• ই-পেপার

নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ত্যাগের আহ্বান ভারতের

উত্তেজনার মধ্যেও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বার্তা আদান-প্রদান চলছে

অনলাইন ডেস্ক
উত্তেজনার মধ্যেও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বার্তা আদান-প্রদান চলছে
ছবি : রয়টার্স।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান এখনো বন্ধ হয়নি। তবে এই যোগাযোগ সাম্প্রতিক দিনগুলোতেও চলেছে কি না, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কিছু বলেননি।

সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বাঘাই জানান, দুই দিন আগে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভির তেহরান সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল দুই পক্ষের আলোচনা অব্যাহত রাখতে সহায়তা করা এবং মধ্যস্থতা-সংক্রান্ত বিষয়গুলো এগিয়ে নেওয়া।

পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাকভি পাকিস্তানি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির কাছে একটি লিখিত বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন।

গত ১ জুন থেকে আইআরজিসি-ঘনিষ্ঠ কয়েকটি ইরানি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছিল, লেবাননে ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করতে পারে। তবে বাঘাইয়ের বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে, যোগাযোগের পথ এখনো খোলা রয়েছে।

জানা গেছে, ৮ এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর একটি সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান চলছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ১১ ও ১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে এক দফা সরাসরি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

বিজেপি নেতার  বাড়িতে বৈঠকে 'বিক্ষুব্ধ' সংসদ সদস্যরা, আজই ভাঙছে তৃণমূল?

অনলাইন ডেস্ক
বিজেপি নেতার  বাড়িতে বৈঠকে 'বিক্ষুব্ধ' সংসদ সদস্যরা, আজই ভাঙছে তৃণমূল?
সংগৃহীত ছবি

বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের দিল্লির সরকারি বাসভবনকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের দাবি, ওই বাড়িতে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক বিক্ষুব্ধ সাংসদ বর্তমানে বৈঠক করছেন। একইসঙ্গে সেখানে আরো কয়েকটি রাজনৈতিক আলোচনার পর্ব চলছে বলে জানা গেছে।

ঘটনাটি এমন সময় সামনে এল, যখন রাজধানীতে বিরোধী 'ইন্ডি-শিবিরের' গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে কনস্টিটিউশন ক্লাবে। সেখানে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে এবং সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে নিচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে দিল্লিতে একই সময়ে দুই ভিন্ন রাজনৈতিক সমীকরণের ছবি সামনে এসেছে।

সূত্রের দাবি, ৮ জুনের ওই বৈঠকের আগেই তৃণমূলের লোকসভা ও রাজ্যসভার সাংসদরা আলাদা একটি গোপন বৈঠকে মিলিত হন। এরপরই ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে গিয়ে একাংশ সাংসদ আবারও বৈঠকে বসেন বলে জানা যায়।

এর মধ্যে রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন প্রবীণ সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়। তাঁর পদত্যাগকে কেন্দ্র করে দলীয় অভ্যন্তরে অস্থিরতা ও মতবিরোধ আরো স্পষ্ট হয়েছে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

সূত্রের আরো দাবি, ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়ির বৈঠকে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীও উপস্থিত ছিলেন। কিছুক্ষণ আলোচনার পর তিনি দুপুর প্রায় ২টার দিকে সেখান থেকে বেরিয়ে যান বলে জানা গেছে। তবে এরপরও তৃণমূলের একাধিক বিক্ষুব্ধ সাংসদ ওই বাসভবনে অবস্থান করছেন।

জানা গেছে, ওই বৈঠকের আগে সাংসদদের আরেকটি পৃথক বৈঠকও হয়। সেখানে লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মুখ উপস্থিত ছিলেন। পুরোনো ও নতুন- দুই ধরনের সাংসদের অংশগ্রহণ ছিল বলে দাবি করছে সূত্র।

সংখ্যা নিয়েও রয়েছে বিভ্রান্তি। কোনো সূত্র বলছে, প্রায় ২০ জন সাংসদ এই বিক্ষুব্ধ বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। আবার অন্য সূত্রের মতে, সংখ্যাটি ১২-এর কাছাকাছি। তবে প্রকৃত সংখ্যা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।

এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ও অন্যান্য স্তরেও তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কিছুদিন আগেই বিধানসভায় দলের পরিষদীয় গোষ্ঠীতে বিভাজনের অভিযোগ সামনে আসে। যেখানে অধিকাংশ বিধায়ক আলাদা অবস্থান নেন বলে দাবি করা হয়। ৮০ জনের মধ্যে ৬০ জন আলাদা করে দল গঠন করে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা এবং  সন্দীপন সাহা, জাভেদ খান, শিউলি সাহা, সাবিনা ইয়াসমিনকে উপ-বিরোধী দলনেতা  হিসেবে ঘোষণা করা হয়। 

