• ই-পেপার

অস্ট্রেলিয়ায় ১ লাখ অবৈধ ‘হিসিং’ তেলাপোকা জব্দ

মালবাহী জাহাজে হামলা, প্রাণ হারালেন আজারবাইজানের ৫ নাগরিক

অনলাইন ডেস্ক
মালবাহী জাহাজে হামলা, প্রাণ হারালেন আজারবাইজানের ৫ নাগরিক
ছবি : রয়টার্স

আজভ সাগরে দুটি মালবাহী জাহাজে হামলার ঘটনায় পাঁচজন আজারবাইজানি নাগরিক নিহত এবং আরো তিনজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে আজারবাইজানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যভাগে অবস্থিত এই সাগরের কোনো উপকূল বা স্থল সীমানা নেই। এর বদলে, মহাসাগরীয় স্রোতের বৃত্তাকার ঘূর্ণন দিয়ে এর চারপাশের সীমানা নির্ধারিত হয়।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাশিয়ার তাগানরগ উপসাগরে হামলার শিকার জাহাজ দুটির ক্রুদের মধ্যে মোট ২৫ জন আজারবাইজানি নাগরিক ছিলেন। তবে জাহাজগুলো আজারবাইজানের মালিকানাধীন নয়। এর আগে শুক্রবার ইউক্রেন দাবি করে, তাদের ড্রোন রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের উপকূলীয় জলসীমা এবং মারিউপোল ও বেরডিয়ানস্ক বন্দরে থাকা পাঁচটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে।

ইউক্রেনের ড্রোন বাহিনীর কমান্ডার রবার্ট ব্রোভডি এক বিবৃতিতে বলেন, হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল কয়েকটি মালবাহী জাহাজ ও একটি তেলবাহী জাহাজ। তার দাবি, এসব জাহাজ ইউক্রেনীয় শস্য পরিবহন এবং সামরিক সরঞ্জাম ও জ্বালানি সরবরাহে ব্যবহৃত হচ্ছিল।

তিনি আরো বলেন, জাহাজগুলোর পরিচয় গোপন করতে তাদের নাম মুছে ফেলা হয়েছিল এবং রাডার বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে হামলার বিষয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

রয়্যাল লজের কটেজ ভাড়া দিয়ে আয় করতেন অ্যান্ড্রু

অনলাইন ডেস্ক
রয়্যাল লজের কটেজ ভাড়া দিয়ে আয় করতেন অ্যান্ড্রু
ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল অডিট অফিস (এনএও) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ রাজপরিবারের সম্পত্তি ও অর্থব্যবস্থার নানা তথ্য উঠে এসেছে। প্রায় ২০ বছরের মধ্যে রাজকীয় আবাসন নিয়ে এটিই প্রথম পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর রয়্যাল লজ এস্টেটের তিনটি কটেজ অন্যদের কাছে ভাড়া দিয়ে আয় করেছেন। তবে তিনি কত অর্থ পেয়েছেন, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের ছোট ভাই এবং রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের তৃতীয় সন্তান অ্যান্ড্রু। সাম্প্রতিক মার্কিন ফাইল প্রকাশের পর দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে তিনি বেশ কিছুদিন আগে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

রাজপ্রাসাদের দাবি, এসব কটেজ বর্তমান ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের কাছে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল এবং ভাড়ার অর্থ মূলত রক্ষণাবেক্ষণ খরচ মেটাতেই ব্যবহার করা হয়েছে।

এনএও জানিয়েছে, অ্যান্ড্রু ও তার পরিবারের ব্যবহারের জন্য মোট ১২টি সম্পত্তি ছিল, যেগুলোর মালিক ক্রাউন এস্টেট বা রয়্যাল হাউসহোল্ড। যদিও তিনি চলতি বছর রয়্যাল লজ ছেড়ে নরফোকের স্যান্ড্রিংহামে চলে গেছেন, তবুও ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত রয়্যাল লজের লিজ তার কাছেই রয়েছে। প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে কোনো অনিয়ম বা আইন ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়নি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজা তার কন্যা রাজকুমারী বিয়াট্রিস ও রাজকুমারী ইউজেনি-এর আবাসনের ভাড়া ব্যক্তিগত তহবিল থেকে পরিশোধ করেন। তারা সরকারি দায়িত্ব পালন না করলেও লন্ডনের রাজপ্রাসাদে আবাসনের সুবিধা পান। তবে রাজপ্রাসাদের দাবি, এসব ভাড়া সরকারি ব্যয়ের সমপরিমাণ হওয়ায় করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে না।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্সেস ক্যাথরিনের কেনসিংটন প্যালেসে একটি অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। এছাড়া আরও ২১ জন রাজকীয় পদধারী রাজপ্রাসাদে বিনা ভাড়ায় বসবাসের সুবিধা পান, যার মধ্যে ১৭ জন সামরিক নাইট।

