• ই-পেপার

মাত্র তিন সপ্তাহের আমদানির অর্থ আছে পাকিস্তানের

আমি বর্ণবাদী নই : ইলন মাস্ক

অনলাইন ডেস্ক
আমি বর্ণবাদী নই : ইলন মাস্ক
ইলন মাস্ক। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের প্রথম ট্রিলিওনিয়ার ইলন মাস্ক দাবি করেছেন, তিনি বর্ণবাদী নন। তিনি জানান, তার সঙ্গী অর্ধেক ভারতীয় এবং তাদের এক সন্তানের নাম রাখা হয়েছে ভারতীয় এক নোবেলজয়ী পদার্থবিজ্ঞানীর নামানুসারে।

সম্প্রতি পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলানের মহাকাব্যিক ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘দ্য ওডিসি’র কাস্টিং নিয়ে বিতর্কের জের ধরে ইলন মাস্ককে ‘বর্ণবাদী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন কেউ কেউ। সম্প্রতি স্পেসএক্স শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পর মাস্কের সম্পদ ট্রিলিয়ন ছাড়িয়ে গিয়েছিল। বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে তিনি ট্রিলিয়নের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেছিলেন। তবে স্পেসএক্স-এর শেয়ারের দাম কমে যাওয়ায় তার সম্পদ এক ট্রিলিয়নের নিচে নেমে গেছে।

‘দ্য ইকোনমিস্ট’-এর সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে টেসলা এবং স্পেসএক্স-এর সিইও ইলন মাস্ক তাকে ’বর্ণবাদী’ বলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আমার সঙ্গী অর্ধেক ভারতীয়। তার সঙ্গে আমার চার সন্তান রয়েছে। তাদের একজনের নাম এক বিখ্যাত ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানীর নামানুসারে রাখা হয়েছে।’ মাস্কের সঙ্গী শিভন জিলিস কানাডায় বেড়ে উঠেছেন। তবে তার বাবা ভারতীয়। জিলিসের সঙ্গে তার চার সন্তানের এক ছেলের মধ্যনাম রাখা হয়েছে ‘শেখর’। ভারতীয়-আমেরিকান পদার্থবিজ্ঞানী এবং নোবেল বিজয়ী সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখরের নামানুসারে এই নামকরণ করা হয়।

আমি বর্ণবাদী নই, এমন দাবি করে ইলন মাস্ক বলেন, ‘আমার কম্পানিতে যারা কাজ করছেন তাদের দিকে তাকালে দেখবেন, আমাদের এখানে উচ্চ পদে সব বর্ণের কর্মকর্তারা আছেন। আমি মনে করি না সেখানে কোনো বর্ণবাদ আছে।’

তিনি ’মুসলিম-বিদ্বেষী’ কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে মাস্ক বলেন, ’মানুষ যদি পশ্চিমা সংস্কৃতির সম্পূর্ণ বিপরীত চিন্তা-ভাবনা নিয়ে কোনো দেশে আসে, তবে আমি তার বিরুদ্ধে। আমি ধর্ষণ ও খুনের বিরুদ্ধে। পশ্চিমা বিশ্বে আমরা যে নিয়ম ও আইনগুলো মেনে অভ্যস্ত, তার বিরোধী কোনো নিয়ম বা আইন চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে আমি।’

ক্রিস্টোফার নোলান ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘দ্য ওডিসি’-তে বৈচিত্র্যময় কাস্টিং করার কারণে মাস্ক তাকে ’শ্বেতাঙ্গ-বিদ্বেষী বর্ণবাদী’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন এবং নোলান নিজের সততা হারিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছিলেন। ‘দ্য ওডিসি’তে হেলেনের চরিত্রে অস্কার জয়ী কৃষ্ণাঙ্গ অভিনেত্রী লুপিটা ইয়ংওকে কাস্ট করা নিয়েই বিতর্কের শুরু। একজন এক্স ব্যবহারকারী উল্লেখ করেন, হোমারের মূল টেক্সটে হেলেনকে ’ফর্সা চামড়ার’ এবং ’সোনালী চুলের’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তখন মাস্ক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, নোলান তার ‘সততা হারিয়েছেন’ এবং তিনি ’হোমারের কবরে প্রস্রাব করছেন’। কৃষ্ণাঙ্গ অভিনেত্রী নেওয়ায় মাস্ক একে ’ঐতিহাসিকভাবে ভুল’ বলে আখ্যা দেন।

