• ই-পেপার

ধর্ষণ, লুকানো ক্যামেরায় স্নানের ভিডিও...কী করেননি!

বাংলাদেশে চলমান ভারতের উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে যা বলল নয়াদিল্লি

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশে চলমান ভারতের উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে যা বলল নয়াদিল্লি
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন ভারতীয় উন্নয়ন প্রকল্প বাতিলের আশঙ্কা নাকচ করে দিয়েছে ভারত। নয়াদিল্লি জানিয়েছে, বাংলাদেশে ভারতের যে উন্নয়ন সহযোগিতা কর্মসূচি রয়েছে, তা সম্পূর্ণ দুই দেশের পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতেই পরিচালিত হয় এবং ভবিষ্যতেও তা একইভাবে অব্যাহত থাকবে। 

মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের সঙ্গে চলমান ভারতের ১১টি উন্নয়নমূলক প্রকল্প অগ্রগতির ‘অভাব’ থাকায় স্থগিত হতে পারে- এমন গুঞ্জন নাকচ করে দিয়ে জয়সওয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশে আমাদের যে উন্নয়ন প্রকল্প কর্মসূচি রয়েছে, তা বাংলাদেশের সঙ্গে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমেই করা হয়েছে এবং তা এখনো সেভাবেই চলছে।’

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ভারতের অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে যে অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছিল, এই বক্তব্যের মাধ্যমে অবস্থান স্পষ্ট করল নয়াদিল্লি।

এর আগে গত সপ্তাহেও রণধীর জয়সওয়াল জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে ভারতের দেওয়া আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা মূলত একটি দ্বিপক্ষীয় এবং যৌথভাবে অনুমোদিত রোডম্যাপের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়, যা উভয় দেশ নিয়মিত পর্যালোচনা করে থাকে।

ফের উত্তপ্ত পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পুলিশের গুলিতে নিহত ৬

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
ফের উত্তপ্ত পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পুলিশের গুলিতে নিহত ৬
সংগৃহীত ছবি

পাকিস্তান অধ্যুষিত কাশ্মীরে পুলিশের গুলিতে ৬ জন নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার রাওয়ালকোটের নিউ বাস টার্মিনাল এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ গুলি করলে ৬ জন প্রাণ হারান। 

গত ৯ জুন শুরু হওয়া চলমান আন্দোলনে সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত ২৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তবে বিক্ষোভকারীদের হিসেবে মৃতের সংখ্যা ৪০ জনের বেশি।

দীর্ঘদিন ধরেই অশান্ত পাকিস্তান অধ্যুষিত কাশ্মীর। নিত্যপণ্যের দাম কমানো ও বিদ্যুতের দামে ভর্তুকির দাবিতে ২০২৩ ও ২০২৫ সালে দুই দফা আন্দোলন হয় কাশ্মীরে। বিভিন্ন নাগরিক প্ল্যাটফর্ম মিলে গঠিত জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি নামে একটি অরাজনৈতিক সংগঠন এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে। 

গত ৯ জুন থেকে ৩৮ দফা দাবিতে শুরু হয়েছে আন্দোলনে নতুন পর্যায়। আন্দোলনকারীরা বারবার আলটিমেটাম দিলেও সরকার তা কানে তুলছে না। আন্দোলনকারীদের ৩৮ দফার মধ্যে আটা-ময়দাসহ নিত্যপণ্যের দাম কমানো, বিদ্যুতের দামে ভর্তুকি, ভিআইপিদের প্রটোকল বাতিলের মতো দাবি রয়েছে। তবে আগামী ২৭ জুলাই অনুষ্ঠেয় বিধানসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে এবারের মূল দাবি হলো, বিধানসভায় কাশ্মীরের বাইরে থাকা কাশ্মীরি শরণার্থীদের জন্য ১২টি সংরক্ষিত আসন বাতিল। 

আন্দোলনকারীদের দাবি, এ সংরক্ষিত আসনকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে পাকিস্তান সরকার কাশ্মীরের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে এবং ইচ্ছামতো ছড়ি ঘোরায়।

পাকিস্তান সরকার দাবি মানার বদলে আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়ন ও ব্যাপক ধরপাকড় চালায়। দমননীতির পাশাপাশি অঞ্চলটিতে খাদ্য, জ্বালানি এবং ওষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ও জীবনরক্ষাকারী পণ্যের প্রবেশ সীমিত বা পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে। 

ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইট সেবাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে গণমাধ্যমে। তবে সরকার যত দমন-পীড়ন চালাচ্ছে, আন্দোলন তত তীব্র হচ্ছে। এরই মধ্যে রাজপথে আজাদির দাবি উঠেছে।

আন্দোলনকারীরা মানুষের জীবন বাঁচাতে এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে ভারতকে হস্তক্ষেপ করার অনুরোধ জানিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের কাছে মানবিক সাহায্য পৌঁছানোর সুবিধার্থে তারা পুঞ্চ ও ডোডা সেক্টরে নিয়ন্ত্রণ রেখা খুলে দেওয়ারও দাবি জানান।