প্রতিবেদনটি রাজপরিবারের অর্থায়নের তিনটি প্রধান উৎসও ব্যাখ্যা করেছে। ক্রাউন এস্টেট একটি স্বাধীন সম্পত্তি সংস্থা, যার মুনাফা সরকারি কোষাগারে জমা হয়। সোভেরেন গ্রান্ট হলো রাজতন্ত্রের সরকারি কাজ পরিচালনার জন্য দেওয়া সরকারি অর্থ, যার পরিমাণ বর্তমানে প্রায় ১৩৮ মিলিয়ন পাউন্ড। আর প্রিভি পার্স হলো রাজার ব্যক্তিগত তহবিল, যার একটি বড় অংশ আসে ডাচি অব ল্যাঙ্কাস্টার থেকে। 

রাজপ্রাসাদ জানিয়েছে, প্রতিবেদনটি তাদের স্বচ্ছতা বজায় রাখার অঙ্গীকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং এটি রাজকীয় সম্পত্তি নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা দূর করতে সহায়তা করবে। তবে সমালোচকেরা প্রশ্ন তুলেছেন, সরকারি দায়িত্বে না থাকা রাজপরিবারের সদস্যদের জন্য বিশেষ আবাসন সুবিধা দেওয়া কতটা যৌক্তিক।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মার্গারেট হজ বলেন, অ্যান্ড্রু ভাড়া দেওয়া সম্পত্তি থেকে কত আয় করেছেন তা নির্ধারণ করা না যাওয়াটা উদ্বেগজনক। তার মতে, ক্রাউন এস্টেটের সম্পদ জনগণের সম্পদ, তাই এর ব্যবস্থাপনায় সবসময় করদাতাদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।


 

মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফিরহাদ হাকিম

অনলাইন ডেস্ক
মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফিরহাদ হাকিম

কলকাতা পৌরসভা মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ফিরহাদ হাকিম। শুক্রবার কলকাতা পৌরসভায় আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। পরে তিনি পৌরসভার চেয়ারম্যান মালা রায়ের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন।

২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর কলকাতার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন ফিরহাদ হাকিম। সেই হিসেবে প্রায় সাড়ে সাত বছর তিনি এই পদে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ এই সময় শেষে তিনি মেয়র পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন।

সাংবাদিক বৈঠকে নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ফিরহাদ হাকিম বলেন, তিনি এতদিন দাপটের সঙ্গে কাজ করেছেন এবং মানুষের সমস্যার সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই কাজ আর আগের মতোভাবে করা সম্ভব হচ্ছে না বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরো বলেন, 'চেয়ারের সম্মানহানি করতে পারি না। চেয়ার ধরে বসে থাকলাম অথচ ঢাল নেই, তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দার। তাই আমি আজ ইস্তফা দিচ্ছি।'

মেয়র পদ ছাড়ার বিষয়ে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ফিরহাদ। তিনি জানান, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তিনি দলের অনুমতি চেয়েছিলেন এবং তা পেয়েছেন। তার ভাষায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্মতি দিয়েছেন বলেই তিনি পদত্যাগ করছেন।

পদত্যাগের পর ফিরহাদ হাকিম বলেন, কলকাতার পরবর্তী প্রশাসন যেন স্বচ্ছভাবে কাজ করে এবং মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করে- এটাই তাঁর বার্তা।

তিনি মেয়র হিসেবে তার কিছু অসমাপ্ত কাজের কথাও উল্লেখ করেন। তাঁর আশা, সেই কাজগুলো ভবিষ্যতে সম্পূর্ণ হবে। পাশাপাশি তিনি স্মরণ করেন কোভিড-১৯ পরিস্থিতির সময় পৌরসভাকে যে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল।

