যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তকে সতর্ক আশাবাদের সঙ্গে স্বাগত জানিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন। কমিশনের মতে, এই সিদ্ধান্ত এক বছর আগে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া বাণিজ্য চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ইইউ, চীনসহ ৬০টি বাণিজ্য অংশীদারের পণ্যের ওপর ১০ থেকে ১২.৫ শতাংশ পর্যন্ত নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়। ওয়াশিংটনের দাবি, এসব দেশ জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানি ঠেকাতে যথেষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
তবে ইইউ জানিয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে নতুন শুল্ক আগের ‘মোস্ট ফেভারড নেশন (এমএফএন)’ শুল্কের অতিরিক্ত হিসেবে আরোপ করা হবে না। একই সঙ্গে বিমান ও এর যন্ত্রাংশ, জেনেরিক ওষুধ, ওষুধের কাঁচামাল এবং কর্ক ও হীরাসহ কয়েকটি পণ্যে শুল্ক ছাড়ও বহাল রাখা হয়েছে।
ইউরোপীয় কমিশনের এক মুখপাত্র বলেন, এই সিদ্ধান্ত ইইউ-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ ঘোষণায় থাকা শুল্ক-সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এর ফলে ভবিষ্যতে আরো শুল্ক ছাড় এবং দুই পক্ষের বাণিজ্য সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।
তিনি আরো বলেন, গত বছর স্কটল্যান্ডে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির শর্ত যুক্তরাষ্ট্র মেনে চলবে বলে ইইউ আশা করছে। ওই চুক্তি অনুযায়ী, ইইউ মার্কিন শিল্পপণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক তুলে নিতে সম্মত হয়েছিল, আর যুক্তরাষ্ট্র ইইউর বেশিরভাগ পণ্যের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল।
ইউরোপীয় কমিশনের ভাষ্য, উভয় পক্ষের বাজারে স্থিতিশীলতা ও ব্যবসায়িক পূর্বাভাস নিশ্চিত করতে এই চুক্তি বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখা জরুরি। এদিকে জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানি ঠেকাতে যথেষ্ট ব্যবস্থা নেয়নি, যুক্তরাষ্ট্রের এমন অভিযোগ আগেই প্রত্যাখ্যান করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।




