• ই-পেপার

বিশ্বকাপের ১২ গ্রুপ নিয়ে অপ্টার ভবিষ্যদ্বাণী, কারা এগিয়ে?

কার্টুন দেখে আইপিএল মাতানো বৈভবকে নিয়ে মুগ্ধ কুক-ভন

ক্রীড়া ডেস্ক
কার্টুন দেখে আইপিএল মাতানো বৈভবকে নিয়ে মুগ্ধ কুক-ভন
বৈভব সূর্যবংশী

মাত্র ১৫ বছর বয়সেই আইপিএলে রীতিমতো ঝড় তুলেছেন বৈভব সূর্যবংশী। রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে ২০২৬ মৌসুমে ৭৭৬ রান করে হয়েছেন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। জিতেছেন মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার, এমার্জিং প্লেয়ার, সুপার স্ট্রাইকার এবং সুপার সিক্সেস পুরস্কারও।

তার এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর জাতীয় দলে ডাকের দাবি জোরালো হয়েছে। আর এবার বৈভবকে নিয়ে প্রশংসায় ভাসালেন ইংল্যান্ডের দুই সাবেক অধিনায়ক অ্যালিস্টার কুক ও মাইকেল ভন।

আরো পড়ুন
বিশ্বকাপের ১২ গ্রুপ নিয়ে অপ্টার ভবিষ্যদ্বাণী, কারা এগিয়ে?

বিশ্বকাপের ১২ গ্রুপ নিয়ে অপ্টার ভবিষ্যদ্বাণী, কারা এগিয়ে?

 

এক পডকাস্টে কুক বলেন, ‘ওর (বৈভব সূর্যবংশী) ব্যাটিংয়ে সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, আগে থেকে কিছু ঠিক করে রাখে না। বেশিরভাগ ব্যাটার নির্দিষ্ট জায়গায় বল পেলেই বড় শট খেলে। কিন্তু বৈভবের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা ভিন্ন। ৯৯ মাইল গতির বলও শেষ মুহূর্তে দেখে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ছক্কা মারতে পারে। এটাই ওকে আলাদা করে।’

অন্যদিকে মাইকেল ভন শোনালেন বৈভবকে নিয়ে একটি মজার অভিজ্ঞতা।

মুম্বাইয়ে রাজস্থান রয়্যালস ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের সময় বৈভবের সঙ্গে দেখা হয়েছিল তার। তখন তরুণ ব্যাটারের কাছে ম্যাচ প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন ভন।

ভনের ভাষ্য, “আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, ম্যাচের জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নাও? সে বলল, ‘কার্টুন দেখি।’ এরপর জিজ্ঞেস করলাম, অনুশীলন করো? সে বলল, ‘না।’ কী খাও? উত্তরে বলল, ‘সবকিছু।’ তখন আমি ভাবলাম, এটাই হয়তো আধুনিক ক্রিকেটার—কার্টুন দেখে, যা ইচ্ছা খায়, তারপর মাঠে নেমে বল গ্যালারিতে পাঠায়।”

আরো পড়ুন
রুটের অমরত্বের পথে যাত্রা, লর্ডসে ১৫০তম টেস্ট

রুটের অমরত্বের পথে যাত্রা, লর্ডসে ১৫০তম টেস্ট

 

আইপিএলের প্লে-অফে দুটি ৯০ রানের ইনিংস খেলে আরও আলোচনায় আসেন বৈভব। পুরো আসরে ২৩৭.৩১ স্ট্রাইক রেটে ৭২টি ছক্কা মেরে নতুন রেকর্ডও গড়েন তিনি।

আগামীতে ভারত ‘এ’ দলের হয়ে শ্রীলঙ্কায় ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবেন বৈভব। এছাড়া আয়ারল্যান্ড সফরের জন্য ভারতীয় জাতীয় দলেও তার সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় ইয়ামাল, হালান্ড-এমবাপ্পের কত

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় ইয়ামাল, হালান্ড-এমবাপ্পের কত

বিশ্বকাপের আগে বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া গবেষণা কেন্দ্রের (সিআইইএস) স্বীকৃতি পেলেন স্প্যানিশ তারকা লামিনে ইয়ামাল। 

সিআইইএস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, লামিনে ইয়ামালের বর্তমান বাজার মূল্য ৩৪৩ মিলিয়ন ইউরো। 

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আর্লিং হালান্ডের বর্তমান বাজার মূল্য ২৫৫ মিলিয়ন ইউরো। কিছুদিন আগেও বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় হিসেবে থাকা কিলিয়ান এমবাপ্পের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ২০১ মিলিয়ন ইউরো। 

এছাড়াও এবারের বিশ্বকাপে দামি খেলোয়াড় হিসেবে বিশেষ নজর থাকবে রিয়াল তারকা যুড বেলিংহাম, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং বায়ার্ন মিউনিখের ফরাসি উইঙ্গার মাইকেল ওলিসের দিকে।

মিডফিল্ডার হিসেবে বিশেষ নজর থাকবে পিএসজির পর্তুগিজ তারকা ভিতিনিয়া ও জোয়াও নেভেসের দিকে।

