• ই-পেপার

ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নতুন ভিডিও প্রকাশ

অস্ট্রেলিয়ায় ১ লাখ অবৈধ ‘হিসিং’ তেলাপোকা জব্দ

অনলাইন ডেস্ক
অস্ট্রেলিয়ায় ১ লাখ অবৈধ ‘হিসিং’ তেলাপোকা জব্দ
ছবি : ডিসিইইডব্লিউ

অস্ট্রেলিয়ার কর্তৃপক্ষ নিউ সাউথ ওয়েলস অঙ্গরাজ্যে এক বাণিজ্যিক প্রজননকারীর কাছ থেকে ১ লাখের বেশি অবৈধ বিদেশি তেলাপোকা জব্দ করেছে। এর মধ্যে কিছু তেলাপোকা মানুষের হাতের তালুর সমান বড় ছিল। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জব্দ করা তেলাপোকাগুলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলার। 

এগুলোর মধ্যে ছিল মাদাগাস্কার হিসিং তেলাপোকা এবং দুবিয়া তেলাপোকা। অস্ট্রেলিয়ায় এই দুই প্রজাতির তেলাপোকা আমদানি, পালন, প্রজনন বা বিক্রি করা আইনত নিষিদ্ধ। সিডনি থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত বাথার্স্ট এলাকার এক প্রজননকারীর কাছ থেকে এসব তেলাপোকা জব্দ করা হয়।

কর্তৃপক্ষের মতে, এটি অস্ট্রেলিয়ায় অবৈধ বিদেশি অমেরুদণ্ডী প্রাণী জব্দের সবচেয়ে বড় ঘটনা। তারা সতর্ক করেছে, এসব বিদেশি পোকামাকড় রোগ ছড়াতে পারে এবং স্থানীয় বন্যপ্রাণী ও কৃষির জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে। জব্দ করা তেলাপোকাগুলো সাধারণত পোষা সরীসৃপ প্রাণীর খাবার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তবে এগুলো অবৈধ হওয়ায় কর্তৃপক্ষ সেগুলো ধ্বংস করে ফেলবে বলে জানিয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তন, শক্তি, পরিবেশ ও পানি বিভাগের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘আমরা বহিরাগত তেলাপোকার অবৈধ প্রজনন ও ব্যবসা দেখতে পাচ্ছি এবং আমরা পোষ্য প্রাণীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মালিকদের সতর্ক করছি।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘যদি আপনার কাছে ডুবিয়া তেলাপোকা এবং মাদাগাস্কার হিসিং তেলাপোকার মতো তেলাপোকা পাওয়া যায়, তবে সেগুলো বাজেয়াপ্ত করা হবে। এ ছাড়া আপনাকে ফেডারেল আইনের অধীনে শাস্তির সম্মুখীন হতে হতে পারে।’ মাদাগাস্কার হিসিং তেলাপোকা বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম প্রজাতি। এদের এমন নামকরণের কারণ হলো এরা এমন জোরে হিসহিস শব্দ করতে পারে, যা শুনতে পাওয়া যায়। 
 

বিশ্ববাজার

বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

অনলাইন ডেস্ক
বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
সংগৃহীত ছবি

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রভাব আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে পড়তে শুরু করেছে। শুক্রবার (৫ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) উল্লেখযোগ্য দরপতনের পর বাজার কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এর পেছনে লেবাননে নতুন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান এবং ওমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল টার্মিনালে বিস্ফোরণের ঘটনা ভূমিকা রেখেছে।

এদিন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৩ সেন্ট বা ০.৩৫ শতাংশ বেড়ে ৯৫.৩৬ ডলারে পৌঁছায়। বৃহস্পতিবার এর দাম প্রায় ২.৮৪ শতাংশ কমেছিল।

মার্কিন মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ সেন্ট বেড়ে ৯৩.০৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার ডব্লিউটিআইয়ের দাম ৩.১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল।

আরো পড়ুন
আইভীর বাড়ির সামনে কর্মীর ভিড়, সিসি ক্যামেরায় নজরদারি

আইভীর বাড়ির সামনে কর্মীর ভিড়, সিসি ক্যামেরায় নজরদারি

 

এদিকে, ব্রেন্ট ক্রুড ও ডব্লিউটিআই—উভয় ধরনের তেলই টানা তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রথমবারের মতো সাপ্তাহিক মূল্যবৃদ্ধির পথে রয়েছে। বিশেষ করে ডব্লিউটিআইয়ের দাম সপ্তাহজুড়ে ৬ শতাংশের বেশি বেড়েছে, যা বাজারে ক্রেতাদের আস্থা এবং সরবরাহ-সংক্রান্ত উদ্বেগের প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