ফিরহাদ হাকিম দীর্ঘদিন কলকাতা পৌরসভার ৮২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। ২০০০, ২০০৫ এবং ২০১০ সালে তিনি ওই ওয়ার্ড থেকেই নির্বাচিত হন। ২০১৫ সালে তিনি পুরভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের পর তিনি কলকাতার মেয়র হন এবং উপনির্বাচনে ৮২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জয়ী হয়ে ফিরে আসেন। ২০২১ সালেও তিনি একই ওয়ার্ড থেকে পুনর্নির্বাচিত হন।

মেয়র হিসেবে মেয়াদ শেষ হওয়ার কয়েক মাস আগেই তার এই পদত্যাগকে ঘিরে কলকাতা পৌরসভায় বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, এর ফলে কলকাতা পৌরসভার প্রশাসনিক কাঠামোয় নতুন অধ্যায় শুরু হলো।

এর আগে রাজ্যের অন্যান্য পৌরসংস্থাতেও মেয়র পদে পরিবর্তন হয়েছে। বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী এবং চন্দননগর পুরনিগমের মেয়র রাম চক্রবর্তী সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার কলকাতার মেয়র পদেও পরিবর্তন ঘটল।

বিশ্ববাজার

বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

অনলাইন ডেস্ক
বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
সংগৃহীত ছবি

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রভাব আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে পড়তে শুরু করেছে। শুক্রবার (৫ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) উল্লেখযোগ্য দরপতনের পর বাজার কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এর পেছনে লেবাননে নতুন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান এবং ওমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল টার্মিনালে বিস্ফোরণের ঘটনা ভূমিকা রেখেছে।

এদিন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৩ সেন্ট বা ০.৩৫ শতাংশ বেড়ে ৯৫.৩৬ ডলারে পৌঁছায়। বৃহস্পতিবার এর দাম প্রায় ২.৮৪ শতাংশ কমেছিল।

মার্কিন মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ সেন্ট বেড়ে ৯৩.০৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার ডব্লিউটিআইয়ের দাম ৩.১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল।

আরো পড়ুন
আইভীর বাড়ির সামনে কর্মীর ভিড়, সিসি ক্যামেরায় নজরদারি

আইভীর বাড়ির সামনে কর্মীর ভিড়, সিসি ক্যামেরায় নজরদারি

 

এদিকে, ব্রেন্ট ক্রুড ও ডব্লিউটিআই—উভয় ধরনের তেলই টানা তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রথমবারের মতো সাপ্তাহিক মূল্যবৃদ্ধির পথে রয়েছে। বিশেষ করে ডব্লিউটিআইয়ের দাম সপ্তাহজুড়ে ৬ শতাংশের বেশি বেড়েছে, যা বাজারে ক্রেতাদের আস্থা এবং সরবরাহ-সংক্রান্ত উদ্বেগের প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

দুই ধরনের তেলই টানা তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রথমবারের মতো সাপ্তাহিক মূল্যবৃদ্ধির পথে রয়েছে। এর মধ্যে ডব্লিউটিআই-এর দাম সপ্তাহজুড়ে ৬ শতাংশের বেশি বেড়েছে, যা বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা দীর্ঘায়িত হওয়া, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত থাকায় জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ বেড়েছে। এর পাশাপাশি, বিশ্বব্যাপী তেলের মজুদ কমে আসার আশঙ্কাও বাজারকে প্রভাবিত করছে। এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরো বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বাজার বিশ্লেষক টনি সাইকামোরের মতে, ইতিবাচক কিছু ইঙ্গিত থাকলেও পরস্পরবিরোধী খবরের কারণে বাজারে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি।

অন্যদিকে, ওপেকের মহাসচিব হাইথাম আল-গাইস জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও হরমুজ প্রণালির সীমিত কার্যক্রম সত্ত্বেও চলতি বছরে দৈনিক ১২ লাখ ব্যারেল তেল চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস বহাল রাখা হয়েছে।

আরো পড়ুন
পে স্কেল শতভাগ বাস্তবায়নের দাবি কল্যাণ সমিতির

পে স্কেল শতভাগ বাস্তবায়নের দাবি কল্যাণ সমিতির

 

জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের কারণে ইরানের তেল রপ্তানি ছয় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। তবে চীনে দুর্বল চাহিদার কারণে তেলের দামের ওপর কিছুটা চাপও তৈরি হয়েছে।