• ই-পেপার

জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান ঢাবি প্রো-ভিসির

বাকৃবিতে দেশীয় প্রযুক্তিতে প্রথম জৈব ছত্রাকনাশক উদ্ভাবন

বাকৃবি প্রতিনিধি
বাকৃবিতে দেশীয় প্রযুক্তিতে প্রথম জৈব ছত্রাকনাশক উদ্ভাবন
ছবি: কালের কণ্ঠ

দেশে প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে জৈব ছত্রাকনাশক উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক। দেশীয় উৎসের ট্রাইকোডার্মা অ্যাসপেরেলাম থেকে তৈরি ‘পিজি-ট্রাইকোডার্মা’ নামের এ বায়োফরমুলেশন একই সঙ্গে জৈব ছত্রাকনাশক ও জৈব সার হিসেবে কাজ করবে। 

গবেষকদের দাবি, এটি ফসলের রোগ দমনের পাশাপাশি ফলন বৃদ্ধি, মাটির স্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং মৎস্য খাতে পানির গুণগত মান উন্নত করতেও কার্যকর।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব (প্ল্যান্ট প্যাথোলজি) বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গবেষণার ফলাফল তুলে ধরেন প্রধান গবেষক ও বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহজাহান মঞ্জিল। 

অধ্যাপক শাহজাহান মঞ্জিল বলেন, দীর্ঘ ২৫ বছরের নিরবচ্ছিন্ন গবেষণার পর আমরা দেশে প্রথমবারের মতো পরিবেশবান্ধব জৈব ছত্রাকনাশক উদ্ভাবনে সক্ষম হয়েছি। বর্তমানে দেশে ব্যবহৃত মোট বালাইনাশকের প্রায় ৪৫ থেকে ৪৬ শতাংশই রাসায়নিক ছত্রাকনাশক। এসব ছত্রাকনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহার শুধু ক্ষতিকর ছত্রাকই নয়, মাটিতে থাকা উপকারী অণুজীব ও ছত্রাকও ধ্বংস করে। ফলে পরিবেশ, মাটির স্বাস্থ্য ও জনস্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এ বাস্তবতায় পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বিকল্প হিসেবে উদ্ভাবন করা হয়েছে ‘পিজি-ট্রাইকোডার্মা’, যা একই সঙ্গে জৈব ছত্রাকনাশক ও জৈব সার হিসেবে কাজ করে।

তিনি আরো বলেন, গবেষণার শুরুতে দেশের বিভিন্ন কৃষি-পরিবেশ অঞ্চল থেকে হাজার হাজার মাটি ও রাইজোস্ফিয়ার (ছত্রাকের স্পোর) নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সেখান থেকে শতাধিক ট্রাইকোডার্মা ছত্রাক পৃথক করে তাদের কার্যকারিতা দীর্ঘদিন ধরে যাচাই-বাছাই করা হয়। পরবর্তীতে সর্বাধিক কার্যকর, স্থিতিশীল ও বাংলাদেশের জলবায়ুর সঙ্গে অভিযোজিত ট্রাইকোডার্মা অ্যাসপেরেলাম নির্বাচন করে এর ভিত্তিতে বায়োফরমুলেশন তৈরি করা হয়। যেহেতু এটি দেশীয় উৎসের অণুজীব, তাই আমদানিনির্ভর বায়োপণ্যের তুলনায় এটি অধিক কার্যকর, টেকসই এবং তুলনামূলকভাবে কম ব্যয়বহুল হবে বলে আশা করছেন গবেষকরা।

গবেষণায় দেখা গেছে, এ জৈব ছত্রাকনাশক সব ধরনের ফসলেই কার্যকর। বিশেষ করে টমেটো, আলু, বেগুন, ঢেঁড়স, মরিচ, শশা, লাউ, কুমড়াসহ বিভিন্ন সবজি, ডালজাতীয় ফসল, চা ও পান চাষে এর ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। এসব ফসলে ফিউজারিয়াম উইল্ট, রুট রট, স্ক্লেরোটিয়াম ব্লাইট এবং পাতার দাগ রোগ সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে।

প্রযুক্তিটি শুধু কৃষিতেই নয়, ছাদকৃষি ও মৎস্যখাতেও সম্ভাবনাময়। মৎস্যখাতে ট্রাইকোডার্মার কার্যকারিতা সম্পর্কে অধ্যাপক ড. মো. শাহেদ রেজা বলেন, মাছচাষের একটি বড় অংশ হলো মাছের খাদ্য। চাষের সময় অব্যবহৃত খাদ্য এবং মাছের মল পানির গুণাগুণ নিম্ন করে তুলে। ট্রাইকোডার্মাভিত্তিক এ পণ্যটি ব্যবহারে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন (ডিও) বৃদ্ধি পায় এবং অ্যামোনিয়ার পরিমাণ হ্রাস পায়। ফলে মাছ উৎপাদন লাভজনক হয়। তবে এটি শুধু ছোট পরিসরে পরীক্ষা করা হয়েছে। আমরা বড় পরিসরে প্রয়োগের মাধ্যমে এর কার্যকারিতা যাচাই করতে পারব।

কৃষি রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. কে এম মহিউদ্দিন বলেন, পিজি-ট্রাইকোডার্মা জৈব ছত্রাকনাশকের কোনো ক্ষতিকর দিক নেই। এটি শতভাগ নিরাপদ। অন্যান্য ছত্রাকনাশক বা যে কোনো কীটনাশক প্রয়োগে ফসল কমপক্ষে সাতদিন পর থেকে সংগ্রহ করতে হয় এবং রাসায়নিক প্রয়োগ করার পর কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা ওই জমিতে কৃষক প্রবেশ করতে পারে না। তবে আমাদের এই পণ্যটির ক্ষেত্রে এরকম বাধ্যবাধকতা নেই। এতে ক্ষতিকর কোনো উপাদান নেই। টেলকম পাউডারের সঙ্গে ট্রাইকোডার্মা ছত্রাক ব্যবহার করে এটি বাজারজাত করা হয়েছে। ফলে এটি সম্পূর্ণভাবে জৈব, এতে ক্ষতিকর কোনো উপাদান নেই।

গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রস্তাবিত পণ্যটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন ও নিবন্ধন প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে উদ্ভাবিত এই পরিবেশবান্ধব বায়ো-পণ্যগুলো কৃষকদের কাছে সহজলভ্য হবে এবং দেশের টেকসই কৃষি উন্নয়ন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও রাসায়নিক বালাইনাশকের ব্যবহার হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সংবাদ সম্মেলনে কৃষি রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. কে এম মহিউদ্দিন, ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহেদ রেজা ও গবেষণার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

দেশের ৬৪ জেলায় পারফর্মিং আর্টস কলেজ করার উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশের ৬৪ জেলায় পারফর্মিং আর্টস কলেজ করার উদ্যোগ
ছবি: কালের কণ্ঠ

‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ প্রোগ্রামের আওতায় দেশের ৬৪টি জেলায় একটি করে পারফর্মিং আর্টস কলেজ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী দিনাজপুর সংগীত কলেজে আয়োজিত এক শিক্ষক সমাবেশে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আমানুল্লাহ।

সমাবেশে ড. আমানুল্লাহ বলেন, ‘একটি জাতির বিকাশ শুধু অর্থনৈতিক অগ্রগতির ওপর নির্ভর করে না; এর প্রকৃত ভিত্তি নির্মিত হয় সুস্থ সংস্কৃতি, মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিক শিক্ষা এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের মাধ্যমে। সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা ও গুণগত শিক্ষার সমন্বয়ই পারে একটি মেধাভিত্তিক, মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে।’

শিক্ষার বর্তমান পরিস্থিতি ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ভিসি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নানা প্রতিবন্ধকতা, মব কালচার, দলীয় কোন্দল ও শিক্ষকদের অপমানের মতো সংকট কাটিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শ্রেণিকক্ষে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে এনেছে।

বিশ্ববাজারে টিকে থাকার উপযোগী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে বিদেশে যাওয়া কর্মীদের দক্ষ করে গড়ে তোলা জরুরি। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যগামী কর্মীদের আরবি ভাষা এবং অন্যান্য দেশে গমনকারীদের মান্দারিন, জাপানি ও কোরীয় ভাষায় প্রশিক্ষণ দিলে রেমিট্যান্স আয় বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব। গালফ রাষ্ট্রগুলো থেকে আসা বর্তমানে ১০-১২ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স কর্মীদের ভাষাগত দক্ষতার মাধ্যমে ২৪-২৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আমানুল্লাহ বলেন, আমরা এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা পেয়েছি, যেখানে সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর শিক্ষা খাতে জাতীয় বাজেটের ২ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত হয়েছে। দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা চালুর মাধ্যমেই উচ্চশিক্ষায় আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব।

আলোচনাসভা শেষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গ্রিন ক্যাম্পাস’ ও ‘ওয়ান স্টুডেন্ট, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কলেজ প্রাঙ্গণে একটি বনজ ও একটি ফলদ গাছের চারা রোপণ করেন ভিসি। পরবর্তীতে স্থানীয় শিল্পী ও কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

দিনাজপুর সংগীত ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) শিক্ষক প্রফেসর ড. নওশের ওয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক সমন্বয় দপ্তরের পরিচালক মো. আমিনুল আক্তার, প্রধান প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান এবং কলেজের অধ্যক্ষ মো. হাছান মাহমুদসহ স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও সুধীজন।

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ছাদ থেকে পড়ে মাভাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ছাদ থেকে পড়ে মাভাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

টাঙ্গাইলে ছাদ থেকে পড়ে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন আরিফনগর এলাকার একটি ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মনিরুজ্জামান মনির বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের ২২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার মির্জাপুর গ্রামে।

সহপাঠীরা জানান, মনির বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন আরিফনগর এলাকার খাজা ছাত্রাবাসের তৃতীয় তলায় থাকতেন। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে কয়েকজন সহপাঠী নিজ কক্ষের বারান্দায় বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় অসাবধানতাবশত মনিরের হাত বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে এলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে তিনি ভবনের নিচে থাকা পুকুরে পড়ে যান।

সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে গুরুতর আহত অবস্থায় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মাভাবিপ্রবির প্রক্টর ও আইসিটি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদ বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে যাই। পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের স্বজনরা আসার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে একদিনের শোক ঘোষণা করা হবে।

এলএলবি শেষপর্ব পরীক্ষার ফল প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
এলএলবি শেষপর্ব পরীক্ষার ফল প্রকাশ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৩ সালের এলএলবি (শেষপর্ব) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. এনামুল করিমের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ ফল প্রকাশ করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রকাশিত ফলাফলে কোনো ধরনের অসঙ্গতি বা ভুলত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধন অথবা প্রয়োজনবোধে ফলাফল সম্পূর্ণ বাতিল করার ক্ষমতা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সংরক্ষণ করে।

প্রকাশিত ফলাফল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলাফলবিষয়ক ওয়েবসাইটে দেখা যাবে। শিক্ষার্থীরা results.nu.ac.bd অথবা 103.113.200.8 ঠিকানায় প্রবেশ করে ফলাফল জানতে পারবেন।