• ই-পেপার

বরিশালে ১২ নদীর পানি বিপত্সীমার ওপরে, উত্তরে পাঁচ জেলায় বন্যার শঙ্কা

আজকের খেলা

আজকের খেলা

অভিমত

পুলিশ বাহিনীর ভেতরে নিয়মিত কাউন্সেলিং ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন

ড. তৌহিদুল হক

পুলিশ বাহিনীর ভেতরে নিয়মিত কাউন্সেলিং ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন
তৌহিদুল হক

বাংলাদেশ পুলিশের মাঠ পর্যায়ের সদস্যদের মধ্যে আত্মহননের ঘটনা অনেক পেশার তুলনায় বেশি। এর পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে। বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ের সদস্যদের দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, অতিরিক্ত দায়িত্ব, অব্যাহত মানসিক চাপ এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করতে হয়। এই চাপ সামলাতে গিয়ে অনেক সময় তাঁরা ভুলেই যান যে তাঁরাও মানুষ; তাঁদেরও পরিবার আছে, ব্যক্তিগত জীবন আছে, আবেগ-অনুভূতি আছে।

মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা অনেক ক্ষেত্রেই নিয়মিত ছুটি, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ কিংবা ব্যক্তিগত প্রয়োজন পূরণের মতো মৌলিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। দায়িত্ব পালনের সময় তাঁদের মৌলিক চাহিদা ও কর্মপরিবেশ কতটা মানবিক হওয়া উচিত, সে প্রশ্নও দীর্ঘদিন ধরে আছে। কিন্তু বাস্তবে এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব সব সময় দেওয়া হয় না।

আরেকটি বিষয় হলো, সরকার পর্যায় থেকে বাহিনীর জন্য যেসব সুযোগ-সুবিধা আসে, তার একটি বড় অংশ নীতিনির্ধারণী পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থাকে। এসব সুবিধা মাঠ পর্যায়ের সদস্যদের কাছে সমানভাবে পৌঁছে না। অথচ সরকারের সিদ্ধান্ত, আইন কিংবা নির্দেশনা বাস্তবায়নের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব পালন করেন তাঁরা। নীতিনির্ধারকরা সিদ্ধান্ত দেন ও তদারকি করেন, কিন্তু বাস্তবায়নের ঝুঁকি, জনরোষ কিংবা সংঘাতের মুখোমুখি হতে হয় মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের।

বাহিনীর ভেতরেও পারস্পরিক সংহতি বা ঐক্যের ঘাটতির বিষয়টি দীর্ঘদিনের। ফলে একজন সদস্য যখন কর্মক্ষেত্রে অপমান, অসম্মান বা অযৌক্তিক আচরণের শিকার হন, তখন অনেক সময় তিনি সেই পরিস্থিতি মানসিকভাবে সামলে উঠতে পারেন না। আবার সবার মানসিক দৃঢ়তা, পেশাগত দক্ষতা কিংবা প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলার সক্ষমতাও এক নয়।

অনেকেই বাইরে থেকে পুলিশ পেশাকে যেভাবে কল্পনা করেন, বাহিনীতে যোগ দেওয়ার পর বাস্তবতার সঙ্গে তার মিল খুঁজে পান না। কর্মপরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পারা, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হওয়া, দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ এবং কর্মজীবন নিয়ে হতাশা—এসব মিলিয়ে এক ধরনের একাকিত্ব ও অসহায়ত্ব তৈরি হয়। অনেক সময় পরিবার থেকেও নানা ধরনের চাপ বা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। যাঁরা এই মানসিক সংকট নিয়ন্ত্রণ করে সামনে এগিয়ে যেতে ব্যর্থ হন, তাঁদের একটি অংশ আত্মহননের মতো চরম সিদ্ধান্তের দিকে ঝুঁকে পড়েন।

আমরা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছি, অপরাধের ধরন যেমন বদলাচ্ছে, তেমনি অপরাধীদের আচরণ ও কৌশলও পরিবর্তিত হচ্ছে। এই পরিবর্তিত বাস্তবতায় পুলিশ সদস্যদের মানসিক সুস্থতা ও মনোবল ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি। সে কারণে পুলিশ বাহিনীর ভেতরেই প্রাতিষ্ঠানিক ও নিয়মিত কাউন্সেলিং ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। বর্তমানে ব্যাপক পরিসরে এমন কার্যকর ব্যবস্থা আছে, এ কথা বলা যায় না। কেউ চাইলে ব্যক্তিগতভাবে বাইরে থেকে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিতে পারেন, কিন্তু সেটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সমাধান নয়।