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজ্য থেকে শুরু হওয়া এই অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এখন দিল্লির রাজনীতিতেও ছড়িয়ে পড়ছে। কলকাতা পৌরসভা ও অন্যান্য স্থানীয় স্তরেও অসন্তোষ ও অনুপস্থিতির ঘটনা ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে।

অন্যদিকে, বিধানসভার বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, সাংসদদের একসঙ্গে বসা স্বাভাবিক বিষয়। তিনি বলেন, তাদের মধ্যে আলোচনা চলছে, এতে অস্বাভাবিক কিছু নেই। তিনি আরো দাবি করেন, একাধিক সাংসদের সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়েছে এবং পদত্যাগী সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়ের বক্তব্যের সঙ্গে তিনি সহমত।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় যেমন বিদ্রোহী বিধায়করা নতুন নেতৃত্ব বেছে নিয়েছিলেন, তেমনই একই ধরনের সমীকরণ দিল্লিতে লোকসভা ও রাজ্যসভায়ও তৈরি হতে পারে। এমন গুঞ্জন কয়েকদিন ধরেই ঘুরপাক খাচ্ছে।

এদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে অবস্থান করলেও একই সময়ে এই ধরনের একাধিক বৈঠক রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সব মিলিয়ে দিল্লিতে একদিকে বিরোধী জোটের বৈঠক, অন্যদিকে ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে বিক্ষুব্ধ সাংসদদের উপস্থিতি- দুইয়ের মাঝে তৃণমূলের ভেতরের পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
 

আফগানিস্তানে পোশাকবিধি নিয়ে নারীদের গ্রেপ্তার, জাতিসংঘের উদ্বেগ

অনলাইন ডেস্ক
আফগানিস্তানে পোশাকবিধি নিয়ে নারীদের গ্রেপ্তার, জাতিসংঘের উদ্বেগ
ছবি : রয়টার্স

আফগানিস্তানের একটি পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশে পোশাকবিধি না মানার অভিযোগে নারীদের গ্রেপ্তার ও আটকের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। একই সঙ্গে তারা তালেবান কর্তৃপক্ষকে সব মানুষের প্রতি সমান আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছে।

আফগানিস্তানে জাতিসংঘ সহায়তা মিশন (ইউএনএএমএ) জানিয়েছে, হেরাত প্রদেশে নারীদের আটক করার ঘটনায় তারা উদ্বিগ্ন, যা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের শঙ্কা তৈরি করেছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে অন্তত ২১ জন নারী ও কিশোরীকে আটক করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে তালেবান কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করেনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তালেবান সম্প্রতি একটি নির্দেশনা জারি করেছে, যেখানে নারীদের জনসমক্ষে ‘যথাযথ হিজাব’ মেনে চলা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্দেশনা না মানলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

২০২১ সালে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে তালেবান নারীদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে একাধিক কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে, যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।

এপ্রিলে প্রকাশিত ইউনিসেফের এক প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছিল, মেয়েদের শিক্ষা ও নারীদের কর্মসংস্থানের ওপর বিধি-নিষেধ বহাল থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশটি ২৫ হাজারের বেশি নারী শিক্ষক ও স্বাস্থ্যকর্মী হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে।

এভারেস্টে ছয় দিন নিখোঁজ পর্বতারোহী,  বেঁচে ফিরলেন বরফ ও চকোলেট খেয়ে

অনলাইন ডেস্ক
এভারেস্টে ছয় দিন নিখোঁজ পর্বতারোহী,  বেঁচে ফিরলেন বরফ ও চকোলেট খেয়ে
সংগৃহীত ছবি

মাউন্ট এভারেস্টের দুর্গম ও প্রাণঘাতী এলাকায় প্রায় এক সপ্তাহ নিখোঁজ থাকার পর জীবিত ফিরে এসেছেন নেপালের অভিজ্ঞ পর্বতারোহী গাইড হিলারি দাওয়া শেরপা। ৫২ বছর বয়সী এই গাইড জানিয়েছেন, খাদ্য ও অক্সিজেন ফুরিয়ে যাওয়ার পর বরফ চিবিয়ে এবং সামান্য কিছু চকোলেট খেয়ে তিনি মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে গেছেন।

