• ই-পেপার

এভারেস্টে ছয় দিন নিখোঁজ পর্বতারোহী,  বেঁচে ফিরলেন বরফ ও চকোলেট খেয়ে

বিজেপি নেতার  বাড়িতে বৈঠকে 'বিক্ষুব্ধ' সংসদ সদস্যরা, আজই ভাঙছে তৃণমূল?

অনলাইন ডেস্ক
বিজেপি নেতার  বাড়িতে বৈঠকে 'বিক্ষুব্ধ' সংসদ সদস্যরা, আজই ভাঙছে তৃণমূল?
সংগৃহীত ছবি

বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের দিল্লির সরকারি বাসভবনকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের দাবি, ওই বাড়িতে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক বিক্ষুব্ধ সাংসদ বর্তমানে বৈঠক করছেন। একইসঙ্গে সেখানে আরো কয়েকটি রাজনৈতিক আলোচনার পর্ব চলছে বলে জানা গেছে।

ঘটনাটি এমন সময় সামনে এল, যখন রাজধানীতে বিরোধী 'ইন্ডি-শিবিরের' গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে কনস্টিটিউশন ক্লাবে। সেখানে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে এবং সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে নিচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে দিল্লিতে একই সময়ে দুই ভিন্ন রাজনৈতিক সমীকরণের ছবি সামনে এসেছে।

সূত্রের দাবি, ৮ জুনের ওই বৈঠকের আগেই তৃণমূলের লোকসভা ও রাজ্যসভার সাংসদরা আলাদা একটি গোপন বৈঠকে মিলিত হন। এরপরই ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে গিয়ে একাংশ সাংসদ আবারও বৈঠকে বসেন বলে জানা যায়।

এর মধ্যে রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন প্রবীণ সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়। তাঁর পদত্যাগকে কেন্দ্র করে দলীয় অভ্যন্তরে অস্থিরতা ও মতবিরোধ আরো স্পষ্ট হয়েছে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

সূত্রের আরো দাবি, ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়ির বৈঠকে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীও উপস্থিত ছিলেন। কিছুক্ষণ আলোচনার পর তিনি দুপুর প্রায় ২টার দিকে সেখান থেকে বেরিয়ে যান বলে জানা গেছে। তবে এরপরও তৃণমূলের একাধিক বিক্ষুব্ধ সাংসদ ওই বাসভবনে অবস্থান করছেন।

জানা গেছে, ওই বৈঠকের আগে সাংসদদের আরেকটি পৃথক বৈঠকও হয়। সেখানে লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মুখ উপস্থিত ছিলেন। পুরোনো ও নতুন- দুই ধরনের সাংসদের অংশগ্রহণ ছিল বলে দাবি করছে সূত্র।

সংখ্যা নিয়েও রয়েছে বিভ্রান্তি। কোনো সূত্র বলছে, প্রায় ২০ জন সাংসদ এই বিক্ষুব্ধ বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। আবার অন্য সূত্রের মতে, সংখ্যাটি ১২-এর কাছাকাছি। তবে প্রকৃত সংখ্যা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।

এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ও অন্যান্য স্তরেও তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কিছুদিন আগেই বিধানসভায় দলের পরিষদীয় গোষ্ঠীতে বিভাজনের অভিযোগ সামনে আসে। যেখানে অধিকাংশ বিধায়ক আলাদা অবস্থান নেন বলে দাবি করা হয়। ৮০ জনের মধ্যে ৬০ জন আলাদা করে দল গঠন করে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা এবং  সন্দীপন সাহা, জাভেদ খান, শিউলি সাহা, সাবিনা ইয়াসমিনকে উপ-বিরোধী দলনেতা  হিসেবে ঘোষণা করা হয়। 

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজ্য থেকে শুরু হওয়া এই অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এখন দিল্লির রাজনীতিতেও ছড়িয়ে পড়ছে। কলকাতা পৌরসভা ও অন্যান্য স্থানীয় স্তরেও অসন্তোষ ও অনুপস্থিতির ঘটনা ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে।

অন্যদিকে, বিধানসভার বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, সাংসদদের একসঙ্গে বসা স্বাভাবিক বিষয়। তিনি বলেন, তাদের মধ্যে আলোচনা চলছে, এতে অস্বাভাবিক কিছু নেই। তিনি আরো দাবি করেন, একাধিক সাংসদের সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়েছে এবং পদত্যাগী সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়ের বক্তব্যের সঙ্গে তিনি সহমত।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় যেমন বিদ্রোহী বিধায়করা নতুন নেতৃত্ব বেছে নিয়েছিলেন, তেমনই একই ধরনের সমীকরণ দিল্লিতে লোকসভা ও রাজ্যসভায়ও তৈরি হতে পারে। এমন গুঞ্জন কয়েকদিন ধরেই ঘুরপাক খাচ্ছে।

এদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে অবস্থান করলেও একই সময়ে এই ধরনের একাধিক বৈঠক রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সব মিলিয়ে দিল্লিতে একদিকে বিরোধী জোটের বৈঠক, অন্যদিকে ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে বিক্ষুব্ধ সাংসদদের উপস্থিতি- দুইয়ের মাঝে তৃণমূলের ভেতরের পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
 

নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ত্যাগের আহ্বান ভারতের

অনলাইন ডেস্ক
নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ত্যাগের  আহ্বান ভারতের
ছবি : সংগৃহীত।

মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির মধ্যে ইরানে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকদের জন্য নতুন সতর্কবার্তা জারি করেছে ভারতীয় দূতাবাস।

ভারতীয় নাগরিকদের ইরানে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস এবং বর্তমানে যারা সেখানে অবস্থান করছেন, তাদের দ্রুত সম্ভব সব ধরনের পরিবহন ব্যবহার করে দেশ ত্যাগ করতে বলা হয়েছে। 

