিল। মনের গহিনে জেগে উঠল প্রাণপ্রিয় নবী তো এ প্রচণ্ড গরমে আল্লাহর পথে সফর করে কত কষ্ট করছেন! আর আমি এখানে সুখের মঞ্চে বসে আনন্দ উপভোগ করছি!

এ ভাবনা মনে দোলা দিতেই তিনি উটে চড়ে তাবুকের পথে রওনা হয়ে গেলেন। এরই মধ্যে সাহাবায়ে কেরাম তাবুক পৌঁছে গিয়েছিলেন। নবীজি দূর থেকে দেখেই আগ্রহভরা কণ্ঠে বলেন, হয়তো আবু খায়সামা হবে। কাছে আসার পর নবীজির ধারণাই সত্য হলো। সালামের উত্তর দেওয়ার পর নবীজি বলেন, আবু খায়সামা, তোমাকে মোবারকবাদ। ধ্বংসের উপকণ্ঠ থেকে তুমি বের হয়ে এসেছ। (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ২৭১৭৫)

মসজিদুল হারামের জুমার খুতবার সারসংক্ষেপ

ঈমানের দৃঢ়তাই মুমিনের প্রকৃত শক্তি

ইসলামী জীবন ডেস্ক
ঈমানের দৃঢ়তাই মুমিনের প্রকৃত শক্তি
সংগৃহীত ছবি

মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামে জুমার খুতবায় মুসলিম উম্মাহকে আল্লাহভীতি, ঈমানের দৃঢ়তা এবং কোরআন-সুন্নাহর অনুসরণের প্রতি দৃঢ়ভাবে আহ্বান জানিয়েছেন মসজিদুল হারামের সম্মানিত ইমাম ও খতিব শায়খ ড. বন্দর বালিলা। তিনি বলেন, একজন মুমিনের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো আল্লাহর দ্বীনের ওপর অবিচল থাকা। দুনিয়ার ধন-সম্পদ কিংবা পার্থিব সফলতার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো এমন ঈমান, যা মৃত্যুর পর মানুষকে মুক্তি ও আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে পৌঁছে দেয়। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ইসলামের ভিত্তি গড়ে উঠেছে একমাত্র আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ ও আনুগত্যের ওপর।

ইমাম বালিলা বলেন, সময় যত এগিয়ে যাচ্ছে এবং মানুষ নবী করিম (সা.)-এর যুগ থেকে যত দূরে সরে যাচ্ছে, ততই বাড়ছে নানা ধরনের পরীক্ষা, ফিতনা, সন্দেহ, প্রবৃত্তির অনুসরণ এবং বিভ্রান্তি। এ প্রসঙ্গে তিনি আনাস (রা.) বর্ণিত সহিহ বুখারির একটি হাদিস উল্লেখ করেন, যেখানে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের ওপর এমন কোনো সময় আসবে না, যার পরবর্তী সময়টি তার চেয়ে আরও কঠিন হবে, যতক্ষণ না তোমরা তোমাদের রবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে।’ (সহিহ বুখারি)

তিনি ব্যাখ্যা করেন, একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় বিপদ দারিদ্র্য বা জীবিকার সংকট নয়; বরং ঈমান দুর্বল হয়ে যাওয়া এবং দ্বীনের ওপর অবিচলতা হারিয়ে ফেলা। এ কারণেই মহানবী (সা.) প্রায়ই দোয়া করতেন, ‘হে আল্লাহ! আমাদের বিপদ যেন আমাদের দ্বীনের ব্যাপারে না হয়।’

তাই ঈমান অটুট রাখার প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো মহান আল্লাহর কাছে অবিচলতার জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করা। কারণ, আল্লাহ যাকে দৃঢ়তা দান করেন না, তার পক্ষে নিজ শক্তিতে দ্বীনের ওপর অটল থাকা সম্ভব নয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নিয়মিত পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, এর অর্থ নিয়ে গভীর চিন্তা, শিক্ষা অনুযায়ী জীবন পরিচালনা এবং নবী-রাসুল ও সৎকর্মশীল পূর্বসূরিদের জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণ ঈমানকে সুদৃঢ় করে।

খুতবায় তিনি মুসলিমদের কোরআন ও সুন্নাহকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরা, মুসলিম জামাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা, মতভেদ ও বিভক্তি থেকে দূরে থাকা এবং সন্দেহ, ফিতনা ও গুনাহের পরিবেশ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এসব বিষয় মানুষের অন্তরকে পরিশুদ্ধ রাখে এবং ঈমানকে নিরাপদ রাখে।

খুতবার সমাপনী বক্তব্যে শায়খ ড. বন্দর বালিলা মুসলিমদের উদ্দেশে বলেন, আল্লাহকে ভয় করতে হবে, কোরআন ও সুন্নাহর অনুসরণে অবিচল থাকতে হবে এবং সালাফে সালেহিনের পথ অনুসরণ করতে হবে। একই সঙ্গে পথভ্রষ্টতা, বিদআত ও বিভ্রান্তিকর চিন্তা থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান তিনি। সর্বশেষ তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ফিতনা ও পরীক্ষার যুগে দ্বীনের ওপর ধৈর্য ধারণ করা জ্বলন্ত অঙ্গার হাতে ধরে রাখার মতো কঠিন হলেও, এ ধৈর্যই একজন মুমিনের প্রকৃত সফলতার চাবিকাঠি।

আয়ারল্যান্ডের জাতীয় স্টেডিয়ামে জুমার নামাজ | কালের কণ্ঠ