• ই-পেপার

ম্যানিলায় যাত্রা শুরু করল বাংলাদেশি আইটি প্রতিষ্ঠান বিটোপিয়া গ্রুপ

জিপির সিএসটিও হিসেবে নিয়োগ পেলেন আন্দ্রেয়াস হগবার্গ

নিজস্ব প্রতিবেদক
জিপির সিএসটিও হিসেবে নিয়োগ পেলেন আন্দ্রেয়াস হগবার্গ
আন্দ্রেয়াস হগবার্গ। ছবি : সংগৃহীত

দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোনের চিফ স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন অফিসার (সিএসটিও) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আন্দ্রেয়াস হগবার্গ। সোমবার (১ জুন) থেকে তার এই নিয়োগ কার্যকর হয়েছে।

গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন এই ভূমিকায় আন্দ্রেয়াস কম্পানির কৌশলগত রূপান্তরে নেতৃত্ব দেবেন এবং প্রতিষ্ঠানের পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশল বাস্তবায়নের তত্ত্বাবধান করবেন। মূলত উদ্ভাবন পরিচালনা, কৌশলগত অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি ও ভবিষ্যতের প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তর পরিচালনায় নজর দেবেন তিনি।

সিএসটিও হিসেবে আন্দ্রেয়াস কম্পানির প্রতিযোগিতার সক্ষমতা আরো জোরদার করতে, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি করতে এবং একটি ডিজিটালভাবে আরো সক্ষম টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্রামীণফোনের রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

টেলিনর গ্রুপে ফিন্যান্স, প্রযুক্তি ও শেয়ার্ড সার্ভিসেস বিভাগে নরডিকস, দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে আন্দ্রেয়াসের ২১ বছরেরও বেশি আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। সর্বশেষ তিনি ২০২৩ সালের জুন থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত টেলিনর পাকিস্তানের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া বর্তমানে তিনি টেলিনর প্রকিউরমেন্ট কম্পানির বোর্ড সদস্য হিসেবেও কাজ করছেন।

বিগত বছরগুলোতে তিনি বেশ কয়েকটি নেতৃত্বস্থানীয় পদে থেকে গ্রামীণফোন, টেলিনর পাকিস্তান এবং টেলিনর মায়ানমারকে সহায়তা করেছেন। এ ছাড়া তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট অব টেকনোলজি অ্যান্ড সার্ভিসেস হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন, যেখানে তিনি গ্রুপজুড়ে বৈশ্বিক বিনিয়োগের অগ্রাধিকার সংক্রান্ত উদ্যোগগুলো পরিচালনা করেছেন।

প্রতিষ্ঠানের লিডারশিপ টিমে আন্দ্রেয়াসকে স্বাগত জানিয়ে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, পরিবর্তনশীল নিয়ন্ত্রক পরিবেশ থেকে শুরু করে ডেটা, ডিজিটাল, আইওটি, বিটুবি এবং নিরাপত্তা সেবার সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধি—সব মিলিয়ে বাংলাদেশের টেলিকম বাজার একই সঙ্গে জটিল ও সম্ভাবনার ক্ষেত্র। টেলিকম ইন্ডাস্ট্রিতে যখন পরিবর্তনগুলো ঘটছে, তখন আমাদের কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গিকে আরো উন্নত করার এক সন্ধিক্ষণে রয়েছি আমরা। একদিকে যেমন ভয়েস থেকে ডেটাতে স্থানান্তরের বিষয়টি রয়েছে, অন্যদিকে আমাদের ডিজিটাল গ্রাহকরা আরো নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী অফার এবং নিরাপত্তা ও ক্লাউডের মতো সেবাগুলো প্রত্যাশা করছেন। এআইয়ের যুগে রূপান্তর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরো বলেন, আমার আস্থা আছে, আন্দ্রেয়াসের দূরদর্শী কৌশলগত নেতৃত্ব আমাদের এই রূপান্তরটিকে ইন্ডাস্ট্রির অন্যদের চেয়ে বেশ আগেই পরিচালনা করতে এবং একটি তীব্র প্রতিযোগিতামূলক বাজারে আমাদের নেতৃত্বকে আরো সংহত করতে সহায়তা করবে।