এখন প্রয়োজন বাহিনীর ভেতরে পেশাদার ও নিয়মিত কাউন্সেলিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা। সেখানে প্রশিক্ষিত মনোবিজ্ঞানী ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ থাকবেন। তাঁরা সদস্যদের কথা শুনবেন, প্রয়োজন অনুযায়ী পরামর্শ দেবেন এবং কারো ওষুধ বা বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন হলে সেই ব্যবস্থাও নিশ্চিত করবেন।

সবচেয়ে বেদনাদায়ক বিষয় হলো, যে অস্ত্র একজন পুলিশ সদস্যকে দেওয়া হয়েছে অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য, কখনো কখনো সেই অস্ত্র দিয়েই তিনি নিজের জীবন শেষ করে দিচ্ছেন। এটি কোনোভাবেই একটি রাষ্ট্র বা বাহিনীর জন্য কাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি হতে পারে না।

লেখক : সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ

সহযোগী অধ্যাপক, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

 

ব্রিফিংয়ে রণধীর জয়সওয়াল

শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে
রণধীর জয়সওয়াল

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে বলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন জয়সওয়াল।

ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘আমরা জানতে পারছি, শেখ হাসিনা ও অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের প্রত্যর্পণের জন্য বাংলাদেশ আবারও ভারতকে অনুরোধ করেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কোনো যোগাযোগ হয়েছে কি না। তা ছাড়া শেখ হাসিনা নিজেই ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন। তাই বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কোনো যোগাযোগ হয়েছে কি না।’

এ প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা প্রত্যর্পণের জন্য একটা অনুরোধ পেয়েছি। যেমনটি আমরা আগে

বলেছিলাম, অনুরোধটি পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট আইনগত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার আলোকে অনুরোধটি বিবেচনা করা হবে।’

আরেক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন বাংলাদেশের করা আরেকটি প্রত্যর্পণের অনুরোধ নিয়ে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তাঁরা এক ব্যক্তিকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে সব কাগজপত্র পাঠিয়েছেন। ওই ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়ে ভারতীয় পুলিশের হেফাজতে আছেন। তাঁর বিরুদ্ধে বাংলাদেশে নির্বাচনের প্রাক্কালে একজন রাজনীতিবিদকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে আপনাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়েছে কি না এবং হয়ে থাকলে সেটার বর্তমান অবস্থা কী?

এ প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, এ বিষয়ে তাঁর কিছু জানা নেই। এই প্রশ্নের উত্তরেও তিনি জানান, প্রত্যাবর্তনের যেকোনো অনুরোধ আইনগত বিষয় ও বিচারপ্রক্রিয়া খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে। সূত্র : দ্য হিন্দু

 

পাল্টাপাল্টি হামলা, দক্ষিণ ইরানকে বিচ্ছিন্ন করার লক্ষ্য মার্কিন বাহিনীর

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
পাল্টাপাল্টি হামলা, দক্ষিণ ইরানকে বিচ্ছিন্ন করার লক্ষ্য মার্কিন বাহিনীর

ইরানে গত বৃহস্পতিবার টানা ষষ্ঠ রাতের মতো হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। এদিকে ইরান বলেছে, গতকাল শুক্রবার উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে তারা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গত মাসে হওয়া যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে দুই পক্ষের সংঘাত এখন নিয়মিত হামলা-পাল্টাহামলায় রূপ নিয়েছে। আর এই সংঘাতের মূলে রয়েছে, হরমুজ প্রণালি কার নিয়ন্ত্রণে থাকবে, তা স্থির করা। যুক্তরাষ্ট্র হরমুজের নিয়ন্ত্রণ নিতেই ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করছে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ ইরানকে বিচ্ছিন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে চাইছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী বলেছে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা আরো দুর্বল করতে তারা টানা আরেক রাত হামলা চালিয়েছে। হামলার লক্ষ্যগুলোর মধ্যে ছিল কেশম দ্বীপ এবং বন্দর আব্বাসের আশপাশের এলাকা। বন্দর আব্বাসে ইরানের নৌবাহিনী ও আইআরজিসির গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি এবং দেশটির সবচেয়ে বড় বন্দরের অবস্থান।

