গ্যালারিতে বসে বিশ্বকাপ ফাইনাল কে না দেখতে চায়। বিশেষ ব্যক্তিদের জন্য আবার বিশেষ স্থানও বরাদ্দ থাকে। নিশ্চিতভাবেই উয়েফা (ইউনিয়ন অব ইউরোপিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন) সভাপতি আলেক্সান্ডার সেফেরিনের জন্য তেমনি বিশেষ এক স্থান বরাদ্দ ছিল। কিন্তু তবুও ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরের ফাইনাল দেখতে যাননি।
ইচ্ছে যে ছিল না সেফেরিনের, তেমনটা অবশ্য নয়। প্রতিবাদস্বরূপ ফাইনাল দেখতে যাননি তিনি। ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু থেকেই বিতর্কিত ছিল। ফিফার অনেক নিয়মেরই ব্যতয় ঘটছিল। তবে সবচেয়ে বড় বিতর্কিত ঘটনা ছিল ফোলারিন বালোগান লাল কার্ড দেখার পরেও নকআউটের পরের ম্যাচ খেলতে নামা। নিয়ম অনুযায়ী লাল কার্ড দেখলে স্বাভাবিকভাবেই পরের ম্যাচে নামতে পারেন না। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার নেমেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক ফোন কলে বালোগানের ম্যাচ খেলার কপাল খুলে যায়। ট্রাম্পের ফোন কলের পরেই ফিফা বিবৃতিতে জানায়, বালোগান পরের ম্যাচ খেলতে পারবেন। ফিফার ২৭ অনুচ্ছেদ মেনে তার শাস্তি এক বছরের প্রবেশনারি সময়ের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে।
এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে পরে ফিফার ব্যাপাক সমালোচনা হয়। উয়েফা সে সময় তাদের বিবৃতিতে এমন সিদ্ধান্তকে নজিরবিহীন ও বোধগম্যতাহীন বলে জানায়। আর সেই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ফাইনালই দেখতে যাননি উয়েফার সভাপতি সেফেরিন। এমনটাই নিজেদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম দ্য টামইস। এ ছাড়ার ফিফার আরও অনেক সিদ্ধান্ত নাকি তাকে ফাইনাল দেখা থেকে দূরে রাখছে। সে সব হচ্ছে—সোমালিয়ার রেফারি ওমর আরতানকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়া, যুক্তরাষ্ট্রে ইরানকে বেজক্যাম্প করতে না দেওয়া, হাইড্রেশন ব্রেকসহ আরও কিছু ঘটনা।
তবে উদ্বোধনী ম্যাচ দেখতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন সেফেরিন।