নতুন পদে যোগদানের ব্যাপারে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে আন্দ্রেয়াস হগবার্গ বলেন, গ্রামীণফোন টিমে যোগ দিতে পেরে এবং আগামী দিনের এই রোমাঞ্চকর পথচলার অংশ হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। গতিশীল বাংলাদেশি বাজারে একটি শক্তিশালী ভিত্তি এবং শীর্ষস্থানীয় অবস্থানের পাশাপাশি টেকসই প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য একটি ভালো অবস্থানে রয়েছে গ্রামীণফোন। আমার মূল লক্ষ্য থাকবে সুশৃঙ্খল বাস্তবায়নের সঙ্গে কৌশলগত সমন্বয় ঘটানো এবং গ্রাহকদের প্রতি আরো গভীর মনোযোগ দেওয়া।

আন্দ্রেয়াস নরওয়েজিয়ান স্কুল অব ইকোনমিকসে পড়াশোনা করেছেন। এ ছাড়া তিনি আইএমডি, ইনসিয়াড এবং স্টকহোম স্কুল অব ইকোনমিক্স থেকে এক্সিকিউটিভ এডুকেশন প্রোগ্রাম সম্পন্ন করেছেন।

মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য উৎপাদনকারী এবং বাজারজাতকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। সোমবার (১ জুন) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর গুলশানে প্রধান কার্যালয়ে আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপের শোরুম চ্যানেলের পরিচালক মাহমুদুর রহমান খান, মানবসম্পদ বিভাগের উপপরিচালক মোহাম্মদ মুশফিকুর রহমান, অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স বিভাগের উপপরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মীর মোস্তাকির রহমান, অডিট বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক (শোরুম) মো. হাফিজুর রহমান, সহকারী পরিচালক মো. হাসানুজ্জামান, উপমহাব্যবস্থাপক (সেলস অ্যান্ড মর্কেটিং) আলমগীর আজাদ পলক ও মো. আল মামুন, করপোরেট চ্যানেলের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ বদরুল আলম চৌধুরী, আইটি বিভাগের সহকারী পরিচালক গোলাম কিবরিয়া রনি, কম্পানির সচিব এ কে এম সায়েম হোসেনসহ  ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

দোয়া মাহফিলে প্রতিষ্ঠানের সফলতা, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং সবার মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এ ছাড়া মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপের ফ্যাক্টরি, শো-রুম, ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেলসহ দেশব্যাপী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

কম্পানির শো-রুম চ্যানেলের পরিচালক মাহমুদুর রহমান খান বলেন, দেশের মানুষের আস্থা ও ভালোবাসায় মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপ আজ এই অবস্থানে পৌঁছেছে। এ দেশের মানুষের আমাদের ব্র্যান্ডের প্রতি ভালবাসা ও সমর্থন ছাড়া এত সুদীর্ঘ পথ অতিক্রম করা সম্ভব হতো না।  মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপ ইতোমধ্যেই দেশের ইলেকট্রনিক্স শিল্পে এক নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে স্থান দখল করে নিয়েছে। এবার সেই সফলতা ছড়িয়ে দিতে চাই সীমানার বাইরে অর্থাৎ বিশ্বমঞ্চে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাজারে সফলভাবে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার পর এবার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় নামার প্রক্রিয়া চলছে। খুবই দ্রুত সময়ের মধ্যেই আমরা বিশ্ববাজারে মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপের পণ্য পৌঁছে দিতে সক্ষম হবো ইনশাআল্লাহ।

মানবসম্পদ বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ মুশফিকুর রহমান বলেন, সুদীর্ঘ ২৪ বছরের পথ পরিক্রমায় মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপ আজ ২৫ বছরে পদার্পণ করছে। মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপ উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশের আবহাওয়া উপযোগী ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য তৈরি করছে এবং তা সাশ্রয়ী মূল্যে ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। আমি মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপের এই সুদীর্ঘ পথযাত্রায় পাশে থাকার জন্য সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী, সম্মানিত ডিলার, গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীদেরকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