সেন্টকম বলেছে, যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং যুদ্ধজাহাজ ব্যবহার করে মার্কিন বাহিনী ইরানের উপকূলীয় নজরদারি ও আকাশ প্রতিরক্ষা কেন্দ্র, সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ অবকাঠামো এবং সামুদ্রিক সক্ষমতাসংশ্লিষ্ট কয়েক ডজন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এদিকে ইরান প্রতিবেশী কয়েকটি দেশের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে জর্দানের একটি বিমানঘাঁটিও আছে। শুক্রবার ভোরে ইরানের সামরিক বাহিনী বলেছে, তারা বাহরাইন ও কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, কাতারের রাজধানী দোহায় কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, বিস্ফোরণে উড়ে আসা ধাতব টুকরা লেগে এক শিশু আহত হয়েছে। ইরানের গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ হামলায় পাঁচটি সেতু, উপকূলীয় শহর বন্দর খামিরের রেলস্টেশন ও দক্ষিণ-পূর্বে ইরানশাহর বিমানবন্দর নিশানা করা হয়। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ বলেছে, দক্ষিণ ইরানের বন্দরনগরী বন্দর খামিরের সেতুগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন।

হরমুজে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ : সংঘাত বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বের তেল ও গ্যাস পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে আবারও বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে। তেহরান আবারও প্রণালিটিতে অবরোধ আরোপ করেছে এবং ওয়াশিংটন গত বুধবার থেকে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নতুন করে অবরোধ জোরদার করেছে। রয়টার্সকে কয়েকটি সূত্র বলেছে, ওয়াশিংটন যদি ইরানের অবকাঠামোতে হামলা চালায়, তবে তেহরান ইয়েমেনে তাদের মিত্র হুতিদের মাধ্যমে লোহিত সাগরের প্রবেশমুখে অবস্থিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বাব আল-মানদেব প্রণালি বন্ধ করার উদ্যোগ নিতে পারে।

কুয়েতে একের পর এক হামলা : ইরানে প্রথমবারের মতো সামরিক স্থাপনাগুলোর পাশাপাশি সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র, বিমানবন্দর ও রেলস্টেশনে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে একের পর এক পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির এসব হামলায় কুয়েতের একটি পানি শোধনাগার ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কুয়েতের বিদ্যুৎ, পানি ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সাম্প্রতিক হামলায় ইরান দেশটির একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এতে স্থাপনাটিতে আগুন ধরে যায় এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

হরমুজ প্রণালি কে নিয়ন্ত্রণ করবে : ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ইরান প্রজেক্টের পরিচালক আলী ভায়েজ আল জাজিরাকে বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজগুলোতে প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ই প্রণালিটির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তিনি বলেন, ‘তারা [ইরান] এটাও বিশ্বাস করে, দক্ষিণ করিডর প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তাদের দর-কষাকষির ক্ষমতা খর্ব করা যুক্তরাষ্ট্রের একটি পরিকল্পিত নীতি, যাতে যুদ্ধ পুনরায় শুরু হলে, যুদ্ধ শেষ করতে বা আলোচনার টেবিলে সুবিধাজনক কোনো চুক্তিতে আসতে ইরানের দর-কষাকষির ক্ষমতা মূলত কমে যায়। সুতরাং এটি সত্যিই এমন একটি যুদ্ধে পরিণত হয়েছে যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে কেবল একটিই প্রশ্ন, আর তা হলো—প্রণালিটির নিয়ন্ত্রণ।’

আল উদেদে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে হামলা : ইরান জানিয়েছে, হামলার পঞ্চদশ দফায় তাদের বাহিনী কাতারের আল উদেদে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরানের হামলায় একটি দূরপাল্লার রাডার ব্যবস্থা এবং বেশ কয়েকটি মার্কিন কৌশলগত জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ধ্বংস হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনীতির সুযোগ আপাতত স্থগিত : যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে কূটনীতির পথ আপাতত স্থগিত হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন সামরিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষক আলেকজান্দরু হুদিস্তেনু। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মূল্যায়ন তুলে ধরেন। হুদিস্তেনু জানান, কূটনীতির পথটি একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে তা নয়, বরং এটি সাময়িকভাবে স্থগিত অবস্থায় রয়েছে। তাঁর মতে, দিনশেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় পক্ষকেই এই যুদ্ধাবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে, কারণ এই সংঘাত কোনো পক্ষের জন্যই কল্যাণকর নয়। সূত্র : আল জাজিরা, রয়টার্স, আনাদোলু