• ই-পেপার

এলপিএল থেকে সরে দাঁড়ালেন তাসকিন

স্পেনের বিশ্বজয়ের ‘লাকি চার্ম’ ফাবিয়ান রুইজ

ক্রীড়া ডেস্ক
স্পেনের বিশ্বজয়ের ‘লাকি চার্ম’ ফাবিয়ান রুইজ

ফাইনালে জয়সূচক গোল দিয়ে উল্লাসে মেতেছিলেন ফেরান তোরেস, মাঝমাঠের লাগাম হাতে পথ দেখিয়েছেন রদ্রি। তবে স্পেনের বিশ্বজয়ের অন্যতম কারিগরদের একজন ফাবিয়ান রুইজ। আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে সেই মহারণে স্প্যানিশদের খেলায় ভারসাম্যের রসদ জুগিয়েছিলেন এই মিডফিল্ডার।

সেমিফাইনালের পর হাইভোল্টেজ ফাইনালেও পেদ্রির বদলে ফাবিয়ানকে শুরুর একাদশে নামিয়ে বড় এক বাজি ধরেছিলেন স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। গুরুকে হতাশ করেননি ৩০ বছর বয়সী এই তারকা। মাঠে নেমে রদ্রির সঙ্গে নিখুঁত এক জুটি গড়ে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজের দখলে নেন। ফলে আলবিসেলেস্তেদের ধারাল আক্রমণভাগ স্প্যানিশ দুর্গের সামনে এসে বারবার খেই হারিয়ে ফেলে।

ফাবিয়ানের এমন নিখুঁত ও শানিত পজিশনিংয়ের কারণে বলের খোঁজে বারবার নিচে নেমে আসতে বাধ্য হন বিশ্বসেরা তারকা লিওনেল মেসি। শুধু তা-ই নয়, আর্জেন্টিনার স্বাভাবিক পাসিং লেনগুলো ব্লক করে দিয়ে স্পেনের রক্ষণ ও আক্রমণের মধ্যে এক অসাধারণ সাঁকো তৈরি করে দেন তিনি।

মাঠে নেমেই শুধু পারফরম্যান্সেই উজ্জ্বল ছিলেন না, নামের পাশে যোগ করেছেন অবিশ্বাস্য এক অনন্য নজিরও। লা রোখাদের জার্সিতে টানা ৫০ ম্যাচে অপরাজিত থাকার অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি। এই ৫০ ম্যাচে স্পেন জয় তুলে নিয়েছে ৩৫টিতে, আর সমতায় শেষ হয়েছে ১৫টি ম্যাচ। স্পেনের ফুটবলের দীর্ঘ ইতিহাসে কোনো ফুটবলারের ঝুলিতে এমন চমকপ্রদ রেকর্ড আর নেই।

বিশ্বকাপ জয়ের সোনালী ট্রফি উঁচিয়ে ধরে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে জমকালো ও সফল মৌসুমের ইতি টানলেন ফাবিয়ান। ২০২২ সালে নাপোলি ছেড়ে প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইয়ে (পিএসজি) নাম লেখানোর পর শুরুতে কিছুটা খাবি খেয়েছেন, একাদশে জায়গা পাওয়াটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তবে পিএসজি কোচ লুইস এনরিকের অধীনে বদলে গিয়ে নিজেকে নিয়ে গেছেন বিশ্বসেরা মিডফিল্ডারদের কাতারে।

২০২৫-২৬ মৌসুমে ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে তিনি যেন জেতার এক নেশায় মেতেছিলেন। লিগ আঁ, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, উয়েফা সুপার কাপ, ফিফা ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ কিংবা ফিফা বিশ্বকাপ যে প্রতিযোগিতাতেই তিনি পা রেখেছেন, সেখানেই ঘরে তুলেছেন শিরোপা!