এদিকে পাকিস্তান অধ্যুষিত কাশ্মীরে চলমান আন্দোলনে সহিংসতার তীব্র সমালোচনা করেছে ভারত। মঙ্গলবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পাকিস্তান অধ্যুষিত কাশ্মীরে চলমান এই বিক্ষোভ মূলত পাকিস্তানের কয়েক দশক ধরে চালানো পদ্ধতিগত শোষণ, মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা এবং অবৈধ ও জোরপূর্বক দখলে থাকা এলাকাগুলোতে প্রশাসনিক নিপীড়নের সরাসরি ফলাফল।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ বন্ধ রাখা, পুলিশের বর্বরতা এবং ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের জন্য পাকিস্তানের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, ’স্থানীয় জনগণের বৈধ ক্ষোভ বা দাবিগুলোর সমাধান করার পরিবর্তে, পাকিস্তান রাষ্ট্র অত্যন্ত নির্মম পুলিশি বর্বরতার আশ্রয় নিয়েছে, যার শিকার হয়েছে নিরীহ নারী ও শিশুরাও। ভারত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে যে, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এই দমন-পীড়নের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত পাকিস্তানকে জবাবদিহির আওতায় আনা।

এদিকে সোমবার যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী কাশ্মিরীরা ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভ করেছেন। বিক্ষোভকারীরা ওই অঞ্চলের দ্রুত অবনতিশীল মানবিক সংকটের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে হস্তক্ষেপের দাবি জানান। 

বিক্ষোভকারীরা পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের বেসামরিক এলাকাগুলো থেকে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী প্রত্যাহারের দাবি জানান। একই সাথে নিরস্ত্র বেসামরিক নাগরিকদের ওপর প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। 

ফের মুখোমুখি লেবানন-ইসরায়েল, গুরুত্ব পাচ্ছে যেসব বিষয়

অনলাইন ডেস্ক
ফের মুখোমুখি লেবানন-ইসরায়েল, গুরুত্ব পাচ্ছে যেসব বিষয়
ছবি : রয়টার্স

উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হওয়ায় গত মাসে দুই পক্ষের মধ্যে হওয়া অন্তর্বর্তী সমঝোতা চাপে পড়েছে। তারই অংশ হিসেবে ইরান লেবাননে চলমান যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানিয়েছিল। তবে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে গত ২ মার্চ থেকে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে আবারও লড়াই শুরু হয়।

গত মাসে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবানন একটি শান্তি কাঠামোয় সম্মত হয়। কিন্তু এরপরও ইসরায়েলি বাহিনীর প্রাণঘাতী হামলা অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে হিজবুল্লাহ ওই চুক্তি এবং তাদের নিরস্ত্র করার উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার ইতালির রাজধানী রোমে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে লেবানন ও ইসরায়েলের প্রতিনিধিরা আবারও আলোচনায় বসেছেন বলে জানায় বার্তা সংস্থা রয়টার্স। 

এদিকে দক্ষিণ লেবাননের দুটি পরীক্ষামূলক অঞ্চল নিয়ে সমঝোতা বাস্তবায়নে ইসরায়েল প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার। ইতালির রোমে লেবাননের সঙ্গে চলমান আলোচনা এ প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

এ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি পরীক্ষামূলক অঞ্চল পরিকল্পনা। এর আওতায় ধাপে ধাপে হিজবুল্লাহ অস্ত্র সমর্পণ করবে, ইসরায়েলি বাহিনী সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে সরে যাবে এবং সেখানে পর্যায়ক্রমে লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে।

তবে দ্রুত কোনো সমাধান আসবে—এমন প্রত্যাশা কম বলেই কূটনৈতিক সূত্রগুলো মনে করছে।

এর আগে গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা জানান, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড লেবানন ও ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনী সীমান্তজুড়ে লেবাননের ভেতরে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে একটি তথাকথিত ‘বাফার জোন’ দখল করে রেখেছে। ইসরায়েলের দাবি, উত্তরাঞ্চলের বসতিগুলোকে হিজবুল্লাহর হামলা থেকে সুরক্ষা দিতেই এই নিরাপত্তা অঞ্চল বজায় রাখা প্রয়োজন।

গাজার পুলিশ স্টেশনে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত ৭

অনলাইন ডেস্ক
গাজার পুলিশ স্টেশনে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত ৭
ছবি : রয়টার্স

ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় একটি পুলিশ স্টেশনে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় অন্তত সাতজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন।

গাজা সিটি থেকে আলজাজিরার প্রতিবেদক হানি মাহমুদ জানান, পুলিশ স্টেশনটিতে এক ঘণ্টার মধ্যে পরপর ৪টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে একটি ইসরায়েলি ড্রোন।

নিহতদের মধ্যে পুলিশ স্টেশনের পরিচালক, উপপরিচালকসহ আরো ৫ জন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। তারা বাস্তুচ্যুত মানুষের একটি শিবিরের মধ্যবর্তী বাজার এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পালন করছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজাজুড়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবকাঠামো ও স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ইসরায়েল ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়ে আসছে। এসব হামলার ফলে গাজায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরো ভেঙে পড়ছে এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত উপত্যকাজুড়ে বিশৃঙ্খলা ও ক্ষমতার শূন্যতা আরো গভীর হচ্ছে।

ধর্ষণ, লুকানো ক্যামেরায় স্নানের ভিডিও...কী করেননি! | কালের কণ্ঠ