মাস্ক দাবি করেন, ক্রিস্টোফার নোলান অস্কার পুরস্কার পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতেই জোর করে সিনেমায় এই ‘ডাইভারসিটি’ এনেছেন। সমালোচনার জবাবে লুপিটা ইয়ংও মনে করিয়ে দেন, হেলেন কোনো ঐতিহাসিক চরিত্র নন। বরং গ্রিক পুরাণের একটি কাল্পনিক বা পৌরাণিক চরিত্র। তাই এখানে যেকোনো বর্ণের মানুষ অভিনয় করতেই পারেন।

বিতর্ককে আরো উস্কে দিয়ে মাস্ক জানিয়েছেন, তার এআই ভিডিও টুল ‘গ্রক ইমাজিন’ দিয়ে চলতি বছরের শেষের মধ্যে ‘দ্য ওডিসি’-র একটি সম্পূর্ণ এবং ’ঐতিহাসিকভাবে নিখুঁত’ চলচ্চিত্র বানাবেন।

ওয়াশিংটনের হুমকি তেহরান মেনে নেবে না : আরাগচি

অনলাইন ডেস্ক
ওয়াশিংটনের হুমকি তেহরান মেনে নেবে না : আরাগচি
রয়টার্স ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতি স্বীকার করবে না ইরান। একই সঙ্গে ওয়াশিংটনের কোনো ধরনের হুমকির ভাষাও সহ্য করবে না তেহরান।

কিরগিজস্তানে অনুষ্ঠিত সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের পরিষদের বৈঠকের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ইরানের বার্তা সংস্থার বরাতের এ তথ্য জানিয়েছে আলজাজিরা

রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত ও ধারাবাহিক পরামর্শ চলছে বলে জানান আরাগচি। তিনি বলেন, ‘সুযোগ পেলেই আমরা দুই দেশের বন্ধুদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করি।’

তিনি আরো বলেন, ‘শান্তি আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার পথে প্রধান বাধা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি।’

হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এতে ইরানের স্বার্থ সংরক্ষণ আমাদের মৌলিক নীতির অংশ এবং আমরা এ নীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘ইরানের জনগণের ন্যায্য দাবি ও বৈধ লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