ধারাবাহিক সাফল্য আর দলের প্রতিটি শিরোপাজয়ে অসামান্য ভূমিকা রাখার কারণে সমর্থক ও ফুটবল বোদ্ধারা ফাবিয়ান রুইজকে এখন স্পেনের ‘লাকি চার্ম’ বলেই ডাকছেন। মাঠে তার এমন রাজকীয় বিচরণের পর ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের দৌড়েও খুব ভালোভাবেই উঠছে এসেছে স্প্যানিশ এই তারকার নাম।

ওচোয়ার বিদায়ে একটা যুগের অবসান

ক্রীড়া ডেস্ক
ওচোয়ার বিদায়ে একটা যুগের অবসান
বিদায় বেলায় ওচোয়ার চোখ মানছেন না বাঁধা। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের অনেক কিছুই বদলে গেছে। এই যেমন ৩২ দলের পরিবর্তে ৪৮ দলের বিশ্বকাপ হলো। প্রথমবারের মতো তিন দেশে বিশ্বকাপ হলো। কিন্তু মেক্সিকোর এক পজিশনে কোনো বদলই দেখা যায়নি। 

তিন কাঠির নিচে সব সময় ঝাঁকড়া চুলওয়ালা এক গোলরক্ষককে দেখা গেছে। অন্যদের বয়স বাড়লেও গুইলিয়ার্মো ওচোয়ার বয়স বাড়ে না। সঙ্গে পারফরম্যান্সে ভাটা পড়ে না। তাই মেক্সিকোর গোলবারের নিচে আস্থাভাজন তিনি।

দীর্ঘ ২২ বছর ধরেই দৌঁড়াচ্ছেন ২২ গজের সবুজ মাঠে। অবশেষে ওচোয়ার মনে হয়েছে—আর নয়, এবার থামা দরকার। থামলেন রেকর্ড গড়েই। একমাত্র গোলরক্ষক হিসেবে ৬ বিশ্বকাপ খেলার রেকর্ড গড়েছেন তিনি। ৪১ বছর বয়সী গোলরক্ষকের বাইরে এই কীর্তি আছে শুধুই লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর।

ক্যারিয়ারের শেষটা অবশ্য সুখকর হয়নি ওচোয়ার। রেকর্ড বিশ্বকাপে মাত্র এক ম্যাচই গোলবার সামলাতে পেরেছেন। খেলার বয়স খুব বেশি ছিল না। চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে শেষ দিকে বদলি নেমে ১২ মিনিট ছিলেন মাঠে। ম্যাচ শেষে সতীর্থর কাছ থেকে অবশ্য ঠিকই ‘ট্রিবিউট’ পেয়েছেন তিনি। ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপের ঘোষণা আগেই দেওয়ায় ঘরের মাঠ মেক্সিকো সিটিতে তাকে সেদিন শূন্য ছুড়ে বিদায়ী অর্ঘ্য দেন কোচ-সতীর্থরা।

 

ক্যারিয়ারে নিজের সর্বস্ব নিংড়ে দিয়ে খেলতে পেরে গর্ববোধ করছেন ওচোয়া। বিদায় বেলা সামাজিক মাধ্যমে গত ১৩ জুলাই ৪১ বসন্ত উদযাপন করা গোলরক্ষক লিখেছেন, ‘ক্লাব এবং জাতীয় দলের হয়ে সর্বস্ব নিংড়ে খেলেছি। আজ গ্লাভস জোড়া তুলে রাখলাম। একজন গোলরক্ষক হিসেবে আপনাকে মনে রাখতে হবে ৯০ মিনিটের প্রতিটি মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সবকিছু তোমার ওপর নির্ভর করে। যখন মুহূর্তটা আসবে কোনো দ্বিধা করা যাবে না।’

২০০৩ সালে পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু করা কিংবদন্তি ওচোয়া র্গব নিয়ে লিখেছেন, ‘আমার স্বপ্ন আমাকে এতদূর পর্যন্ত নিয়ে আসবে তা কখনো কল্পনাই করিনি। পেছনে তাকালে তাই আমার গর্ব হয়। আপনাদের ধন্যবাদ। আমি লাখো মানুষের ভালোবাসাকে সঙ্গে নিচ্ছি। আর মেক্সিকোর হয়ে সবকিছু দিতে পেরে শান্তি অনুভব করছি।’

মেক্সিকোর হয়ে ২০০৫ সালে অভিষেক হয় ওচোয়ার। দীর্ঘ সময়ে ১৫৩ ম্যাচ গোলবারের নিচে দাঁড়ান তিনি। জাতীয় দলের হয়ে ৬টি কনকাকাফ গোল্ড কাপ জিতেছেন তিনি। সঙ্গে একটি কনকাকাফ নেশনস লিগও তার নামের পাশে আছে।

