• ই-পেপার

কালের কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কড়া বার্তা দিয়ে চিঠি

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস দুর্ঘটনার তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস দুর্ঘটনার তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি
ছবি: কালের কণ্ঠ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে এসবি সুপার ডিলাক্স পরিবহনের একটি বাস দুর্ঘটনার ঘটনা তদন্তে ৭ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।

শুক্রবার (৫ জুন) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জুডিশিয়াল মুন্সিখানা শাখা থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা পারভীন স্বাক্ষরিত আদেশে দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটন, দায়-দায়িত্ব নিরূপণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে রাজবাড়ীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের সহকারী মহাব্যবস্থাপক, বিআরটিএর সহকারী পরিচালক, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক এবং দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক। কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, তদন্ত কমিটি প্রয়োজনে অতিরিক্ত সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে। কমিটিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ প্রয়োজনীয় তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করে আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

আরো পড়ুন

কাকে বিয়ে করলেন দীপ্তি চৌধুরী?

কাকে বিয়ে করলেন দীপ্তি চৌধুরী?

 

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় সংঘটিত মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে দ্রুত তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

এদিকে, অফিস আদেশের অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও পরিবহন বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঝিনাইদহের এসপি মাহফুজ আফজালকে প্রত্যাহার

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের এসপি মাহফুজ আফজালকে প্রত্যাহার
মো. মাহফুজ আফজাল। সংগৃহীত ছবি

ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাহফুজ আফজালকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

আদেশ অনুযায়ী, তাকে ঝিনাইদহ জেলার জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তার কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করে ৫ জুনের মধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরে যোগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে তাকে প্রত্যাহারের কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মাহফুজ আফজাল।

তার দায়িত্বকালীন সময়ে জেলায় দুটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া সামাজিক বিরোধকে কেন্দ্র করে একাধিক সংঘর্ষ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা এবং সর্বশেষ ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গণপিটুনিতে এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে।

এসব ঘটনার প্রেক্ষাপটে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে তাকে প্রত্যাহারের আদেশ জারি করা হলো। তবে এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চুরি হওয়া মালপত্র উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চুরি হওয়া মালপত্র উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২
প্রতীকী ছবি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে চুরির ঘটনায় জড়িত দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে চুরি যাওয়া বিভিন্ন মূল্যবান চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা সামগ্রী।

বৃহস্পতিবার (৫ জুন) ভোরে উপজেলার বুলাকীপুর ইউনিয়নের বরাতীপুর গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন উপজেলার বরাতীপুর গ্রামের মো. নূর আলম (৩৪) ও মো. শাকিরুল ইসলাম (২৬)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মে রাতে উপজেলার বুলাকীপুর ইউনিয়নের বরাতীপুর মডেল মোড় এলাকায় অবস্থিত বুলাকীপুর মডেল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের তিনটি কক্ষের তালা ভেঙে দুর্বৃত্তরা বিপুল পরিমাণ মালপত্র চুরি করে নিয়ে যায়। পরদিন সকালে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসে তালা ভাঙা দেখতে পান। চোরচক্রটি সিলিং ফ্যান, স্টেরিলাইজার ড্রাম, ফোর-বার্নার চুলা, বেবি ও অ্যাডাল্ট ওয়েট মেশিন, সাকার মেশিন, অটো গ্রাইন্ড মেশিনসহ প্রায় ১ লাখ ৪৪ হাজার টাকার মালপত্র লুট করে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ওয়াজিদ হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে প্রথমে নূর আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যমতে বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সাকার মেশিন, বেবি ওয়েট মেশিন ও স্টেরিলাইজার ড্রামসহ বেশ কিছু মালপত্র উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে তার স্বীকারোক্তিতে সকাল ৮টার দিকে সহযোগী শাকিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ঘোড়াঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাজা মিয়া ঘটনার জানান, চুরির মামলা রুজু হওয়ার পর থেকেই পুলিশ তদন্তে নামে। দ্রুততম সময়ে মালপত্র উদ্ধারসহ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

‘মাদকসেবন করে’ সড়কে বিশৃঙ্খলা, ছাতকে ৪ যুবক গ্রেপ্তার

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
‘মাদকসেবন করে’ সড়কে বিশৃঙ্খলা, ছাতকে ৪ যুবক গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় মাদকসেবন করে সড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও জনশান্তি ভঙ্গের অভিযোগে চার যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের তাজপুর পয়েন্ট এলাকায় গোবিন্দগঞ্জ-ছাতক সড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন উপজেলার তকিপুর গ্রামের রহমত আলীর ছেলে ছামির আহমদ (৩০), দিঘলী দক্ষিণ চাকলপাড়া গ্রামের রুহুল আমীনের ছেলে আহমেদ হোসেন (২৪), মাধবপুর গ্রামের মৃত ওয়াশিদ আলীর ছেলে তুহিন (২৩) এবং দিঘলী ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের ফরিদ আলীর ছেলে জাকির আলী (২২)।

পুলিশ সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ছাতক থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল হাকিম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাজপুর পয়েন্ট এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় চার যুবককে মদ্যপ অবস্থায় সড়কে হাঁটাহাঁটি, চিৎকার-চেঁচামেচি এবং অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করে জনশান্তি বিঘ্নিত করতে দেখা যায়। পরে পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(৫) ধারায় ছাতক থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘গ্রেপ্তার চার আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।’