ক্যান্সারের সাথে সাথে আকাশ জয়ী এক নারীর গল্প

ক্রীড়া ডেস্ক
ক্যান্সারের সাথে সাথে আকাশ জয়ী এক নারীর গল্প

কানিকা টেকরিওয়ালের জীবন ২১ বছর বয়সেই থমকে যেতে পারতো। ২১ বছর বয়সে তার জীবনে দুটি ঘটনা ঘটে- তিনি এভিয়েশন সংক্রান্ত একটি স্টার্টআপ ব্যবসা শুরু করেন এবং তার স্টেজ-২ ক্যান্সার ধরা পড়ে। এরপরের গল্পটা একটু ভাবুন। আর দশটা সাধারণ মানুষ হলে কী হতো? ব্যবসা তো লাটে উঠতোই, ডাক্তারদের আশঙ্কা সত্যি হলে অনেক আগেই চিতায় ছাই হয়ে যেতো তার শরীর। কিন্তু কানিকা অন্য ধাতুতে গড়া। ক্যান্সার তো জয় করেছেনই, সাথে জয় করেছেন ভারতের আকাশ। একজন ক্যান্সার রোগীর প্রতিষ্ঠা করা ’জেটসেটগো‘ এখন ভারতের সবচেয়ে বড় প্রাইভেট এভিয়েশন সংস্থা। শূন্য হাতে শুরু করা স্টার্টআপ এখন ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখায়। একেবারে শূন্য হাতে শুরু বলা ঠিক হবে না, কানিকা টেকরিয়ালের ব্যবসার পুঁজি ছিল ৫ হাজার ৬০০ রুপি। এখন তার কোম্পানির নিট সম্পদের পরিমাণ ৪২০ কোটি রুপি। হাওয়া থেকে তার প্রতিষ্ঠান এখন ১০টি বিমান ও হেলিকপ্টারের মালিক। যুবরাজ সিংএর মত তারকা ক্রিকেটার তার প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেন। ভারতের মুম্বাই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু ছাড়াও নিউইয়র্ক এবং দুবাইতে বিস্তৃত তার ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক।

শুধু ক্যান্সার সারভাইভার হলেই অন্য অনেক মানুষকে অনুপ্রেরণা জোগাতে পারতেন কানিকা। সাথে যখন ৫ হাজার ৬০০ রুপির ব্যবসাকে ৪২০ কোটিতে তুলে নেন, কানিকা তখন কোটি মানুষের অনুপ্রেরণার নাম। তবে তার পথচলাটা অত সহজ ছিল না।

কানিকা টেকরিওয়ালের জীবন শুধু ব্যবসায়িক সাফল্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; ক্যানসার থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরা এবং পিতৃতান্ত্রিক সমাজকে চ্যালেঞ্জ করার মধ্য দিয়ে তিনি নিজের একটি অনন্য ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছেন। ২১ বছর বয়সে যখন কানিকা ক্যানসারে আক্রান্ত হন, তখন তাঁর আত্মীয়রা তাঁর মাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলছিলেন, ‘আহা! মেয়েটা যদি সুস্থও হয়, তবে ওকে বিয়ে দেবে কীভাবে?’ হাসপাতাল শয্যায় শুয়ে কানিকা রেগে গিয়ে তাঁদের বলেছিলেন, ’ঠিক ৫ বছর পর আমি ফোর্বসের কভারে আসব।’ সবাইকে অবাক করে ঠিক ৫ বছর পর ২০১৬ সালের মার্চ মাসে তিনি ফোর্বসের ’৩০ আন্ডার ৩০’ তালিকায় স্থান পান। এটা কোনো লটারি নয়, এটা তার অর্জন।

ক্যান্সারকে অনেকে ভয় পায়, অভিশাপ মনে করে। কিন্তু কানিকা ক্যান্সারকে নিজের জীবনের 'সেরা উপহার' মনে করেন। তার উপলব্ধি হলো, ক্যান্সার তাঁকে জীবনের আসল মূল্য বুঝতে এবং কোনো কিছুকে হালকাভাবে না নিয়ে নিজের স্বপ্নের পেছনে সম্পূর্ণ শক্তি নিয়ে ছুটতে শিখিয়েছিল।
১৯৯২ সালের ৭ জুন ভারতের মধ্যপ্রদেশের ভোপালে এক মারোয়ারি পরিবারের জন্ম কানিকার। আর ১০টা পরিবারের মত মেয়ের কাছে তাদের চাওয়া ছিল পড়াশোনা করে সম্পন্ন পরিবারের কাউকে বিয়ে করে নিশ্চিন্ত জীবন। কিন্তু কানিকার মনে ছিল অন্য ভাবনা। ছেলেবেলা থেকেই তার আগ্রহ ফিন্যান্স এবং এভিয়েশনে। ভোপালে স্কুল জীবন শেষ করে উচ্চতর পড়াশোনার জন্য তিনি ইংল্যান্ডের কভেন্ট্রি ইউনিভার্সিটিতে যান। ২১ বছর বয়স পর্যন্ত তার জীবন বাবা-মার চওয়া মতই এগিয়েছি। ২১ বছর বয়সে একসাথে দুটি ঘটনা ঘটে- ক্যান্সার এবং ব্যবসা। ক্যান্সারের সাথে লড়াইয়ের কথা শেয়ার করে তিনি বলেন, ‘আমার বয়স যখন ২১, তখন ৪০ জন ডাক্তার আমাকে বলেছিলেন যে, আপনি চার মাস বা চার দিন বাঁচবেন। তারপর আমি মুম্বাইয়ের এক ডাক্তারের সাথে দেখা করি এবং তাঁকে বলি, 'আমরা ৪০ বছর পর একসঙ্গে ড্রিংক করব, এখন চিকিৎসা নিয়ে কথা বলা যাক।' সেই ডাক্তার নিশ্চয়ই এখন ও তার সঙ্গে ড্রিংক করার অপেক্ষায় আছেন। এক সাক্ষাতকারে কানিকা বলেছেন, ‘ক্যানসার থেকে বেঁচে ফেরা আসলে আমাকে বুঝতে শিখিয়েছে যে জীবন ছোট এবং আমাকে নিজের জন্য বাঁচতে হবে ও যা আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তাই করতে হবে।’