কুকুরেয়ার অন্ধবিশ্বাসেই কি চ্যাম্পিয়ন স্পেন

ক্রীড়া ডেস্ক
কুকুরেয়ার অন্ধবিশ্বাসেই কি চ্যাম্পিয়ন স্পেন
বিশ্বকাপের ট্রফি হাতে কুকুরেয়া। ছবি : এক্স থেকে

ক্রীড়াঙ্গনে অনেকে ‘কুসংস্কারে’ বিশ্বাসী। ক্রিকেটে যেমন শচীন টেন্ডুলকার সব সময় বাঁ পায়ে প্যাড পরতেন। ২০১১ বিশ্বকাপে আজন্ম স্বপ্ন পূরণের ফাইনালেও এক কুসংস্কারে বিশ্বাসী ছিলেন। যা পরে জানান তার ওপেনিং সঙ্গী বীরেন্দর শেবাগ।

শেবাগ জানান, ওয়াংখেড়েতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফাইনালে ২৭৫ রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই আউট হন তিনি এবং শচীন। পরে ড্রেসিংরুমে ফিরে শচীনের পাশে বসেন তিনি। কিন্তু ম্যাচ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আর কখনো নিজের আসন থেকে উঠতে পারেননি ভারতের সাবেক ওপেনার। কারন, শচীনের অন্ধবিশ্বাস। কিংবদন্তি ব্যাটার শেবাগকে বলেন, ‘আমি এখান থেকে এক চুলও নড়ব না, তুমিও নিজের জায়গা থেকে একদম উঠবে না।’ পরে বিশ্বচ্যাম্পিয়নও হয় তারা।

তেমনি এক অন্ধবিশ্বাসেই কি এবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলো স্পেন? মেটলাইফ স্টেডিয়ামের সাইড লাইনের পাশে মার্ক কুকুরেয়ার কয়েন পুঁতে রাখার দৃশ্য ভাইরাল হওয়ার পরেই সেই প্রশ্ন উঠছে ভক্ত-সমর্থকদের মনে। ফাইনাল শুরুর আগে অনুশীলনের সময় সাইড লাইনের কাছে কয়েন পুঁতে রাখেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার। 

 

অনেকের নজরে না আসলেও পরে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন স্পেনের সাবেক ডিফেন্ডার হোয়ান ক্যাপদেভিলা। তিনিই যে উত্তরসূরি কুকুরেয়াকে এমন কাজ করতে বলেছেন। ২০১০ বিশ্বকাপের ফাইনাল নামার আগে একই কাজ করেছিলেন স্পেনের সাবেক ডিফেন্ডার। সেবার নেদারল্যান্ডসকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপ জিতেছিল স্পেন। 

দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবার জিতেছে স্পেন। কুকুরেয়াকে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কয়েন পুঁতে রাখার পরামর্শ ক্যাপদেভিলা। অন্ধবিশ্বাসের রহস্য নিয়ে পরে সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘একটা গোপন কথা বলি। ২০১০ বিশ্বকাপের ফাইনাল শুরুর আগে ঘাসের মধ্যে একটা কয়েন লুকিয়ে রেখেছিলাম। সে কথা অনেক বারই বলেছি। এ বার ফাইনালের আগে কুকুরেয়াকে সেটা বলেছিলাম। ও সেটাই করেছে। কুকুরেয়া, তোমাকে খুব ভালোবাসি। তুমি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।’

‘অন্য সবকিছু ভুলে যাও’ কেন বলেছিলেন মেসি, জানাল আর্জেন্টিনার গণমাধ্যম

ক্রীড়া ডেস্ক
‘অন্য সবকিছু ভুলে যাও’ কেন বলেছিলেন মেসি, জানাল আর্জেন্টিনার গণমাধ্যম
সংগৃহীত ছবি

ফাইনালে স্পেনের কাছে বিষাদময় পরাজয়ের পর আর্জেন্টাইন শিবিরের নীরবতা ভাঙল এক ফাঁস হওয়া ভিডিও ক্লিপ। মাঠে নামার ঠিক আগমুহূর্তে ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের উদ্দেশে অধিনায়ক লিওনেল মেসির দেওয়া অনুপ্রেরণামূলক এক ভাষণ এখন ফুটবল বিশ্বে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই মেসির মুখে বলা ‘সবকিছু ভুলে যাও’ বাক্যটি নিয়ে শুরু হয় জোর জল্পনা-কল্পনা। নেটদুনিয়ায় অনেকে তো এই শব্দের আড়ালে কোনো ‘গোপন বার্তা’ কিংবা অজানা রহস্য খুঁজতেও শুরু করে দিয়েছিলেন!

তবে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুরো ভিডিও ফুটেজ সামনে আসতেই খোলাসা হলো সব রহস্য। বোঝা গেল, কোনো গোপন ছক নয় বরং স্নায়ুচাপ পেছনে ফেলে সতীর্থদের স্রেফ স্বাভাবিক ফুটবলটা খেলারই পরামর্শ দিচ্ছিলেন খুদে জাদুকর।

মাঠে নামার আগের মুহূর্তে আর্জেন্টাইনদের আবেগ আর রণকৌশলের দৃশ্যপটে মেসিকে বলতে শোনা যায়, ‘চলো সবাই, মাথা ঠান্ডা রাখো। সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো—আমাদের শান্ত থাকতে হবে। বাইরের সবকিছু ভুলে শুধু খেলায় মন দাও, স্রেফ নিজের খেলাটা খেলো। চলো!’

শুধু মেসির ভাষণেও সীমাবদ্ধ ছিল না ড্রেসিংরুমের সেই দৃশ্যপট। ড্রেসিংরুম থেকে টানেল হয়ে মাঠে নামার পথে ধরা পড়ে টিম আর্জেন্টিনার কৌশলী আলাপচারিতাও। স্পেনের বিস্ময় বালক লামিন ইয়ামালকে কীভাবে বাগে আনতে হবে এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ কীভাবে ভেস্তে দেওয়া যায়—গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্টিনেজকে সেই ট্যাকটিক্স বোঝাচ্ছিলেন ক্রিস্টিয়ান ‘কুতি’ রোমেরো।

পাশেই লিসান্দ্রো ‘লিচা’ মার্টিনেজ দিবুকে সতর্ক করে দিচ্ছিলেন, প্রতিপক্ষ যেন বক্সের ভেতর ঢুকে শট নেওয়ার সুযোগ না পায়। এরপর নিকোলাস তালিয়াফিকোকে সোজা বার্তা দিয়ে লিচা বলেন, ‘পুরো ম্যাচজুড়ে ওকে একচুল ছাড় দেবে না, একদম আটকে রাখবে।’ এরপর গোলরক্ষককে মানসিকভাবে শক্ত থাকার তাগিদ দিয়ে প্রতিটি বল নিশ্চিতভাবে পকেটে পুরতে বলেন তিনি।

অভিজ্ঞ অধিনায়কের মতো মেসিও বসে থাকেননি। ডিফেন্ডারদের কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়ে দেন, প্রতিপক্ষ যখন আক্রমণে আসবে, তখন যেন লিয়েন্দ্রো পারেদেস আর এনজো ফার্নান্দেজ হুট করে সামনে উঠে না যান। পজিশন ধরে রাখাই যে মুখ্য, সেটাই মনে করিয়ে দেন এলএমটেন।

মাঠে নামার ঠিক আগের মুহূর্তে কুতি রোমেরো দিবুর পিঠ চাপড়ে বলে ওঠেন, ‘আজকের দিনটা শুধুই তোমার!’ সতীর্থের কথায় আত্মবিশ্বাসে গদগদ দিবু মার্টিনেজ গর্জে উঠে জবাব দেন, ‘হ্যাঁ, আজ আমার দিন! এই দিনটা ইতিহাসে লেখা থাকবে।’

যদিও ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সেই রাতটি ইতিহাসের পাতায় আর্জেন্টিনার জন্য সুখকর হয়নি। ম্যাচজুড়ে লড়াই তো দূর রক্ষণ করেই সময় কেটেছে আলবিসেলেস্তেদের। 

তবে ড্রেসিংরুমের ভিডিও নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যতই ঝড় উঠুক না কেন, আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি হাঁটছেন নিজের চেনা পথেই। এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বরাবরের মতোই নির্ভার স্কালোনি সাফ জানিয়ে দেন, ‘আমি সোশ্যাল মিডিয়া দেখি না। এসব নিয়ে আমার বিন্দুমাত্র ধারণাও নেই। আপনারা আসলে কী নিয়ে কথা বলছেন, সেটাও আমি জানি না।’