• ই-পেপার

ফ্রান্সের নতুন কোচ জিদান

কাভান সুলেভানের বিশেষ বুটে বাংলাদেশের পতাকা

ক্রীড়া ডেস্ক
কাভান সুলেভানের বিশেষ বুটে বাংলাদেশের পতাকা
সংগৃহীত ছবি

মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) মাত্র ১৪ বছর ২৯৩ দিন বয়সে অভিষেক ঘটিয়ে বিশ্ব ফুটবলকে আগেই তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন ক্যানাভান সুলেভান। যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের এই বিস্ময়বালক এবার গড়েছেন আরও এক ব্যতিক্রমী ইতিহাস। ফুটবল বিশ্বের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বিখ্যাত ব্র্যান্ড অ্যাডিডাসের তৈরি থ্রিডি-প্রিন্টেড বুট পরে মাঠে নেমেছেন ১৬ বছর বয়সী এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। বুটে পারিবারিক ঐতিহ্য ও শেকড়কে সম্মান জানাতে স্থান দেওয়া হয়েছে তিনটি দেশের জাতীয় পতাকা—বাংলাদেশ, জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্র। 

সুলেভানের পায়ের একদম নিখুঁত মাপে বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে এই আধুনিক থ্রিডি বুট। তবে প্রযুক্তির ছোঁয়ার পাশাপাশি বুট জোড়াকে অনন্য করে তুলেছে এর ডিজাইন। 

মাঠে অবিশ্বাস্য নৈপুণ্য দেখিয়ে ইতোমধ্যেই ম্যানচেস্টার সিটির নজর কেড়েছেন এই মার্কিন তরুণ। চুক্তি অনুযায়ী ১৮ বছর বয়স হলেই তার ঠিকানা হবে ইংলিশ জায়ান্টদের ডেরায়। 

তবে ফুটবল দক্ষতার পাশাপাশি বুটে বাংলাদেশ ও পারিবারিক শেকড়কে ধারণ করার বিষয়টি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে আলাদা এক উন্মাদনা তৈরি করেছে। 

এছাড়া কাভানের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণে ইতিমধ্যেই ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর নজর কেড়েছে। এছাড়া আঠারো বছর পূর্ণ হলে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আলোচনা চলছে। 

সুলিভান পরিবারের ফুটবল রূপকথায় বাংলাদেশ অধ্যায়টি জড়িয়ে আছে দারুণ এক আবেগে। কাভানের দুই ভাই—রোনান ও ডেক্লান সুলিভান বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের প্রতিনিধি হিসেবে মাঠ কাঁপানোর পথ বেছে নিয়েছেন। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের জার্সিতে তাদের যাত্রার শুরুটা হয়েছে রূপকথার মতো, যেখানে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপাজয়ী দলের বড় কাণ্ডারি ছিলেন তারা দুজন। পুরো টুর্নামেন্টে শুরুর একাদশে রোনান আর বদলি নেমে ডেক্লানের দুর্দান্ত ঝলক দেখিয়েছেন। 
 

চিলিতে ‘ভোজিনহা’ নামের জার্সি পরতে পারবেন না কেপ ভার্দের গোলরক্ষক

চিলিতে ‘ভোজিনহা’ নামের জার্সি পরতে পারবেন না কেপ ভার্দের গোলরক্ষক
ছবি : রয়টার্স

২০২৬ বিশ্বকাপে একের পর এক দুর্দান্ত সেভে ফুটবল বিশ্বের নজর কেড়েছিলেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা। ৪০ বছর বয়সেও পোস্টের নিচে অসাধারণ পারফরম্যান্সে দেশকে তুলেছিলেন নকআউট পর্বে। বিশ্বকাপের সেই বীরত্বগাথার পুরস্কার হিসেবে সম্প্রতি চিলির ঐতিহ্যবাহী ক্লাব কোলো-কোলোতে যোগ দিয়েছেন তিনি। তবে নতুন ক্লাবে পা রেখেই অদ্ভুত এক আইনি সংকটে পড়েছেন এই বর্ষীয়ান গোলরক্ষক। পরিচিত ‘ভোজিনহা’ নামটি জার্সিতে লিখে মাঠে নামার কোনো সুযোগই পাচ্ছেন না তিনি!