অনেকে ভাবতে পারেন প্রায় বিনা পুঁজিতে ব্যবসা শুরু করে কীভাবে ৪২০ কোটি টাকার সম্পদ গড়া যায়? কোনো লটারি জেতেননি তো? না, কানিকার ব্যবসা পুরোটাই আইডিয়ার। কানিকার প্রতিষ্ঠিত ’জেটসেটগো’  হলো ভারতের প্রথম এবং বৃহত্তম প্রযুক্তি-ভিত্তিক প্রাইভেট এভিয়েশন মার্কেটপ্লেস। এটি মূলত চার্টার ফ্লাইট বুকিং সহজতর করার উদ্দেশ্যে একটি অনলাইন এগ্রিগেটর প্ল্যাটফর্ম। গ্রাহকেরা কর্পোরেট মিটিং, ব্যক্তিগত ছুটি বা জরুরি চিকিৎসার জন্য এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি ব্যক্তিগত বিমান এবং হেলিকপ্টার বুক করতে পারেন। তাছাড়া অনেক ধনী ব্যক্তি বা কর্পোরেট গ্রুপ যারা নিজস্ব বিমান কেনেন; তাদের বিমানের পাইলট স্টাফিং, রক্ষণাবেক্ষণ এবং সরকারি নিয়মকানুনের সমস্ত দায়িত্ব পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের নিজস্ব প্রশিক্ষিত রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রকৌশল টিম রয়েছে, যা বিমানের নিরাপত্তা ও ইন-হাউস মেরামত নিশ্চিত করে। শুরুতে তাদের নিজস্ব কোনো বিমান ছিল না। তারা শুধু গ্রাহক ও বিমান মালিকের মধ্যে যোগাযোগ করিয়ে দিতো। বর্তমানে তাদের বহরে আছে অন্তত ১২টি বিমান ও হেলিকপ্টার। জেটসেটগো’কে বলা হয় আকাশের উবার। ভারতের শহুরে যাতায়াত ব্যবস্থায় বিপ্লব আনতে বৈদ্যুতিক এয়ার ট্যাক্সি চালুর পরিকল্পনা করছে জেটসেটগো।