দুই ধরনের তেলই টানা তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রথমবারের মতো সাপ্তাহিক মূল্যবৃদ্ধির পথে রয়েছে। এর মধ্যে ডব্লিউটিআই-এর দাম সপ্তাহজুড়ে ৬ শতাংশের বেশি বেড়েছে, যা বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা দীর্ঘায়িত হওয়া, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত থাকায় জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ বেড়েছে। এর পাশাপাশি, বিশ্বব্যাপী তেলের মজুদ কমে আসার আশঙ্কাও বাজারকে প্রভাবিত করছে। এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরো বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বাজার বিশ্লেষক টনি সাইকামোরের মতে, ইতিবাচক কিছু ইঙ্গিত থাকলেও পরস্পরবিরোধী খবরের কারণে বাজারে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি।

অন্যদিকে, ওপেকের মহাসচিব হাইথাম আল-গাইস জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও হরমুজ প্রণালির সীমিত কার্যক্রম সত্ত্বেও চলতি বছরে দৈনিক ১২ লাখ ব্যারেল তেল চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস বহাল রাখা হয়েছে।

আরো পড়ুন
পে স্কেল শতভাগ বাস্তবায়নের দাবি কল্যাণ সমিতির

পে স্কেল শতভাগ বাস্তবায়নের দাবি কল্যাণ সমিতির

 

জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের কারণে ইরানের তেল রপ্তানি ছয় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। তবে চীনে দুর্বল চাহিদার কারণে তেলের দামের ওপর কিছুটা চাপও তৈরি হয়েছে।

ইরানের ইউরেনিয়াম নিতে চুক্তির প্রয়োজন নেই : ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
ইরানের ইউরেনিয়াম নিতে চুক্তির প্রয়োজন নেই : ট্রাম্প

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে নতুন মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, ইরানের কাছ থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো চুক্তির প্রয়োজন নেই।

একই সঙ্গে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান না বলেও জানিয়েছেন তিনি। হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে জানায় আরব নিউজ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাওয়ার জন্য তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের কোনো চুক্তির প্রয়োজন নেই বলে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন। 

ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা চাইলে এখনই সেটা (সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম) পেতে পারি। আমার মনে হয় না, আমরা চাইলে তারা আমাদের থামাতে পারবে। তবে এর কোনো প্রয়োজন নেই। এটা এখন চাপা পড়ে আছে।’

তিনি আরো বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কোনো ইচ্ছা তার নেই। তবে একই সঙ্গে ট্রাম্প জানান, যদি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কোনো চুক্তি হয়, তাহলে দুই নেতার বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আর যদি এমনটা ঘটে, তাহলে আমি সম্মানজনক আচরণই করব।’

প্রসঙ্গত, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনা এবং পারমাণবিক আলোচনা ঘিরে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। পশ্চিমা দেশগুলোর দাবি, ইরানের কাছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে, যা আরো প্রক্রিয়াজাত করলে তুলনামূলক দ্রুত সময়ে অস্ত্রমানের উপাদানে রূপান্তর করা সম্ভব।

মানুষের সাহায্য ছাড়াই নিজেকে উন্নত করতে পারে এআই, সতর্ক করল অ্যানথ্রপিক

অনলাইন ডেস্ক
মানুষের সাহায্য ছাড়াই নিজেকে উন্নত করতে পারে এআই, সতর্ক করল অ্যানথ্রপিক
ছবি : সংগৃহীত।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কম্পানি অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এআই এমন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যেখানে এটি মানুষের সাহায্য ছাড়াই নিজেকে উন্নত করবে এবং নিজের চেয়েও শক্তিশালী নতুন এআই তৈরি করতে পারে। 

কম্পানিটি বলছে, এই ধারণাকে বলা হয় ‘রিকার্সিভ সেলফ-ইমপ্রুভমেন্ট।’ অর্থাৎ এআই নিজেই নিজের ক্ষমতা বাড়াবে এবং নতুন সংস্করণ তৈরি করবে, যেখানে মানুষের সরাসরি হস্তক্ষেপের প্রয়োজন হবে না।

অ্যানথ্রপিক সতর্ক করেছে, এমন প্রযুক্তি বাস্তবে রূপ নিলে মানুষের পক্ষে এআই ব্যবস্থার ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা আরো কঠিন হয়ে যেতে পারে। কম্পানিটির মতে, বর্তমানে এআইকে সফটওয়্যার উন্নয়নের কাজে ক্রমেই বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে। পর্যাপ্ত কম্পিউটিং শক্তি থাকলে ভবিষ্যতে এমন সময় আসতে পারে, যখন একটি এআই ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজের উন্নত সংস্করণ তৈরি করতে পারবে।

