• ই-পেপার

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হলেন রাশেদ খাঁন

একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (২১ জুলাই)

অনলাইন ডেস্ক
একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (২১ জুলাই)
সিস্টেম লসের নামে গ্যাস চুরি

সিস্টেম লসের নামে গ্যাস চুরি

তীব্র গ্যাসসংকটে শিল্প-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনেও কাঙ্ক্ষিত গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। আবার...

 

শিল্পে বড় ধাক্কা, জিডিপি প্রবৃদ্ধি নেমে ২.২২%

শিল্পে বড় ধাক্কা, জিডিপি প্রবৃদ্ধি নেমে ২.২২%

দেশের অর্থনীতির গতি আরো মন্থর হওয়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ...

 

৩০ জনের দুর্বিষহ জীবন

৩০ জনের দুর্বিষহ জীবন

দুপুরে মেয়ে স্কুল থেকে ফিরবে। গরম ভাত নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন মা আমিনা ইসলাম মিলি; কিন্তু সেদিন আর ফেরেনি তাঁর ১২...

 

তবু মেসির কীর্তি উজ্জ্বল, অমলিন

তবু মেসির কীর্তি উজ্জ্বল, অমলিন

মাঠ তখন প্রায় ফাঁকা। স্পেনের ফুটবলাররা উল্লাসে মেতেছেন, গ্যালারিজুড়ে উৎসবের ঢেউ। অথচ সেই কোলাহলের মধ্যেই এক...

 

দেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের আহবান, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

দেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের আহবান, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরো জোরদারের বার্তা দিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও নৈশভোজে মিলিত হয়েছেন...

 

পেশার প্রতি জমির উদ্দিন সরকারের ছিল অসীম ডেডিকেশন

পেশার প্রতি জমির উদ্দিন সরকারের ছিল অসীম ডেডিকেশন

প্রয়াত রাজনীতিবিদ ও জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারকে নিয়ে স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে...

 

ব্রিটেনবাসী পরিবর্তন প্রত্যাশা করছে

ব্রিটেনবাসী পরিবর্তন প্রত্যাশা করছে

ব্রিটেনের রাজনীতিতে শুরু হলো নতুন নেতৃত্বের অধ্যায়। ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির নতুন নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম...

 

ধরন বদলে বাড়ছে ডেঙ্গুর ঝুঁকি

ধরন বদলে বাড়ছে ডেঙ্গুর ঝুঁকি

দেশে আবার বদলে যাচ্ছে ডেঙ্গুর ধরন। চলতি বছর আক্রান্তদের মধ্যে ডেন-৩ সেরোটাইপ শনাক্ত হয়েছে। সরকারের রোগতত্ত্ব,...

 

উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ১০ জেলায় বন্যার অবনতি

উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ১০ জেলায় বন্যার অবনতি

দেশের অভ্যন্তরে ও উজানে ভারি বৃষ্টিপাত বেড়ে যাওয়ায় উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ১০ জেলার বন্যা পরিস্থিতির...

 

আমরা ধর্মীয় রাজনীতির বিরুদ্ধে : মীর হেলাল

আমরা ধর্মীয় রাজনীতির বিরুদ্ধে : মীর হেলাল

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, দলগতভাবে আমরা...

 

কোটার রায়ের পর আন্দোলনে নতুন মোড়

কোটার রায়ের পর আন্দোলনে নতুন মোড়

২০২৪ সালের ২১ জুলাই ছিল জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন। সেদিন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সরকারি...

 

দুই ভাইয়ের রঙে রঙিন স্পেন

দুই ভাইয়ের রঙে রঙিন স্পেন

বড় ভাই লামিন ইয়ামাল পায়ের জাদুতে মোহ জাগিয়ে আগে থেকেই বিখ্যাত। তবে জনপ্রিয়তায় ইয়ামালের চেয়ে কোনো অংশে পিছিয়ে...

 

আন্দোলনে ভাষা ব্যবহারের ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন

আন্দোলনে ভাষা ব্যবহারের ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন

অনেক সময় একটি দেশের ভবিষ্যেক বোঝা যায় তার শিশু বা কিশোরদের দিকে তাকিয়েই। শিশুরা নিজে থেকে কোনো সমাজকে বদলে দিতে...

 

পুলিশ সদস্যদের আত্মহত্যা কিসের আলামত

পুলিশ সদস্যদের আত্মহত্যা কিসের আলামত

গত ১৮ জুলাই কালের কণ্ঠে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিগত সাড়ে সাত বছরে পুলিশের ৭৯ জন সদস্য আত্মহত্যা করেছেন।...