নিখোঁজ হওয়ার ছয় দিন পর তাকে এভারেস্ট বেস ক্যাম্পের কাছাকাছি এলাকায় দুর্বল অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, তিনি তখন প্রায় হামাগুড়ি দিয়ে নিচের দিকে নামছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার সকালে খুম্বু আইসফল এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কাজে নিয়োজিত একটি দল প্রথম তাকে দেখতে পায়। এরপর দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয় এবং হেলিকপ্টারে করে তাকে রাজধানী কাঠমান্ডুর একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়।

হাসপাতালে পৌঁছে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পুনর্মিলিত হন দাওয়া। এর আগে তার স্বজনরা তাকে জীবিত পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। এমনকি তার মৃত্যুর সম্ভাবনা ধরে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছিল।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ সময় তীব্র ঠাণ্ডা থাকার কারণে তিনি ফ্রস্টবাইট, পানিশূন্যতা এবং একটি হাড় ভাঙার সমস্যায় ভুগছেন। তবে তার অবস্থা এখন স্থিতিশীল।

নিজের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিতে গিয়ে দাওয়া বলেন, একপর্যায়ে তিনি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিলেন যে আর বেঁচে ফিরতে পারবেন না।

জানা গেছে, নিখোঁজ হওয়ার আগে এভারেস্টে অভিযানে থাকা একটি দলের সঙ্গে ছিলেন তিনি। ওই সময় আরেক অসুস্থ পর্বতারোহীকে সহায়তা করার পরিস্থিতির মধ্যে তিনি দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।

দাওয়া জানান, কিছু সময়ের মধ্যেই তার অক্সিজেনের মজুদ শেষ হয়ে যায়। খাদ্যও ছিল না। প্রথম দুই দিন তিনি না খেয়েই ছিলেন। পরে তৃষ্ণা ও ক্ষুধা মেটাতে বরফ খাওয়া শুরু করেন।

বরফ চিবিয়ে খেতে গিয়ে দাঁতে প্রচণ্ড ব্যথা হতো, তারপরও বাঁচার জন্য সেটাই করতে হয়েছে, বলেন তিনি।

পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয় যখন তিনি নিজের পোশাকের একটি পকেটে কয়েকটি চকলেট খুঁজে পান। সেই চকলেট তাকে নিচে নামার শক্তি জুগিয়েছিল। তবে নতুন বিপদ অপেক্ষা করছিল তার জন্য।

নিচে নামার পথে তিনি একটি গভীর বরফ ফাটলে পড়ে যান এবং সেখানেই প্রায় আড়াই দিন আটকা থাকেন। চারদিকে বরফে ঘেরা অবস্থায় বের হওয়ার কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছিলেন না।

অবিশ্বাস্যভাবে একটি তুষারধস তার জীবন বাঁচাতে সহায়তা করে। তুষারধসের ফলে ফাটলের ভেতর বরফ জমে গেলে সেটিকে ব্যবহার করে উপরে ওঠার সুযোগ পান তিনি। পরে ধীরে ধীরে নিরাপদ স্থানের দিকে এগোতে সক্ষম হন।

এরপরও বিপদ কাটেনি। আরেকটি তুষারধস তার খুব কাছ দিয়ে বয়ে গেলেও তিনি এগিয়ে যেতে থাকেন। টানা হাঁটার পর অবশেষে প্রায় এক সপ্তাহ পর অন্য মানুষের দেখা পান।

উদ্ধার অভিযানের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দাওয়াকে যখন খুঁজে পাওয়া যায়, তখন তিনি অত্যন্ত দুর্বল ছিলেন। তবে আশ্চর্যজনকভাবে তার শারীরিক অবস্থা প্রত্যাশার তুলনায় ভালো ছিল।

এদিকে দাওয়ার নিরাপদ প্রত্যাবর্তনে স্বস্তি প্রকাশ করলেও তার পরিবার উদ্ধার কার্যক্রম নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছে। তাদের অভিযোগ, নিখোঁজ হওয়ার পর অনেক আগেই অনুসন্ধান অভিযান শুরু করা উচিত ছিল।

পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, স্থানীয় নেপালি গাইড হওয়ার কারণে দাওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এ ঘটনায় তার নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি নেপালের পর্যটন কর্তৃপক্ষের কাছেও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে।

দাওয়ার স্বজনদের মতে, যদি নিখোঁজ ব্যক্তি কোনো বিদেশি পর্বতারোহী হতেন, তাহলে উদ্ধার অভিযান আরো দ্রুত শুরু হতো। তাদের অভিযোগ, অবহেলার কারণেই উদ্ধার তৎপরতা বিলম্বিত হয়েছে।

তবে সব বিতর্কের মাঝেও মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা হিলারি দাওয়া শেরপার ঘটনা এখন এভারেস্ট অভিযানের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বিস্ময়কর বেঁচে ফেরার গল্প হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।