• ই-পেপার

পিরোজপুরে কৃষক দলের ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

জুলাইযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের ঋণ কোনোদিন শোধ করা সম্ভব নয়

বগুড়া প্রতিনিধি
জুলাইযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের ঋণ কোনোদিন শোধ করা সম্ভব নয়
ছবি: কালের কণ্ঠ

সরকার জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা শুধু ইতিহাসের একটি অধ্যায় নয়, এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র, অধিকার ও মানুষের মুক্তির সংগ্রামের প্রতীক। 

শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুরে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা চত্বরে মীর মুগ্ধ স্কয়ারের সংস্কার কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'মীর মুগ্ধ স্কয়ার'-এর নাম আগে ছিল তারেক রহমান স্কয়ার। প্রধানমন্ত্রী নিজের নামে না করে মীর মুগ্ধ স্কয়ার নামটি দিয়েছেন। এই স্কয়ার শুধু একটি স্থাপনার নাম নয়, এটি জুলাইয়ের আত্মত্যাগ, সাহস ও গণ-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। প্রতিদিন মানুষ যখন এই স্কয়ারের পাশ দিয়ে যাবে, তখন তারা জুলাইয়ের শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের ত্যাগকে স্মরণ করবে।

মীর শাহে আলম বলেন, যাদের বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন হয়েছে, সেই বীর শহীদদের আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যেতে পারে না। জুলাইয়ের প্রতিটি শহীদ ও আহত যোদ্ধা আমাদের হৃদয়ের গভীরে চিরদিন বেঁচে থাকবে। তাদের আত্মত্যাগের ঋণ কোনোদিন শোধ করা সম্ভব নয়।

তিনি আরো বলেন, আমরা যেমন ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি, তেমনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদেরও সমান মর্যাদায় স্মরণ করব। নতুন প্রজন্মকে এই ইতিহাস জানাতে হবে, যাতে তারা স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষার মূল্য বুঝতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জুলাই সনদের বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা বিএনপি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, জুলাইযোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

দুর্ঘটনার খবরে ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্য গিয়ে দেখলেন নিহত স্কুলছাত্র তারই ছেলে

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
দুর্ঘটনার খবরে ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্য গিয়ে দেখলেন নিহত স্কুলছাত্র তারই ছেলে
সংগৃহীত ছবি

কিশোরগঞ্জ শহরে সিমেন্টবোঝাই ট্রাকচাপায় মোহাম্মদ তুহিন (১০) নামের এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। এ দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে ছুটে যাওয়া পুলিশের টহলদল জানতে পারে, নিহত শিশুটি টহলদলে থাকা গাড়িচালক পুলিশ সদস্য শামসুল হকেরই ছেলে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে দিকে শহরের জনতা স্কুল রোড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত তুহিন কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার গাড়িচালক পুলিশ সদস্য শামসুল হকের ছেলে। সে গাইটাল জনতা স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ডিউটি অফিসার তানিয়া নাজনীন জানান, সকালে থানায় একটি মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে জনতা স্কুল রোড এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক স্কুলছাত্র নিহত হওয়ার খবর দেওয়া হয়। সে সময় নিহতের পরিচয় জানা যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশের একটি টহলদল দ্রুত ঘটনাস্থলে রওনা দেয়। ওই টহল দলে গাড়িচালক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন পুলিশ সদস্য শামসুল হক।

ঘটনাস্থলে পৌঁছে টহলদলের সদস্যরা দেখতে পান, ট্রাকচাপায় নিহত স্কুলছাত্রটি আর কেউ নয়, পুলিশ সদস্য শামসুল হকের ছেলে তুহিন। মুহূর্তেই ঘটনাস্থলে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম ভূঞা জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 
 

রাজবাড়ী জেলা কারাগারে ৭ মামলার আসামির মৃত্যু

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
রাজবাড়ী জেলা কারাগারে ৭ মামলার আসামির মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

রাজবাড়ী জেলা কারাগারে অবস্থানরত হত্যা, অস্ত্র ও মারামারিসহ সাতটি মামলার আসামি হাজতি তুষার বিশ্বাসের (৪৪) মৃত্যু হয়েছে। তুষার বিশ্বাস রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার নওরাবণগ্রামের নতুনপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং শ্বাশধর বিশ্বাসের ছেলে।

রাজবাড়ী জেলা কারাগারের জেলার মো. মামুনুর রশিদ জানান, শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে বাথরুম থেকে ফেরার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তুষার বিশ্বাস। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে কারাগারের হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জেলার আরো জানান, আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুযায়ী সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত ও ময়নাতদন্ত শেষে বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে তুষার বিশ্বাসের মরদেহ তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

কিশোরগঞ্জে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে চালক নিহত

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে চালক নিহত
ছবি: কালের কণ্ঠ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আব্দুল কাদির (৫৫) নামে এক মাইক্রোবাস চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে ঢাকা-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাকুন্দিয়া উপজেলার চিলাকাড়া মৌলভীবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল কাদির ঢাকার হাজারীবাগ এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসা অনন্যা ক্লাসিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ঢাকা থেকে নিকলী হাওরের উদ্দেশে যাওয়া একটি মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উভয় যানবাহন সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।

এতে ঘটনাস্থলেই মাইক্রোবাস চালক আব্দুল কাদির নিহত হন। এ সময় মাইক্রোবাস ও বাসে থাকা কয়েকজন যাত্রী আহত হন।

খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালান। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মাইক্রোবাসের দরজা কেটে চালকের মরদেহ উদ্ধার করেন এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল শেষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।