২০০২ সালে যাত্রা শুরু করে মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপ বর্তমানে ইলেকট্রনিক্স ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স খাতে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইমামুল কবীর শান্তর ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইমামুল কবীর শান্তর ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ
সংগৃহীত ছবি

শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশন, শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি ও সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস প্রাইভেট লি.-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইমামুল কবীর শান্তর ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ শনিবার (৩০ মে)।

২০২০ সালের এই দিনে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা সিএমএইচে দেশের এই কৃতী সন্তান ইন্তেকাল করেন এবং সেদিনই বিকেলে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪ সালে ঢাকার নাখালপাড়ায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইমামুল কবীর শান্ত ব্যক্তি জীবনে একজন সফল উদ্যোক্তা, শিক্ষানুরাগী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক ছিলেন। মাত্র ১৭ বছর বয়সে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। যুদ্ধ শেষে অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্গুর বাংলাদেশে কর্মমুখী শিক্ষার বাস্তবায়ন ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে তিনি শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশন, শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস (প্রা.) লি., দৈনিক আজকের প্রত্যাশা, শান্ত-মারিয়াম একাডেমি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, শান্ত-মারিয়াম ইন্সটিটিউট অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, শান্ত-মারিয়াম স্কুল অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি এবং শিশু ও বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র শান্তনিবাসসহ একাধিক মসজিদ, মাদরাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করেন।

দিবসটি উপলক্ষে অন্যান্য বছরের মতো এবারও শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশন ও সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস প্রাইভেট লি.-এর চেয়ারম্যান ও শান্ত-মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ডা. মো. আহসানুল কবির এবং শান্ত-মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান বরেণ্য চিত্রশিল্পী অধ্যাপক মোস্তাফিজুল হকের উদ্যোগে মরহুমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কোরআন খতম ও দোয়াসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়।

সাবেক সচিব ও রাষ্ট্রদূত এম মুনির-উজ-জামানের ইন্তেকাল

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সাবেক সচিব ও রাষ্ট্রদূত এম মুনির-উজ-জামানের ইন্তেকাল
সংগৃহীত ছবি

সাবেক সচিব ও রাষ্ট্রদূত এম মুনির-উজ-জামান ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুর ২টায় বার্ধক্যজনিত জটিলতায় নিজ বাসভবনে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। শুক্রবার বাদ জুমা গুলশান আজাদ মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এম মুনির-উজ-জামান ছিলেন ১৯৫৮ ব্যাচের প্রাক্তন সিএসপি কর্মকর্তা। তার মৃত্যুতে দেশ একজন দেশপ্রেমিক, কৃতী আমলা ও অভিজ্ঞ কূটনীতিককে হারাল বলে শোক প্রকাশ করেছেন সহকর্মী ও স্বজনরা।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের উইলিয়ামস কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি ১৯৫৮ ব্যাচের একজন গর্বিত বাঙালি হিসেবে পাকিস্তানের তৎকালীন অভিজাত সিভিল সার্ভিসে তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবন শুরু করেন। স্বাধীনতাপূর্ব বাংলাদেশে তিনি কিশোরগঞ্জের এসডিও, কুমিল্লার এডিসি, বগুড়ার ডিসি, পাকিস্তান সরকারের বৈদেশিক অর্থ বিভাগের উপসচিব, ইপিএসসিআইসির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশে তিনি শীর্ষ পর্যায়ে উন্নীত হয়ে বিদ্যুৎ, পানি, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, বৈদেশিক সম্পদ বিভাগ (বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ) সহ অন্যান্য জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

অবসর গ্রহণের পর তিনি বিশ্বব্যাংক গ্রুপে সিনিয়র কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করেন। পরবর্তীতে তিনি  প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হোয়াইট পেপার সেলের প্রধান পরামর্শক এবং সর্বশেষে পূর্ণ অবসরে যাওয়ার আগে ফিলিপাইনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ছিলেন ব্রিটিশ বাংলার বিধানসভার সাবেক বিধায়ক মরহুম এম তোফাজ্জল হোসেনের জ্যেষ্ঠ পুত্র। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র, পাঁচ নাতি-নাতনি এবং পাঁচ প্রপৌত্র-প্রপৌত্রী রেখে গেছেন।