চিলির শীর্ষ ফুটবল লিগের কড়া নিয়মই মূলত কাল হয়েছে তার জন্য। লিগের আইন অনুযায়ী, ফুটবলাররা জার্সিতে কোনো ডাকনাম বা ছদ্মনাম ব্যবহার করতে পারবেন না। জার্সির পিঠে অবশ্যই খেলোয়াড়ের পুরো নাম কিংবা পারিবারিক পদবি থাকতে হবে। এই নিয়ম অমান্য করলে শাস্তির বিধানও বেশ কড়া। মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গেই অটোমেটিক হলুদ কার্ড দেখতে হবে ফুটবলারকে, পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ক্লাবকেও গুনতে হবে বড় অঙ্কের জরিমানা।

বিশ্বকাপের মঞ্চে কোটি ফুটবলপ্রেমী যাকে ‘ভোজিনহা’ নামে চিনেছেন, সেটি আসলে তার আসল নাম নয়। তার পূর্ণ নাম জোসিমার জোসে এভোরা দিয়াস। ফলে নিয়মের পরিবর্তন না হলে নতুন মৌসুমে কোলো-কোলোর হয়ে তার জার্সিতে লেখা থাকবে ‘এভোরা’, ‘দিয়াস’ অথবা ‘এভোরা দিয়াস’।

অবশ্য এই বাধা টপকানোর একটিমাত্র পথ খোলা রয়েছে। কোলো-কোলোর সভাপতি আনিবাল মোসা যদি লিগের পরিচালনা পর্ষদের সর্বসম্মত সমর্থন নিয়ে আইনটি সংশোধন করাতে পারেন, তবেই চেনা নামে নামতে পারবেন তিনি। তবে বাস্তবে এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা বেশ ক্ষীণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

বিশ্বকাপে চমক দেখানোর পর ফ্রি এজেন্ট হিসেবে ভোজিনহাকে দলে ভেড়ায় কোলো-কোলো, যা তার দীর্ঘ ও বৈচিত্র্যময় ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় মাইলফলক। এর আগে কেপ ভার্দে, অ্যাঙ্গোলা, মলদোভা, পর্তুগাল, সাইপ্রাস ও স্লোভাকিয়ার বিভিন্ন ক্লাবে পোস্ট সামলানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। 
তবে শুধু নাম নিয়েই নয়, পছন্দের জার্সি নম্বর নিয়েও মন খারাপের খবর রয়েছে এই তারকা গোলরক্ষকের জন্য। কোলো-কোলোর চেনা ১ নম্বর জার্সিটি আগেই নিজের দখলে রেখেছেন ফার্নান্দো ডি পল। ফলে পছন্দের ১ নম্বর ছেড়ে ১৬ নম্বর জার্সি গায়ে জড়িয়েই হয়তো নতুন মৌসুমে কোলো-কোলোর গোলপোস্ট সামলাতে হবে তাকে।

বিশ্বকাপের দুর্দান্ত স্মৃতি আর বিশ্বজোড়া পরিচিতির ‘ভোজিনহা’ নামটি আপাতত চিলির লিগে আড়ালেই থেকে যাচ্ছে। নাম আর নম্বর দুটোতেই বদল এনে নতুন এক পরিচয়ে চিলির ফুটবলে নিজের নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন কেপ ভার্দের এই অভিজ্ঞ পাহারাদার। 
 

ওয়ানডের নেতৃত্ব হারাচ্ছেন মিরাজ, নতুন অধিনায়ক হচ্ছেন লিটন

ক্রীড়া ডেস্ক
ওয়ানডের নেতৃত্ব হারাচ্ছেন মিরাজ, নতুন অধিনায়ক হচ্ছেন লিটন
মিরাজকে (ডানে) সরিয়ে লিটনকে ওয়ানডের অধিনায়কত্ব দিতে যাচ্ছে বিসিবি। ছবি: এআই দিয়ে বানানো

ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্ব থেকে মেহেদী হাসান মিরাজকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। বোর্ডের একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি সান জানিয়েছে, নতুন অধিনায়ক হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন লিটন দাস।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাদা বলের দুই সংস্করণেই সহ-অধিনায়ক করা হতে পারে তাওহিদ হৃদয়কে। অন্যদিকে টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্বে বহাল থাকবেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এর মাধ্যমে তিন সংস্করণে তিন অধিনায়ক কাঠামো থেকে সরে আসছে দেশের ক্রিকেট।

আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবির সভায় এ বিষয়ে আলোচনা করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হতে পারে।

ডেইলি সানকে সূত্র জানিয়েছে, শুরুতে ওয়ানডে অধিনায়কত্ব আবার শান্তকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সীমিত ওভারের দুই সংস্করণের জন্য একজন অধিনায়ক রাখার সিদ্ধান্তে ঝুঁকেছে বোর্ড। 

যেহেতু লিটন বর্তমানে টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক, তাই ওয়ানডের দায়িত্বও তার হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। অন্যদিকে শান্তকে টেস্টের নেতৃত্বেই মনোযোগী রাখতে চায় বোর্ড।

এ ছাড়া তাওহিদ হৃদয়কে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য অধিনায়ক হিসেবে দেখা হচ্ছে। সম্প্রতি চট্টগ্রামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেন হৃদয়। এরপর জিম্বাবুয়ে সফরে প্রথম টি-টোয়েন্টি হারের পর তার নেতৃত্বেই ঘুরে দাঁড়িয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেয় বাংলাদেশ।

২০২৫ সালের ১২ জুন নাজমুল হোসেন শান্তর জায়গায় বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক হন মেহেদী হাসান মিরাজ। এ বছরের এপ্রিলে বিসিবি তার নেতৃত্বের মেয়াদ ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত বাড়িয়েছিল।

তবে মিরাজের অধিনায়কত্বে বাংলাদেশ দল প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। বিশেষ করে দেশের বাইরে। তার নেতৃত্বে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশ ১৩টি ওয়ানডে খেলে মাত্র দুটিতে জিতেছে।

মিরাজ অধিনায়ক হওয়ার পর দেশের ক্রিকেট তিন সংস্করণে তিনজন আলাদা অধিনায়কের মডেলে ফিরেছিল। তখন টেস্টে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন শান্ত, ওয়ানডেতে মিরাজ এবং টি-টোয়েন্টিতে লিটন। কিন্তু দেড় বছরেরও কম সময়ের মধ্যে সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসছে বিসিবি।

এর আগে ২০২২ সালে তিন অধিনায়কের কাঠামো ছিল। সেই সময় টেস্টে নেতৃত্ব দেন সাকিব আল হাসান, ওয়ানডেতে তামিম ইকবাল এবং টি-টোয়েন্টিতে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

গোলকিপারদের ‘অভিনয়’ ঠেকাতে আগামী মৌসুম থেকেই অভিনব নিয়ম

ক্রীড়া ডেস্ক
গোলকিপারদের ‘অভিনয়’ ঠেকাতে আগামী মৌসুম থেকেই অভিনব নিয়ম
সংগৃহীত ছবি

খেলার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হঠাৎ করেই মাঠের ঘাসে লুটিয়ে পড়লেন গোলরক্ষক। পেশিতে টান কিংবা হাত-পায়ের চোটের অজুহাতে ডেকে পাঠালেন ফিজিওকে। আর সেই সুযোগেই সাইডলাইনে গিয়ে কোচের কাছ থেকে ট্যাকটিক্যাল বার্তা বুঝে নিলেন দলের বাকি ফুটবলাররা! ফুটবলে তথাকথিত এই ‘ট্যাকটিক্যাল গোলকিপার টাইমআউটের’ অপব্যবহার বন্ধ করতে এবার এক অভাবনীয় এবং কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে ইংলিশ ফুটবল।

আগামী ২০২৬-২৭ মৌসুম থেকে ইংল্যান্ডের পুরুষ ও নারী ফুটবলের পেশাদার লিগগুলোতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হতে যাচ্ছে এক নতুন নিয়ম। আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি) এর অনুমোদন দেওয়ার পর এফএ এবং প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ম্যাচে গোলকিপারের আঘাত বা চিকিৎসার কারণে খেলা বন্ধ হলে, পরবর্তীতে খেলা শুরু হতেই দলের ম্যানেজারকে বাধ্যতামূলকভাবে যেকোনো একজন আউটফিল্ড ফুটবলারকে কমপক্ষে ১ মিনিটের জন্য মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিতে হবে। অর্থাৎ, গোলকিপার চিকিৎসার জন্য সময় নিলে দলকে অন্তত এক মিনিট ১০ জনে খেলতে হবে! 

ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ), প্রিমিয়ার লিগ, ইএফএল, ন্যাশনাল লিগ ও উইমেন’স সুপার লিগসহ প্রো রেফ-এর মতো সংস্থাসমূহ একযোগে এই পরীক্ষামূলক নিয়ম বাস্তবায়নে সমর্থন দিয়েছে।

আইএফএবি জানিয়েছে, সাধারণ আউটফিল্ড খেলোয়াড়দের মাঠের ভেতরে চিকিৎসা দেওয়া হলে বা তাদের কারণে খেলা বন্ধ থাকলে যেভাবে এক মিনিটের জন্য মাঠের বাইরে যেতে হয়, সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই গোলরক্ষকদের ক্ষেত্রেও এই বাধ্যবাধকতা আনা হচ্ছে।

সম্প্রতি ইংলিশ ফুটবলে প্রতিপক্ষের ছোঁয়া ছাড়াই হুটহাট গোলরক্ষকদের মাটিতে শুয়ে পড়ার প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এতে একদিকে যেমন খেলার স্বাভাবিক গতি নষ্ট হচ্ছিল, অন্যদিকে ট্যাকটিক্যাল সুবিধা পাচ্ছিল দলগুলো। ফলে সমর্থক, বিশেষজ্ঞ থেকে শুরু করে প্রতিপক্ষ দলের কোচদের ক্ষোভও তুঙ্গে উঠছিল। এফএ স্পষ্ট জানিয়েছে, চোটের দোহাই দিয়ে গোলরক্ষকদের মাধ্যমে খেলা বিলম্বিত করা বা কোচের পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ বন্ধ করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।

বিগত মৌসুমগুলোতে এই কৌশল নিয়ে তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। ব্রাইটনের বিপক্ষে আর্সেনালের ১-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে গানার গোলরক্ষক ডেভিড রায়া বারবার চিকিৎসা নিলে ম্যাচ শেষে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন ব্রাইটন কোচ ফাবিয়ান হার্টসেল। তিনি সোজা জানিয়ে দেন, ‘আর্সেনাল যা করেছে, তা আর যাই হোক ফুটবল নয়।’ অন্যদিকে চোটের ভান করার অভিযোগ তুলে ম্যানচেস্টার সিটির গোলরক্ষক জানলুইজি দোন্নারুম্মার কঠোর সমালোচনা করেছিলেন লিডস ইউনাইটেড ম্যানেজার ড্যানিয়েল ফাকা।

তবে বাস্তবসম্মত কিছু ছাড়ও রাখা হয়েছে এই নিয়মে। প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের ফাউলে গোলরক্ষক আঘাত পেলে, একই সঙ্গে মাঠের অন্য খেলোয়াড়ের চোট বা রক্তপাত হলে কিংবা লাল/হলুদ কার্ড পাওয়ার মতো শারীরিক আক্রমণের মুখে পড়লে এই নিয়ম খাটবে না।

আগামী ১ আগস্ট লিগ কাপের উদ্বোধনী ম্যাচ দিয়ে মাঠে গড়াচ্ছে সময় অপচয় রোধে নেওয়া এই বৈপ্লবিক পদক্ষেপ। শুধু এটিই নয়, নতুন মৌসুমে সময় নষ্ট করা ঠেকাতে বিলম্বিত থ্রো-ইন ও গোল কিকের জন্য ৫ সেকেন্ডের কাউন্টডাউন এবং বদলি ফুটবলারদের মাঠ ছাড়ার জন্য ১০ সেকেন্ডের সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার মতো কঠোর নিয়মও দেখতে পাবেন ফুটবলপ্রেমীরা।