• ই-পেপার

আদালতে যা বললেন হরিদাস

  • ৪ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ

ডায়মন্ড ও সোনার নেকলেস চুরির অভিযোগে ২ নারী ৫ দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
ডায়মন্ড ও সোনার নেকলেস চুরির অভিযোগে ২ নারী ৫ দিনের রিমান্ডে
ছবি : কালের কণ্ঠ

ডায়মন্ড ও সোনার তৈরি নেকলেস চুরি ও আত্মসাতের অভিযোগে বনানী থানায় করা এক মামলায় দুই আসামিকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৩ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহর আদালত এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার হোসেন।

আসামিরা হলেন মুনমুন আচার্য ওরফে প্রিয়া (৩০) এবং মোসাম্মৎ রিফা তামান্না (২৩)।

এর আগে গত ৯ জুলাই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বনানী থানার এসআই মো. ইয়াসির আরাফাত দুই আসামির ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

গত ৮ জুলাই বনানী থানায় নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ট্রাস্টের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এনজে ডায়মন্ডস-এর পক্ষে মো. খায়েজ আহাম্মদ মামলাটি করেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, এনজে ডায়মন্ডস-এর কর্মচারী মুনমুন আচার্য ও মোসাম্মৎ রিফা তামান্না, অজ্ঞাতনামা অন্যান্য সহযোগীর সঙ্গে যোগসাজশে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকা অবস্থায় ২০২৪ সালের ২৭ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে ২০২৬ সালের ৮ জুলাই বিকেল ৫টা পর্যন্ত পূর্বপরিকল্পিতভাবে প্রকৃত ডায়মন্ডের অলংকারের পরিবর্তে রেপ্লিকা (নকল) অলংকার প্রতিস্থাপন করে পর্যায়ক্রমে চুরি ও আত্মসাৎ করেন। 

এ ছাড়া মামলায় তাদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি প্রকৃত ডায়মন্ডের অলংকার সরাসরি চুরির অভিযোগও আনা হয়েছে। রেপ্লিকা করে চুরি হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে ডায়মন্ড ও সোনার সমন্বয়ে তৈরি চারটি নেকলেস, যার ওজন যথাক্রমে ২৬.১১ গ্রাম, ৫০.৪১ গ্রাম, ১৯.৮৪ গ্রাম এবং ৩১.৪৩ গ্রাম।

মানি লন্ডারিং মামলায় হরিদাস চন্দ্রের ৪ দিনের রিমান্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
মানি লন্ডারিং মামলায় হরিদাস চন্দ্রের ৪ দিনের রিমান্ড
ছবি : কালের কণ্ঠ

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে এশিয়ার সর্ববৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোক্তা হিসেবে আলোচিত শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেনের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) কে এম রাকিবুল হুদা আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিলের আবেদন জানিয়ে বলেন, মামলায় মানি লন্ডারিংয়ের সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই এবং হরিদাস মন্দির পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত।

আদালতে হরিদাস চন্দ্র বলেন, ‘আমি একজন কৃষক ছিলাম, এখন মন্দির পরিচালনা করি। মন্দির করে যদি অপরাধী হই, তাহলে কিছু করার নেই।’ তিনি আরো বলেন, ‘ভক্তদের দেওয়া অর্থ অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা যেতে পারে।’

শুনানি শেষে আদালত নথি পর্যালোচনা করে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, হরিদাস চন্দ্রের নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব অর্থের উৎস ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, হরিদাস চন্দ্রসহ সংশ্লিষ্টরা হুন্ডি ও দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচারের সঙ্গে জড়িত। অনুসন্ধানে তার পাঁচটি ব্যাংক হিসাব ও চারটি এমএফএস হিসাবে সন্দেহজনকভাবে ৯ কোটি ৩৫ লাখ ৩২ হাজার ৪৫১ টাকা জমার তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

গত ১২ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার সিআইডির একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্যরামচন্দ্রপুর (নয়াপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা।

সিআইডির করা মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ব্যাংক হিসাব ও অন্যান্য আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ অর্থ স্থানান্তর ও রূপান্তরের সঙ্গে তিনি জড়িত। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

সম্প্রতি গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ৮১ ফুট উচ্চতার রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় আসেন হরিদাস চন্দ্র। পরে মূর্তির অর্থায়ন, জমির মালিকানা ও অনুমোদন নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১১ জুন মন্দির কর্তৃপক্ষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির স্বার্থে রামমূর্তি নির্মাণকাজ স্থগিতের ঘোষণা দেয়।

হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক মামলায় সেলিম প্রধান ফের গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক মামলায় সেলিম প্রধান ফের গ্রেপ্তার

রাজধানীর গুলশান থানার একটি হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় ক্যাসিনো-কাণ্ডে আলোচিত সেলিম প্রধানকে (৫২) সন্দেভাজন আসামি হিসেবে ফের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সোমবার ​(১৩ জুলাই) দুপুরে ঢাকার এডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা গ্রেপ্তারের বিরোধিতা করে শুনানি করেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ৫ আগস্ট গুলশান থানাধীন নতুন বাজার বাঁশতলা এলাকায় আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হন ভিক্টটিম মো. তৌহিদ মিয়া। বাদী হয়ে আদালতে একটি সিআর মামলা করেন। মামলায় এজাহারনামীয় ৮৮ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরো ১০০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়। 

​মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনে বলেন, আসামি সেলিম প্রধান বিগত সরকারের সক্রিয় নেতা ও অন্যতম অর্থ জোগানদাতা। ছাত্র আন্দোলনকে প্রতিহত করতে গুলশান ও ভাটারা এলাকায় শিক্ষার্থীদের মারধর ও সুপরিকল্পিতভাবে মামলার বাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় তার সরাসরি উসকানি এবং আর্থিক সহায়তার তথ্য পাওয়া গেছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।

অনলাইন জুয়ার পেমেন্ট গেটওয়ে পরিচালনা, দুই আসামির রিমান্ড

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন জুয়ার পেমেন্ট গেটওয়ে পরিচালনা, দুই আসামির রিমান্ড
সংগৃহীত ছবি

অনলাইন জুয়ার বিভিন্ন ওয়েবসাইটে পেমেন্ট গেটওয়ে পরিচালনার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামিকে রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম রবিবার (১২ জুলাই) শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আজ ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আসামিরা হলেন মো. আমিনুর ইসলাম (৩৭) ও মো. সাকিব হোসেন (২৮)। তাদের বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬-এর অধীনে রাজধানীর রমনা থানায় মামলা করা হয়েছে।

ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমির হামজা মামলাটি করেছেন। তদন্তের দায়িত্বে রয়েছেন একই বিভাগের এসআই জাকির হোসেন।

আদালতে দুই আসামিকে হাজির করে প্রত্যেকের পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত আমিনুর ইসলামের তিন দিন এবং সাকিব হোসেনের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, গত ১১ জুলাই রাজধানীর দোলাইরপাড় এলাকা থেকে আমিনুর ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে গুলশান এলাকা থেকে সাকিব হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত অন্যদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই রিমান্ডে নিয়ে তাদের আরো জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।