সাম্প্রতিক সামরিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে এই সতর্কতা আরো জোরদার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। দূতাবাস নাগরিকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে আহ্বান জানিয়েছে। ইরানের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে ইরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস। 

 

দূতাবাস জানিয়েছে, সব ভারতীয় নাগরিককে ইরানে যাওয়া এড়িয়ে চলতে বলা হচ্ছে এবং বর্তমানে যারা সেখানে অবস্থান করছেন, তাদের দ্রুত সম্ভব সব ধরনের পরিবহন ব্যবহার করে দেশ ত্যাগ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

দূতাবাসের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা আগের পরামর্শ পুনরায় স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি, সব ভারতীয় নাগরিককে ইরান ভ্রমণ এড়িয়ে চলতে হবে এবং যারা বর্তমানে আছেন, তাদের দ্রুত দেশ ছাড়তে হবে।’ 

এই নির্দেশনা ইরানে অবস্থানরত সব ভারতীয় নাগরিকের জন্য প্রযোজ্য, যার মধ্যে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, তীর্থযাত্রী ও পর্যটকরা রয়েছেন। চলমান ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যে এটি ভারতের দেওয়া অষ্টম সতর্কবার্তা। এর আগে এপ্রিলে যুদ্ধবিরতির পরপরই ভারতীয় দূতাবাস নাগরিকদের দ্রুত ইরান ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছিল এবং জরুরি সহায়তার জন্য একটি হেল্পলাইনও চালু করেছিল, যাতে পরিস্থিতি খারাপ হলে নিরাপদে দেশ ছাড়তে পারেন তারা।

প্রায় সাত হাজার ৫০০ ভারতীয় নাগরিক এখনো ইরানে রয়েছেন। এর আগে, দূতাবাস আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে স্থলসীমান্ত দিয়ে ইরান থেকে হাজার হাজার ভারতীয় নাগরিককে দেশত্যাগে সহায়তা করেছে।
 

আফগানিস্তানে পোশাকবিধি নিয়ে নারীদের গ্রেপ্তার, জাতিসংঘের উদ্বেগ

অনলাইন ডেস্ক
আফগানিস্তানে পোশাকবিধি নিয়ে নারীদের গ্রেপ্তার, জাতিসংঘের উদ্বেগ
ছবি : রয়টার্স

আফগানিস্তানের একটি পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশে পোশাকবিধি না মানার অভিযোগে নারীদের গ্রেপ্তার ও আটকের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। একই সঙ্গে তারা তালেবান কর্তৃপক্ষকে সব মানুষের প্রতি সমান আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছে।

আফগানিস্তানে জাতিসংঘ সহায়তা মিশন (ইউএনএএমএ) জানিয়েছে, হেরাত প্রদেশে নারীদের আটক করার ঘটনায় তারা উদ্বিগ্ন, যা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের শঙ্কা তৈরি করেছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে অন্তত ২১ জন নারী ও কিশোরীকে আটক করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে তালেবান কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করেনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তালেবান সম্প্রতি একটি নির্দেশনা জারি করেছে, যেখানে নারীদের জনসমক্ষে ‘যথাযথ হিজাব’ মেনে চলা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্দেশনা না মানলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

২০২১ সালে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে তালেবান নারীদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে একাধিক কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে, যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।

এপ্রিলে প্রকাশিত ইউনিসেফের এক প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছিল, মেয়েদের শিক্ষা ও নারীদের কর্মসংস্থানের ওপর বিধি-নিষেধ বহাল থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশটি ২৫ হাজারের বেশি নারী শিক্ষক ও স্বাস্থ্যকর্মী হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে।

ফিলিপাইনে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত ১৯, আহত শতাধিক

অনলাইন ডেস্ক
ফিলিপাইনে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত ১৯, আহত শতাধিক
ছবি: রয়টার্স

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ১৯ জনে পৌঁছেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৩৪ জন। দেশটির দুর্যোগ ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পটি সোমবার সকালে মিন্দানাও দ্বীপের উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানে। ভূমিকম্পের পরপরই সম্ভাব্য সুনামির আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করা হয়।

স্থানীয় বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা রদ্রিগো সোসমেনা জানান, নিহতদের মধ্যে ১২ জন সোক্সারগেন অঞ্চলের বাসিন্দা। দক্ষিণ কোটাবাতো, সুলতান কুদারাত, সারাঙ্গানি এবং জেনারেল সান্তোস সিটি নিয়ে গঠিত এই অঞ্চলটিই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, আহতদের অধিকাংশও এই এলাকার। এখন পর্যন্ত সেখানে অন্তত ১২৯ জন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে উদ্ধারকাজ চলমান থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভূমিকম্পের তীব্র কম্পনে জেনারেল সান্তোস সিটিসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ভবন ধসে পড়ে এবং অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং জনপ্রিয় ফাস্টফুড প্রতিষ্ঠান জলিবির একটি শাখা ধসে পড়ার দৃশ্য দেখা গেছে।

ধ্বংসস্তূপের নিচে আরো মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করছে উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে জেনারেল সান্তোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে সেনাবাহিনী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং অন্যান্য জরুরি সেবা সংস্থাকে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে যুক্ত করা হয়েছে।

ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস বলেছেন, পরিস্থিতি মোকাবেলায় সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থাকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তর এবং জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

তিনি উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার এবং সুনামি সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।

উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র জানতে আরো সময় লাগবে। অনেক এলাকায় এখনো যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত থাকায় তথ্য সংগ্রহ ও উদ্ধার কার্যক্রমে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।