রুটের অমরত্বের পথে যাত্রা, লর্ডসে ১৫০তম টেস্ট

ক্রীড়া ডেস্ক
রুটের অমরত্বের পথে যাত্রা, লর্ডসে ১৫০তম টেস্ট

ক্রিকেটের ‘মক্কা’ খ্যাত লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড ইতিহাসের আরেকটি মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে। ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ক্রোথর্প ট্রফির প্রথম ম্যাচ দিয়ে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে লর্ডসের ১৫০তম টেস্ট।

১৮৮৪ সালে প্রথম টেস্ট আয়োজনের পর বিশ্বের আর কোনো ভেন্যুতে এত বেশি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়নি। এখন পর্যন্ত লর্ডসে ইংল্যান্ড খেলেছে ১৪৬টি টেস্ট। এর মধ্যে জয় ৬০টি, হার ৩৫টি এবং ড্র হয়েছে ৫১টি।

অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের জন্য লর্ডস সুখকর স্মৃতির ভেন্যু নয়। ১৯৩১ সালের পর থেকে এই মাঠে ১৯টি টেস্ট খেলে কিউইরা জিতেছে মাত্র একবার। ১৯৯৯ সালে সর্বশেষ জয় পাওয়ার পর লর্ডসে তাদের সাফল্যের দেখা মেলেনি।

এই ম্যাচে ব্যক্তিগত মাইলফলকের সামনেও রয়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক বেন স্টোকস। টেস্ট ক্রিকেটে ২৫০ উইকেট পূরণ করতে তার প্রয়োজন আর মাত্র পাঁচ উইকেট। ১২০ টেস্টে বর্তমানে তার উইকেট সংখ্যা ২৪৫।

শুধু টেস্ট নয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করতেও স্টোকসের দরকার আর পাঁচ উইকেট। ফলে লর্ডসের ঐতিহাসিক ম্যাচটি তার জন্যও বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

এদিকে ইংল্যান্ডের তারকা ব্যাটার জো রুটও রয়েছেন রেকর্ডের খুব কাছে। টেস্ট ক্রিকেটে ১৪ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করতে তার প্রয়োজন মাত্র ৫৭ রান।

বর্তমানে ১৬৩ টেস্টে রুটের সংগ্রহ ১৩,৯৪৩ রান। টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক শচিন টেন্ডুলকারের ১৫,৯২১ রানের রেকর্ড ভাঙার দৌড়েও রয়েছেন তিনি।

লর্ডসে রুটের পরিসংখ্যানও ঈর্ষণীয়। এই মাঠে ২৩ টেস্টে তিনি করেছেন ২,১৬৬ রান, যার মধ্যে রয়েছে আটটি সেঞ্চুরি ও সাতটি ফিফটি।

ঐতিহাসিক ১৫০তম টেস্টে তাই শুধু ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড দ্বৈরথ নয়, ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখ থাকবে রুট ও স্টোকসের সম্ভাব্য নতুন মাইলফলকের দিকেও।

‘১০ নম্বর জার্সি নেইমারের’—স্পষ্ট জানালেন ভিনিসিয়ুস

ক্রীড়া ডেস্ক
‘১০ নম্বর জার্সি নেইমারের’—স্পষ্ট জানালেন ভিনিসিয়ুস

ব্রাজিলের কিংবদন্তি ১০ নম্বর জার্সি নিয়ে সব জল্পনার অবসান ঘটালেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। রিয়াল মাদ্রিদ তারকা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সির প্রকৃত মালিক নেইমার এবং সেটি তার কাছেই ফিরে যাবে।

ব্রাজিলের জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেল কাজেটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভিনিসিয়ুস বলেন, ‘বিশ্বকাপে আমি কোন নম্বর পরব, তা এখনো জানি না। তবে ১০ নম্বর জার্সি নেইমারের, এটা একেবারেই স্পষ্ট।’

২০২৩ সালের অক্টোবরে গুরুতর হাঁটুর চোটে পড়ার পর দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন নেইমার। তার অনুপস্থিতিতে ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি বিভিন্ন সময়ে পরেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রোদ্রিগো ও রাফিনিয়া।

তবে চোট কাটিয়ে নেইমার জাতীয় দলে ফেরায় বিশ্বকাপে আবারও তার গায়েই দেখা যাবে ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী ১০ নম্বর জার্সি।

ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে ১০ নম্বর জার্সির আলাদা মর্যাদা রয়েছে। পেলে, জিকো, রিভালদো, রোনালদিনহো ও কাকার মতো কিংবদন্তিরা এই জার্সি পরেছেন। এবার নেইমার ইতিহাস গড়তে যাচ্ছেন চারটি ভিন্ন বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি পরে মাঠে নামা প্রথম ফুটবলার হিসেবে।

৩৪ বছর বয়সী নেমার বর্তমানে ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। জাতীয় দলের হয়ে ১২৮ ম্যাচে তার গোল ৭৯টি। দীর্ঘ চোটের পর সান্তোসের হয়ে দারুণ ফর্মে ফিরে জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে ভিনিসিয়ুসের নতুন জার্সি নম্বর নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদে তিনি ৭ নম্বর জার্সি পরেন এবং বিশ্বকাপেও সেই নম্বরটি পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এছাড়া ২০ নম্বর জার্সিও একটি সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আগামী ১৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ব্রাজিল। গ্রুপ পর্বে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ হাইতি ও স্কটল্যান্ড।