• ই-পেপার

থাইল্যান্ড উপকূলে ডুবে গেছে চট্টগ্রামমুখী পণ্যবোঝাই জাহাজ, ১৬ বাংলাদেশি নাবিক উদ্ধার

গ্রিসে এফ-১৬ যুদ্ধবিমানে আগুন, অতঃপর...

অনলাইন ডেস্ক
গ্রিসে এফ-১৬ যুদ্ধবিমানে আগুন, অতঃপর...
সংগৃহীত ছবি

গ্রিস বিমানবাহিনীর একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমানে মাঝ আকাশে হঠাৎ করে আগুন ধরে যায়। এর পরপরই দেশটির জাকিনথোস দ্বীপের বিমানবন্দরে যুদ্ধবিমানটি জরুরি অবতরণ করেছে। 

তবে ক্ষতিগ্রস্ত বিমানটি থেকে পাইলটকে দ্রুত নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি সুস্থ আছেন বলেও জানা গেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ইআরটির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে তুর্কি বার্তা সংস্থা আন্দালু এজেন্সি

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আকাশে থাকা অবস্থায় যুদ্ধবিমানটিতে আগুন ধরে যায়। এরপরই পাইলট বিমানটিকে জরুরি ভিত্তিতে ওই দ্বীপের বিমানবন্দরে অবতরণ করান।

স্থানীয় নাগরিক সুরক্ষা বিভাগের প্রধান মারিয়া মুজাকি জানান, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিরাপত্তার স্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিমানবন্দরটির স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

২ দিনে ইরানে ১৭০টি হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
২ দিনে ইরানে ১৭০টি হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র
সংগৃহীত ছবি

পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের উপকূলীয় এলাকায় গত দুই দিনে ১৭০টিরও বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী।

মার্কিন সংবাদপত্র দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এ তথ্য জানিয়েছে।

সেন্টকমের দাবি, হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের গুদাম, সামরিক স্পিডবোট এবং সামরিক রসদ সরবরাহ অবকাঠামো।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, এসব হামলার উদ্দেশ্য ছিল হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা দুর্বল করে দেওয়া।

এর আগে গত জুন মাসের দুই দিনের সর্বশেষ সামরিক উত্তেজনার সময় ওয়াশিংটন যতগুলো লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছিল, এবারের হামলার সংখ্যা তার প্রায় ১৪ গুণ।

ট্রাম্পের সঙ্গে বাগযুদ্ধ নয়, নিজেদের অধিকার রক্ষা করবে ইরান

অনলাইন ডেস্ক
ট্রাম্পের সঙ্গে বাগযুদ্ধ নয়, নিজেদের অধিকার রক্ষা করবে ইরান
সংগৃহীত ছবি

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অপমানজনক বক্তব্যের জবাবে একই ধরনের ভাষা ব্যবহার করবে না তেহরান।

সরকারি কর্মকর্তাদের ট্রাম্পকে একইভাবে কটূক্তি করে জবাব দেওয়ার আহ্বান জানানো সমালোচকদেরও তিনি প্রত্যাখ্যান করেন বলে জানায় আলজাজিরা

ইরানের একটি স্কুলে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় শতাধিক শিশু নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করে পেজেশকিয়ান বলেন, ‘যার হাত শিশুদের রক্তে রঞ্জিত, তার কাছ থেকে আমরা এমন রাজনীতি শিখব না।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘যে ব্যক্তি অপমান ছাড়া কথা বলতে বা নিজের চিন্তা প্রকাশ করতে পারেন না, তার বক্তব্য ও চিন্তাধারাই অপমানজনক। আমরা আমাদের অধিকার দৃঢ়ভাবে রক্ষা করব।’

এর আগে তুরস্কের আঙ্কারায় ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিকে ‘শেষ’ বলে ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তিনি ইরানের নেতাদের ‘মিথ্যাবাদী’, ‘জঘন্য এবং হিংস্র’, ‘সহিংস ও অসুস্থ মানসিকতার মানুষ’ বলে আখ্যায়িত করেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের ৭ বছরের কারাদণ্ড বহাল

অনলাইন ডেস্ক
দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের ৭ বছরের কারাদণ্ড বহাল
রয়টার্স ছবি

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের ৭ বছরের কারাদণ্ড বহাল রেখেছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। ২০২৪ সালে সামরিক আইন জারির ব্যর্থ উদ্যোগ এবং এর পরবর্তী ঘটনাবলির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধে তার বিরুদ্ধে এই রায় দেন আদালত।

বৃহস্পতিবার দেশটির সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারপতি বলেন, ‘সব আপিল খারিজ করা হলো। পূর্ববর্তী আদালতের রায়ের কোনো আইনি ব্যাখ্যা নিয়ে কোনো ভুল-বোঝাবুঝি হয়নি।’

এক প্রতিবেদনে ডয়েচে ভেলে বলছে, রায়ের পর ইউন সুকের আইনজীবীরা গভীর হতাশা প্রকাশ করেন। তাদের দাবি, পর্যাপ্ত পর্যালোচনা ছাড়াই সুপ্রিম কোর্ট এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।

ইউনের এক আইনজীবী বলেন, ‘আমরা সাংবিধানিক অভিযোগসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক পর্যালোচনার মাধ্যমে এই রায়ের সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করব।’

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে একটি নিম্ন আদালত ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নিজের গ্রেপ্তার ঠেকাতে প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ব্যবহার করার অভিযোগে ইউন সুককে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেন। পরে আপিল আদালত সেই সাজা বাড়িয়ে ৭ বছর করেন।

এদিকে বিতর্কিত সামরিক আইন জারির মাধ্যমে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেওয়ার পৃথক মামলায় তিনি ইতিমধ্যেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন।

ইওন সুকের দাবি, সামরিক আইন জারির সিদ্ধান্ত জনস্বার্থে নেওয়া হয়েছিল। তবে আদালত বলেছেন, এটি ছিল একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ, যার ফলে বিপুল সামাজিক ক্ষতি হয়েছে।

এছাড়া উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠানোর অভিযোগে আরেক মামলায় তাকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এসব ছাড়াও ইউনের বিরুদ্ধে আরো ৫টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বিরোধী দল সরকারের কার্যক্রম ব্যাহত করছে—এ অভিযোগ তুলে সাময়িকভাবে সামরিক আইন জারি করেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল। তবে পার্লামেন্ট সদস্যরা ভোটের মাধ্যমে দ্রুত সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করে দেন।