ঢাকার ধামরাইয়ে বিভিন্ন সড়কে চলাচলরত সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে অবৈধ চাঁদা আদায়ের প্রতিবাদ ও বন্ধের দাবিতে গতকাল শুক্রবার সকালে বৃষ্টিতে ভিজে চালকরা মিছিল করেছে কালামপুর-নাগরপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের কাওয়ালীপাড়া বাজারে। চালকদের কাছ থেকে প্রতি মাসে ১২ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করা হয়। এসব চাঁদার ভাগ সিএনজিচালিত অটোরিকশা সমিতির নেতা, পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের কিছু ব্যক্তির পকেটে চলে যায় বলে একাধিক চালক জানান।জানা গেছে, কালামপুর-নাগরপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ধামরাইয়ের কাওয়ালীপাড়া বাজার থেকে প্রায় তিন শ সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করে সাটুরিয়া, কালামপুর ও বালিয়া এলাকায়। এসব অটোরিকশা থেকে প্রতিদিন দুই শত টাকা চাঁদা আদায় করে নেওয়া হয়। নতুন কোনো সিএনজিচালিত অটোরিকশা রোডে নামালে তাকে এককালীন দিতে হয় ১০ হাজার টাকা। এভাবে প্রতিদিন প্রায় ৬০ হাজার টাকা চাঁদা নিচ্ছে একটি সিন্ডিকেট।
সাভারে ১১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
অটোরিকশা থেকে চাঁদা আদায়, বিক্ষোভ

থানার গ্রিল ভেঙে পালাল নারী আসামি

মাদারীপুর সদর মডেল থানার বারান্দার গ্রিল ভেঙে পালিয়েছেন এক নারী আসামি। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাসহ (ডিউটি অফিসার) দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান। পালিয়ে যাওয়া আসামি হাসিনা বেগম সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের কালাইমারা এলাকার আল-আমিনের স্ত্রী। জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে একটি অভিযোগের ভিত্তিতে হাসিনা বেগমকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। থানার মূল ভবনটি নির্মীয়মাণ থাকায় অস্থায়ীভাবে ওসির বাসভবনের নিচতলায় থানার কার্যক্রম চলমান। সেখানে হাজতখানা না থাকায় বারান্দার একটি কক্ষে পুলিশি হেফাজতে হাসিনাকে রাখা হয়। রাত দেড়টার দিকে সুযোগ বুঝে হাসিনা ওই কক্ষের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান।
টুঙ্গিপাড়ায় যুবদল নেতাকে অব্যাহতি

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মন্টি শিকদারকে মাদকসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ডুমুরিয়া ইউনিয়ন যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন খান ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। মন্টি শিকদার উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের চর-গোপালপুর গ্রামের লতিফ শিকদারের ছেলে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মন্টি শিকদারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদকসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি এসংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি সংগঠনের নজরে আসে। সংগঠনের শৃঙ্খলা, সুনাম ও ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে অভিযোগের বিষয়ে সাংগঠনিক তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বসহ সব সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
যাদুকাটায় ৫০০ কোটির বালু লুট
মামলার চার্জশিট নিয়ে নানা প্রশ্ন

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে যাদুকাটা নদীতে অবৈধভাবে বালু লুট থামছে না। ইউনূস সরকারের সময়ে মব করে বালু লুট হয়েছে প্রকাশ্যে। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে প্রশাসন বাধ্য হয়ে তড়িঘড়ি করে মামলা করে। তবে মামলার চার্জশিটে পার কাটা ও বালু লুটে জড়িতদের বেশির ভাগই বাদ পড়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া নিরপরাধ ও বালু লুটের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদেরও আসামি করা হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলায় গত সোমবার আদালতে ২৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত ৩৭ জনের মধ্যে ১৬ জনকে বাদ দিয়ে এবং অজ্ঞাতপরিচয় ২০ জন থেকে ছয়জনকে আসামি হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে।
জানা গেছে, গত বছরের ১৫ অক্টোবর যাদুকাটা নদী বালুমহালের ইজারা সীমানার বাইরে বালু লুটের ঘটনায় ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন সুনামগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মোহাইমিনুল হক। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরো ২০ জনের কথা উল্লেখ করা হয়। পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলায় বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী কয়েকজন নেতার নামও ছিল। একই সময় তাহিরপুর থানায় ৫১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন ইজারাদারের লোক মোশারফ তালুকদার। আট মাস পর পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলায় ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। চার্জশিটে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রাকাব উদ্দিনসহ এজাহারনামীয় ১৬ জনকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে তাঁর ছোট ভাই আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিনকে আসামি করা হয়েছে। চার্জশিটে তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন, বাদাঘাট ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি খাজা মাইনুদ্দিন, মোশাহিদ আলম ওরফে রানু মেম্বার, জামাল মিয়া, বিল্লাল মিয়া ও বোরহান উদ্দিনের নাম রয়েছে। তবে সুনামগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ও মামলার বাদী মো. মোহাইমিনুল হক বলেন, ‘তদন্তে যাঁদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে তাঁদের রাখা হয়েছে।