 

এই দহন আজীবনের

এই দহন আজীবনের

সেদিন আমি মাইলস্টোন কলেজের ক্যাম্পাসে হায়দার আলী ভবনের অদূরে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছিলাম নৌবাহিনীতে কর্মরত...

 

কোর্টপাড়ায় ‘ছোঁয়া নিষেধ’ মারণফাঁদ

কোর্টপাড়ায় ‘ছোঁয়া নিষেধ’ মারণফাঁদ

চাকার ওপর বসানো ভ্রাম্যমাণ ট্রান্সমিটারটির গায়ে শুধু ছোঁয়া নিষেধ ও বিপজ্জনক লিখে সতর্ক করা হয়েছে। নেওয়া হয়নি...

 

মাটির নিচে আল্লাহর সৃষ্টির বিস্ময়

মাটির নিচে আল্লাহর সৃষ্টির বিস্ময়

কোরআনের বিভিন্ন স্থানে আল্লাহ পৃথিবীকে জীবন্ত বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে বৃষ্টির পানি নেমে এলে মৃত...

 

ক্যারিয়ারের দৌড়ে কি জীবনের মূল লক্ষ্য হারিয়ে যাচ্ছে

ক্যারিয়ারের দৌড়ে কি জীবনের মূল লক্ষ্য হারিয়ে যাচ্ছে

বর্তমান সময়টা বেশ প্রতিযোগিতার। তাই বেশির ভাগ মানুষই ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় ভালো বেতন, বড় পদ, উন্নত জীবনযাত্রা ও...

 

‘অনুস্বর সংলাপ’-এ ফেরদৌসী মজুমদার

‘অনুস্বর সংলাপ’-এ ফেরদৌসী মজুমদার

জাতীয় নাট্যশালার স্টুডিও থিয়েটার হলে ২৫ জুলাই, বিকেল ৫টায় অনুষ্ঠিত হবে অনুস্বর সংলাপ ৪। এই অনুষ্ঠানে নিজের জীবন...

 

আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব : প্রধানমন্ত্রী

আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব : প্রধানমন্ত্রী
আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব : প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, ‘আমরা অতীতে একসঙ্গে ছিলাম, আছি এবং একসঙ্গেই থাকব। আপনাদের ছেড়ে যাওয়ার কোনো যুক্তিই নেই। তাই আসুন আগামীতে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি।’

সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ফ্যাসিস্ট সরকার পতন আন্দোলনে শরিক দলের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও নৈশভোজের আগে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

জোট নেতাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমি ছোট ভাই হিসেবে আপনাদের বলবো আমাদের সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে। কারণ, আমাদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক। আসুন আমরা সকলে মিলে জনগণের প্রত্যাশার জায়গাগুলো আগে খুঁজে বের করে তা পূরণ করার চেষ্টা করি। এটা করতে গিয়ে আমাদের মধ্যে কোনো কোনো জায়গায় দ্বিমত হতে পারে, তবে আমাদের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই। ভুল বুঝাবুঝির কোনো অবকাশ নেই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের বড় শক্তি হচ্ছে এই দেশের জনগণ। জনগণের সমর্থন বিএনপিসহ সকল যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর সঙ্গে আছে। তাই আমাদের শক্তি, জোর ততক্ষণ থাকবে যতক্ষণ জনগণের সমর্থন আমাদের সঙ্গে থাকবে এবং সেটা আল্লাহর রহমতে আমাদের সঙ্গে আছে। কাজেই আমাদের মধ্যে যেন কোনো বিভেদ না থাকে, আমরা নিশ্চয়ই আমাদের ৩১ দফার আলোকেই হোক কিংবা জুলাই সনদের আলোকে হোক ইনশাআল্লাহ সকলে মিলে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব।’

একটি বিশেষ দলের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ছিলাম। অথচ আজকে অনেকেই এই সংগ্রামের দাবিদার হতে চায়। আমি নাম উল্লেখ করতে চাই না। তবে যাদেরকে একটি শব্দ ‘গুপ্ত’ ব্যবহার করলেই সাধারণ মানুষ তাদেরকে চেনে।’

তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে তারা কোথায় ছিল, এদেরকে আমরা অনেক খুঁজেছি কিন্তু পাইনি। তবে তাদের কিন্তু রাজপথে না পেলেও যারা এই দেশ থেকে পালিয়ে গেছে, তাদের সঙ্গে বিভিন্নভাবে আমরা দেখেছি। অথচ ৫ আগস্ট স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পরে এই গুপ্ত বাহিনী ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করেছিল। কাজেই আসুন এসব গুপ্তদের হাত থেকে এ দেশকে রক্ষা করতে, দেশের মানুষ আমাদের ওপর যে আস্থা রেখেছে তা ধরে রাখতে ঐক্যবদ্ধ হই।’

বক্তব্যের শুরুতে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, আমরা এখানে অনেকগুলো রাজনৈতিক দল একসঙ্গে বসে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা উপস্থাপন করেছিলাম বাংলাদেশের মানুষের সামনে। আমরা যখন এটি উপস্থাপন করেছিলাম তখন বাংলাদেশের অন্য অনেকগুলো রাজনৈতিক দল সংস্কার নিয়ে অনেক বড় বড় কথা বলেছে। কিন্তু সেই রাজনৈতিক দলগুলোকে আমরা তখন সংস্কারের বিষয়ে কিছু বলতে শুনিনি। কিন্তু আজকে আমরা এই প্যান্ডেলের নিচে যারা বসে আছি, একত্রে আমরা কিন্তু তখন স্বৈরাচারের চোখ রাঙানিকে অপেক্ষা করে রাষ্ট্রের সংস্কারের দফা গুলো আমরা দিয়েছিলাম।’

তিনি বলেন, কাজেই একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি মনে করি, যে ৩১ দফা আমরা সকলে মিলে বসে রচনা করেছিলাম, সেই ৩১ দফার পক্ষে বাংলাদেশের জনগণ রায় দিয়েছে এবং এটি বাংলাদেশের জনগণের ৩১ দফা হয়ে গেছে। কাজেই এটি বাস্তবায়নে আমরা সমমনা যারা আছি, সকলে মিলে কাজ করতে হবে।

ক্ষমতা গ্রহণের পরে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের কী ধরনের বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল তার চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত ১৭ বছর স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া পুরো দেশ ছিল বিধ্বস্ত। ইকোনমি, জ্বালানি, বিদুৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ প্রত্যেকটি ব্যবস্থা ছিল ভঙ্গুর। এই অবস্থায় আমরা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছি। তারপরেও আমরা রাতদিন পরিশ্রম করার মাধ্যমে চেষ্টা করেছি কীভাবে দেশের মানুষকে একটু স্বস্তি দেওয়া যায়। শতভাগ পেরেছি কিনা জানি না, তবে আমরা চেষ্টা করেছি এবং করে যাচ্ছি। শতভাগ না হলেও নিশ্চয়ই কেউ অস্বীকার করবে না-একদম নতুন একটি সরকার হিসেবে যেভাবে কাজ করছি, তাতে মানুষজনকে কিছুটা হলেও আমরা কমফোর্ট দিতে সক্ষম হয়েছি। আগামীতে সরকার পরিচালনায় সকলকে আহ্বান জানাব আমাদের পাশে থাকার।’

এর আগে, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় যমুনায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী শরিক দল ও জোট নেতাদের টেবিলে টেবিলে গিয়ে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

কুশল বিনিয়ম পর্বের পর নেতাদের নিয়ে রাতে খাবার টেবিলে বসেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

অনুষ্ঠান শুরু হয় পবিত্র কোরআন তেলোয়াতের মধ্য দিয়ে। কোরআন তেলোয়াত করেন ইসলামী ঐক্যজোটের শওকত আমিন।

শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক সাইফুল হক, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, বরকত উল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বুফে দাঁড়িয়ে শরিক নেতাদের সঙ্গে খাবার নেন এবং শরিক নেতাদের সঙ্গে এক টেবিলে খাবার খান। এ টেবিলে ছিলেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ, বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, ভাসানী জনশক্তি পার্টির শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু।

জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, জমিয়তে উলামায়ে মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম, সাম্যবাদী দলের নুরুল ইসলাম, ইসলামিক পার্টির আবুল কাসেম, কল্যাণ পার্টির শামসুদ্দিন পারভেজ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার খন্দকার লুৎফুর রহমান, ডেমোক্রেটিক লীগের মহিউদ্দিন কাদরি শওকত, খোকন চন্দ্র দাস, বাংলাদেশ ন্যাপের শাওন সাদেকী, ন্যাপ ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, বিকল্প ধারা বাংলাদেশ-এর নুরুল আমিন ব্যাপারি, গণ দলের এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আবদুল করীম, বাংলাদেশ সংখ্যালঘু জনতা পার্টির সুকৃতি কুমার মন্ডল, গণফোরামের মিজানুর রহমান, গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নূর, ফারুক হাসান, আম জনতা দলের অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মিয়া মসিউজ্জামান, আম জনতার দলের তারেক রহমান, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল) সাধারণ সম্পাদক হারুন চৌধুরী, ইউনাইটেড লিবারেল পার্টির আমিনুল ইসলাম, খন্দকার আহসান হাবিব, জনতার অধিকার পার্টির তারিকুল ইসলাম ভুঁইয়া, এম এ আর রাজা রহমান, এনডিপির একাংশের কেএস আবু তাহের, অপর অংশের আবদুল্লাহ আল হারুন, এনডিএমের ববি হাজ্জাজ, বিএনপির শাহাদাৎ হোসেন সেলিম, রেদোয়ান আহমেদসহ ৪১ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার্থীদের হাতে পরিবেশবান্ধব স্কুল ব্যাগ পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার : পাট প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষার্থীদের হাতে পরিবেশবান্ধব স্কুল ব্যাগ পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার : পাট প্রতিমন্ত্রী
বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম।

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম বলেছেন, ‘পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের প্রতিটি উপজেলার একটি করে নির্বাচিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে পাটের স্কুল ব্যাগ প্রদান করা হবে। এ উদ্যোগ সফল হলে পরবর্তী সময়ে সারা দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাটের ব্যাগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশবান্ধব পাটের স্কুল ব্যাগ প্রদানের এ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।’

আজ সোমবার বিকেলে সাভারের জৈনাবাড়ীতে জুট ফাইবার বিডির ব্যাগ উৎপাদন কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি পাইলট প্রকল্পের আওতায় উৎপাদিত পাটের স্কুল ব্যাগের কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।

তিনি বলেন, ‘দেশের ৪৯৫টি উপজেলার প্রতিটি থেকে একটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্বাচন করা হয়েছে। প্রতি বিদ্যালয়ে গড়ে ২০০ জন শিক্ষার্থী বিবেচনায় পাইলট পর্যায়ে ৯৯ হাজার শিক্ষার্থীকে পাটের স্কুল ব্যাগ দেওয়া হবে। ব্যাগ উৎপাদনের কাজে ৫৪ জন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে নির্বাচন করা হয়েছে এবং জেডিপিসি পিএলসির মাধ্যমে এসব ব্যাগ সংগ্রহ করা হবে।’

পাট শিল্পের রপ্তানি বৃদ্ধির উদ্যোগ সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে প্রয়োজনীয় পাট বীজ আমদানি করতে হয়। পাটের বীজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয় একসঙ্গে কাজ করছে। একই সঙ্গে পাট চাষিদের প্রশিক্ষণ ও ঋণ প্রদান এবং পাটজাত পণ্য উৎপাদনকারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘দেশের অনেক নদী, নালা ও খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় পাট জাগ দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে কৃষকেরা সময়মতো পাট জাগ দিতে পারছেন না, যা পাটের গুণগত মান ও উৎপাদনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ সমস্যা সমাধানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে ইতোমধ্যে খাল খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পাট চাষি ও পাট শিল্পকে সুরক্ষা দিতে সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

এ সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় জাকাত বোর্ড আরো কার্যকর করতে বিশেষ কমিটির সভা

অনলাইন ডেস্ক
জাতীয় জাকাত বোর্ড আরো কার্যকর করতে বিশেষ কমিটির সভা
সংগৃহীত ছবি

দেশে জাকাতব্যবস্থার আধুনিকায়ন, জাকাত সংগ্রহ ও বিতরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং জাকাত বোর্ডকে আরো কার্যকর ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গঠিত বিশেষ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৯ জুলাই) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। আজ সোমবার ধর্মমন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। 

সভায় জাকাত ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সুশাসন নিশ্চিতকরণ, উপকারভোগী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং জাকাত তহবিলের কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। একই সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ে জাকাত ব্যবস্থাকে আরো যুগোপযোগী ও জনকল্যাণমুখী করে তুলতে বিভিন্ন সুপারিশ নিয়েও মতবিনিময় করেন কমিটির সদস্যরা।

সভায় জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার, ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ (এনডিসি), ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুহিবুল্লাহহিল বাকী, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ, ইসলামী অর্থনীতিবিদ মাওলানা আবদুল্লাহ মাসুমসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা মত দেন, জাকাত ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রযুক্তিনির্ভর কাঠামোর আওতায় এনে এর সংগ্রহ ও বণ্টন প্রক্রিয়াকে আরো স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং কার্যকর করা গেলে দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক বৈষম্য হ্রাসে যাকাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।