তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় বা শেষ টি-টোয়েন্টিতে তানজিদ হাসানের ব্যাটে ভর করে সহজ জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের দেওয়া ১৪৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৫ হারিয়ে জেয়র বন্দরে পৌঁছে যায় সফরকারীরা। এতে সিরিজও জিতে নেয় টাইগাররা।
বুলাওয়ে সিরিজ নির্ধারিত ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান করে।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৯ ওভার ৪ বলে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রান তুলে নেয় বাংলাদেশ। তানজিদ তামিমের দায়িত্বশীল ফিফটিতে ৪ উইকেটে জিতে সিরিজ নিজের করে নেয় সফরকারীরা।
রান তাড়ায় শুরুটা ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ। ৫ বলে ৪ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন সাইফ হাসান।
তিন নম্বরে উইকেটে আসা পারভেজ হোসেন ইমন এর সাথে ঝুটি করেন তানজির হাসান তামিম। দুজনের পেটে পাল্টা আক্রমণ করে বাংলাদেশ। ২২ বলে ২৪ রান করে এমন ফিরলে ভাঙ্গে তাদের ৫৫ রানের জুটি।
এরপর তাওহীদ হৃদয় কে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যান তামিম। তবে ব্যাটিং করতে থাকা হৃদয় দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি। ১৯ বলে ২৪ রান করে ফেলেন টাইগারদের নেতৃত্ব দেওয়া হৃদয়। ইয়াসির আলী চৌধুরী রাব্বি, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত দ্রুত ফিরলে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ।
তবে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছেড়েছেন তামিম। তুলে নিয়েছেন টি২০ ক্যারিয়ারের আরো একটি ফিফটি। শেষ পর্যন্ত ৫৮ বলে ৬৬ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি।
জিম্বাবুয়ের হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন রিচার্ড এনগারাভা, ব্রাড ইভান্স ও সিকান্দার রাজা।
এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ে। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ওপেনার তাদিওয়ানাশে মারুমানিকে ফিরিয়ে দেন স্পিনার শেখ মেহেদী হাসান। মাত্র ৬ রানে প্রথম উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। এরপর ব্রায়ান বেনেট ও ডিয়ন মায়ার্স মিলে দলের হাল ধরেন। তবে জুটি বড় হওয়ার আগেই বেনেটকে ফিরিয়ে দেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ৩৮ বলে ৪৭ রান করেন এই ব্যাটার।
অন্যদিকে মায়ার্স একপ্রান্ত আগলে রেখে তুলে নেন ফিফটি। কিন্তু বাংলাদেশের বোলারদের ধারাবাহিক চাপের মুখে স্বস্তিতে ব্যাট করতে পারেননি জিম্বাবুয়ের পরের সারির ব্যাটাররা। অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ৩ রান করে রিশাদ হোসেনের শিকার হন। রায়ান বার্লকে ৭ রানে ফেরান আবদুল গাফফার সাকলাইন।
শেষ দিকে রিশাদ হোসেনের দুর্দান্ত থ্রোতে রানআউট হন ব্র্যাড ইভান্স। এরপর সাইফউদ্দিনের বলে ফিরে যান ক্লাইভ মাদান্দে। শেষ ওভারে ৫৩ বলে ৭৩ রান করে মায়ার্স আউট হলে জিম্বাবুয়ের ইনিংস থামে ১৪৩ রানে। বল হাতে সাইফউদ্দিন নেন ২টি উইকেট।