অ্যানথ্রপিক আরো জানিয়েছে, ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত তাদের সফটওয়্যার কোডের ৮০ শতাংশেরও বেশি লিখেছে তাদের নিজস্ব এআই মডেল। একটি কোডবেস হলো কোনো সফটওয়্যার তৈরির, পরীক্ষা করার এবং রক্ষণাবেক্ষণের মূল কাঠামো বা ভিত্তি। তবে কম্পানিটি মনে করে, এআই যদি নিজেকে আরো উন্নত করতে পারে, তাহলে এর ইতিবাচক দিকও রয়েছে। বিজ্ঞান, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রে এটি বড় অগ্রগতি আনতে পারে।

অ্যানথ্রপিক বলেছে, আগামী কয়েক বছরে এআই প্রযুক্তির সক্ষমতা দ্রুত বাড়বে বলে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত প্রবণতা ইঙ্গিত দিচ্ছে। তাদের মতে, নিজেকে তৈরি ও উন্নত করতে সক্ষম এআই প্রযুক্তির ইতিহাসে একটি বড় মাইলফলক হতে পারে, যা যেমন নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে, তেমনি নতুন ঝুঁকিও তৈরি করবে।

অ্যানথ্রপিক সতর্ক করে বলেছে, ভবিষ্যতে যদি এআই নিজেই নিজের চেয়ে আরো উন্নত এআই তৈরি করতে পারে, তাহলে এসব প্রযুক্তিকে নিরাপদ রাখা, নজরদারিতে রাখা এবং নিয়ন্ত্রণ করা  গুরুত্বপূর্ণ।

ফিউচার শিফট ল্যাবসের সহপ্রতিষ্ঠাতা সাগর বিষ্ণোই বলেন, এখন এআই ক্রমেই নিজের জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার কোড লিখতে শুরু করেছে। ফলে চ্যালেঞ্জ শুধু নতুন প্রযুক্তি তৈরি নয়, বরং তা নিরাপদ ও দায়িত্বশীলভাবে পরিচালনা করাও। তার মতে, নিজেকে উন্নত করতে সক্ষম এআই প্রযুক্তির অগ্রগতি অনেক দ্রুত করতে পারে। তবে এর সঙ্গে নিরাপত্তা, জবাবদিহি এবং তদারকি নিয়ে নতুন উদ্বেগও তৈরি হবে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, এআই যতই শক্তিশালী হোক না কেন, তা যেন মানুষের লক্ষ্য ও স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

অ্যানথ্রপিকের মতে, উন্নত এআই প্রযুক্তির বিকাশ নিয়ে বিশ্বের শীর্ষ এআই কম্পানিগুলোর মধ্যে আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। প্রয়োজনে কিছু সময়ের জন্য এ ধরনের প্রযুক্তির উন্নয়ন ধীর করা বা সাময়িক বিরতি দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে কম্পানিটি সতর্ক করে বলেছে, যদি শুধু কিছু প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন থামায় আর অন্যরা এগিয়ে যেতে থাকে, তাহলে পরিস্থিতি আরো জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করেন, বাস্তবে সব কম্পানিকে একসঙ্গে এআই উন্নয়ন থামাতে রাজি করানো কঠিন। কারণ প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার ভয় সব সময়ই থাকবে। এ কারণে অ্যানথ্রপিকের গবেষণা বিভাগ নীতিনির্ধারক, গবেষক, সামাজিক সংগঠন এবং অন্যান্য এআই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে চায়। এসব আলোচনায় এআইয়ের ঝুঁকি, নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক সমন্বয় নিয়ে মতবিনিময় করা হবে।

অন্যদিকে, সবাই এআই নিয়ে সমানভাবে উদ্বিগ্ন নন। কিছু বিশেষজ্ঞের মতে, এআই কখনোই পুরোপুরি মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে না, কারণ প্রয়োজন হলে মানুষ সব সময় এসব ব্যবস্থা বন্ধ করে দিতে পারবে। তবে তারা এটাও মনে করেন, নিজেকে ক্রমাগত উন্নত করতে সক্ষম অত্যন্ত শক্তিশালী এআই মানবজাতির জন্য বড় উপকার বয়ে আনতে পারে, কিন্তু এর সঙ্গে কিছু সামাজিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জও দেখা দিতে পারে।