একজন ক্যান্সার রোগী এবং নারী হিসেবে প্রায় শূন্য হাতে একটি প্রাইভেট এভিয়েশন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা তার জন্য সহজ ছিল না। তিনি বলেছেন, ‘অনেকে আমাকে জিজ্ঞেস করেন পুঁজি ছাড়াই আমি কীভাবে এটি করলাম। কিস্তু বাস্তবতা হলো মাত্র মাত্র ৫৬০০ টাকা বিনিয়োগ করেছি এবং আমরা ভারতের সবচেয়ে বড় প্রাইভেট জেটের বহর পরিচালনা করছি।’ কানিকার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল এভিয়েশন শিল্পে পুরুষদের আধিপত্য জয় করা। তিনি বলেছেন, ’শুরুতে আমি যে ব্যবসা করছি সেটির জন্য মানুষ আমাকে গুরুত্ব সহকারে নিতে সময় নিয়েছিল এবং আমি 'আপনার কাপকেক বেকিং করা উচিত' এই ধরনের মন্তব্যও শুনেছি। কখনো কখনো আমি যখন নিজের দাবিতে অটল বা দৃঢ় থাকি, তখন আমাকে অহংকারী মনে করা হয়, যেখানে একজন পুরুষ আমার চেয়ে বেশি দৃঢ় হলে তাকে উৎসাহী বা আবেগপ্রবণ মনে করা হয়। তবে এগুলো খুবই তুচ্ছ বিষয়।’ 
ব্যবসায়ী পি. শরৎ চন্দ্র রেড্ডিকে বিয়ে করে সুখেই আছেন কানিকা টেকরিওয়াল। এই দম্পতি এক পুত্রসন্তানের বাবা-মা। কানিকা একজন নিয়মিত ম্যারাথন রানার। সুযোগ পেলেই ক্যানভাসে রঙ তুলি নিয়ে মেতে ওঠেন। পছন্দ করেন ঘুরে বেড়াতে।

ফোর্বসের তালিকায় তো নাম তুলেছেন ৩০এর আগেই। জিতেছেন ভারত সরকারের 'জাতীয় উদ্যোক্তা পুরস্কার'। বিবিসি-র '১০০ প্রভাবশালী নারী' এবং ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের 'তরুণ গ্লোবাল লিডার'এর তালিকায়ও আছে কানিকা টেকরিওয়ালের নাম।

পাকিস্তানের নিরাপত্তা চৌকিতে জঙ্গি হামলা, ১২ সেনাসহ নিহত ২৭

অনলাইন ডেস্ক
পাকিস্তানের নিরাপত্তা চৌকিতে জঙ্গি হামলা, ১২ সেনাসহ নিহত ২৭
সংগৃহীত ছবি

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি নিরাপত্তা চৌকিতে বিস্ফোরকবোঝাই যানবাহন নিয়ে আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরা। এ ঘটনায় ১২ সেনাসদস্যসহ মোট ১৫ জন নিহত হয়েছেন।

আফগানিস্তান সীমান্তসংলগ্ন দেশটির ট্যাংক জেলায় এ হামলার পরপরই পাল্টা অভিযানে ১২ জঙ্গিকে হত্যা করা হয়েছে বলে শুক্রবার জানিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে শুক্রবার ভোরের মধ্যে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথভাবে পরিচালিত ওই চৌকিতে হামলা হয়। জঙ্গিরা প্রথমে নিরাপত্তা চৌকিতে প্রবেশের চেষ্টা চালায়। তবে ব্যর্থ হলে তারা বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি চৌকির বাইরের দেয়ালে আঘাত করে বিস্ফোরণ ঘটায়।

হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তানি তালেবান নামে পরিচিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)। সংগঠনটি জানিয়েছে, অভিযানে ৪ জন আত্মঘাতী হামলাকারী অংশ নিয়েছিল।

২০০৭ সাল থেকে টিটিপি পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াই চালিয়ে আসছে। সংগঠনটির লক্ষ্য দেশটির বর্তমান সরকারকে উৎখাত করে তাদের কট্টরপন্থী ইসলামী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জঙ্গি হামলার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ইসলামাবাদের অভিযোগ, টিটিপি সদস্যরা আফগানিস্তানের ভেতরে নিরাপদ আশ্রয়ে থেকে হামলার পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ নেয়। তবে কাবুল এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, পাকিস্তানের জঙ্গিবাদ তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা।